সাপ্লাই সংকটে আইফোন ফাইভ এস

টেক শহর ডেস্ক : অ্যাপলের প্রতিটি পণ্য বাজারে আসার পরই আলোচনা-সমালোচনার ধুম পড়ে যায়। আর সে পণ্যটি আইফোন হলে তো কথাই নেই। তবে অন্যান্য কোম্পানির মতো সমালোচনায় তেমন বিচলিত হয় না অ্যাপল, কারণ দিনশেষে দেখা যায়, লাইন ধরে ক্রেতারা কিনছেন সমালোচিত পণ্যটি।

আইফোন ফাইভ এসের চিত্রটিও ঠিক তাই। বেশিরভাগ প্রযুক্তি বিশ্লেষক ও রিভিউ ওয়েবসাইট একে ‘not worthy upgrade’ মন্তব্য করলেও মুক্তি তিন সপ্তাহের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে টান পড়েছে ফাইভ এসের।

যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপলের ৬০টি স্টোরে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেছে, ফাইভ এসের প্রয়োজনীয় সাপ্লাই পাচ্ছে না তারা। এজন্য ক্রেতাদের উৎসাহিত করছে তুলনামূলক কম দামের মডেল ফাইভ সি কিনতে।

iphone-5s-Tech Shohor

এছাড়া সাপ্লাইয়ে টান পড়ার আরেক কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের জন্য অ্যাপলের প্রস্তুতি। নভেম্বরের ১ তারিখের মধ্যেই ৫১টি নতুন মার্কেটে ফাইভ এস ও ফাইভ সি আনতে যাচ্ছে অ্যাপল, যে কারণে আপাতত সেদিকেই বেশি মনযোগ দিচ্ছে তারা। ধারণা করে হচ্ছে, চাহিদা মতো বিক্রি হওয়ায় কমা শুরু হতে পারে ফাইভ এসের দাম।

অবশ্য ফাইভ সি’র বিক্রি এতো বেশি নয়। বেশিরভাগ রিটেইল স্টোরে এটি ১১ শতাংশ ডিসকাউন্টে দেওয়া হচ্ছে। এর স্টকও যথেষ্ট রয়েছে। তারপরও এটি প্রত্যাশা মতোই বিক্রি হচ্ছে বলে অ্যাপল জানিয়েছে।

তুলনা করলে দেখা যাবে, স্যামসাংয়ের সর্বশেষ ফ্ল্যাগশিপ ফোন গ্যালাক্সি এসফোর ১২ শতাংশ ছাড়ে খুচরা বিক্রি করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ অ্যাপল আইফোনের সর্বশেষ মডেল বাজারে আনে। দেখতে অনেকটা আইফোন ফাইভের মতো এই ফোন থেকে ক্রেতারা ও সমালোচকরা নানা ধরনের প্রত্যাশা করলেও তাদের চাহিদা মেটাতে পারেনি অ্যাপল। তবে ফাইভ এসের সবচেয়ে এক্সক্লুসিভ ফিচার হিসেবে রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার বাটন, যা ব্যবহার করে আঙুলের ছাপ দিয়েই ফোন আনলক করতে পারবেন। এছাড়া এতে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হয়েছে ৬৪-বিট এ৭ প্রসেসর।

এ দুটি ফিচারের কারণেই বেশিরভাগ ক্রেতা ফাইভ এসের দিকে ঝুঁকছেন বলে প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

– অ্যাপল ইনসাইডার অবলম্বনে হাসান শাহরিয়ার হৃদয়

*

*

Top