Maintance

টেলিটকের কাছে বিজনেস প্ল্যান চায় সরকার

প্রকাশঃ ৪:৩৪ অপরাহ্ন, জানুয়ারি ৮, ২০১৪ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৪:৩৪ অপরাহ্ন, জানুয়ারি ৮, ২০১৪

অনন্য ইসলাম, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : রাষ্ট্রায়ত্ত্ব মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের ব্যবসায়িক প্রসারে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জানতে চেয়েছে সরকার। চলতি সপ্তাহে অর্থ মন্ত্রনালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের এক বৈঠকে সরকারের দিক থেকে টেলিটকের কাছে এ পরিকল্পনা চাওয়া হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রনালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি ছিল টেলিটকে আরও বিনিয়োগ এবং থ্রিজি স্পেকট্রামের এক হাজার ৬৫০ কোটি টাকা পরিশোধের পরবর্তী পদক্ষেপের পরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়ে।

Teletalk_3G_Techshohor

বৈঠক থেকে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী ৩০ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টরা আরও একবার এ বিষয়ে বৈঠক করবেন। তবে এর মধ্যে টেলিটকের ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা কি হতে পারে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য চেয়েছে অর্থ বিভাগ।

২০১২ সালের অক্টোবর মাসে টেলিটক বাংলাদেশে প্রথম থ্রিজি সেবা দেওয়া শুরু করে। তবে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে চারটি বেসরকারি অপারেটরও থ্রিজি লাইসেন্স পায়। নিলামে নির্ধারিত স্পেকট্রাম ফির দাম ওঠে প্রতি মেগাহার্ডজ ২১ মিলিয়ন ডলার।

Symphony 2018

এখন টেলিটককেও একই মূল্যে স্পেকট্রাম ফি পরিশোদ করতে হবে। টেলিটকের থ্রিজি স্পেকট্রাম আছে ১০ মেগাহার্ডজ। সে অনুসারে বিটিআরসি কেবল স্পেকট্রাম ফি পাবে ২১ কোটি ডলার। এর সঙ্গে ৫ শতাংশ ভ্যাট। তবে গত ২৩ অক্টোবর থ্রিজির সাড়ে ১০ কোটি টাকার লাইসেন্স ফি দিয়ে দিয়েছে অপারেটরটি। সম্প্রতি অপারেটরটি স্টেকট্রাম ফির মধ্যেও ৫০ কোটি টাকা পরিশোধ করে।

বৈঠকে টেলি যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের সচিব এবং টেলিটক বোর্ডের চেয়ারম্যান আবুবকর সিদ্দিক বলেন, টেলিটক স্পেকট্রাম ফি ছাড় চায় না। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব অপারেটর হিসেবে তাদেরকে খানিকটা বাড়তি সুবিধা দিতে হবে। বিলম্ব ফি না নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী কিস্তি করে দিলে টেলিটক আয় করে দেনা পরিশোধ করতে পারবে।

অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বন্ড ছাড়ার বিষয়েও আলোচনা তোলে। তাছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক টেলিটককে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দিতে পারে কি না সেটিও পর্যালোচনা করতে বলা হয়। তবে বৈঠকে অংশ নেওয়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধি বলেন, টেলিটকের কি পরিমান সম্পদ ও দায় দেনা আছে সেটির ভিত্তিতেই হয়ত ঋণ দেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা যেতে পারে।

বৈঠকে বিটিআরসির চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস এবং টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বেসরকারি অপারেটরগুলো বলছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা টেলিটককে বাড়তি সুবিধা দিলে তা এ খাতে প্রতিযোগিতা বিনষ্ট করবে।

*

*

Related posts/