সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিলে ৩০ দিনের নোটিশ

অনন্য ইসলাম, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের সবচেয়ে পুরনো মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসি।

বড় অঙ্কের বকেয়া আদায়ে এ উদ্যোগ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। কেন লাইসেন্স বাতিল করা হবে না তা সুস্পষ্ট করতে অপারেটরটিকে ৩০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।

সিটিসেলের কাছে বিভিন্ন খাতে বিটিআরসির পাওনা ২৫৫ কোটি ৩০ লাখ ১০ হাজার ১৬২ টাকা।

Citycell-btrc-TechShohor

এ বিষয়ে বিটিআরসির কমিশনার আবদুস সামাদ বলেন, টেলিযোগাযোগ আইনের ৪৮ ধারা অনুসারে বকেয়া আদায়ের প্রক্রিয়া হিসাবে লাইসেন্স বাতিলের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এ নোটিশের প্রেক্ষিতে সিটিসেলের সিইও মেহবুব চৌধুরী বলেন, তারা নোটিশের জবাব দেবেন এবং টাকাও দেবেন। তবে স্পেকট্রাম ফি পরিশোধের বিষয়ে জটিলতা থাকায় বাকি বকেয়া পরিশোধ করবেন তারা।

গত ডিসেম্বরে টাকা আদায়ে দেশের একমাত্র সিডিএমএ অপারেটরটিকে ১৫ দিনের সময় দিয়ে নোটিশ দিয়েছিল বিটিআরসি। তা না হলে একই সঙ্গে লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে কার্যক্রম এগিয়ে যাওয়া হবে বলে ওই সময় উল্লেখ করা হয়েছিল। আর লাইসেন্স বাতিলের জন্য নোটিশ দেওয়া হলো এই প্রথম।

ডিসেম্বরের হিসেবে বিটিআরসির কাছে সিটিসেলের বকেয়া ছিল ২৪৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। আর এর মধ্যে নতুন পাওনা যোগ হওয়ার পাশাপাশি আগের পাওনার সুদও যুক্ত হয়েছে।

এর আগে বিটিআরসি সূত্র জানায়, টাকা আদায়ে প্রয়োজনে তারা সরকারি কোম্পানির বিরুদ্ধেও মামলা করবেন।

জুন পর্যন্ত বিটিআরসির বিভিন্ন অপারেটরের কাছে ২ হাজার ৬১০ কোটি ৯১ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে। আর এখন তা বেড়ে তিন হাজার একশ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

গ্রাহকের দিক থেকে অন্য অপারেটরগুলোর চেয়ে পিছিয়ে থাকা দেশের সবচেয়ে পুরনো অপারেটর সিটিসেলের ৪৫ শতাংশের মালিকানা সিংটেলের। ৩১ দশমিক ৪৩ শতাংশ প্যাসিফিক মটরসের এবং বাকি ২৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ ফার ইস্ট টেলিকম লিমিডেটের হাতে।

অপারেটরটি সিডিএমএ প্রযুক্তি থেকে জিএসএম প্রযুক্তিতে যেতে চাইলেও বকেয়ার কারণেই বিটিআরসি এ অনুমোদন দেয়নি বলে জানিয়েছে সূত্র।

Related posts

*

*

Top