আওয়েই এ৮৮০বিএল ব্লুটুথ : মানে মাঝারি, ব্যাটারিতে ভালো

এস এম তাহমিদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সহজেই বহনযোগ্য, প্রচুর গান ধারণ করার সুবিধা ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে গান শোনার সুযোগ থাকায় সঙ্গীতপ্রেমীদের কাছে স্মার্টফোনের বিকল্প নেই। তবে ঠিক যে হারে ফোনে গান শোনা ও ভিডিও দেখার প্রযুক্তি এগিয়েছে, সে হারে হেডফোনের প্রযুক্তি এগোয়নি।

এরই মধ্যে অবশ্য সাম্প্রতিক কয়েক বছরে ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে উন্নতির ছোঁয়া লেগেছে। চার্জে সাশ্রয়ী, ল্যাগ কমানো ও ছোট আকারের শক্তিশালী সাউন্ড চিপের কারণে তারবিহীন ব্লুটুথ হেডফোন আজ আর পিছিয়ে নেই। এর প্রমান আজকের হেডফোনটি।

স্বল্প ও মাঝারি দামের ভালো মানের এ হেডফোন তৈরি করেছে হংকংয়ের কোম্পানি আওয়েই। শুরু থেকেই এ কোম্পানি বেশ শক্ত অবস্থান করে নিয়েছে। সেদিক থেকে তাদের এ৮৮০বিএল মডেলের হেডফোনটিও ব্যাতিক্রম নয়।

চমৎকার সাউন্ড কোয়ালিটি, সুন্দর বিল্ড ও মূলত দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফের কারণে এটি অনায়েসেই আপনার তারযুক্ত হেডফোনের স্থান দখল করে নেবে।

একনজরে এ৮৮০বিএল হেডফোন

  • ব্লুটুথ ভার্সন ৪.০ সাপোর্ট করে
  • অ্যাপ্ট-এক্স প্রটোকল সাপোর্ট করে, যা সাউন্ডের মাঝে বিরতি বা ল্যাগ কমিয়ে আনতে সক্ষম
  • এনএফসি পেয়ারিং সাপোর্ট করে। ফলে এনএফসি সাপোর্টেড ফোনে ছোঁয়ানো মাত্র সংযুক্ত হবে
  • সিভিসি নয়েজ ক্যান্সেলিং সুবিধা।  এর মাধ্যমে কথা বলার সময় বাইরের শব্দ অপর প্রান্ত থেকে শোনা যাবে না
  • ঘাম ও বৃষ্টির পানি প্রতিরোধ করতে সক্ষম
  • গান বদল, ভলিউম কমানো ও ফোন রিসিভ করার বাটন
  • ৮ ঘন্টা ব্যাটারি লাইফ
  • এক সঙ্গে দুটি ডিভাইসে পেয়ার করার সুবিধা। এতে বার বার ফোন ও ট্যাবলেট বা ল্যাপটপের সঙ্গে পেয়ার করার ঝামেলা নেই

ব্লুটুথ হেডফোনের ব্যাপারে সবারই প্রথম ও শেষ কথা হচ্ছে হেডফোনের ব্যাটারি লাইফ। ফোনের পাশাপাশি এ ডিভাইসেও বেশি বেশি চার্জ করার ঝামেলা থাকলে তা গান শোনায় ব্যাঘাত ঘটায়। তবে এ হেডফোনের পরিক্ষীত ৮ ঘন্টা ব্যাটারি লাইফের কারণে এ সমস্যায় পড়তে হবে না। কোনও তার না থাকার ফলে এটি পকেটে প্যাঁচ লেগে যাওয়ার সমস্যাও নেই।

ডিজাইন ও বিল্ড
আওয়েই এ৮৮০বিএল হেডফোনটি স্পোর্ট হেডফোন হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছে। এটির মূল বডি প্লাস্টিকের তৈরি। এতে ব্যবহৃত প্লাস্টিক ও রাবার বেশ উন্নত মানের হলেও অসাধারণ কিছু নয়।

ডানে রয়েছে বাটনগুলো, চার্জ করার প্লাগ ও ইন্ডিকেটর লাইট ও মাইক্রোফোন।

একটি ইলাস্টিক রাবারের তৈরি পাইপের মাধ্যমে হেডফোনটি যুক্ত করা রয়েছে, এর ফলে এটি পরে থাকার সময় সেটি কানের সঙ্গে ভাল ভাবেই লেগে থাকবে।

