Maintance

মিয়ানমারে যাত্রা শুরু করছে টেলিনর

প্রকাশঃ ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৪ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৮:৩৪ অপরাহ্ন, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৪

অনন্য ইসলাম, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : পাশের দেশ মিয়ানমারে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে গ্রামীণফোনের মূল কোম্পানি টেলিনর। সম্প্রতি দেশটিতে মোবাইল ফোন সেবা দিতে ১৫ বছরের জন্য লাইসেন্স পেতে চুক্তি করেছে কোম্পানিটি।

আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি নরওয়েতে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে টেলিনর মিয়ানমারে সেবা কার্যক্রম শুরুর তারিখ ঘোষণা করবে।

এর মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মালয়েশিয়া থেকে থাইল্যান্ড-মিয়ানমার-বাংলাদেশ-ভারত থেকে একেবারে পাকিস্তান পর্যন্ত টেলিনরের মোবাইল সেবা বিস্তৃত হচ্ছে।

telenor_group_techshohor

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোম্পানিটি জানিয়েছে, মূলত ৯০০ মেগাহার্ডজ এবং ২.১ গিগাহার্ডজে নেটওয়ার্ক তৈরির অনুমোদন পেয়েছে তারা।

বাংলাদেশি টাকায় চার হাজার কোটি টাকা (৫০ কোটি ডলার) লাইসেন্স ফি দেওয়ার পাশাপাশি আরও ৮ হাজার কোটি টাকা (১০০ কোটি ডলার) বিনিয়োগ পরিকল্পনা করেছে টেলিনর।

Symphony 2018

সেবা কার্যক্রম সম্পর্কে টেলিনরের প্রেসিডেন্ট ও সিইও জন ফেডরিক বাকসাস বলেন, মিয়ানমারের জনগণ আধুনিক টেলিযোগাযোগ সেবা পাওয়ার জন্য ইতোমধ্যে তৈরি হয়ে আছে। টেলিনর তাদের চাহিদা মেটাতেও প্রস্তুত।

ছয় কোটি জনসংখ্যার মিয়ানমারে বর্তমানে মাত্র ১০ শতাংশ মোবাইল ফোন সেবার আওতায় রয়েছে।

গত জুনে নতুন দুটি লাইসেন্স দেওয়ার ঘোষণার পর ৯১টি আগ্রহী কোম্পানি আবেদন করে। এর মধ্যে টেলিনর এবং মধ্যপ্রাচ্যের ওরাডোকে বেছে নেয় দেশটি।

ইতোমধ্যে টেলিনর মিয়ানমারে লোক নিয়োগ শুরু করেছে। আর ২০১৪ সালের শেষে মোট কর্মী এক হাজার ছাড়িয়ে যাবে বলে জানানো হয়েছে।

পরিকল্পনা সম্পর্কে কোম্পানিটি জানিয়েছে, পাঁচ বছরের মধ্যে ৯০ শতাংশ লোককে নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে চান তারা।

বাংলাদেশে দেড় যুগেরও বেশি সময় টুজি সেবা চলার পর অবশেষে থ্রিজি চালু হয়েছে সম্প্রতি। আর এইচএসপিএ এবং এলটিই সেবা সেভাবে শুরু হয়নি। তবে মিয়ানমারে উন্নততর এ সবগুলো সেবা নিয়েই মাঠে নামছে টেলিনর।

*

*

Related posts/