স্টার্টআপদের ফান্ডিংয়ে পলিসি হচ্ছে : পলক

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : প্রযুক্তি স্টার্টআপদের বড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে এবং তাদের ব্যবসায়িকভাবে রূপান্তর করতে যে ফান্ডিং করা হয় সেজন্য পলিসি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ফান্ডিং পলিসি তৈরি করছি। হয়তো সময় লাগছে। কারণ একটা টেকসই পলিসি করতে সময় নিতে হয়েছে।

পলক বলেন, তবে এটা ঠিক, সারাবিশ্বের কোথাও কিন্তু ভেঞ্চার ক্যাপিটালে সরকার কোনো রোল প্লে করে না। আমরা সেটা করছি, ভেঞ্চার ক্যাপিটালের মতো রোল প্লে করতে যাচ্ছি। যেহেতু আমাদের দেশে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান সেভাবে গড়ে ওঠেনি।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে ‘ন্যাশনাল এক্সিবিশন ফর স্টার্টআপ বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে স্টার্টআপদেরকে বাচাই অনুষ্ঠানে ফান্ডিং নিয়ে পলিসি তৈরির কথা বলেন পলক।

Startup-policy-Palak-Techshohor

পলক বলেন, স্টার্টআপ একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য কিন্তু শুধু দশ লাখ, ২০ লাখ বা এক কোটি টাকায় যথেষ্ট নয়। শুধু ফান্ডিং দিয়ে একটি স্টার্টআপকে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা যায় না।

শুধু টাকা হলে দেশে এমন প্রতিষ্ঠানের অভাব থাকতো না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু টাকা হলে দেশে অসংখ্য স্টার্টআপ তৈরি হতো। কিন্তু স্টার্টআপতো সেটা নয়।

পলিসিতে ফান্ডিংয়ের বাইরেও মেন্টরিং, কোচিং, কো-ওয়ার্কিং স্পেস, এনভায়রনমেন্ট, নেটওয়ার্কিং, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রশিক্ষণের বিষয়গুলো, একজন মেন্টরের সাথে দশজন নেটিভ কিভাবে কাজ করবে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কোলাবোরেশন কি হবে, কিভাবে ইন্টারন্যাশনাল কোলাবোরেশন হবে, নলেজ এক্সচেঞ্জ কিভাবে দরকার এসবগুলো পলিসিতে রয়েছে বলে জানান তিনি।

পলক বলেন, এই কানেকশনগুলোর জন্য ওই পলিসিতে বিস্তারিত বিষয় রয়েছে। এমন কি স্টার্টআপদের কোন স্টেজে কী দরকার এমন সবগুলো নিয়ে এই পলিসি তৈরি করা হয়েছে। এটি এখন প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

ইনোভেশন এক্সিবিশনে মোট ১৭৮ স্টার্টআপ আবেদন করে। সেখান থেকে প্রাথমিকভাবে ৭৬ জনকে নির্বাচন করা হয়। যাদের মধ্যে ৬৩ জন ঢাকায় এবং ১৩ জন যশোরে।

সেখান থেকে চূড়ান্ত নির্বাচিত হয়েছে ২০ স্টার্টআপ। যারা গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাইটেক সিটি এবং যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে নিজেদের উদ্যোগ এগিয়ে নিতে বিনামূল্যে ফ্লোর পাবেন। এছাড়া বিজয়ীরা আইডিয়া প্রকল্পের পরবর্তী ধাপের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকার।

ইমরান হোসেন মিলন

হ্যাকারদের কবলে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ওয়েবসাইট

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ওয়েবসাইট হ্যাকড হয়েছে। শনিবার দুপুর নাগাদ ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করতে গেলে সেখানে একটি নোটিশ দেখা যায়।

ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে না পেরে সাইট হ্যাকডের বিষয়টি টেকশহরডটকমকে জানান একজন পাঠক।

ICTD-HACKED_TECHSHOHOR

ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে হলুদ কালিতে লেখা ‘হ্যাকড বাই রাহু’। তিনি নিজেকে একজন ভারতীয় হিসেবে দাবি করেছেন। আর হ্যাকের কাজটিও করা হয়েছে ভারতে বসে। হ্যাকার দলটির নাম ‘লুলজসেক ইন্ডিয়া’।

