Maintance

দেশে ফোরজি ইন্টারনেটের গতি হবে এক জিবিপিএস

প্রকাশঃ ৮:৩৯ অপরাহ্ন, জুলাই ৬, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, জুলাই ৮, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশে চতুর্থ প্রজন্মের (ফোরজি) টেলিকম সেবার গতি এক জিবিপিএস নির্ধারণ করার কথা বলা হয়েছে। সরকারের ফোরজি নীতিমালার খসড়ায় একই সঙ্গে সর্বনিম্ন গতি ১০০ এমবিপিএস করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে মহাসড়কে চলার সময় এবং ট্রেনে ভ্রমনের সময় ইন্টারনেটের সর্বনিম্ন গতি হতে পারে। তবে তারপরেও ফোরজিতে এই গতি ১০০ এমবিপিএস-এর নীচে নামতে পারবে না।

খসড়া এই নীতিমালার ওপর মতামত সংগ্রহের জন্যে নয় দিনের সময় দিয়ে মঙ্গলবার টেলিযোগাযোগ বিভাগ এটি নিজেদের ওয়েবসাইটে দিয়েছে। খসড়া নীতিমালাটি প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন। 

তবে গতি নির্ধারণের এই প্রক্রিয়াকে হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো। তারা বলছে, ৫ এমবিপিএস-এর ওপরের গতির মোবাইল ইন্টারনেটকেই ফোরজি বা এলটিই হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি বড় অপারেটরের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ১০০ এমবিপিএস থেকে এক জিবিপিএস গতির ফোরজি সেবা চালু করা যে সম্ভব নয় তা নয়। তবে তার জন্যে খরচ হবে স্বাভাবিকের চেয়ে অন্তত দশগুণ। এই খরচ তারা করলেও এমন খরচের ইন্টারনেট গ্রাহকরা পেতে চাইবেন না। ফলে এটি তাদের জন্য ব্যবসা সফলও হবে না।

এর মধ্যে বড় তিনটি অপারেটরই ফোরজি নিয়ে তাদের নেটওয়ার্কে নানা পরীক্ষা চালিয়েছে। যেখানে তারা ৫০ থেকে ৯০ এমবিপিএস গতির ডেটা ডাউনলোড করতে পেরেছে।

লাইসেন্সের খসড়ায় বলা হয়েছে, লাইসেন্স নেয়ার প্রথম নয় মাসের মধ্যে সকল বড় শহরে ফোরজির সেবাটি নিয়ে যেতে হবে। আর ১৮ মাসের মধ্যে সেটি নিয়ে যেতে হবে জেলা শহরগুলোতেও।

আর লাইসেন্সের পাঁচ বছরের মধ্যে সকল উপজেলা, মহাসড়ক এবং রেললাইনসহ লোকজনের যাতায়াতের স্থানে ফোরজির সেবা থাকতে হবে। যেসব এলাকায় অপারেটরগুলো সেবা চালু করবে সেখানে আর কোনো অবস্থায় বিটিআরসির অনুমোদন ছাড়া সেবা বন্ধ করতে পারবে না তারা।

আল-আমীন দেওয়ান

আরও পড়ুন: 

*

*

Related posts/