লুকিয়ে লুকিয়ে তারকাদের গতিবিধি দেখেন কারিনা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : চ্যাট শো ‘কফি উইথ কারানে’ উপস্থাপক করন জোহর একবার বলেছিলেন বলিউড ইন্ডাস্ট্রির সব খবর তিনি কারিনা কাপুরের কাছ থেকেই পান।

সোশ্যাল মিডিয়াতে কোনো অ্যাকাউন্ট না থাকলেও কারিনা কাপুরের কাছে ইন্ডাস্ট্রির সব খবর থাকে। কিভাবে তিনি সবার হাঁড়ির খবর জানেন সেটা এতদিন পর্যন্ত রহস্যই ছিল।

kareena-kapoor-techshohor

রহস্যভেদ আর কেউ করেনি। কারিনা নিজেও সেটা নিয়ে বেশি কথা বলেননি। এমনকি নানা সময়ে এমন কথা অনেকের কানাকানি হলেও রহস্যভেদ আর হয়নি।

অবশেষে করন সেই রহস্যভেদ খেলা খেলেছেন কারিনার সঙ্গে। সেই অনুষ্ঠানে হঠাৎ করে করন কারিনার কাছে জানতে চান, তিনি কিভাবে ইন্ডাস্ট্রির সবার খবর পান?  অন্য তারকাদের ভার্চুয়াল গতিবিধি তিনি চুপিসারে অনুসরণ করেন কিনা?

প্রশ্নের জবাবেই পরিষ্কার করে দেন কারিনা। তিনি জানান, হ্যাঁ, এটা সত্যি। তিনি এই গতিবিধি চুপি চুপি অনুসরণ করেন।

হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে আনিকা জীনাত

ইউটিউব কাভার ফটোতে স্যোশাল মিডিয়া যুক্ত করবেন যেভাবে

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ভিডিও দেখার সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম এখন ইউটিউব। অনেকেই এ মাধ্যমে নতুন চ্যানেল চালু করছেন। এ চ্যানেলে ফেইসবুকের মতই রয়েছে কাভার ফটো যুক্ত করার ফিচার। একই সঙ্গে কাভার ফটোর নিচে স্যোশাল মিডিয়া বাটনও যুক্ত করা যায়। সেখানে ক্লিক করলে দর্শকরা সরাসরি অন্য সামাজিক মাধ্যমে যু্ক্ত হতে পারবেন।

এ চ্যানেলের কোনো ভিডিও শেয়ার করতে দর্শকদের তাহলে আলাদা সোশ্যাল মিডিয়া খুলতে হবে না।

কিভাবে ইউটিউব চ্যানেলের কভার ফটোতে স্যোশাল মিডিয়ার লিংক ও আইকন যুক্ত করতে হবে তা এ টিউটোরিয়াল তুলে ধরা হলো।

প্রথমে ইউজার নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ইউটিউবে লগইন করতে হবে।

তারপর ইউটিউবের কভার ফটো থেকে উপরের ডান পাশে গিয়ে এডিট আইকনে ক্লিক করতে হবে।

0

এরপর সেখান থেকে ‘Edit links’-এ ক্লিক করতে হবে।

তাহলে নতুন একটি পেইজ চালু হবে। সেখান থেকে নিচের দিকে ‘Links’-এ ক্লিক করতে হবে।

1

এরপর ‘add’-এ ক্লিক করে যে স্যোশাল মিডিয়ার লিংক যুক্ত করতে চান সেটির নাম লিখতে হবে। তারপর ডানে ইউআরএল যুক্ত করে দিতে হবে।

এরপর ডান বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলেই কাঙ্খিত সোশ্যাল মিডিয়ার লিংক যুক্ত হয়ে যাবে।

এভাবে ইউটিউবের কভার ফটোতে স্যোশাল মিডিয়ার লিংক যুক্ত করা যায়।

আরও পড়ুন: 

অ্যাকাউন্ট খুলতে ফেইসবুককে পরিচয়পত্র দেখানোর প্রস্তাব পুলিশের

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট খুলতে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা পাসপোর্ট প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অপরাধমূলক কার্যক্রম ঠেকাতে ফেইসবুকের সহায়তা চেয়েছে এটিসহ কিছু অনুরোধ করেছে পুলিশ।

সাইবার অপরাধ তদন্তে সহায়তা, জঙ্গি প্রোপাগান্ডা, নারী নির্যাতন এবং ধর্মীয় উস্কানিমূলক প্রচারণা পুলিশকে জানানোর বিষয়ও রয়েছে প্রস্তাবে।