ওয়েবসাইটটি নিরাপত্তার দিক থেকে ব্যর্থ হয়েছে বলেও বলা হয়েছে নোটিশটিতে।

দলটিতে যারা রয়েছেন তাদের সবার নাম আবার একেবারে নীচে স্ক্রলে দিয়েছে দুর্বৃত্ত হ্যকারারা।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের বলেন, সাইটটি উদ্ধারে বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে। খুব দ্রুতই এটি উদ্ধার করা যাবে বলেও জানান তিনি।

ইমরান হোসেন মিলন

 

ফোর টায়ার ডেটা সেন্টারের ডিজাইনের অনুমোদন পেল বাংলাদেশ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গাজীপুরের কালিয়াকৈরের বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে ফোর টায়ার ডেটা সেন্টারের ডিজাইনটির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আপটাইম ইনস্টিটিউট।

বৃহস্পতিবার অনুমোদন পাওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, দিনে দিনে ডিজিটাল বাংলাদেশের কলেবর বাড়ছে। আর সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বেশী পরিমাণে ডেটা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তাও। এই বাড়তি চাহিদা মেটাতে আমরা কালিয়াকৈরের বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে টিয়ার ফোর মানের ডেটা সেন্টার স্থাপন করছি।

তিনি বলেন, এই ডেটা সেন্টারে সরকারি ডেটার পাশাপাশি আমরা সীমিত আকারে বেসরকারি ডেটাও হোস্ট করব। আর নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করবে আপটাইম ইনস্টিটিউট। টিয়ার ফোর মানের সার্টিফিকেশন দেয়ার আগে আপটাইম ইনস্টিটিউট সকল ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।

‘ফোর টায়ার ন্যাশনাল ডাটা সেন্টার’ প্রকল্পের আওতায় দেশে একটি সমন্বিত ও বিশ্বমানের ডাটা সেন্টার গড়ে তোলা হচ্ছে যার ডাউন টাইম শূন্যের কোঠায়। এর ফলে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার ডিজিটাল কন্টেন্ট সংরক্ষণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, ডিজিটাল কন্টেন্ট সমূহের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান প্রদানের মাধ্যমে জনসেবা উন্নত হবে।

এর ফলে ক্লাউড কম্পিউটিং ও জি-ক্লাউড প্রযুক্তিতে বিশ্বের ৬ষ্ঠ বৃহত্তম স্থান হিসাবে অবদান রাখতে পারবে বাংলাদেশ। প্রকল্পটির মাধ্যমে সরকারের সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল সরকারি কার্যালয়ের আইসিটি কার্যক্রম সরাসরি যুক্ত থাকবে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ।

ইতোমধ্যে সেন্টারটির নির্মাণ কাজের ৭০ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে। বিশালাকার এই ডাটা সেন্টারে থাকছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ৬০৪টি র‍্যাক, ৯ এমভিএ লোডের রিডান্ডেন্ট লাইনসহ সমৃদ্ধ ২৪ ঘণ্টার নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ, উচ্চ গতিসম্পন্ন ৪০ জিবিপিএস রিডান্ডেন্ট ডেটা কানেকটিভিটি।

আনিকা জীনাত

আইজাকের দায়িত্ব নিলেন পলক

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আন্তর্জাতিকভাবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব স্টুডেন্টস ইন ইকোনোমিক অ্যান্ড কমার্সিয়াল সার্ভিসেস(আইজাক) বাংলাদেশের অ্যাডভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে।

সোমবার নিজ কার্যালয়ে তরুণদের নিয়ে কাজ করা বিশ্বের সবচেয়ে বড় বেসরকারি ও অলাভজনক এই সংস্থার চেয়ার‍ম্যান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে পলক এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১২৮ দেশে কাজ করা সংস্থাটি ইউএনডিপি’র এফিলিয়েটেডভুক্ত, ইকোনোমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কাউন্সিলের কনসালটেটিভ স্ট্যাটাস প্রাপ্ত এবং ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত। ফলে এই মনোনয়ন তরুণদের নিয়ে পেশাদার ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের জন্য কর্মযজ্ঞ ও উদ্ভাবন ভাবনা সম্প্রসারণের সুযোগ এনে দেবে।