বামে রয়েছে শুধু এনএফসি পেয়ার করার প্যাডটি।

প্যাকেজিং
হেডফোনটি বেশ শক্ত ও স্মার্ট বক্সে করে বিক্রি করা হচ্ছে। এটি খুললেই সামনের ফ্ল্যাপে হেডফোনটি দেখা যাবে। বক্সে পাবেন-

  • হেডফোন
  • ছোট, মাঝারি ও বড় মাপের ইয়ারবাড
  • চার্জের জন্য মাইক্রো ইউএসবি ক্যাবল
  • ম্যানুয়াল

সাউন্ড কোয়ালিটি ও অন্যান্য ব্যাবহার
ব্লুটুথ ৪ ব্যবহারের ফলে হেডফোনটি পেয়ার করতে বা কানেক্ট করতে কয়েক সেকেন্ডের বেশি সময় লাগবে না। তবে সাউন্ড কোয়ালিটি ঠিকভাবে বুঝতে কানের মাপ অনুযায়ী ইয়ারবাডটি লাগিয়ে নিতে হবে।

এটির সাউন্ড কোয়ালিটি বা সর্বোচ্চ ভলিউম বাজারের যে কোনও মাঝারি দামের তারযুক্ত হেডফোনের সমান। বলা যেতে পারে ৪০ হার্জ থেকে ১৮০০০ হার্জ পর্যন্ত সাউন্ড তৈরিতে সক্ষম এটি।

সেদিক থেকে এটি ঠিক হাই-ফাই পর্যায়ের সাউন্ড না হলেও; কিন্তু খুব কম ব্যবহারকারীর কাছেই এটি অপ্রতুল মনে হতে পারে। তবে মূল্য বিচারের দিক থেকে সাউন্ড যথেষ্ট ভালো। এর চাইতে ভালো সাউন্ড পেতে খরচ করতে হবে আরও অনেক বেশি।

হেডফোনটির ফোন কল কোয়ালিটিও চমৎকার। ক্লিয়ার মাইক্রোফোন ও সিভিসি নয়েজ ক্যান্সেলেশনের ফলে কথা বলতে কোনও সমস্যাই হবে না।

সমস্যা
কোনো গ্যাজেটই সমস্যার ঊর্ধ্বে নয়। তবে মূল্য ও সুবিধা বিচারে এটির সমস্যা খুবই কম।

প্রথমত, হেডফোনটির সব সরঞ্জাম কানের সঙ্গে হবার ফলে এটি কানের মধ্যে কিছু চাপ ফেলে, ফলে অভ্যস্ত হতে কিছু সময় লাগতে পারে। তবে এর ওজন যে কোনও ওভার- ইয়ার হেডফোনের চাইতে অনেক কম।

দ্বিতীয়ত, এটির আরেকটি বড় সমস্যা চার্জিং প্লাগ। প্লাগটি হেডফোনের বেশ গভীরে। ফলে চার্জিং ক্যাবল লাগাতে বেশ সমস্যা হতে পারে। তবে প্রতিদিন চার্জ করার প্রয়োজন নেই বলে এর সাথে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব।

সবশেষে বলা যেতে পারে, যারা ব্লুটুথ বা যে কোনও মাঝারি মানের হেডফোন কেনার পরিকল্পনা করছেন তারা নিঃসন্দেহে এটি কিনতে পারেন।

মূল্য
এটি যে কোনো মোবাইল ও হেডফোনের দোকানে ১৬০০ বা ১৮০০ টাকা দামে পাওয়া যাবে।

এক নজরে ভাল

  • সাউন্ড কোয়ালিটি
  • ব্যাটারি লাইফ
  • পেয়ারিংয়ের এনএফসি সুবিধা
  • কল কোয়ালিটি

এক নজরে খারাপ

  • দীর্ঘ সময় ব্যাবহারে কিছু সমস্যা হতে পারে
  • চার্জিং পোর্ট বেশ গভীরে, কানেকশনে কিছু জটিলতা হতে পারে

জ্যাক বিহীন আইফোনের জন্য হেডফোন

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : আইফোন ৭ এ কোনো হেডফোন জ্যাক না রাখায় শুরুতেই বেশকিছু সমালোচনার মুখে পড়েছিল অ্যাপল। তবে ‘নতুন কিছু’ করতে জ্যাকের বদলে প্রথম তারা ব্লুটুথের মাধ্যমে হেডফোন ব্যবহারের জন্য এমন উদ্যোগ নেয়। তবে এবার তৃতীয় পক্ষ হিসেবে আইফোন ৭ এর প্রথম লাইটনিং কানেক্টরের হেডফোন এনেছে মার্কিন প্রতিষ্ঠান জেবিএল।

