Maintance

উম্মুক্ত ফোরজি নীতিমালা, মতামত জানাতে ৯ দিন সময়

প্রকাশঃ ৮:৩৬ অপরাহ্ন, জুলাই ৫, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১০:১৯ পূর্বাহ্ন, জুলাই ৬, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : মতামত নিতে ফোরজি নীতিমালা উম্মুক্ত করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। মঙ্গলবার নিজেদের ওয়েবসাইটে নীতিমালার খসড়া আপলোড করে দেয়া হয়েছে। ।

১২ জুলাই পর্যন্ত সময়ে এই নীতিমালা নিয়ে লিখিতভাবে যেকোনো মতামত জানাতে পারবেন যে কেউ।  চলতি বছরের জুনে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) নীতিমালার খসড়া তৈরি করে তা সরকারের অনুমোদনের জন্য টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠিয়েছিল।

বিটিআরসির তৈরি করা এই খসড়া নীতিমালায় একটি নতুন মোবাইল ফোন অপারেটরকে বাংলাদেশের বাজারে ব্যবসা করার লাইসেন্স দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

১৫ বছরের এই লাইসেন্সের জন্য এককালীন ফি ধরা হয়েছে ১৫ কোটি টাকা। আর লাইসেন্সের বার্ষিক ফি সাড়ে সাত কোটি টাকা। তবে প্রতিটি ফির সঙ্গেই বাড়তি ১৫ শতাংশ ভ্যাট রাখা হয়েছে।

4G-techshohor

নতুন অপারেটরসহ বর্তমানে চালু থাকা চারটি থ্রিজি অপারেটরই এই লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য হবে। লাইসেন্সের জন্য সবাইকেই নতুন করে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি পাঁচ লাখ টাকা।

লাইসেন্স পাওয়ার পর অপারেটরগুলোকে দেড়’শ কোটি টাকার ব্যাংক জামানত দিতে হবে, যা পর্যায়ক্রমে সেবা বিস্তারের শর্ত পূরণ করার পর ছাড় করবে বিটিআরসি।

এতে বলা হচ্ছে, লাইসেন্স নেয়ার প্রথম নয় মাসের মধ্যে সকল বড় শহরে সেবাটি নিয়ে যেতে হবে। আর ১৮ মাসের মধ্যে সেটি নিয়ে যেতে হবে জেলা শহরগুলোতেও।

এদিকে অপারেটরগুলো নানা পর্যায়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ফোরজির জন্যে রীতিমতো তৈরি হয়ে আছে।

বড় তিনটি অপারেটরই এ বিষয়ে অপারেটরদের নেটওয়ার্কে নানা পরীক্ষা চালিয়ে প্রায় ৯০ এমবিপিএস গতির ডেটা ডাউনলোড করতে পেরেছে।

এর আগে সরকার ২০১৩ সালে অপারেটরগুলোকে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে থ্রিজি সেবা নেওয়ার লাইসেন্স দেয়। তবে এবার এই প্রক্রিয়া একটু ভিন্ন। আগেরবার যারা ২১০০ মেগাহার্ডজের ব্যান্ডউইথ নিয়েছিল তারাই পেয়েছিল থ্রিজি লাইসেন্স। আর এবার আগে লাইসেন্স দিয়ে তারপর স্পেকট্রামের নিলাম।

আর.এস. হুসেইন

আরও পড়ুন:

*

*

Related posts/