Palak-Techshohor

সেই সাথে বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর যে ২০ হাজার তরুণকে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ দেওয়া হয় তাতে বাংলাদেশী তরুণদের সরব ও গৌরবময় উপস্থিতির ক্ষেত্র তৈরি হবে।

দায়িত্ব নেওয়ার পর সংস্থাটির অ্যাড্যভাইজরি হিসেবে তরুণদের জন্য যথাসাধ্য কাজ করবেন এবং যথাযথ দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকবেন বলে জানান পলক।

দায়িত্বগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী, আইজাকের প্রতিনিধিসহ আরও অনেকেই।

এর আগে গত বছরের ১৬ মার্চ নেতৃত্বগুণে পেশাদারি কর্মসম্পাদন, সমাজের প্রতি অঙ্গীকার এবং আগামীর পৃথিবী রূপায়ণে সম্ভাব্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পলককে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ‘ইয়াং গ্লোবাল লিডার ২০১৬’ সম্মাননায় ভূষিত করে।

ইমরান হোসেন মিলন

তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালা যুগোপেযোগীকরণ নিয়ে কর্মশালা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা ২০১৫’ যুগোপযোগীকরণ (সংশোধন ও পরিমার্জন) উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত কর্মশালাটি সরকারের সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ফোকাল পয়েন্টদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরস্থ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের (বিআইসিসি) মিডিয়া বাজারে কর্মশালাটিতে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

কর্মশালায় তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালার বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সভাপতি মোস্তাফা জব্বার। পরে বেশ কয়েকজন আলোচনায় অংশ নেন।

innovation-policy-palak-techshohor

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুনাইদ আহমেদ পলক ইনোভেশন নীতিমালা করার কথা বলেন। এছাড়াও তিনি দেশে যেভাবে তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতি হচ্ছে সেগুলার একটি ব্র্যান্ডিং স্ট্রাটেজি থাকা দরকার বলেও উল্লেখ করেন।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএনডিপির বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর সুদীপ্ত মুখার্জি, সভাপতিত্ব করেন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী।

কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বাগডুমের প্রতিষ্ঠাতা, এফবিসিসিআই পরিচালক ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামীম আহসান, এটুআইয়ের পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরীসহ আরও অনেকে।

ইমরান হোসেন মিলন

নতুন তথ্যপ্রযু্ক্তি নীতিমালা শিগগির, হবে ইনোভেশন নীতিও : পলক

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : নতুন উদ্ভাবনকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি এ জন্য একটি নীতিমালা তৈরির কথা বলেছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। একই সঙ্গে শিগগির নতুন তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালা করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা ২০১৫’ যুগোপযোগীকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পলক বলেন, বিভিন্ন যে ইনোভেটিভ চিন্তা এটার জন্য সামাজিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। এসব সমস্যার সম্মুখীন হলেই ইনোভেটররা নতুন ইনোভেশনের জন্য আগ্রহী হয়ে ওঠেন, নতুন আইডিয়া বের করতে সহায়ক হন।

innovation-policy-palak-techshohor

দেশের বাজারকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মেডিকেল সলুশনের কিংবা রোড ট্রান্সপোর্টেশন- সব কিছুতে এখন নতুন উদ্ভাবন হচ্ছে। মূল সমস্যা সমাধানের পথ দেখানোর কাজটা কিন্তু বাংলাদেশের মাটিতে হতে পারে। দেশের উদ্যোক্তাদের অবশ্যই উৎসাহিত করা হবে।

পলক জানান, এ জন্য ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড অন্ট্রাপ্রেরনশিপ একাডেমি গড়ে তোলা হয়েছে। এর বাইরে ইনোভেশনে আরও আগ্রাহী করে তুলতে বাংলাদেশকে একটা রিসার্চ ফিল্ড ও একটা টেস্ট কেস হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন।

পলক বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের মধ্যে ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্টে ৩৬তম হয়েছে। আর দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সেরা। তার মানে ঠিক পথেই রয়েছি আমরা।