ঢাকায় হোটেল সোনারগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী চিফস অব পুলিশ কনফারেন্সের দ্বিতীয় দিনে সোমবার ফেইসবুকের সেইফটি ম্যানেজার বিক্রম লাংগেহ’র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করে পুলিশ। বৈঠকে এসব প্রস্তাব দেয়া হয়।

পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বৈঠকের বিষয়ে এসব তথ্য   জানান।

facebook

তিনি বলেন, পুলিশ কোনো বিষয় জানতে চাইলে তাহলে তা যেন ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ গুরুত্বের সঙ্গে নেয়। পুলিশ সদর দপ্তরে ফেইসবুকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে একজন কর্মকর্তা মুখপাত্র হিসেবে থাকবেন।

বৈঠকে এসব বিষয়ে ফেইসবুক প্রতিনিধি বলেছেন, ফেইসবুকের নিজস্ব নীতিমালায় সাংঘর্ষিক না হলে তাঁরা সব রকম সহযোগিতা করবেন। ফেইসবুক পরিচালনা বোর্ডের কাছে বিষয়গুলো তুলে ধরবেন এবং  কী করা হবে তা জানাবেন।

‘সহিংস জঙ্গিবাদ ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আঞ্চলিক সহযোগিতা’ শীর্ষক ওই কনফারেন্সে ‘মিলিট্যান্সি প্রোপাগান্ডা বাই সোশ্যাল মিডিয়া অ্যান্ড ইটস ইফেক্ট ইন দ্যা সোসাইটি’ শিরোণামে নিবন্ধ উপস্থাপনা দেন মনিরুজ্জামান।

এতে তিনি বলেন ‘সোশ্যাল মিডিয়া তরুণদের জঙ্গিবাদে জাড়ানোর কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। বেশিরভাগ জঙ্গিরা বলছে যে তারা সোশ্যাল মিডিয়া হতে বিভ্রান্ত হয়েছিল।

পুলিশের এই কর্মকর্তা উপস্থাপনায় উল্লেখ করেন, সোশ্যাল মিডিয়াতে অ্যাকাউন্ট খুলেই কোনো সেন্সর ছাড়াই যে কেউ যেকোনও কিছু প্রকাশ করছে। সেন্সর না থাকায় সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলো সোশ্যাল মিডিয়া হতে বিশেষ সুবিধা নিতে পারে।

আল-আমীন দেওয়ান

 

ফেইসবুক আলোচনায় ৭ খুন, ক্রিকেট

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সোমবার সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের আলোচনায় রয়েছে ক্রিকেট এবং নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলার রায়ে ২৬ আসামীর ফাঁসির আদেশের বিষয়টি।

ঘুরে ফিরেই এর ব্যবহারকারীরা পোস্ট করছেন বিষয় দুটি নিয়ে নিজেদের মন্তব্য।  একদিকে অপ্রত্যাশিত হার, অন্যদিকে চরম নির্মমতার বিচার পাওয়ার অনেকেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন ফেইসবুকে।

রোববার রাতে বাংলাদেশের এক ক্রিকেট ভক্ত ফেইসবুকে লেখেন, কাল সকালে যখনই ঘুম ভাঙুক, উঠে যেন না দেখতে হয় বাংলাদেশ অল আউট হয়ে গেছে! আমিন। যে পোস্টের নিচে কয়েকজন মন্তব্য করেন, নাকে তেল দিয়ে ঘুমান সমস্যা হবে না।

New Zealand v Bangladesh - 1st Test: Day 5

কিন্তু পোস্টদাতা আশরাফুল ইসলাম ঘুম থেকে উঠে কি দেখতে পেয়েছিলেন জানি না। তবে অনেকেই হয়তো ঘুম থেকে জেগে সোমবার সকালে কিছুটা হতাশই হয়েছেন। কারণ বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড সফরে প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৬০ রানে অল আউট হয়ে যায়। ফলে অনেকেই ঘুম থেকে উঠে দেখতে পেয়েছেন নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশের দেওয়া ২১৭ রানের লক্ষ্যে বাটিং করছেন।

তবে কথা হচ্ছে, বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের কাছে সাত উইকেটে হেরেছে। যার একটা রেশ সকাল থেকেই রয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে।

তবে ম্যাচ জিততে জিততে বাংলাদেশের এমন হার খুবই দুঃখজনক বলেও বলছেন অনেকেই। মোশাররফ রুবেল নামের একজন লিখেছেন, আমরা জিত্তে জিত্তে হেরে যাই, আবার হারতে হারতেও হেরে যাই।

