দেশে মোবাইল ব্যবহারকারী আসলে কত?

জামান আশরাফ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশে মোট অ্যাক্টিভ মোবাইল সিমের সংখ্যা মার্চের শেষে দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৫২ হাজার। গত বছর ডিসেম্বরের শেষে তা ছিল ১১ কোটি ৩৭ হাজার।

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) দেওয়া মোবাইল ফোন অপারেটরদের তথ্যের ভিত্তিতে সংস্থাটি সিমের এ সংখ্যা প্রকাশ করেছে। এ পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ধরলে প্যানিট্রেশন হওয়ার কথা ৭১ শতাংশ।

কিন্তু মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটব বলছে, অ্যাক্টিভ সিমের সংখ্যা যাই হোক না কেনো গ্রাহক সংখ্যা বড়ো জোর ৭ কোটি ৫৬ হাজার। তাদের বিবেচনায় দেশের মাত্র ৪৫ শতাংশ লোক এখন মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে।

Mobile SIM Cards_techshohor

গত বৃহস্পতিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় এ তথ্য জানিয়েছে অ্যামটব।

তারা বলছেন, পাশের অনেক দেশেই অ্যাক্টিভ সিমের হিসেবে প্যানিট্রেশন ১৫০ শতাংশের মতো। ওই সব দেশে প্রকৃত মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা শতভাগের কাছাকাছি।

এ বিষয়ে অ্যামটবের সাধারণ সম্পাদক নূরুল কবির বলেন, তাদের বিবেচনায় অ্যাক্টিভ হিসাবের মধ্যে ৩৫ শতাংশ ডুয়েল সিম রয়েছে। সেগুলো বাদ দিলে গ্রাহক সংখ্যা সাড়ে সাত কোটির মতো হবে। তিনি বলেন, অপারেটরদের আরও অন্তত কয়েক কোটি মানুষকে মোবাইল ফোনের সেবা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এদিকে একই বিষয়ে জানতে চাইলে সম্প্রতি বিটিআরসির চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস বলেন, প্রকৃত গ্রাহক সংখ্যা সর্বোচ্চ সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় কোটি।

অ্যামটবের প্রেজেন্টেশান অনুসারে ভারতের মোবাইল প্যানিটেশন ৭০ শতাংশ। পাকিস্তানে তা ৭৩ শতাংশ। ফিলিপাইনে ১০৭ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ায় ১১৫ শতাংশ, থাইল্যান্ডে ১২০ শতাংশ এবং মালয়েশিয়ায় ১৪১ শতাংশ।

অপারেটররা বলছেন, বর্তমানে সিম প্রতি ট্যাক্স ৩০০ টাকা তুলে নেওয়া হলে ২০১৬ সালের মধ্যেই বাংলাদেশে সাড়ে ১৬ কোটি অ্যাক্টিভ সিম থাকবে। তাতে শতভাগ প্যানিট্রেশনে চলে যাবে। আর বিদ্যমান সিম ট্যাক্স থাকলে ২০১৬ সালের শেষে অ্যাক্টিভ সিম হবে ১৩ কোটি ৭০ লাখ।

Related posts

*

*

Top