মার্কিন এই অডিও ইলেক্ট্রোনিক্স পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি হেডফোন চজ্যাকের বদলে লাইটনিং পোর্ট দিয়েই হেডফোনের কাজ করবে বলে জানিয়েছে।

একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি যারা ৩.৫ এমএম এর হেডফোন জ্যাক ব্যবহার করছেন তাদের জন্য কনভার্টারও এনেছেন।

JBL-Headphone-for-iphone-7-Techshohor
প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেট জানিয়েছে, জেবিএল তৃতীয় পক্ষ হিসেবে আইফোন ৭ ও ৭ প্লাসের জন্য ‘রিফ্লেক্ট অ্যাওয়ার’ নামে এমন হেডফোন এনেছে।

তবে যদিও হেডফোনটিকে নয়েজ কান্সেলিং বলা হচ্ছে কিন্তু এটির মান ‘বোস’-এর তৈরি নয়েজ ক্যান্সেলিং হেডফোনের মত নয়। তবে হেডফোনটিতে নয়েজ কান্সেলের জন্য রাখা হয়েছে আলাদা বাটন।

হেডফোনটির দাম রাখা হচ্ছে ২০০ মার্কিন ডলার।

সিনেট অবলম্বনে ইমরান হোসেন মিলন

আরও পড়ুন: 

হোম বাটন বাদ দেবে অ্যাপল?

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অ্যাপল ইতিমধ্যেই আইফোন থেকে হেডফোন জ্যাক বাদ দিয়েছে। এবার কি তাহলে হোম বাটন বাদ দেবে অ্যাপল? এমনই আলোচনা-সমালোচনা সামনে এসেছে।

মঙ্গলবার কোম্পানিটি নতুন স্ক্রিণনির্ভর ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরের পেটেন্টের অনুমোদন পেয়েছে। যদি এটি সত্যিই আসে, প্রযুক্তিটি ব্যবহারকারীদেরকে আইফোনের স্ক্রিণের যেকোনও জায়গায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যান করার সুযোগ দেবে এবং হোম বাটনের প্রয়োজনীয়তা দূর করবে।

পরবর্তী প্রজন্মের স্মার্টফোনে ফিজিক্যাল হোম বাটন থাকবে না এমন গুজব চারিদিকে শোনা যাচ্ছে। যদিও অ্যাপলের পক্ষ থেকে পরিকল্পনাটি জানানো হয়নি। এবং নতুন পেটেন্ট যে হোম বাটনকে একেবারেই নিশ্চিহ্ন করবে এমন নিশ্চয়তাও নেই।

iphone-home button-TechShohor

এমনকি অ্যাপল যে এই প্রযুক্তিটি তাদের স্মার্টফোনে আনবেই এমনও বলা যাচ্ছে না। কারণ অধিকাংশ পেটেন্টই বাস্তবে রুপ না পাওয়ার উদাহরণ বেশ। এর আগেও অ্যাপল বায়োমেট্রিক স্ক্যানিং স্টার্টআপ প্রিভারিস থেকে ২৬টি পেটেন্ট কিনেছে।

তবে এর পরেই হোম বাটনকে বাদ দেওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কারণ পেটেন্ট আবেদনে অ্যাপল জানিয়েছে, এই প্রযুক্তি ফোনের বাইরের মূলবান জায়গা বাঁচাবে। তাই ধারণা করা যেতে পারে আর ১-২ বছরের মধ্যেই হয়তোবা আইফোন থেকে বিদায় নেবে হোম বাটন।

সিএনএন মানি অবলম্বনে রুদ্র মাহমুদ

এক্সট্রিম ব্রান্ডের আকর্ষনীয় হেডফোন বাজারে

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : নতুন একটি হেডফোন নিয়ে এসেছে স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড। এক্সট্রিম ব্র্যান্ডের এস-৮১১ মডেলের হেডফোনটি স্টেরিও সাউন্ড দেবে।

এই হেডফোনটিতে রয়েছে ডাবল জ্যাক কনভার্টারসহ সিঙ্গেল জ্যাক, মাইক্রোফোন, আরামদায়ক এয়ারপ্যাড, এডজাস্টেবল হেড ব্যান্ড এবং ফ্লেক্সিবল স্মার্ট ওয়্যার।

Xtrim-headphone-Techshohor

স্মার্ট টেকনোলজিস বলছে, মিউজিক শোনার ক্ষেত্রে স্বপ্ল দামের মধ্যে অন্যরকম অভিজ্ঞতা দেবে হেডফোনটি।

