Maintance

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান অ্যাকসেঞ্চার কর্মীরা

প্রকাশঃ ৯:১৭ অপরাহ্ন, জুলাই ২৯, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৯:১৯ অপরাহ্ন, জুলাই ২৯, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : হঠাৎ করেই কোম্পানি বন্ধের ঘোষণায় চাকরি হারাতে যাওয়া অ্যাকসেঞ্চার কর্মীরা সংকট উত্তরণে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবে ইউনি-বিএলসি আয়োজিত শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাকসেঞ্চার কর্মীরা নিজেদের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বেগের কথা জানান। কিংকর্তব্যবিমূঢ় এসব কর্মীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহায্য চাইছেন।

অ্যাকসেঞ্চার-টেলিনর রেষারেষি ও লেনদেন সংক্রান্ত সংকটের কারণেই কোম্পানিটি চলে যাচ্ছে উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে অ্যাকসেঞ্চার অ্যামপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি ইব্রাহীম হোসেন বলেন, আমাদের কর্মীরা দক্ষ নয় এটা একদম সত্যি নয়। বরং আমাদের কাজের দক্ষতায় বিভিন্ন দেশের প্রশংসা রয়েছে। বাজারে খোঁজ নিলে দেখা যাবে যে, অ্যাকসেঞ্চারের মতো দক্ষ কর্মী খুব কমই আছে।

সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ বলেন, হঠাৎ করেই এই চাকরি হারানো কর্মীরা কোথায় যাবে?

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, অ্যাকসেঞ্চার উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোম্পানি বন্ধ ও চাকরিচ্যুতি করছে। এছাড়া চাকরিচ্যুত কর্মীদের অপ্রতুল আর্থিক সুবিধা দিয়ে কোনোভাবে দায় সারতে চাচ্ছে।

ইব্রাহীম হোসেন জানান, অ্যাকসেঞ্চার খ্যাতনামা কোম্পানি। তারা যখন এখানে ব্যবসা শুরু করে তখন ২৫ হাজার কর্মী নেবে এমন আশা দিয়েই আমাদের কাজ করতে বলেছে। কিন্তু তা হয়নি।

‘যেদিন তারা ঘোষণা দিল যে কোম্পানি বন্ধ করে দেবে তার আগে সপ্তাহে অ্যাকসেঞ্চারে রেগুলার কর্মী যোগাদান করিয়েছে। যাদের কেউ কেউ রবির মতো কোম্পানি ছেড়েও এসেছে।’

তিনি বলেন, যেদিনই ঘোষণা দেয়া হয়েছে যে কোম্পানি বন্ধ হচ্ছে সেদিনই ১৫৬ জনের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। টেলিনর পাকিস্তানসহ দুটি দেশে সেদিনই সেটা টেকওভার করা হয়েছে। আসলে বাংলাদেশ হতে কোম্পানি গুটিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া পেছন হতে গত কয়েক মাস ধরে চলছিল।

১৮ জুলাই মার্কিন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাকসেঞ্চার বাংলাদেশ কার্যালয়ের ৫৫৬ কর্মীকে একসঙ্গে ছাঁটায়ের নোটিশ দেয়। আর প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান কর্মী সংখ্যা এটিই।

চলতি বছরের নভেম্বর হতে এই ছাঁটাই কার্যকর হবে। আর এই ছাঁটাই কোম্পানিটির বাংলাদেশ কার্যক্রম গুটিয়ে নেয়ার অংশ বলে বলছে কোম্পানিটির বিভিন্ন উর্ধ্বতন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউনি-বিএলসি সভাপতি আমজাদ আলী খান এবং লিখিত বক্তব্য পড়েন সংগঠনটির নিবার্হী সম্পাদক এবং সমন্বয়কারী একেএম মোস্তফা কামাল।

 আল-অামীন দেওয়ান

*

*

Related posts/