তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা সমৃদ্ধ করতে কর্মশালা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়াতে এবং একে সমৃদ্ধ করতে নেওয়া হয়েছে প্রকল্প। এখন সেই প্রকল্পের অধীনে গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলাকে সমৃদ্ধ করতে কাজও শুরু করেছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি ভবনের বিসিসি অডিটোরিয়ামে ‘তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা ব্যবহার : চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল।

কর্মশালার সঞ্চালক ও প্রকল্পের অন্যতম সদস্য, বেসিস সভাপতি মোস্তফা জব্বার বলেন, বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমে বাংলা ব্যবহারের জন্য সরকার বাংলা ভাষার একটি ফরমেট তৈরি করেছে। কিন্তু কোনো অপারেটিং সিস্টেমই তা গ্রহণ করে না। এরপরও সেগুলো দেশে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা সমৃদ্ধ করতে হলে এসব বিষয়ে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে বলে জানান তিনি।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি শিক্ষাবিদ ও লেখক ড. মুহম্মাদ জাফর ইকবাল বলেন,  দেশের ছেলে-মেয়েরা তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা ব্যবহারের বিষয়ে গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত সময় পায় না। আর যারা এই বিষয়ে গবেষণা করেন তারা শিক্ষাক্ষেত্রে উপযুক্ত বয়সে তা করতে পারে না। আবার অনেকেই শেষ পর্যন্ত দেশে থাকে না। তাই তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

কর্মশালায় আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে পুর্ণাঙ্গ বাংলা করপাস উন্নয়ন, কথা থেকে লেখা ও লেখা থেকে কথায় রূপান্তর সফটওয়্যার উন্নয়ন, বাংলা ফ্রন্ট রুপান্তর ইঞ্জিন, বাংলা যান্ত্রিক অনুবাদক উন্নয়ন, স্ক্রিন রিডার সফটওয়্যার উন্নয়নসহ মোট ১৬টি বিষয়ের ওপর আলোচনা করা হয়।

উক্ত কর্মশালায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের  উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও বিশেষ কারণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি।

কর্মশালায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক দানীউল হক, অতিরিক্ত সচিব (পিআরএল) এস এম আশরাফুল ইসলাম, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক চৌধুরী মফিজুর রহমান তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা ব্যবহারের বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

হ্যাকারদের কবলে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ওয়েবসাইট

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ওয়েবসাইট হ্যাকড হয়েছে। শনিবার দুপুর নাগাদ ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করতে গেলে সেখানে একটি নোটিশ দেখা যায়।

ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে না পেরে সাইট হ্যাকডের বিষয়টি টেকশহরডটকমকে জানান একজন পাঠক।

ICTD-HACKED_TECHSHOHOR

ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে হলুদ কালিতে লেখা ‘হ্যাকড বাই রাহু’। তিনি নিজেকে একজন ভারতীয় হিসেবে দাবি করেছেন। আর হ্যাকের কাজটিও করা হয়েছে ভারতে বসে। হ্যাকার দলটির নাম ‘লুলজসেক ইন্ডিয়া’।

ওয়েবসাইটটি নিরাপত্তার দিক থেকে ব্যর্থ হয়েছে বলেও বলা হয়েছে নোটিশটিতে।

দলটিতে যারা রয়েছেন তাদের সবার নাম আবার একেবারে নীচে স্ক্রলে দিয়েছে দুর্বৃত্ত হ্যকারারা।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের বলেন, সাইটটি উদ্ধারে বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে। খুব দ্রুতই এটি উদ্ধার করা যাবে বলেও জানান তিনি।

ইমরান হোসেন মিলন

 

ইন্টারনেট ব্যবহারে ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ইন্টারনেট ব্যবহারে ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। সোমবার তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত প্রাক-বাজেট মতবিনিময় সভায় এই দাবি জানানো হয়।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) এই দাবি জানায়। এই দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেন আলোচনায় অংশ নেওয়া অধিকাংশরা।

বাক্য তাদের দাবিতে জানায়, ইন্টারনেট ব্যবহারের উপর ভ্যাট থাকায় তারা কিছুক্ষেত্রে আউটসোর্সিং থেকে মুনাফা করতে পারছেন না। এর ফলে খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে। এভাবে খরচ বৃদ্ধি পেলে আউটসোর্সিং খাত থেকে আয়ের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে কমে যাবে। তাই সংগঠনটির পক্ষ থেকে সামনের বাজারে এই ভ্যাট প্রত্যাহারের জোর দাবি জানানো হয়।