গাঢ় নীল রঙের হেডফোনটির মূল্য ৫০০ টাকা।

ইমরান হোসেন মিলন

অ্যাডভেন্টের নতুন ব্লুটুথ হেডসেট বাজারে

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অদিত ইনফ্রাটেল প্রাইভেট লিমিটেডের ফ্ল্যাগশিপ মোবাইল অ্যাক্সেসরিজ ব্র্যান্ড অ্যাডভেন্ট নতুন ব্লুটুথ হেডসেট বাজারে ছেড়েছে। ইকোফোনজ বিটি৫০০ মডেলের এই হেডসেট সর্বোচ্চ ৮ থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত কাজ করে।

অদিত ইনফ্রাটেল প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক ভিক্রম কালিয়া জানান, প্রথম হেডসেটের অসামান্য সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এটি দ্বিতীয় ব্লুটুথ হেডসেট।

Advent-EchoPhonz BT500-Bluetooth-headset-TechShohor

হেডসেটটির বিশেষত্ব হলো এর স্লিক ডিজাইন, স্টুডিও কোয়ালিটি সাউন্ড ও ভাঁজযোগ্য হেডব্যান্ড হিসেবে ব্যবহারের সুবিধা। এছাড়া এটিতে মাইক্রোএসডি ফ্ল্যাশ কার্ডের মাধ্যমে ১৬ গিগাবাইট পর্যন্ত ডাটা, মিডিয়া ফাইল সংরক্ষণ করা যায়।

হেডসেটটিতে ব্লুটুথ সংস্করণ ৩.০ ও বিল্ট-ইন-মাইক রয়েছে। এর বিল্ট-ইন লিথিয়ান আয়ন রিচার্জেবল ব্যাটারি ৪ থেকে ৬ ঘন্টা ব্যবহারকারীকে একটানা বিনোদন দেবে।

ভারতের বাজারে ১ হাজার ৯৯৯ রুপির এই হেডসেডে এফএম রেডিও, চার্জের জন্য মিনি ইউএসবি পোর্ট রয়েছে। দোকানের পাশাপাশি ই-কমার্স সাইটগুলো থেকে এটি কেনা যাচ্ছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে ফারজানা মাহমুদ পপি

প্যানাসনিকের নতুন হেডফোন

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ভারতের বাজারে নতুন হেডফোন এনেছে ইলেকট্রনিকস পণ্য নির্মাতা প্যানাসনিক। এইচডি-৫ ও বিটিডি-৫ মডেলের হেডফোন দুটি উচ্চ সাউন্ড কোয়ালিটি সম্পন্ন। পাশাপাশি দুটি হেডফোনই সহজেই বহনযোগ্য।

এইচডি-৫ হেডফোনটিতে আনুভূমিক স্লাইড অ্যাডজাস্টমেন্ট সুবিধা থাকছে। ফলে ব্যবহারকারীরা দুটি কানেই সমান সাউন্ড পাবেন।

অপ্রয়োজনীয় ঝাকুনি এড়াতে এই হেডফোনে এন্টি-ভাইব্রেটিং ড্রাইভার ব্যবহার করা হয়েছে। ৪০ মিলিমিটারের এইচডি ড্রাইভার ঘরের বাইরেও উচ্চমানের সাউন্ড দেবে। ভারতের বাজারে হেডফোনটি বিক্রি হচ্ছে নয় হাজার ৪৯০ রুপিতে।

panasonic-bt-headphones-big

অপরদিকে, বিটিডি-৫ হেডফোনটি ওয়ারলেস ব্লুটুথ সুবিধা সম্বলিত। ডিভাইসটিতে ৪০ মিলিমিটার নিওডেমিয়াম ড্রাইভারের পাশাপাশি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। যা ৪০ ঘণ্টা পর্যন্ত চলবে। ভারতের বাজারে বিটিডি-৫ হেডফোনটি বিক্রি হচ্ছে ছয় হাজার ৪৯০ রুপিতে।

প্যানাসনিক ভারতের প্রোডাক্ট প্রধান গৌরভ গাভরি নতুন হেডফোন প্রসঙ্গে বলেন, ব্লুটুথ হেডফোনের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এই হেডফোন দুটি তৈরি করা হয়েছে। আকর্ষণীয় ডিজাইনের পাশাপাশি হেডফোন দুটিতে পরিষ্কার ও ডায়নামিক সাউন্ড পাওয়া যাবে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে শামীম রাহমান

এক্সরে মেশিনে হেডফোনের সার্জারি!

