আইটিইউ নির্বাচন : জোরেশোরে প্রচারণায় নামছে সরকার

জামান আশরাফ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : টানা দ্বিতীয়বারের মতো আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) কাউন্সিলর নির্বাচনে বিজয়ী হতে জোরেশোরে প্রস্তুতি শুরু করেছে সরকার। এ জন্য একটি নির্বাচনী ইশতেহার বা পজেশন পেপারও তৈরি করা হচ্ছে।

ভোটার দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করা ছাড়াও সরকারের পক্ষ থেকে তৈরি করা হচ্ছে নানা ধরণের উপহার সামগ্রী। ঢাকায় ভোটার দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদেরকে দাওয়াত করে খাওয়ানো, উপহার দেওয়াসহ আরও আয়োজন করা হচ্ছে।

মূলত পজেশন পেপার বা ইশতেহারে সরকার বলতে চাইছে নির্বাচিত হলে বাংলাদেশ ইউনিয়নের জন্য কি কি করবে।

itu-logo-TechShohor

দ্বিতীয়বারের মতো আইটিইউ নির্বাচনে অংশ নিতে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে মনোনয়নপত্র জমা দেয় বাংলাদেশ।

পরের নির্বাচন হবে ২০১৪ সালের ২০ অক্টোবর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে অনুষ্ঠিত আইটিইউর সম্মেলন চলাকালে।

সূত্র জানিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জেনেভা অফিসের মাধ্যমে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সেখান থেকে প্রচারণা সংক্রান্ত কিছু কার্যক্রম শুরু করেছে।

নির্বাচিত হলে এ অঞ্চলে আইটিইউর নীতিনির্ধারণসহ নানা বিষয়ে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রথমবারের নির্বাচনে ভালো ফল পাওয়ার পর দ্বিতীয় নির্বাচনকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে সরকার। এ জন্য দফায় দফায় বৈঠক করে করণীয় ঠিক করা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের যোগাযোগসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় প্রত্যেক দেশের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। এক্ষেত্রে আঞ্চলিক যোগাযোগও রক্ষা করা হচ্ছে।

প্রত্যেক ভোটার দেশের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ই-মেইল আইডি জোগাড় করে তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।

তা ছাড়া নির্বাচনের আগপর্যন্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিয়ে সেখানে ভোটের প্রচার চালানোর সিদ্ধান্তও নিয়েছে সরকার।

এর আগে ২০১০ সালের নভেম্বরে প্রথমবারের মতো আইটিইউর কাউন্সিল সদস্য নির্বাচিত হয় বাংলাদেশ। তারও আগে ১৯৭৩ সালে পায় সাধারণ সদস্যপদ।

আগের বারের নির্বাচনে বাংলাদেশ এশিয়ার এ অঞ্চলে ১৩টি পদের জন্য ১৭টি দেশ প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে। এর মধ্যে ১২৩ ভোট পেয়ে ষষ্ঠ স্থান পায়।

ট্যাগ

Related posts

*

*

Top