এ জন্য নীতিমালা দরকার জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে এডুকেশন পলিসি আছে, উইমেন পলিসি আছে, আইসিটি পলিসি আছে, এগুলো নিয়ে আরও কাজ চলছে; ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করছি।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সভাপতি মোস্তাফা জব্বার।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএনডিপির বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর সুদীপ্ত মুখার্জি, সভাপতিত্ব করেন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী।

কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বাগডুমের প্রতিষ্ঠাতা, এফবিসিসিআই পরিচালক ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামীম আহসান, এটুআইয়ের পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরীসহ আরও অনেকে।

ইমরান হোসেন মিলন

প্রধানমন্ত্রীর হাতে মোবাইল গভর্নমেন্ট অ্যাওয়ার্ড তুলে দিলেন পলক

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে গ্লোবাল মোবাইল গভর্নমেন্ট অ্যাওয়ার্ড তুলে দিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সোমবার সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

পলক তাঁর ফেইসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, ‘সরকারেরর ক্রমাগত নীতি সহায়তা ও জনগণের দোরগোড়ায় মোবাইলভিত্তিক প্রযুক্তিকে সহজলভ্য করতে এম-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে বাংলাদেশের যে দৃশ্যমান প্রয়াস তার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হলো এ পুরস্কার।’

গত ৯ মে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগকে এ পুরস্কার দেয়া হয়। ওই দিন যুক্তরাজ্যের ব্রাইটনে মোবাইল গভর্নমেন্ট ওয়ার্ল্ড সামিট-২০১৭ এর সমাপনী দিনে বিভাগের পক্ষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ পুরস্কার নেন।

চূড়ান্ত পর্যায়ে অ্যাওয়ার্ডের জন্য বাছাই করা তালিকায় বাংলাদেশসহ ১১ দেশের ১৩ প্রকল্প ছিল। এর মধ্যে তিনটি প্রকল্প এই পুরস্কার পায়।

এতে সেরা হয় বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচি।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অন্যান্য দেশগুলো হলো- দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, নেপাল, রাশিয়া, তুরস্ক, চিলি, কলাম্বিয়া, স্লোভাকিয়া, ভারত ও দুবাই।

সব মিলিয়ে প্রায় ১০০ প্রকল্পের  মনোনয়ন ছিল এই প্রতিযোগিতায়।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ হতে ২০১৩-১৪ সালে চলা এই ‘জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচি’তে ১০০টি মোবাইল অ্যাপ উন্নয়ন করা হয়। সারাদেশে ২৩০০ শিক্ষার্থী ও ফ্রিল্যান্সারকে অ্যাপ উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

এ ছাড়া ৫ শতাধিক সরকারি ডোমেইন এক্সপার্টদের নিয়ে এই কর্মসূচিতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

আল-আমীন দেওয়ান

ই-কমার্সে কর্পোরেট ট্যাক্স বহালে হতাশা, অব্যাহতির দাবি

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ই-কমার্স খাতে ৩৫ শতাংশ কর্পোরেট ট্যাক্স বাতিল না হওয়ায় হতাশার কথা জনিয়েছেন ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা। খাতটির এগিয়ে যাওয়ার পথে এই ট্যাক্সকে অন্যতম অন্তরায় মনে করছেন দেশীয় উদ্যোক্তারা।

শুক্রবার বাজেট নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও ই-কমার্স ব্যবসায়ী সংগঠন ই-ক্যাব প্রতিনিধিরা খাতটি হতে এই ট্যাক্স অব্যাহতির দাবি জানান। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে খাতটিতে ৩৫ শতাংশ ট্যাক্স বহাল রাখা হয়েছে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জনতা টাওয়ার সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

দেশের অন্যতম ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বাগডুমের প্রতিষ্ঠাতা, এফবিসিসিআই পরিচালক ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামীম আহসান বলেন, ‘এবারের জাতীয় বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য বেশ কিছু সুসংবাদ রয়েছে। যার জন্য প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা ও প্রতিমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রায় সকল সাব-সেক্টরে  ট্যাক্স অব্যাহতি থাকা সত্ত্বেও ই-কমার্স ব্যবসায় ৩৫ শতাংশ কর্পোরেট ট্যাক্স এ বাজেটেও বাতিল না করায় এ খাতটির উন্নতির অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে।’