Pre-budget-Techshohor

প্রাক-বাজেট আলোচনায় একটি পেপার উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীন চলমান এলআইসিটি প্রকল্পের কম্পোনেন্ট টিম লিডার সামি আহমেদ।

তিনি তার উপস্থাপনায় বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে অগ্রাধিকারমূলক খাত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এখনো বাস্তবে তার বাস্তবায়ন খুব একটা চোখে পড়ছে না। সেই সুবিধাও পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী এই খাতে ২০ শতাংশ নগদ আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু সেটি এখনও দেওয়া হয়নি। অগ্রাধিকার খাত হিসেবে এই খাতে সামনের বাজেটে যেন অবশ্যই ২০ শতাংশ নগদ আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হয় সেই দাবি জানান।

এছাড়াও সফটওয়্যার আমদানির ক্ষেত্রে পাঁচ শতাংশ ট্যাক্স রয়েছে। তবে কিছু কিছু সফটওয়্যারে সেই ট্যাক্স মওকুফের কথা বলেছেন আলোচনায় অংশ নেওয়া অনেকেই।

বিশেষ করে অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার এবং অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার সবাই ব্যবহার করেন। এর উপর আরোপিত ট্যাক্সের কারণে খরচবেড়ে যাওয়ার ব্যবসায়ীরা ব্যবসায় হিমশিম খাচ্ছেন বলেও জানানো হয়। তাই সামনের বাজেট থেকে নির্দিষ্ট সফটওয়্যারে ট্যাক্স মওকুফের দাবি করা হয়।

প্রাক-বাজেট মতবিনিময়ে এনটিটিএন লাইসেন্স পাওয়া প্রতিষ্ঠানের আইএসপিএবির উপর থেকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।

আলোচনায় অংশ নিয়ে ওকে মোবাইলের কর্নধার এবং ইন্ডিগো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জসিমুল ইসলাম বলেন, এখন বাইরের দেশ থেকে মোবাইলের খুচরা যন্ত্রপাতি এনে দেশে প্ল্যান্ট স্থাপন করে মোবাইল তৈরি করতে গেলে সরকারকে ৭৫ শতাংশ ট্যাক্স দিতে হয়। অথচ কেউ যদি তৈরি ফোন আমদানি করে তাকে দিতে হচ্ছে মাত্র ২১ শতাংশ ট্যাক্স।

তিনি বলেন, যদি এই অবস্থা চলতে থাকে তবে দেশের এই বিশাল মোবাইল বাজার ধরতে কখনোই দেশে কেনো কারখানা স্থাপন সম্ভব নয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, মোবাইল আমদানি এবং এর খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানিতে ট্যাক্সের বিষয়টি যদি এমন হয় তাহলে অবশ্যই বিষয়টি তারা সিরিয়াসলি বিবেচনা করবেন বলে আশ্বাস দেন।

প্রাক-বাজেট আলোচনার বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান। এছাড়াও ওই মতবিনিময় সভায় অংশ নেন বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বারসহ তথ্যপ্রযুক্তির বিভন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

প্রাক-বাজেট মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন  তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবির কিশোর চৌধুরী।

ইমরান হোসেন মিলন

‘প্রোগ্রামিং শেখাতে হবে ছোটবেলা থেকেই’

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিশ্বজুড়ে স্বয়ংক্রিয়করণ কার্যক্রমের মাত্রা ক্রমাগত বেড়ে চলায় কম্পিউটার প্রোগ্রামারদের চাহিদা বেড়ে চলেছে। এখন বিশ্বে কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে সবাই নজর দিচ্ছে। তরুণ প্রধান দেশ হওয়ায় বাংলাদেশের রয়েছে বাড়তি সুবিধা। এখন থেকে উদ্যোগ নিলে কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম সেরা দেশে পরিণত হতে পারে।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার চট্টগ্রাম ও বরিশাল পর্বে উপস্থিত অতিথিরা এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শনিবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ওই অঞ্চল দুটির প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

NHSPC-CTG-BARISHAL_TECHSHOHOR

প্রতিযোগিতায় প্রায় দুই সহস্রাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। সকালে চুয়েটের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এস এম ইমামুল হক নিজ নিজ অঞ্চলের প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন।

