তৃতীয় বাংলালিংক গ্রান্ডমাস্টার চুয়েটের ম্যাভেরিক

আল আমীন দেওয়ান, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলালিংক গ্র্যান্ডমাস্টারের তৃতীয় আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চুয়েটের ম্যাভেরিক দল। মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে বাসসহ বিভিন্ন পরিবহনের টিকিট কেনা ও পাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে আসে দলটি।

রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলালিংক আয়োজিত তৃতীয় এ আসরের ফাইনালে ই-শিক্ষা, এম-টিকিট, ই-হেলথ, ই-ইনফো ও ই-অ্যাডমিশন বিষয়ে পাঁচটি প্রকল্প উপস্থাপন করে পাঁচটি দল। এতে প্রথম রানার্সআপ হয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ডিমেন্টরস। তারা ই-শপিংয়ের আইডিয়া নিয়ে তৈরি করে লুকঅ্যাট অ্যাপ। এটি সুপারস্টোরগুলোতে কেনাকাটা ও পণ্যের মূল্য জানার সুবিধা দেবে। দ্বিতীয় রানার্সআপ হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাফলপাফ। অ্যাডমিশনএইড সংক্রান্ত সেবার ধারণা রয়েছে হাফলপাফ এর আইডিয়ায়।

Banglalink grandmaster 3-TechShohor

অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ম্যাভেরিক পেয়েছে দুই লাখ টাকার চেক, ট্রফি এবং প্রথম ও দ্বিতীয় আসরের বিজয়ীদের সঙ্গে চীন ভ্রমণের সুযোগ। প্রথম রানার্সআপ দলটি পেয়েছে দেড় লাখ টাকা ও ট্রফি আর দ্বিতীয় রানার্সআপ পেয়েছে এক লাখ টাকা। এছাড়া প্রতিযোগিদের উৎসাহ দিতে স্বস্ত্রীক এসেছিলেন ক্রিকেট তারকা সাকিব আল হাসান। প্রতিযোগিরা সাকিবের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।

বাংলালিংক জানায়, নিবন্ধন করা এক হাজার ২০০টি দলের মধ্যে আট হাজার আইডিয়া প্রতিযোগিতায় নেমেছিল। আর বিভিন্ন পর্যায়ে প্রতিযোগিতার পর এরমধ্য থেকে চুড়ান্ত পর্বে পাঁচটি আইডিয়া উঠে আসে। ১৬ ফেব্রুয়ারি ফলাফল ঘোষণার আগে দু’ভাবে ফলাফল নির্ধারণ করা হয়। বাংলালিংক মেলা নামে ফেইসবুক পেইজে ভোটের মাধ্যমে ২০ শতাংশ নাম্বার এবং বিচারক থেকে ৮০ শতাংশ নাম্বার প্রদান করা হয়।

তৃতীয় এ আসরে ‘মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনভিত্তিক নতুন ধারণা’ নিয়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ব্যবসা, প্রকৌশল, টেক্সটাইল, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে প্রতিযোগী নির্বাচিত করা হয়।

বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াদ সাতারা জানান, গ্রান্ডমাস্টার ছাত্র-ছাত্রীদের মৌলিক উদ্ভাবনার দিকে উদ্বুদ্ধ করতে সক্ষম। এ ধরণের সৃজনশীল চিন্তা এমনসক মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে সক্ষম, যা সমাজের লাখ লাখ মানুষের জীবনমান পরিবর্তনে সহায়তা করতে পারে। গ্র্যান্ড মাস্টার প্রতিযোগিতা শুরু হয় ২০১১ সালে। এর অসাধারণ ফলাফলে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। তারুণ্যই আগামী দিনের দিনবদলের মূল শক্তি।

প্রতিযোগিতায় বিচারক প্যানেলে ছিলেন বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. কায়কোবাদ, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্সের নির্বাহী পরিচালক ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মুসা, ফিন্যান্সিয়াল এক্সেলেন্স লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন রশিদ এবং ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের স্কুল অব বিজনেসের ডিন ড. সারওয়ারউদ্দীন আহমেদ।

ট্যাগ

Related posts

*

*

Top