ই-ক্যাব সভাপতি রাজিব আহমেদ বলেন, গ্রামীণফোন, দারাজসহ বিদেশী বড় বড় কোম্পানিগুলোর জন্য এই ট্যাক্স প্রভাব ফেলে না। কিন্তু দেশীয় ছোট ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য এটি অনেক চাপের, কষ্টসাধ্য। এতে দেশীয় কোম্পানিগুলো অসম প্রতিযোগিতায় পড়বে।

ই-কমার্স খাতের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের কাছে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি জানিয়ে ই-ক্যাব সভাপতি বলেন, খাতটি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলমেন্টের জন্যও যেন প্রতি মাসে ১ কোটি টাকা খরচ করা হয়। উদীয়মান খাতটির সঠিক পরিকল্পনা ও লক্ষ্য ঠিক করতে এই গবেষণা জরুরি বলে মনে করেছে সংগঠনটি।

ই-ক্যাব প্রতিনিধিত্বে নির্বাচিত এফবিসিসিআই পরিচালক শমী কায়সারও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে ভেবে দেখার অনুরোধ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী, বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার, বিসিএস সভাপতি আলী আশফাক, বাক্য সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ, সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন, এফবিসিসিআই পরিচালক শমী কায়সার, ই-ক্যাব সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহেদ তমালসহ বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

আল-অামীন দেওয়ান

সচেতনতা বাড়াতেই সোশ্যাল মিডিয়া প্যারেড

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ব্যবহারকারীদের সচেতন করে তুলতেই ভিন্ন ধরনের ‘সোশ্যাল মিডিয়া প্যারেড’ আয়োজন। মাধ্যমগুলোর ‘ভালো’ ও ইতিবাচক ব্যবহার বাড়াতে পারলেই সুস্থ সমাজ গঠন সম্ভব বলে বলেছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

পলক বলেন, এখন ফেইসবুক, টুইটার যেসব সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম আছে সেখানে এখন তরুণ-তরুণীরা, সব বয়সী মানুষ অংশ নিচ্ছে। এখন এটার যে ভালো দিকগুলো সেটা আরও কিভাবে অ্যাপ্লাই করা যায় তা এখান থেকে বলা হবে।

তাই এটার একটা ভিন্নধর্মী নাম দেওয়া হয়েছে জানিয়ে বলেন, এটার নাম সোশ্যাল মিডিয়া প্যারেড। যেখানে প্যারেডে অংশ নেবে তারাই। তারা সোশ্যাল মিডিয়ার ভালো দিকগুলো তুলে ধরবে।

Social media expo-Techshohor

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারের সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে তিন দিনব্যাপী ভার্চুয়াল আয়োজন ‘সোশ্যাল মিডিয়া প্যারেড’ উদ্বোধনীতে তিনি এসব কথা বলেন।

সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার করে অনেকেই ফায়দা লুটতে চায় এবং সুযোগ খুঁজে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, আমরা দেখি ধর্ম, বর্ণ-গোষ্ঠীকে অনেক উদ্দেশ্যমূলক, আক্রমণাত্মক, আমাদের নারীদেরকে, কোনো ব্যক্তিকে, কোনো পরিবারকে, কোনো রাষ্ট্রকে উদ্দেশ্য করে অনেক সময় ধর্মীয় উস্কানি দেওয়া হচ্ছে। রামুর যে ঘটনাটি সেটাও একটি ধর্মীয় উস্কানিমূলক বলে বলেন তিনি।

শুধুমাত্র সচেতনতার অভাবেই অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে জানিয়ে পলক বলেন, ধর্মীয় দাঙ্গা বাধার উপক্রম হয়েছে, দেখা গেছে যাকে নিয়ে ঘটনা সে কিন্তু কিছু জানেই না।

ক্রিকেটার নাসির এবং তার বোনকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘটে যাওয়া ন্যাক্কারজনক ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি মানুষ এসব মাধ্যম ব্যবহারে যথেষ্ট সচেতন হতো তাহলে এমন অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো।

