Maintance

চার ফোরজি লাইসেন্সের সুপারিশ যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে

প্রকাশঃ ৪:৫৫ অপরাহ্ন, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৮ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১১:১১ পূর্বাহ্ন, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৮

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সিটিসেল ছিটকে পড়ায় শেষ পর্যন্ত চারটি মোবাইল ফোন অপারেটরকে লাইসেন্স দেওয়ার প্রস্তাব তৈরি করেছে বিটিআরসি।

নিয়ন্ত্রণ সংস্থার ২১১তম কমিশন বৈঠকে ফোরজি লাইসেন্সের জন্য এই সুপারিশ প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়।

বিটিআরসির এই বিষয় সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, রোববার এই সুপারিশ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুমোদনের জন্যে পাঠানো হবে।  

তিনি বলছেন, সিটিসেল শেষ পর্যন্ত বিনিয়োগকারী না পাওয়ায় তারা এই দৌড় থেকে ছিটকে গেছে।

4g-techshohor

৫ জানুয়ারি ছিল স্পেকট্রাম কেনার নিলামে বসার জন্যে জামানত জমা দেওয়ার শেষ দিন। কিন্তু বিনিয়োগকারী না পাওয়ায় সেই জামানত জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি দেশের সবচেয়ে পুরনো মোবাইল ফোন অপারেটরটির পক্ষে। ফলে তারা আর চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির লাইসেন্সের জন্যে বিবেচিত হবে না, নীতিমালায় এটিই উল্লেখ ছিল।

অন্য বড় অপারেটরগুলো যেহেতু বর্তমানে থ্রিজি সেবা দিচ্ছেন সে কারণে নীতিমালা অনুসারে, তারা সকলেই ফোরজির লাইসেন্স ফির সাড়ে এগারো কোটি টাকা দিলেই লাইসেন্স পেয়ে যাবে। তাদের জন্যে আর স্পেকট্রাম কেনার বা নিলামে বসার বাধ্যবাধকতা ছিল না।

বিটিআরসি আশা করছে, সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানোর পর এক সপ্তাহের মধ্যেই তারা এ সংক্রান্ত অনুমোদন পেয়ে যাবেন। আর সেটি হয়ে গেলে, ১৩ ফেব্রুয়ারি নিলামের পর দিনই তারা ফোরজি লাইসেন্সের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন।

এর আগে জানুয়ারির ১৪ তারিখে লাইসেন্সের জন্যে আবেদন করেছিল সিটিসেলসহ দেশের বিদ্যমান সকল অপারেটর। পরে বাছাই প্রক্রিয়া পার করে পাঁচটি অপারেটরকেই যোগ্য ঘোষণা করা হয়। আর এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সেবা বন্ধ হয়ে থাকা সিটিসেলের জন্যে এটি একটি বড় সুযোগও ছিল।

৫ জানুয়ারি স্পেকট্রাম নিলামের জামানত জমা দেওয়ার আগ পর্যান্ত অবশ্য লাইসেন্স পাওয়ার প্রতিটি ধাপেই তাদের সরব উপস্থিতি ছিল। বরং বলা যায় স্পেকট্রাম নিলামে গ্রামীণফোন, রবি এবং বাংলালিংকের পাশে সিটিসেলকে পেয়ে বিটিআরসি একটি বাড়তি শক্তিই পেয়েছিল।

বিটিআরসি সূত্র বলছে, এর আগে থ্রিজির সময়েও সিটিসেল লাইসেন্স নেওয়া এবং স্পেকট্রাম নিলামের বসার জন্যে আবেদন জমা দিয়েছিল। অন্যান্য প্রস্তুতিও নিয়েছিল তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা আর এগোয়নি।

অন্যদিকে আবার থ্রিজির সময় যেমন অনেক চেষ্টা করেও বিটিআরসি নতুন কোনো অপারেটরকে আগ্রহী করতে পারেনি।

আল-আমীন দেওয়ান 

*

*

Related posts/