তথ্যপ্রযুক্তি কুইজ ও প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার অন্যান্য পর্বে আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়েটের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী, সিএসই অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মাহমুদ ‍আব্দুল মতিন ভূইয়া, সিএসই বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. এম. মশিউল হক, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এ কে এম মাহবুব হাসান, সিএসই বিভাগের প্রধান  রাহাত হোসাইন ফয়সালসহ আরও অনেকেই।

প্রতিযোগিতায় দুই পর্বে মোট ১৫০ জনকে ঢাকার জাতীয় উৎসবের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

দেশের হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কম্পিউটার প্রোগ্রামিংকে জনপ্রিয় ও তাদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ তৃতীয়বারের মতো জাতীয় হাইস্কুল তথ্যপ্রযুক্তি কুইজ ও প্রোগ্রমিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

১৬টি আঞ্চলিক ও তিনটি উপজেলা পর্যায়ের বিজয়ীরা ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেবে। এরপর ধারাবাহিক নির্বাচনের মাধ্যমে ইরানের তেহরানে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াডের জন্য বাংলাদেশের সদস্যদের নির্বাচন করা হবে।

বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) প্রতিযোগিতার বাস্তবায়ন সহযোগী এবং কোড মার্শাল  জাজিং প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগ স্থানীয় আয়োজক হিসাবে সম্পৃক্ত রয়েছে।

আগামীকাল নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে লোয়াখালী ও পটুয়াখালী অঞ্চলের  প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রতিযোগিতার সময়সূচী এই ওয়েবসাইট ও ইভেন্টের খবর ফেইসবুক পেইজ থেকে পাওয়া যাবে।

ইমরান হোসেন মিলন

শেখ হাসিনার বদৌলতে সবার হাতে মোবাইল ফোন

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ভোলায় লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শুরুতেই তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানতে চান, মোবাইল ফোন আছে কাদের হাতে? প্রায় সবাই ফোনসহ হাত উঠালে তিনি বলেন, অনেকের হাতে দুটাে‌ও দেখা যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মোবাইল ফোনের দাম একটা সময় এক লাখ টাকাও ছিল। সেই মনোপলি ভেঙে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখন এক হাজার টাকাতেও তা মিলছে, ২৫ পয়সায় কথা বলা যায়।

ভোলা জেলায় লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থী ও তরুনদের তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর এ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ প্রধান অতিথি ছিলেন।

earning-learning-techshohor

প্রশিক্ষণ কর্মসূচী উপলক্ষে লালমোহন হাই স্কুল মাঠে দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভা ছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এখন সারা দেশের তরুনরা তথ্যপ্রযুক্তি শেখার সুযোগ পাচ্ছে লার্নিং আর্নিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে। এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য সন্তান ও ডিজিটাল বাংলাদেশে কারিগর সজীব ওয়াজেদ জয়ের কারণে। এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভোলা তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অন্যদের চেয়ে আরও এগিয়ে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় নামবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ এএম ফিরোজ, সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভোলা জেলা প্রশাসক মোহা. সেলিম উদ্দিন।

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, মোবাইল ফোনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিচ্ছেন, ইন্টারনেট সংযোগ দিচ্ছেন। এখন দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার জন্য লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। উন্নয়নের এ অগ্রযাত্রায় সুশাসন নিশ্চিত করার কাজও চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পলক বলেন, মোবাইল ফোন এখন বিপদের সময় কাজে লাগছে। পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, হাসপাতালে খবর দেওয়ার জন্য হেল্পডেস্ক চালু করা হয়েছে। ৯৯৯ নম্বর থেকেই জরুরি সব সেবা চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন ‘আর্কিটেক্ট অব ডিজিটাল’ বাংলাদেশ সজীব ওয়াজেদ জয়। পরীক্ষামূলক চালু থাকা অবস্থাতেই এখন প্রতিদিন ২০-২৫ হাজার ফোনকল আসে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি থেকে নানা কাজ নিজের গ্রামে বসেই করা যায়। এ জন্য সরকার সাড়ে পাঁচ হাজার ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার তৈরি করেছে।

লার্নিং আর্নিং প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে পলক বলেন, এ জেলায় ২০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা থাকলেও উপহারস্বরূপ এখানে ৫০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি জানান, দেশের যেখানে ভালো প্রশিক্ষণের সুযোগ নেই, ল্যাব নেই- সেসব অঞ্চলে ভ্রাম্যমাণ বাস পাঠিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করা হবে।