রোবাবর ব্যাট করতে গিয়ে কোমরে আঢ়াত পান ইমরুল কায়েস। সোমবার শেষ দিনে টিম সাউদির বলে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় মুশফিকুর রহিমকে। এমন দুটি ব্যাটসম্যান না থাকায় বাংলাদেশের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল।

তবে তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে অনেকেই লিখছেন। চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী লিখেছেন, আমাদের সবার দোয়া তোমার সাথে, মুশফিক। নিশ্চয়ই দ্রুত ভালো খবর শুনবো আমরা। শুনবো খারাপ কিছু হয় নাই তোমার। হোয়াট আ হরিবল সিন !!!! বাট ইউ নো, ইউ আর আ ট্রু ফাইটার। ইউ প্রুভড ইট ওয়ানস এগেইন। বীরের জন্য আমাদের চোখের জল, উদ্বেগ, আর দোয়া।

অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। সেই রায়ে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকায় ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। বিষয়টি নানা জন তাদের মতামত ব্যক্ত করছেন সামাজিক যোগাযোগ জায়ান্টটিতে।

ইতোমধ্যে অনেকেই রায় কার্যকার করা সম্ভব হবে কিনা এমন সন্দেহ প্রকাশ করেছেন নিজেদের টাইম লাইনে। মোহাম্মাদ হাসান নামের একজন লিখেছেন, আরে এইডা নাটক! ফাসি দিলেও মরবো না, দেইখেন– ফেসবুক সমাজ।

শাহিনুর রহমান সোহাগ নামের একজন লিখেছেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য দ্রুত রায় কার্যকর করা হোক। না জানি, কোন ফাঁক ফোকরে এরা আবার বেঁচে না যায়। কারণ আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা আছে! বিশ্বজিৎ হত্যার রায় এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। রাষ্ট্রপতির ক্ষমা করার ঘটনাও আছে!

মোহাম্মাদ উল্ল্যাহ নামের একজন লিখেছেন, রায় অবশ্যই সাধারণ মানুষ এবং ভুক্তভুগি পারিবারের জন্য কিছুটা হলেও স্বান্ত্বনা। তবে এটার দ্রুত কার্যকর করতে পারলে তা দৃষ্টান্ত হেয়ি থাকার মত ঘটনা হবে।

ইমরান হোসেন মিলন

হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কল করবেন

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বার্তা আদান-প্রদানকারী অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। ফেইসবুকের আওতাধীন এ মাধমের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০০ কোটির বেশি। এ জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে ভয়েস কলের পাশাপাশি সম্প্রতি ভিডিও কল করার সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে এ অ্যাপে।

এ ফিচার চালুর ফলে স্কাইপ, ফেইসবুক ম্যাসেঞ্জার বা গুগল ডুয়োর মত ভিডিও কল করা যাবে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে।

অনেক ব্যবহারকারীদের কাছে জানা নেই কিভাবে এতে ভিডিও কল করতে হয়। তাদের জন্য এ টিউটোরিয়ালে তা তুলে ধরা হলো।

 

ছবি: দ্য নেক্সট ওয়েব
ছবি : দ্য নেক্সট ওয়েব

সর্বশেষ  ২.১৬.৩১৮ (৪৫১৪৬২) সংস্করণে পাওয়া যাচ্ছে নতুন ফিচারটি। তাই ভিডিও কল ফিচারটি ব্যবহার করতে হলে এ সংস্করণ ইন্সটল করে নিতে হবে।

আপনার মোবাইলে ইন্সটল করা অ্যাপের সংস্করণ কত তা হোয়াটঅ্যাপের সেটিংস থেকে এবাউটে গিয়ে জানা যাবে।

তারপর ভিডিও কল করতে হলে প্রথমে ক্লিক করতে হবে উপরে থাকা ক্লিংক বাটনে। সেখানে ভিডিও ও ওডিও দুটি অপশন পাওয়া যাবে।

এরপর সেখান থেকে ভিডিও কল অপশনে ক্লিক করলেই ভিডিও কল শুরু হবে। এ সময় ডিফল্টভাবে ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যবহৃত হবে।

কেউ ভিডিও কল করার পর তা রিসিভ না হলে পরে তা নোটিফেকশন আকারে দেখা যাবে।

এভাবে সহজেই হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই ভিডিও কল করা যাবে।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ ফেইসবুকের বড় বাজার, ব্যবহারকারীরা বেশ সক্রিয়

