Maintance

সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে

প্রকাশঃ ৩:১৫ অপরাহ্ন, জুন ২২, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৯:২৬ অপরাহ্ন, জুন ২৪, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ঘুরে এ সপ্তাহে তা এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টেবিলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র।

প্রধানমন্ত্রী টেলিযোগাযোগ বিভাগেরও মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। সে হিসেবে লাইসেন্স বাতিল বা নতুন লাইসেন্স ইস্যু করার মতো বিষয়গুলোতে তাঁর অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এ মাসের প্রথম দিকে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন দেশের সবচেয়ে পুরোনো মোবাইল ফোন অপারেটরটির লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করে সরকারের কাছে।

অনেক দিন হতে সেবায় না থাকা সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে বিটিআরসি মূলত পুরোনো বকেয়া পরিশোধ না করা, আদালতের নির্দেশ অনুসারে চলতি দেনা যেমন স্পেকট্রাম এবং লাইসেন্স ফি পরিশোধ না করা এবং লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করার অভিযোগ আনে।

 

তবে লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করার আগে কেনো লাইসেন্স বাতিল করা হবে না সে বিষয়ে সিটিসেলকে কারণ দর্শানো নোটিশও পাঠায় বিটিআরসি। কিন্তু নোটিশের জবাবে উল্টো তারা বিটিআরসিকে জানায় যে, সরকার নয় বরং বিটিআরসিকে হিসাবের অতিরিক্ত টাকা দিয়ে দিয়েছে। ফলে তারা আর বিটিআরসিকে নতুন করে কোনো টাকা দেবে না।

এর আগে ২০১৬ সালের ২০ অক্টোবর বিটিআরসি সিটিসেলের স্পেকট্রাম বরাদ্দ স্থগিত করে দেয়। তখন অবশ্য সিটিসেল সুপ্রিম কোর্টে আপিল করলে ৬ নভেম্বরে সিটিসেলের স্পেকট্রাম ফিরিয়ে দেয়া হয়। তবে তাদের এখন আর কোনো গ্রাহক নেই।

ওই বছরের অক্টোবর পর্যন্ত সিটিসেলের কাছে মোট পাওনা ৪৭৭ কোটি টাকা বকেয়া ছিল বলে দাবি বিটিআরসির। তবে এর মধ্যে অপারেটরটি পরিশোধ করেছে ২৫৫ কোটি টাকা। অবশিষ্ট ২২২ কোটি পরিশোধ করলেই অপারেটরটি দায় মুক্ত হবে।

২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৭ সালের মার্চের মধ্যে সিটিসেলের একটি পেমেন্ট দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যথা সময়ে তা পরিশোধ করেনি অপারেটরটি।

আর. এস. হুসেইন

*

*

Related posts/