সাড়ে ৪ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ নিচ্ছে এয়ারটেল

অনন্য ইসলাম, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অনেক দিন পরে বড় রকমের বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছে এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড। এ জন্য বিদেশে থেকে সাড়ে কোটি মার্কিন ডলার ঋণ নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে মোবাইল ফোন অপারেটরটি।

বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার এয়ারটেলের এ ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। সামনে অল্প দিনের মধ্যে আরও বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ব্যাংক থেকে বড় অংকের ঋণ নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন অপারেটরটির শীর্ষ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা।

সম্প্রতি খবর বেরিয়েছিল বাংলাদেশে নিজেদের নেটওয়ার্কে থাকা চার হাজার টাওয়ার বিক্রি করে দিয়ে সেখান থেকে ২০ কোটি ডলার তুলতে চায় এয়ারটেল।

Airtel Logo_ Tech Shohor

মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন ঋনের খবর বিপরীতমুখী বলেও মনে করছেন টেলিকম খাতের অনেকে। তবে টাওয়ার বিক্রির খবরে তখন কোনো মন্তব্য না করলেও ওই খবরটিকে উড়িয়ে দিচ্ছেন অপারেটরটির কর্মকর্তারা।

‘পত্রিকায় তো কতো রকমের খবর প্রকাশিত হয়। এগুলো নিয়ে চিন্তা করলে কি আর চলে- বলেছেন ফাইন্যান্স বিভাগের শীর্ষ এক কর্মকর্তা।

তিনি জানান, রোববার অনুমোদিত ঋণটি তারা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক থেকে নিচ্ছেন। সামনে অন্য আরেকটি আন্তর্জাতিক ব্যাংক থেকেও এমন ঋণ নেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, এসব ঋণ মূলত থ্রিজি এবং যেসব জায়গায় অপারেটরটির টুজি নেটওয়ার্ক ভালো নয়, সেখানের নেটওয়ার্ক তৈরিতে বিনিয়োগ করা হবে।

২০১০ সালে এয়ারটেল যখন ওয়ারিদের ৭০ শতাংশ কেনার মাধ্যমে বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশ করে তখন ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

এয়ারটেল দাবি করছে সেই অংক আরও অনেক আগে পেরিয়ে এসেছে অপারেটরটি। গত বছর বাকি ৩০ শতাংশ শেয়ারও কিনে নিয়েছে ভারতের এ কোম্পানিটি।

তবে প্রথম দফার কেনা বেচায় কাগজ-কলমে কম দাম দেখানোর বিকর্ত থেকে এখনো মুক্ত হতে পারেনি এয়ারটেল। তখন ৭০ শতাংশ শেয়ারের মূল্য দেখানো হয় মাত্র ১ লাখ ডলার।

যখন কেনা বেচা হয় তখন একটি নিয়ম ছিল যে, যা দামে কেনা বেচা হবে তার ৫ শতাংশ সরকারকে দিতে হবে। সে কারণে অনেক কম মূল্য দেখানো হয় বলে মন্তব্য করেছেন বিটিআরসির কর্মকর্তারা।

কর্মকর্তাদের বক্তব্যের প্রমাণ মেলে যখন ২০১৩ সালে এসে বাকি ৩০ শতাংশের লেনদেন হয়। এ দফায় মূল্য ধরা হয় সাড়ে আট কোটি ডলার। তবে এ কেনাবেচার সময় আগের ৫ শতাংশ অর্থ সরকারকে দেওয়ার শর্ত আর নেই।

Related posts

*

*

Top