ফারগাস-ও’-হারে, ফেইসবুক ক্রিয়েটিভ শপের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক। বাংলাদেশে এসেছিলেন সম্প্রতি। টেকশহরের সঙ্গে ফেইসবুকে তথ্যের নিরাপত্তা,  বাংলাদেশে ফেইসবুকের বাজার, অফিস পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাতকার নিয়েছেন তুসিন আহমেদ।

নতুন ধারার বিজ্ঞাপন কৌশল বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকেন্দ্রিক বিপণন ও বিজ্ঞাপন ব্যবস্থার রহস্য উন্মোচনে দেশে তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে গেলো ডিজিটাল মার্কেটিং সামিট-২০১৬। আর এই সামিটেই অংশ নিতে বাংলাদেশে এসেছিলেন ফেইসবুক ক্রিয়েটিভ শপের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক ফারগাস-ও’-হারে।

সামিটে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন শেষে বসেন টেকশহরের সঙ্গে। সেখানে ফেইসবুকে ব্যবহারকারীর তথ্যের নিরাপত্তা, বাংলাদেশে ফেইসবুকের কেমন বাজার, নিজ বিভাগ ও কাজ, বাংলাদেশে ফেইসবুকের অফিস খোলা হবে কিনা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন এই কর্মকর্তা।

টেকশহর : দেশে ফেইসবুকের বিজ্ঞাপন বাজার কেমন ?
ফারগাস-ও’-হারে : বাংলাদেশে এখন ১ কোটি ৭০ লাখের অধিক মানুষ ফেইসবুক ব্যবহার করেন। দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে প্রতিনিয়ত। এ হতে সহজেই বোঝা যায় ফেইসবুকের জন্য বাংলাদেশ বড় একটি বাজার। তবে বিজ্ঞাপন খাতে বাংলাদেশে হতে সঠিক কত অর্থ ফেইসবুকের আয় হয় তার সঠিক তথ্য আমার জানা নেই। যদিও এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে বাংলদেশে ফেইসবুকের চাহিদা রয়েছে।

টেকশহর  : এটিই তো আপনার প্রথম বাংলাদেশে সফর, কেমন লাগাছে এই দেশ?
ফারগাস-ও’-হারে : ভালো লাগছে। এই দেশের সবাই বেশ আন্তরিক।

টেকশহর  : বাংলাদেশে ফেইসবুকের অফিস খোলার কোন পরিকল্পনা ?

ফারগাস-ও’-হারে : এখনও এমন কোনো পরিকল্পনা আমার জানামতে নেই, তবে ভবিষ্যতে হয়ত পরিকল্পনা করা হতে পারে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের বাজার যাচাই-বাছাইসহ অনেকগুলো বিষয় রয়েছে।

টেকশহর  : এশিয়ার অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান কেমন ফেইসবুকে?

ফারগাস-ও’-হারে : ভারত , ভিয়েতনামের মতই বাংলাদেশের মানুষ সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশ সক্রিয়। খুব দ্রুতই ব্যবহারকারীও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভিন্ন দেশে সাথে মিল রেখে বাংলাদেশে ফ্রি ইন্টারনেট সেবা ও ফেইসবুকের বিনামূল্যে ব্যবহারের সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে।

Fergus-OHare-techshohor

টেকশহর  : ইন্টারনেট দুনিয়ায় কিছু বির্তক আছে এমন যে, ফেইসবুক বিজ্ঞাপন সংস্থার কাছে ব্যবহারকারীদের তথ্য বিক্রি করছে। এই সম্পর্কে আপনার অভিমত কি?

ফারগাস-ও’-হারে: ফেইসবুকে যেকোনো ব্যবহারকারীর তথ্য নিরাপদ । কোন বিজ্ঞাপন সংস্থাকে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি করা হয় না ।

টেকশহর  : তাহলে কীভাবে গ্রাহকদের পছন্দ ও প্রয়োজন অনুযায়ী তার ওয়ালে বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয় ?

