Maintance

সিটিসেল-বিটিআরসির মধ্যস্থতার চিঠি পাননি জামিলুর রেজা

প্রকাশঃ ১১:০১ অপরাহ্ন, নভেম্বর ১৫, ২০১৬ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৫:৩২ অপরাহ্ন, নভেম্বর ২৪, ২০১৬

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বকেয়া পাওনা নিয়ে সিটিসেল ও বিটিআরসির দাবির মধ্যস্থতার জন্য উচ্চ আদালতের আদেশের কপি এখনও পাননি বিশিষ্ট প্রকৌশলী ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী।

আপিল বিভাগ ৩ নভেম্বর দীর্ঘদিনের এ পাওনার সুরাহা করতে বর্তমানে এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য় জামিলুর রেজাকে বিরোধ নিস্পত্তির দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন।

ইতিমধ্যে আদালতের নির্দেশের পর দুই সপ্তাহ পার হয়েছে। কপি না পাওয়া ও অন্যান্য কারণে এ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও তিনি আদৌ জড়াবেন কিনা সেটি নিয়েও চিন্তাভাবনা করছেন বলে জানান বিশিষ্ট এ অধ্যাপক।

btrc-citycell-zamilur-reza-techshohor

রোববার বিকালে এক অনুষ্ঠানে আলাপকালে টেক শহর ডটকমকে জানান, এ দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে তিনি এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।

‘বিষয়টির সঙ্গে একটি রাজনৈতিক যোগ আছে। সুতরাং আমাকে আরেকটু ভাবতে হবে’ বলছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা জামিলুর রেজা।

বন্ধ হয়েও আবার চালু হওয়া অপারেটর সিটিসেলের বেতার তরঙ্গ বরাদ্দ ও তাদের কাছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের দেনা-পাওনার বিষয়েই দুই পক্ষের দুই অবস্থান আছে।

আদালত সেটির বিষয়ে মধ্যস্থতা করতেই ৩ নভেম্বর দেশের বিশিষ্ট এ প্রকৌশলীকে নিয়োগ করতে বলেন।

বিটিআরসির দাবি সিটিসেলের কাছে পাওনা ৪৭৭ কোটি টাকা। আর সিটিসেল বলছে এর পরিমান ২৩০ কোটির বেশি হবে না।

এর কারণ হিসেবে অপারেটরটি দাবি করছে, ২০১১ সালে লাইসেন্স নবায়নের সময় থেকেই তাদেরকে বেতার তরঙ্গ কম দেওয়া হয়েছে। অথচ এখন পুরো বেতার তরঙ্গের জন্য তাদের কাছে টাকা দাবি করাসহ বিলম্ব ফি আরোপ করা হয়েছে।

গত ২০ অক্টোবর বকেয়া না দেওয়ায় সরকার সিটিসেলের তরঙ্গ বাতিল করলে অপারেটরটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। তখনই অপারেটরটির লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এর আগে ৩১ আগস্ট সিটিসেলের গ্রাহকদেরকে ১৬ আগস্টের মধ্যে অন্য অপারেটরে চলে যেতে বলা হয়। পরে উচ্চ আদালতের দারস্থ হয়ে এবং ১৪৪ কোটি টাকা পরিশোধের পরেও সেবা বন্ধ রাখা এড়াতে পারেনি অপারেটরটি।

আদালতের আদেশে আবার স্পেকট্রাম ফিরে পেলেও গ্রাহক ফিরে আসেনি দেশের সবচেয়ে পুরনো অপারেটরটিতে।

*

*

Related posts/