জনপ্র্রিয়তার আড়ালে থাকা বাঁকানো পর্দার ৪ ফোন

টেক শহর ডেস্ক: শীর্ষ মোবাইল ফোন নির্মাতা স্যামসাং সম্প্রতি বাঁকানো পর্দার স্মার্টফোন গ্যালাক্সি রাউন্ড বাজারে ছেড়েছে। যদিও দক্ষিণ কোরিয়ার সীমানা পেরোয়নি নতুন এ ফোন। এর কিছুদিন আগে প্রতিদ্বন্দ্বী এলজিও একই ধরনের  ফোন তৈরির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়। তবে এমন উদ্যোগ এবারই যে প্রথম তা কিন্তু নয়। এর আগেও বিভিন্ন কোম্পানি বাঁকানো পর্দার মোবাইল ফোন তৈরি করলেও সেগুলো তেমন জনপ্রিয়তা পায়নি।

স্যামসাংয়ের ফোনের পর্দা আড়াআড়িভাবে বাঁকানো হলেও এটি ফিক্সড। এটিকে ইচ্ছেমতো বাঁকানো যায় না। তবে এলজির ফোনটি ফ্লেক্সিবল হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

স্মার্টফোনের নতুন সব উদ্ভাবন ও নকশায় বৈচিত্র্য আসছে হরহামেশাই। সব মিলিয়ে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাঁকানো পর্দার স্মার্ট ডিভাইসগুলো হতে যাচ্ছে ‘নেক্সট বিগ থিং’। কিন্তু এর সব কৃতিত্বই কি এলজি বা স্যামসাংয়ের? মোটেই তা নয়। আরও বেশ কয়েকটি কোম্পানি এর আগে চেষ্টা করলেও জনপ্রিয়তার বিচারে তেমন সফল হয়নি।

স্যামসাং নেক্সাস এস
গাইতে গাইতে গায়েন- কথাটি স্যামসাংয়ের জন্য খুবই প্রযোজ্য। আজকের পর্যায়ে পৌঁছাতে তাদের অনেক চড়াই উৎরাই পেরোতে হয়েছে। ২০১১ সালে অ্যান্ড্রয়েডচালিত একটি বাঁকানো পর্দার  মোবাইল ফোন বাজারে ছেড়েছিল। নেক্সাস এস নামের এ ফোন বাজারে তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি। অ্যামোলেড ডিসপ্লের এ ফোনটির কার্ভেচার (বক্রতা) খুবই সামান্য ছিল। এটি থেকে পাওয়া শিক্ষাই হয়তো গ্যালাক্সি রাউন্ড তৈরিতে কাজে লাগিয়েছে স্যামসাং।

বাঁকানো পর্দার ফোন, টেক শহর
মাইক্রোসফট কিন
২০১০ সালে সামাজিক নেটওয়ার্ক মাধ্যমগুলোর জনপ্রিয়তার তুঙ্গের সময় গোলাকার একটি ফোন বাজারে আনে মাইক্রোসফট। অদ্ভুত আকৃতির ও উচ্চমূল্যের এ ফোনটি জনপ্রিয়তা না পেলেও বাঁকা আকৃতির জন্য ভিন্ন ক্যাটাগরিতে স্থান পাওয়ার যোগ্য।

কিউরিটেল আইডেনটিটি
প্রায় দশ বছর আগে টিনেজারদের কথা মাথায় রেখে বাঁকা একটি মোবাইল ফোন তৈরি করেছিল কিউরিটেল নামে একটি প্রতিষ্ঠান। এটি উপর-নিচ নয়, পাশাপাশি বাঁকা ছিল! অনেকটা খেলনা ধাঁচের ফোনটিতে মজার বিভিন্ন ফিচার যুক্ত করা হয়েছিল। তবে দাম ছিল অত্যধিক, যে কারণে বাজারে তেমন জনপ্রিয়তা পায়নি।

সিমেন্স জেলিব্রি
২০০৩ সালে জনপ্রিয় ফ্রাঞ্চাইজ স্টার ট্রেকের গ্যাজেটের অনুকরণে একটি মোবাইল ফোন বাজারে ছেড়েছিল সিমেন্স। শীর্ষ ডিজাইনার ও সেলিব্রেটিদের কথা মাথায় রেখে দারুণ ‘স্টাইলিশ’ এ  ফোনটি তৈরি করা হয়। অবশ্য বিক্রি তেমন না হওয়ায় এক বছরের মধ্যে এর উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

– শাহরিয়ার হৃদয়, টেক শহর ডেস্ক

 

 

 

 

Related posts

*

*

Top