ফারগাস-ও’-হারে : আপনার মনে এমন প্রশ্ন জাগতে পারে এটাই স্বাভাবিক যে, ফেইসবুক বিজ্ঞাপনের জন্য টার্গেট গ্রাহকদের কিভাবে নির্বাচন করে থাকে। গ্রাহকরা যেন তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিজ্ঞাপন দেখতে পারে সে জন্য ফেইসবুকের অ্যালগরিদম এমনভাবে করা যেন কোনো ব্যবহারকারী কী পছন্দ করছে সেগুলো সহজেই বোঝা যায়। উদাহরণ দেই-ধরুন আপনি ল্যাপটপ সংক্রান্ত কোনো পোস্টে লাইক দিচ্ছেন বা ল্যাপটপ বিষয়ক বিভিন্ন গ্রুপে যুক্ত আছেন তখন ফেইসবুক বুঝবে আপনি ল্যাপটপ বিষয়ক পণ্যের প্রচারণার জন্য টার্গেট গ্রাহক। তখন আপনার হোম পেইজে ওই পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত করবে। এখানে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ইনবক্স পড়ছে না ফেইসবুক। গ্রাহকদের সোশ্যাল এক্টিভিটি দেখেই ফেইসবুকের অ্যালগরিদম কাজ করে।

এক্ষেত্রে উল্লেখ্য যে, হোয়াটসঅ্যাপের পরে ফেইসবুক মেসেঞ্জারেও এনক্রিপশন যুক্ত করা হয়েছে। ফলে ব্যবহারকারীদের ফেইসবুক মেসেজ থাকবে সুরক্ষিত। এতে করে বিশেষ বন্ধুর কিংবা জরুরি কোনো ব্যক্তির সঙ্গে আপনার আলোচনা থাকতে পারে একদম ব্যক্তিগত ।

Fergus O'hare.techshohor                                              ছবি : ফারগাস-ও’-হারে এর ফেইসবুক ওয়াল হতে

টেকশহর  : ফেইসবুকের হোম পেইজে বিজ্ঞাপন অনেক ব্যবহারকারীদের কাছে বিরক্তের কারণ। ফেইসবুকের কি কোনো বিজ্ঞাপন মুক্ত সংস্করণ উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা আছে?

ফারগাস-ও’-হারে : বিজ্ঞাপনমুক্ত কোনো বিশেষ সংস্করণ আনা হবে কিনা এই ব্যাপারে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে ফেইসবুকের বিজ্ঞাপন গ্রাহকরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। কেননা যদি হোম পেইজে কোনো বিজ্ঞাপন ব্যবহারকারীদের পছন্দ না হয় তাহলে রিপোর্ট বা এই পণ্যের বিজ্ঞাপন না দেখার জন্য রিপোর্ট করার সুবিধা রয়েছে।

টেকশহর  : আপনার কর্মস্থল কোথায় এবং সেখানে কতজন কর্মী কাজ করছে?
ফারগাস-ও’-হারে : আমি কাজ করি ফেইসবুকের সিঙ্গাপুর অফিসে। সেখানে প্রায় ৭৫০ জন কর্মকর্তা কাজ করে থাকে। সিঙ্গাপুর থেকেই জাপান, ভারতসহ এশিয়ার সবগুলো দেশের ফেইসবুকের কার্যক্রম দেখাশুনা করা হয়।

টেকশহর  : কী কী কাজ সেগুলো ?
ফারগাস-ও’-হারে : আমি মূলত ফেইসবুকের ক্রিয়েটিভ শপ বিভাগে কাজ করি। সেখানে বিভিন্ন মার্কেটার, বিজ্ঞাপন সংস্থা ও এজেন্সির সঙ্গে ফেইসবুকের যোগাযোগ এবং কাজের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছতে পারে। ক্রিয়েটিভ শপ বিভাগটি আকারে বেশ ছোট। এই বিভাগে কাজ করে ১৬৯ জন কর্মী। এছাড়া বিভিন্ন ক্রিয়েটিভ কনন্টেট ডিজাইনের কাজও করে এই বিভাগটি।

খাদিজা! আরও একটি আফসোসের নাম!

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : খাদিজা! আরও একটি আফসোসের নাম! শুধু এটুকুই লিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে পোস্ট দিয়েছেন জেসমিন পাপড়ি নামের একজন ব্যবহারকারী।

আসলেই কী আমরা আফসোস করছি? প্রশ্নটা আসা স্বাভাবিক। কারণ খাদিজা আবার আমাদের প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

খাদিজা আক্তার নার্গিস সিলেট এমসি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী। সোমবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে কলেজের ভিতরেই শাহজালার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীলের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম কুপিয়ে জখম করে। পরে খাদিজাকে গুরুতর অবস্থায় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

