Maintance

অবশেষে একীভূতকরণের স্বীকৃতি পেল রবি

প্রকাশঃ ১:৪৩ পূর্বাহ্ন, জুলাই ২১, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ২:১৭ অপরাহ্ন, জুলাই ২২, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : নানা টানাপোড়েন ও জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে এয়ারটেলের সঙ্গে একীভূতকরণের লাইসেন্স পেয়েছে রবি।

বৃহস্পতিবার টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির কাছ থেকে ‘অর্ডার অব মার্জার অব লাইসেন্স’ নিয়ে গেছে অপারেটরটি।

বিটিআরসি সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

প্রায় দশ মাসে একীভূতকরণের অনুমোদন পাওয়ার পর গত কয়েক মাসে শীর্ষ এ দুই অপারেটর কার্যত রবির মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে। তবে আর্থিক দেনাপাওনার হিসাব সংক্রান্ত জটিলতায় বিটিআরসি এতদিন এ লাইসেন্স দেয়নি।

তবে এখন এমন প্রশ্ন অনেকেরই যে, এই সার্টিফিকেট ছাড়া একীভূত হয়ে কীভাবে এতদিন ব্যবসা করল অপারেটরটি? যদিও এর আগে রবি একাধিকবার বলেছে, বিটিআরসি হতে একীভূতকরণ বিষয়ে তাদের এ ধরণের কোনো লাইসেন্স নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

লাইসেন্স পাওয়াসহ এসব বিষয়ে জানতে রবির কমিউনিকেশন অ্যান্ড কর্পোরেট রেসপনসিবিলিটি বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কাউকে পাওয়া যায়নি।

robi-airtel-techshohor

সূত্র জানায়, শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই বিটিআরসির দাবি করা বাড়তি টাকা ও ভ্যাট সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ব্যাংক গ্যারান্টি দিয়েই ‘অর্ডার অব মার্জার অব লাইসেন্স’ বুঝে নিয়েছে রবি।

ইতোমধ্যে তারা এয়ারটেলের ৩ দশমিক ৪ মেগাহার্জ তরঙ্গ বিটিআরসিকে ফেরত দিয়েছে।

২০১৬ সালের ২৬ অক্টোবর মোট ২১ শর্ত দিয়ে রবি ও এয়ারটেলের একীভূতকরণ অনুমোদন দেয় বিটিআরসি। ১০০ কোটি টাকা একীভূতকরণ ফি ও ৩০৭ কোটি টাকা এয়ারটেলের তরঙ্গ সমন্বয় ফি হিসেবে মোট ৪০৭ কোটি টাকা, যা ভ্যাট-ট্যাক্স মিলে ৪২৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়।

এর মধ্যে ২০ নভেম্বর ৩১৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা পরিশোধ করে রবি। বাকি ১০৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা দুই কিস্তিতে পরিশোধের কথা থাকলেও তা দেয়নি অপারেটরটি। শর্ত প্রতিপালন না করায় অনুমোদনের পরও এতদিন একীভূতকরণ চূড়ান্তের বিষয়টি ঝুলে ছিল।

এ দীর্ঘ সময়ে একীভূতকরণের শর্ত পূরণ নিয়ে রবিকে বেশ কয়েক দফা চিঠি দেয় বিটিআরসি। পরে শোকজও করে। একীভূতকরণ বাতিলের হুমকিও দেয়।

পরে টাকা পয়সা পরিশোধের শর্তে অর্ডার অব মার্জার অব লাইসেন্স নিতে বিটিআরসির কাছে আবেদন করলে এ জটিলতা নিরসন হয়।

আল-আমীন দেওয়ান

*

*

Related posts/