Maintance

সামনের দিনের লড়াই ফাইভ জি নিয়ে

প্রকাশঃ ৯:৪৪ অপরাহ্ন, মার্চ ৮, ২০১৫ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৯:৪৫ অপরাহ্ন, মার্চ ৮, ২০১৫

জামান আশরাফ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলাদেশে এখনও খ্রিজি দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া যায়নি। তৃতীয় প্রজন্মের এ প্রযুক্তিও এখন পর্যন্ত জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ওঠেনি। তাই বলে কি আরও নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবনে থেমে থাকবে বিশ্ব। মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসের চার দিনব্যাপী আয়োজনে মোটেও সে রকম মনে হয়নি।

২০২০ সালের মধ্যে বিশ্বে ফাইভ জি’র গতিময় ইন্টারনেটের দেখা পাওয়া সময়ের ব্যাপার বলে কংগ্রেসে অংশ নেওয়া বিশেষজ্ঞরা নিঃসন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

তবে দক্ষিণ কোরিয়ার কেটি কর্পোরেশন বলছে, ডেটা স্থানান্তরের গতির দুনিয়ায় প্রবেশ করতে এতো দিনও অপেক্ষা করা লাগবে না। ২০১৮ সালে তাদের দেশে অনুষ্ঠিত শীতকালীন অলিম্পিক গেমসেই ফাইভ জির সেবা দিয়ে বিশ্বকে চমকে দেবে কোম্পানিটি। এমন ঘোষণা দিয়ে চমক তৈরি করেছে কো্ম্পানিটি।

5 G_techshohor

 

এবারের কংগ্রেসে সেটির একটি মহড়াও দেখিয়েছেন কেটি কর্পোরেশনের প্রেসিডেন্ট ড. চান-গু হাওয়ান। তিনি দেখিয়েছেন, ড্রাইভার ছাড়া কিভাবে একটি গাড়ি চলবে। তা ছাড়া গাড়ির মধ্যেই গোটা অফিসের সুবিধা নিয়ে আসাসহ নানা রকম পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের মহড়া দিয়ে কংগ্রেসকে চমকে দিয়েছেন তিনি।

কেটির মতো হুয়াওয়ে, এরিকসন, নকিয়া সিমেন্সসহ আরও কোম্পানি ফাইভ জি প্রযুক্তি তৈরির এ লড়াইয়ে নেমে পড়েছে। কার আগে কে সফল হবে তা এখন দেখার অপেক্ষা।

কংগ্রেসে ৪ দশমিক ৫ জি প্রযুক্তি আনার ঘোষণা দিয়ে গবেষণাকে এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে আরেক দক্ষিণ কোরিয়ান কোম্পানি হুয়াওয়ে।
ইতিমধ্যে কয়েকটি মোবাইল ফোন অপারেটর বিশেষ করে এরিকসনের সঙ্গে চুক্তি করেছে জাপানের এনটিটিডকোমো। তারা ২০২০ সালের মধ্যে জাপানের গ্রাহকদের ফাইভ জি প্রযুক্তির সুবিধা দিতে কাজ করছে।

৫জি-টেকশহর ডটকম

কিন্তু ফাইভ জি সুবিধা এখনি চালুর বিপক্ষে ইউরোপের অপারেটর বিশেষ করে ফ্রান্সের অরেন্জ। তারা বলছে, মাত্র কয়েক বছর হয় ফোর জি চালু হয়েছে ইউরোপে। এখন ফাইভ জি নিয়ে আসলে ফো’র জিতে করা বিপুল বিনিয়োগ জলে যাবে। কিন্তু ফাইভ জি’র গতির কাছে এ আলে‌‌চনা টিকছে না।

এবারের কংগ্রেসে একটি সেমিনারে হুয়াওয়ে দাবি করেছে, আট গিগাবাইটের একটি মুভি থ্রিজি প্রযুক্তিতে ডাউনলোড করতে যেখানে ৭০ মিনিট লাগে ফোর জিতে তা করা যাচ্ছে মাত্র সাত মিনিটে। আর ফাইভ জি প্রযুক্তি হলে সেটি করা যাবে মাত্র ছয় সেকেন্ডে।

জিএসএমএর তথ্য অনুসারে বর্তমানে বিশ্বে ৫০ কোটি লোক ফোর জি প্রযুক্তির মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন। আর ২০২০ সালের মধ্যে তা ৩০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। বর্তমানে বিশ্বের ১২৪ দেশের ৩০৫ অপারেটর ফোর জি সেবা চালু করেছে।

*

*

Related posts/