Sylet-MC-Khadija-Techshohor
ঘটনার একটি ভিডিও সঙ্গে সঙ্গেই ছড়িয়ে পড়ে ইউটিউবসহ ফেইসবুকে। তখন থেকেই বিষয়টি নিয়ে পোস্ট দিতে থাকেন অনেকেই।
আহমেদ ইফতি নামের একজন লিখেছেন, দোয়া করি খাদিজা বেঁচে থাকুন। আমরা আর সুরাইয়া আক্তার রিশার মতো ঘটনা দেখতে চাই না। নিরাপদ শিক্ষাঙ্গণ নিশ্চিত করার দাবি করছি আমি সরকারের কাছে।

রেজওয়ান রহমান লিখেছেন, গতবার সিলেট যখন গিয়েছিলাম, তখন এমসি কলেজে ঘুরতে গিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম এইবারও যাবো। এই সবুজ-সুন্দর কলেজে এইরকম মর্মাহত ঘটনা ঘটবে কল্পনাও করিনি।

মানবতা, নিষ্ঠুরতার চাপে তলিয়ে যাচ্ছে। সময় থাকতে মানবতা ফিরে আসলে ভালো, নাইলে সোনার বাংলা, তামার বাংলাতে পরিণত হতে বেশি সময় লাগবে না।

ঠিক তারপরেই তিনি হ্যাশট্যাগ দিয়ে লিখেছেন #রেইজইওরভয়েজ, #সরিসিস্টার।

কিন্তু আসলেই কী আমাদের কণ্ঠ প্রতিবাদ মুখর হয়ে উঠছে? প্রশ্ন থেকেই যায়। সেই প্রশ্ন তুলেই আয়েশা জান্নাত তুলি নামের একজন ফেইসবুককে বেছে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, এতো মানুষ চিৎকার দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মেয়েটিকে কোপানো দেখলো। কারও কী এতটুকু সাহস ছিলো না সেই দুর্বৃত্তের অস্ত্রের সামনে মাথাটা উঁচু করার? আমরা কী সেই শিক্ষাই পাচ্ছি দিন দিন?

অনেকেই আবার সেই হামলাকারীর পরিচয় তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাদের পোস্টে বা অন্য কারো পোস্টের মন্তব্যে। ঘটনাটি শুধু দাঁড়িয়ে না দেখে শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রতিবাদ খাদিজাকে রক্ষা করতে পারতো বলেও উল্লেখ করেছেন।

চৌধুরী আকবর হোসেন নামের এক ফেইসবুক ব্যবহারকারী প্রশ্ন তুলেছেন, সিলেটের ঐতিয্যবাহী এমসি কলেজে প্রকাশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে একটি মেয়েকে।

এটাকে কী জঙ্গী হামলা বলা যাবে?

ইমরান হোসেন মিলন

রিশা হত্যার বিচার দাবিতে উত্তাল ফেইসবুক

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে দেওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ‘আমরা বিচার চাই’ স্লোগান দিয়ে কম্পিত করেছে রাজধানীর কাকরাইল মোড়সহ আশপাশের এলাকা।

উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুরাইয়া আক্তার রিশা হত্যার প্রতিবাদ জানাতে এবং এর সুষ্ঠু বিচার চাইতেই এমন স্লোগান।

তার সহপাঠী, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ, এমনকি স্বয়ং শিক্ষামন্ত্রীও ওই বিচার দাবিতে একাত্মতা পোষণ করে দাবি জানাচ্ছেন বিচারের।

risha_techshohor
কাকরাইল মোড়ের এমন উত্তাল ছবি পোস্ট করে রিশা হত্যার বিচার চেয়েছেন শাহজালাল রোহান নামের এক ফেইসবুক ব্যবহারকারী।

শুধু শাহজালাল নন, এমন হাজারো ব্যবহারকারী রিশা হত্যার বিচার চেয়ে দিচ্ছেন পোস্ট। এছাড়াও অনেকেই হত্যাকারী ওবায়েদের ছবি দিয়ে তাকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।

ইকবাল বাহার নামের একজন এমনই কথা লিখেছেন। তিনি লিখেছেন, ভালোবাসা কাকে বলে? ছুরি মেরে খুন করে জোর করে আদায়? বাহ কুলাঙ্গার বাহ! ক্ষমা করো বোন রিশা। এই হিংস্রতা থেকে আপনার আমার পরিবার কতটা নিরাপদ? শাস্তি হউক বা না হউক এই কুলাঙ্গার ওবায়েদ কে ধরিয়ে দিন। ফেইসবুকের লাখো নিবেদিত সংবাদ কর্মীরা।