ইমরান হোসেন মিলন

যশোর, খুলনা ও রাজশাহীতে হলো প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বব্যাপী চাহিদা বাড়ছে কম্পিউটার প্রোগ্রামারের। তাই দেশেও বিশ্বমানের কম্পিউটার প্রোগ্রামার তৈরি করতে হবে। বিশ্বমানের প্রোগ্রামার হতে গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরেজির মতো ছোটবেলা থেকেই কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে হবে। দেশের হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের এ আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গুনীজনেরা।

যশোর, খুলনা ও রাজশাহী অঞ্চলে অনুষ্ঠিত জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক পর্বে এই আহ্বান জানানো হয়।

৯ মার্চ যশোরের যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আঞ্চলিক পর্বের প্রতিযোগিতা দিয়ে পর্দা ওঠে ২০১৭ সালের জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার।

NHSPC_ICTD_Raj-Khu-Jes-Techshohor

পরে ১০ ও ১২ মার্চ যথাক্রমে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে কুইজ ও প্র্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। তিনটি আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় তিন হাজারের বেশি শিক্ষার্থী।

বিভিন্ন আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী ও সমাপনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুস সাত্তার, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মোহাম্মদ আলমগীর, কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর এম এম এ হাশেম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর চৌধুরী সারওয়ার জাহান, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. রফিকুল আলম বেগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব বনমালী ভৌমিকসহ প্রমূখ।

প্রতিযোগিতায় ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তি কুইজ ও প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে যশোর, খুলনা ও রাজশাহী অঞ্চলের বিজয়ী মোট ২০৩ জন শিক্ষার্থী জাতীয় পর্যায়ের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। প্রতিযোগিতায় তিন ক্যাটাগরিতে কুইজ ও দুই ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীরা কুইজ ও প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে।

দেশের হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কম্পিউটার প্রোগ্রামিংকে জনপ্রিয় ও তাদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ তৃতীয়বারের মতো জাতীয় হাইস্কুল আইসিটি কুইজ ও প্রোগ্রমিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

এবার ১৬টি আঞ্চলিক ও তিনটি উপজেলা পর্যায়ের বিজয়ীরা ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেবে। এর পর ধারাবাহিক নির্বাচনের মাধ্যমে ইরানের তেহরানে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াডের জন্য বাংলাদেশের সদস্যদের নির্বাচন করা হবে।

বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) প্রতিযোগিতার বাস্তবায়ন সহযোগী হিসেবে এবং কোড মার্শাল জাজিং প্ল্যাটফর্ম হিসাবে রয়েছে।

সোমবার পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও হাজি মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাক্রমে পাবনা ও দিনাজপুর অঞ্চলের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রতিযোগিতার সময়সূচী জানা যাবে এই ঠিকানায়। এছাড়াও প্রতিযোগিতার ফেইসবুক পেইজ থেকে বিস্তারিত জানা যাবে।

ইমরান হোসেন মিলন

জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা শুরু ৯ মার্চ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : টানা তৃতীয়বারের মতো জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার পর্দা উঠছে ৯ মার্চ। সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে দেশব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে অসংখ্য শিক্ষার্থীরা।

দেশে দক্ষ কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরিতে ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তুলতে এমন আয়োজন করে আসছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ।

২০১৭ সালের এই আয়োজনে ১৬টি আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও তিনটি উপজেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতা, চারটি অনলাইন প্রতিযোগিতা এবং সারাদেশের দুই হাজার একটি শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবে অনলাইনে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

National-Programming-Contes

প্রতিযোগিতাটি নিয়ে বিস্তারিত জানাতে রোববার সংবাদ সম্মেলন করবে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ। রোববার সকাল সোয়া ১১ টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে।

সেখানে প্রধান অতিথি থেকে বক্তব দেবেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকার, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান, আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার বিচারক মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমানসহ আরও অনেকে।

উল্লেখ্য আগামী কেয়ক বছর পরেই দেশ এবং দেশের বাইরে কয়েক লাখ কম্পিউটার প্রোগ্রামারের প্রয়োজন হবে। এজন্য সরকার এবং বেসরকারি পর্যায় থেকে ক্ষুদেদের মধ্যে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং বিষয়ে আগ্রহ জাগাতে এমন আয়োজন শুরু হয়েছে। এর থেকেই ভবিষ্যতে দক্ষ প্রোগ্রামার বের হয়ে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইমরান হোসেন মিলন

‘তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রগতিতে রোল মডেল বাংলাদেশ’