যেহেতু গ্রাম-গঞ্জ-শহরে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারকারী বাড়ছে। এই মুহূর্তে আড়াই কোটির বেশি ফেইসবুক ব্যবহারকারী। আর টুইটারের ব্যবহার বাড়ছে। তাই তাদের সচেতন করতেই এমন আয়োজন বলে জানান পলক।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ মনে করে এসব ব্যবহারকারীকে সচেতন করা দরকার। তাই সচেতন করতে সেই সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।

পরে প্রতিমন্ত্রী পলক, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হারুন-অর-রশিদ, মাইক্রোসফট বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোনিয়া বশির কবির এবং বিডিওএসএনের সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের কনসালটেন্ট মুনির হাসান একটি ফেইসবুক লাইভে অংশ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমগুলোকে আরও কিভাবে ইতিবাচক করা যায় তা আলোচনা করেন।

ইমরান হোসেন মিলন

কালিয়াকৈরে ডাটা সেন্টার ও হার্ডওয়্যার জোন করবে ভাইব্রেন্ট

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে ডাটা সেন্টার এবং হার্ডওয়্যার জোন স্থাপন করবে ভাইব্রেন্ট সফটওয়্যার। প্রকল্পটিতে তারা বিনিয়োগ করবে চার থেকে সাড়ে চার কোটি মার্কিন ডলার। আগামী ১০ বছরের মধ্যে প্রকল্পটির অবকাঠামো নির্মাণের কার্যক্রম সম্পন্ন করবে প্রতিষ্ঠানটি।

বুধবার প্রকল্পটিতে বিনিয়োগ করতে সামিট টেকনোপলিসের সঙ্গে একটি ‘ল্যান্ড লিজ’ চুক্তি করেছে ভাইব্রেন্ট সফটওয়্যার লিমিটেড।

কালিয়াকৈরের হাই-টেক সিটিতে দুই ও পাঁচ নম্বর ব্লক উন্নয়ন কাজ করছে সামিট টেকনোপলিশ লিমিটেড। সেখানেই ভাইব্রেন্ট সফটওয়্যার এই কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

Kaliyakoir-Hightech-park-Techshohor

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুশান্ত কুমার সাহা (অতিরিক্ত সচিব) ও সামিট পাওয়ারের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ লতিফ খানসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি কালিয়াকৈরে ৩৫৫ একর জমির উপর সরকারি বেসরকারী অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম হাই-টেক পার্ক। উক্ত হাই-টেক পার্ক বাস্তবায়িত হলে প্রায় এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আনিকা জীনাত

বেসিস সদস্যদের জন্য স্মার্টকার্ড চালু

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সদস্যদের জন্য স্মার্টকার্ড চালু করেছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)।

‘মেম্বারশিপ স্মার্ট কার্ড’ এর মাধ্যমে হাসপাতাল, হোটেল, বিমানবন্দর, রেস্টুরেন্সসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশেষ ছাড় এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বেসিস সদস্যরা সেবা পাবেন।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এই স্মার্টকার্ডের উদ্বোধন করেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

Basis-Membership-Card-Techshohor

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, একসময় বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি বলে কেনো খাত ছিল না। বর্তমান সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর উন্নত বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা দিয়েছে। বেসিস একসময় বিজেএমইএ এর মতো শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হবে।

বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সদস্যরা এ ধরণের কার্ড বা সেবার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। দেরিতে হলেও কার্ডটি দিতে পারে আমরা আনন্দিত। আপাতভাবে ১৫টি প্রতিষ্ঠানের সাথে সমঝোতা হলেও আগামীতে আরো প্রতিষ্ঠান যুক্ত হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ইমরান আহমেদ বলেন, বেসিস সরকারের পাশাপাশি দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অন্যতম অবদান রেখে চলেছে। সামনের দিনেও তারা সরকারের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে এই খাতে কাজ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসিসের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রাসেল টি আহমেদ, সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান, পরিচালক উত্তম কুমার পাল, সোনিয়া বশির কবির, রিয়াদ এস এ হোসেনসহ অংশীদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা।

আনিকা জীনাত