Risha-
তাহাজুল ইসলাম ফয়সাল অপরাধী চিহ্নিত হওয়ার পরেও তাকে না ধরতে পারায় ব্যর্থতা প্রশাসনের জানিয়ে লিখেছেন, ঘটনার চার দিন পরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে রিশা। অপরাধী চিহ্নিত। কিন্তু চার দিনেও প্রশাসন ওই নরপশুকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এটা প্রশাসনের ব্যর্থতা। আর এমন ব্যর্থতার জন্যই হয়তো বলি হতে হবে অন্য কোন বোনকে।

তবে এটা ঠিক ফেইসবুকে হাজারো পোস্টে হত্যাকারী হিসেবে ওবায়েদের ছবি দিয়ে তাকে ধরিয়ে দেওয়া অনুরোধ করেছেন অনেকেই। একই সঙ্গে তার চূড়ান্ত বিচার দেখতে চেয়েও অনেকেই পোস্ট করেছেন বিভিন্ন মন্তব্য।

সুরাইয়া আক্তার রিশা বৃহস্পতিবার নিজ স্কুলের সামনে ছুরিকাঘাতের শিকার হলে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার মারা যায় রিশা।

তারপরই তার হত্যার বিচার দাবিতে ফেইসবুকে বিভিন্ন কর্মসূচীর ঘোষণা দিয়ে হত্যার বিচার দাবি এবং হত্যাকারীকে ধরতে আন্দোলনে নামে সর্বশ্রেণী-পেশার মানুষ।

ইমরান হোসেন মিলন

শিগগিরই সামাজিক যোগাযোগে ইউটিউব

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফর্ম ইউটিউব শিগগিরই পূর্ণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে রুপ নেবে। ব্যবহারকারীরা তাদের চ্যানেল পেইজে টেক্সট, ভিডিও ও পোল প্রকাশ করতে পারবেন।

ইউটিউব ব্যাকস্টেজ নামে অভ্যন্তরীণভাবে পরিচিত একটি প্রকল্পের মাধ্যমে এই সুবিধা আনছে বলে ভেঞ্চার বিট প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ব্যবহারকারীদের প্রকাশ করা পোস্ট অন্য সেবাগুলোতে পাওয়া যাবে। ব্যবহারকারী যদি ইউটিউবে একটি মজার ছবি প্রকাশ করে তাহলে এটি একইসাথে টুইটার, ফেইসবুক, ইনস্টাগ্রামসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও প্রকাশ করার সুবিধা (অপশন) থাকবে।

ইন্টারনেট-ইউটিউব-ব্যবহারকারী

এটি ইউটিউবের জন্য বড় ধরণের পরিবর্তন বটে। কারণ এখন মানুষকে নানাভাবে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করতে হয়। ভিডিও-ফাস্ট শেয়ারিংয়ের যুগে প্রতিযোগিতায় এখনও শীর্ষে ইউটিউব। তাই নতুন এই সুবিধা ব্যবহারকারীদের কাছে ইউটিউব আরও নির্ভরশীল হবে।

আগামী নভেম্বরের মধ্যেই ডেস্কটপ ও মোবাইলে এই সুবিধা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দ্য নেক্সট ওয়েব অবলম্বনে রুদ্র মাহমুদ

সোশ্যাল মিডিয়ায় সতর্ক হতে আইজিপির আহ্বান

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে জঙ্গি সংগঠনের প্রচারণা চালানো থেকে বিরত থাকতে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। সেখানে জঙ্গি প্রচারণায় অংশ নেওয়া কোনো পোস্টে লাইক কমেন্ট করলেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহিদুল হক দেশের মানুষকে সম্প্রতি জঙ্গিবাদ বিরোধী কর্মকাণ্ডে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করায় অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন।

পুলিশ সদর দফতর থেকে বাংলাদেশ পুলিশের ফেইসবুক পেইজেও বিজ্ঞপ্তিটি পোস্ট দেওয়া হয়।

social media -techshohor
শহিদুল হক বলেন, মুষ্টিমেয় কিছু ব্যক্তি নিজেদের জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি কর্মকাণ্ডের পক্ষে বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ব্লগ, অনলাইন ও অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমে লাইক, শেয়ার পক্ষে কমেন্টসহ বিভিন্ন ভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এগুলো তথ্যপ্রযুক্তি আইনের পরিপন্থী এবং এসব পোস্টে লাইক কমেন্ট করলে ব্যবস্তা নেওয়া হবে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, এই কাজগুলো তথ্য ও যোগাযোগ (সংশোধন) প্রযুক্তি আইন, ২০১৩, সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন ২০১৩সহ দেশের প্রচলিত অন্যান্য আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

তাই নিজেদের এবং পরিচিতজনদের এ ধরনের কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকতে আইজিপি সবার প্রতি অনুরোধ করেন। আর কেউ যদি এই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন তবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

পুলিশ সবসময় জনগণের সঙ্গে আছে জানিয়ে তিনি জঙ্গিবিরোধী কর্মকাণ্ডে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহায়তা কামনা করেন।

ইমরান হোসেন মিলন

লাইভ স্ট্রিমিংয়ে ফেইসবুক, ইউটিউব নাকি পেরিস্কোপ?