টেক শহর কনেটেন্ট কাউন্সিলর : ইউএনএসকাপ সদস্যভূক্ত দেশগুলোর মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের দৃশ্যমান অগ্রগতিতে বাংলাদেশ রোল মডেল। সদস্যভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক ‘বেস্ট প্র্যাকটিসগুলো’ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে আরও বেশী মাত্রায়  প্রয়োগ করলে এ অঞ্চল তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এগিয়ে থাকবে বলে মনে করেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও ইউএন-এসকাপের এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি সামসাদ আক্তার।

বুধবার তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সাথে এক সৌজন্য স্বাক্ষাতে এ কথা বলেন তিনি।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে প্রকাশিত সুষম উন্নয়নের অগ্রগতির সূচকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৬তম হওয়ায় জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রসংশা করেন।

UN Secretary general-Palak-Techshoshor

এ সময় প্রতিমন্ত্রী পলক বাংলাদেশকে ইউএন-এসকাপের পরবর্তী স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করায় ইউএন-এসকাপের নির্বাহী সেক্রেটারিকে ধন্যবাদ জানান এবং এশিয়া-প্যাসিফিক ইনফরমেশন সুপার হাইওয়েতে সদস্যভূক্ত দেশগুলোকে একক নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করতে একটি চূড়ান্ত প্রস্তাব ইউএন-এসকাপের আগামী বৈঠকে বাংলাদেশ উপস্থাপন করবে বলে জানান।

এসময় ইউএন-এসকাপের  এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি ও সদস্য রাষ্ট্রের সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করনে।

এসডিজির উদ্দেশ্য পূরণে সুস্বাস্থ্য, গুণগত শিক্ষা, উদ্ভাবন, স্মার্ট সিটির মত লক্ষ্যসমূহ অর্জনে অন্তর্ভূক্তিমূলক ইন্টারনেট (ইনক্লুসিভ-ইন্টারেনট) এর আওতায় নিয়ে আসতে আইসিটি ডিভিশনের কর্মকাণ্ড, সাইবার নিরাপত্তায় গৃহীত কার্যক্রম, উদ্ভাবন ও স্টার্ট-আপ উদ্যোগে সহযোগিতা প্রদান, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল গাইড লাইন প্রণয়ন, আর্থিক লেনদেন ইত্যাদিতে প্রযুক্তির ব্যবহারসহ ডিজিটাল বাংলাদেশের সার্বিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত করেন।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দও সিকদার, অতিরিক্ত সচিব হারুনুর রশিদ, অতিরিক্ত সচিব সুশান্ত কুমার সাহা, আইসিটি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বনমালী ভৌমিক, বাংলাদেশ উইমেন ইন আইটি সভাপতি লুনা সামসুজ্জোহা প্রমূখ।

ইমরান হোসেন মিলন

পটুয়াখালীতে ৫০ দিনের আইটি প্রশিক্ষণ শুরু

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের অধীনে লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় পটুয়াখালীতে ৫০ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

গতকাল শনিবার সকালে পটুয়াখালীর আবদুল করিম মৃধা কলেজের প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. তবিবুর রহমান।

প্রশিক্ষণ উদ্বোধন সময়ে সভাপতিত্ব করেন আব্দুল করিম মৃধা কলেজের অধ্যক্ষ মো. দেলোয়ার হোসেন।

Potuakhali-Techshohor

পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণের বিস্তারিত তুলে ধরেন। প্রশিক্ষণের নিয়ম-কানুন বিষয়ে আলোচনা করেন সমন্বয়কারী মো. নাজমুল হাসান।

অনুষ্ঠানে লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পের প্রশিক্ষক মো. আশরাফুর রহমানসহ শতাধিক প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন।

প্রকল্পটির আওতায় পটুয়াখালীতে ৫০ দিন ব্যাপী এ প্রশিক্ষণে জেলার ৮০ প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। চুড়ান্তভাবে বাছাইকৃত এসব প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতিদিন চার ঘণ্টা করে মোট ২০০ ঘণ্টা প্রশিক্ষণ দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

প্রশিক্ষনার্থীদের গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর প্রশিক্ষণ পাবেন। প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষনার্থীদের ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেসে কাজ পাইয়ে দিতে সহযোগীতা করা হবে। এছাড়াও বিভিন্ন আইটি ফার্মে তিন মাসের ইন্টার্ন করার সুযোগও করে দেয়া হবে প্রশিক্ষনার্থীদের।

ইমরান হোসেন মিলন

বিসিসিতে প্রতিবন্ধীদের চাকরি মেলা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিনে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে শুরু হয়েছে প্রতিবন্ধীদের জন্য চাকরি মেলা।

সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) প্রতিবন্ধীদের জন্য তৃতীয়বারের মতো এই চাকরি মেলা ২০১৭ এর আয়োজন করেছে।

রোববার সকালে প্রধান অতিথি থেকে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ন্যাশনাল অ্যাডভাজরি কমিটি অন অটিজমের চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদ হোসনে।

sayma-ICT_BCC_Techshohor

সায়মা ওয়াজেদ নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, সবার জন্য সমাজ গড়তে হলে প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। এজন্য তাদের কাছে আমাদের জানতে হবে তাদের কোন জায়গায় অসুবিধা হচ্ছে। সে অনুযায়ী আমাদের কাজ করতে হবে।

অটিজম নিয়ে কাজ করা প্রধানমন্ত্রী কন্যা বলেন, আমরা যারা সুস্থ স্বাভাবিক আমরা তাদের অসুবিধাগুলো শুধু অনুভবের চেষ্টা করি। কিন্তু প্রকৃত অসুবিধাগুলো তাদের কাছ থেকে জানতে হবে। তাহলেই তা সমাধান সম্ভব।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অবহেলা না করে তাদের সহায়তা দিয়ে দেশের সম্পদে পরিণত করতে হবে। সেই লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এমন আয়োজন থেকে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিবন্ধীদের চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থা করছে যা খুবই আশাব্যঞ্জক।

অনুষ্ঠানে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত প্রতিবন্ধীদের জন্য কোডিং প্রতিযোগিতায় অংংশ নেওয়া চারজনকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের পক্ষ থেকে একটি করে ল্যাপটপ দেওয়া হয়। এছাড়াও বিসিসিতে অনুষ্ঠিত একটি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সনদ তুলে দেন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন।

পরে তিনি আয়োজনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টল ঘুরে দেখেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিরা নিজেদের প্রতিষ্ঠানে প্রতিবন্ধীদের চাকরি দেওয়া এবং ট্রেনিং করার বিষয়টি তুলে ধরেন।

ইমরান হোসেন মিলন

টোল ফ্রি ৯৯৯ চালু ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে

অনন্য ইসলাম, টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে টোল ফ্রি হেল্পডেক্স সেবা চালু হচ্ছে শিগগির। ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে নাগরিকরা এ ডেস্ক থেকে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিতে পারবেন। এ জন্য গ্রাহকের কোনো রকম খরচ লাগবে না।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এ সেবা চালু করতে অনেক দিন থেকে চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। আগামী সপ্তাহে শুরু তিন দিনের ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে তার এ উদ্যোগ সফল হতে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ সেবা উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে এটি।

toll free call_techshohor

গত রোববার থেকে ৯৯৯ নম্বরে কল ঢুকতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে সকল অপারেটর থেকে কল করার ব্যবস্থাও এতে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কয়েক দিনের মধ্যেই এ সেবার উদ্বোধন করা হবে জানিয়েছেন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডিনেটের কর্মকর্তা তানভির আহমেদ সরকার।

দুটি ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিফোনি সার্ভিস প্রোভাইডার অগ্নি সিস্টেমস ও আম্বার আইটি এ কল সেন্টারে কারিগরি সহায়তা দেবে। দুই কোম্পানি মিলে একই সঙ্গে ১২০টি কলে সাড়া দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন কোম্পানির কর্মকর্তারা।

প্রথম দিকে মাত্র তিনটি সেবা দেওয়া শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে তা আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছে তানভির।

এর আগে কয়েক দফায় তথপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী কয়েকটি শর্টকোড বরাদ্দ নেন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের কাছ থেকে। পরে শেষ পর্যন্ত সব ফেরত দিয়ে ৯৯৯ নম্বরে সেবাটি চালু করতে যাচ্ছেন তিনি।

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কাজের প্রচারণার অংশ হিসেবে পলক প্রথমে তথপ্রযুক্তি বিভাগের শর্টকোড হিসেবে ১৯৭১ ও ২০২১ বরাদ্দ চেয়েছিলেন। পরে তিনি শার্টকোড দুটি বরাদ্দ পেয়েও যান।

তবে পরে এ সিদ্ধান্ত বদলে আইসিটি বিভাগ এ প্রকল্পের জন্য জরুরি এ তিন সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেয়।

এদিকে একই ধরণের জরুরি সেবা সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার কথা বলে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমও বিটিআরসির কাছ থেকে ১১১ বরাদ্দ নিয়েছেন।