৬ কোটি গ্রাহকের ল্যান্ডমার্ক পেরোলো গ্রামীণফোন

আল-আমীন দেওয়ান, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশের বেশি এখন গ্রামীণফোনের গ্রাহক।

বাংলা নববর্ষের আগেই অপারেটরটি এই ছয় কোটি গ্রাহকের  ল্যান্ডমার্ক অতিক্রম করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামীণফোনের একাধিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

যদিও গ্রামীণফোনের  দিক হতে এ বিষয়ে কোনো  আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা তথ্য দেয়া হয়নি। যোগাযোগ করা হলে অপারেটরটি রেগুলেটরি বিধি-নিষেধর কথা উল্লেখ করে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

এবারের বৈশাখের আনন্দের মধ্যে নতুন ল্যান্ডমার্ক স্পর্শ  হবে  এই হিসাব আগে থেকেই ছিল। বাংলা নববর্ষের জাতীয় উৎসবে এই খবরটি ফিকে হয়ে যেতে পারে ভেবে অপারেটরটি নতুন এই অর্জনের খবর জানায়নি।

gp-techshohor

তবে আড়াই বছর আগে পাঁচ কোটি ল্যান্ডমার্ক অর্জনের সময় অপারেটরটি অনেক জমকালো ‘ধন্যবাদ’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের সর্বশেষ প্রকাশিত হিসাবে,  ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে গ্রামীণফোনের গ্রাহক ছিল পাঁচ কোটি ৯৩ লাখ। সে হিসাবে নতুন অর্জন তাদের জন্য সময়ের ব্যপার ছিল।

অপারেটরটির নতুন এই অর্জনের ফলে তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা এখন অনেক দূরে পড়ে রইল।

বিটিআরসির হিসাবে , ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত বাংলালিংক আছে দ্বিতীয় অবস্থানে। তাদের কার্যকর সংযোগ আছে তিন কোটি ১৩ লাখ নয় হাজার।

রবি দ্বিতীয় স্থানে দুই কোটি ৭০ লাখ ১৭ হাজার গ্রাহক নিয়ে। বিটিআরসি’র হিসেবে রবি এবং এয়ারেটেলের একীভূতিকরণ এখনও সম্পন্ন হয়নি। সে কারণে এয়ারটেলের সংযোগ এই তালিকায় রবির সঙ্গে যুক্ত করা হয়নি।

ওই হিসাবে এয়ারটেলের সংযোগ দেখানো হচ্ছে ৮২ লাখ ১৯ হাজার। এই দুই অপারেটরের যোগ ফলও সাড়ে তিন কোটির বেশি হচ্ছে না।

গ্রামীণফোনই বাংলাদেশে মোবাইল ফোন গ্রাহকের ক্ষেত্রে নতুন নতুন মাইলফলক তৈরি করেছে। আর পরে বাংলালিংক এবং রবি বা তার আগে একটেল তাদের পথ অনুসরণ করে এগিয়েছে।

এয়ারটেল মাঝে একবার ২০১৫ সালের নভেম্বরে কোটি সংযোগ পেরোলেও খুব বেশি সময় তাদের লাগেনি সেই স্থান থেকে ছিটকে যেতে। গত বছর জুন আসতে না আসতেই মাত্র সাত মাসের মধ্যে কোটি থেকে আবার লাখের ঘরে চলে যায় এয়ারটেল।

আর বন্ধ হয়ে যাওয়া সিটিসেল কখনোই ২০ লাখও পেরোতে পারেনি। টেলিটকের সর্বোচ্চ অর্জন অর্ধকোটির নীচেই আটকে গেছে।

জিপির গ্রাহক মাইলফলকসমুহ :

এক কোটি ২০০৬ সালের অক্টোবর
দুই কোটি ২০০৮ সালের জুন
তিন কোটি ২০১১ সালের জানুয়ারি
চার কোটি ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর
পাঁচ কোটি ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর
ছয় কোটি ২০১৭ সালের এপ্রিল

Related posts

*

*

Top