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গত কয়েকমাস থেকে সামাজিক মাধ্যমগুলোতে লাইভ স্ট্রিমিং অন্য পর্যায়ে চলে গেছে। এটি বেশকিছু মিডিয়া কনটেন্ট তৈরি ও ভাইরাল করা এমনকি ব্রেকিং নিউজের মতো ঘটনাও ঘটিয়েছে।

আর এসব ভিডিও টুলসগুলো মানুষকে প্রকৃত সময়ের মধ্যে ঘটনা তুলে ধরার সুযোগ করে দিয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো।

অবশ্য এজন্য বেশকিছু ভিডিও ফিচার বাজারে রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বলা যায় ফেইসবুক, ইউটিউব ও টুইটারের পেরিস্কোপ।

Social media-live-techshohor
প্রযুক্তি জায়ান্ট ফেইসবুকের ফেইসবুক লাইভ, গুগলের ইউটিউব এবং টুইটারের পেরিস্কোপ এখন একে অন্যের সঙ্গে অনেকটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
তবে যে কেউ একটু জেনে নিয়ে আপনা থেকেই চিনে নিতে পারেন কোনটি আপনার পছন্দের হবে।
সহজলভ্যতা
ফেইসবুক গত বছর থেকে যখন লাইভ চালু করে তখন তা শুধু সেলিব্রেটিদের জন্য ছিল। কিন্তু এপ্রিল থেকে তা উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে তা সবার জন্য খুবই সহজলভ্য হয়। এটি ওয়েব ইন্টারফেইসের মাধ্যমেও করা সম্ভব হয়।
ইউটিউব শুধু ডেক্সটপে কাজ করে। তবে তারা চেষ্টা করছে খুব শিগ্রই অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনে আনতে। টুইটারের পেরিস্কোপ অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এ আইওএসে সহজলভ্য।
গ্রাহককেন্দ্রিক
গ্রাহককেন্দ্রিকতার দিক থেকে এখন ফেইসবুক খুবই এগিয়ে। এটি এখন সবচেয়ে বড় ভিডিও স্ট্রিমিং প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। তবে ইউটিউব ও পেরিস্কোপও এখন জনপ্রিয় হচ্ছে।
গ্রাহকদের ইন্টারফেইস
ব্যবহারকারীদের ইন্টারফেইসের দিক থেকে একটি অ্যাপ যেমন জনপ্রিয় হয় তেমনি আবার তা অল্পতেই ডুবে যেতে পারে।
সেদিক থেকে এগিয়ে আছে ফেইসবুক লাইভ। ফেইসবুকে খুব সহজেই ব্যবহারকারীরা লাইভ করতে পারেন। এছাড়াও লাইক, কমেন্ট ব্যবহার করা যায়। একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে পেরিস্কোপ। সেখানেও ফেইসবুকের লাইভের মতো লাইক, কমেন্ট করা যায়।
ভিডিও আর্কাইভ
ভিডিও আর্কাইভের দিক থেকে ফেইসবুক লাইভ এবং ইউটিউব একই ফিচার ব্যবহার করে। সেখানে ব্যবহারকারী চাইলে তাদের ভিডিও আর্কাইভ থেকে পরে ডিলিটও করতে পারেন। তবে পেরিস্কোপে এটি স্বল্পস্থায়ী। ২৪ ঘণ্টা পর তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়।
ক্যামেরার ব্যবহার
এই লাইভ ভিডিও করতে গেলে পেরিস্কোপ ও ইউটিউবে যেকোনো তৃতীয় পক্ষের ক্যামেরা ব্যবহার করা সম্ভব। কিন্তু ফেইসবুকের লাইভ ভিডিওতে তাদের অ্যাপের অভ্যন্তরীণ বা ডিভাইসের অভ্যন্তরীণ ক্যামেরা ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

ইমরান হোসেন মিলন