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : কথাটা শুনলে অবিশ্বাস্য ঠেকবে। কিন্তু ঘটনা সত্যি। যুক্তরাষ্ট্রের একজন চিকিৎসক হেডফোন নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এক্সরে মেশিন ব্যবহার করে তা ঠিক করে ফেলেছেন।

এই চিকিৎসকের নাম ম্যাট স্কালস্কি। যিনি সাউদার্ন ক্যালেফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ সাইন্স বিভাগের একজন রেডিওলজিস্ট।

রেডিওলজি স্পেশালিস্ট সাইট রেডিওপিডিয়া ডট অর্গের এক পোস্টে চিকিৎসক নিজেই লিখেছেন, একদিন অফিস ত্যাগ করার সময় দেখেন তার হেডফোনটি কাজ করছে না। তারপর তিনি এর সমস্যা শনাক্ত করতে গিয়ে হেডফোনটির বিভিন্ন তার এক্সরে করেন। তখন দেখতে পান এটির একটি তারের ৪ মিলিমিটার অংশ ছিড়ে দেছে। যা মাইক্রোফোনের সঙ্গে ফোনের স্পিকারের অংশের বিচ্ছেদ ঘটিয়েছে।

matt-skalski-techshohor

এরপর ছেড়া হেডফোনটিকে সারাই করতে একে যতœ সহকারে প্লাস্টিক এবং রাবার দিয়ে ছেড়া অংশটিকে জোড়া দেন এবং এটি আবার যেন ছিড়ে না যায় সে কারণে ভালো করে বেধে নেন।

ডাক্তার ম্যাট জানান, তার হাতের ছোঁয়া পেয়ে হেডফোন খানা ৯০ শতাংশ সুস্থ হয়ে উঠেছিল। যদিও এতে ৪ সেন্টিমিটার কর্ড কমে যাওয়ায় মিড ভলিউম একটু কম ছিল, তবু সার্ভিসও ভালোই ছিল।

যাই হোক, এক্সরে মেশিনে হেডফোনের সার্জারি হয়েছে বলে ভাববেন না এতে কাড়ি কাড়ি টাকা ঢালতে হয়েছে। মাত্র ৩০ মিনিট সময় আর ১ ডলার পরিমান অর্থ খরচ কওে হেডফোনটিকে সুস্থ করা গেছে বলে জানান স্কালস্কি।

হিন্দুস্থান টাইমস অবলম্বনে ফখরুদ্দিন মেহেদী

এবার স্মার্ট হেডফোন আসছে !

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : প্রযুক্তির সব পণ্যে এখন স্মার্ট হওয়ার প্রতিযোগীতা। এরই ছোঁয়া লাগছে গান শোনার হেডফোনটিতেও। এ ধারাবাহিকতায় এবার কোনো ডিভাইস ছাড়া সরাসরি ক্লাউড স্টোরেজ থেকে গান শোনা যাবে এমন একটি হেডফোন আসছে।

অভিনব এ স্মার্ট হেডফোন আনার ঘোষণা দিয়েছে ডিভাইস প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কিকস্টার্টার।তারবিহীন হেডফোনকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে নতুন এ উদ্ভাবন বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।

সাধারণত হেডফোন দিয়ে গান শোনার জন্য প্লেয়ার হিসাবে অন্য একটি ডিভাইস প্রয়োজন হয়। তবে হালের আমলে তারযুক্ত হেডফোনের পরিবর্তে ব্লুটুথের মাধ্যমে স্মার্টফোনের সঙ্গে তারবিহীন হেডফোন বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

smartheadphone_techshohor

নতুন স্মার্ট হেডফোনটির জন্য আলাদা কোনো ডিভাইস প্রয়োজন হবে না। এটিতে বিল্ট ইন ওয়াই-ফাই অ্যান্ড্রয়েড মিউজিক প্লেয়ার থাকবে। যার ফলে সরাসরি হেডফোন থেকে গান বাজানো যাবে।

এটি একই সঙ্গে হেডফোন এবং  মিউজিক ডিভাইস হিসেবে কাজ করবে। এতে ৮, ১৬ এবং ৩২ গিগাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ সুবিধা রয়েছে।

বর্তমানে অনলাইন মিউজিক সেবা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। স্মার্ট হেডফোনটি ব্যবহার করে ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে অনলাইনে সরাসরি গান শোনার বিষয়টি আরও জনপ্রিয় হবে।

এ ছাড়া প্যানডোরা ও স্পটিফাইয়ের মিউজিক স্টোর থেকেও গান শোনা যাবে।

বর্তমানে কিকস্টার্টার হেডফোনটি তৈরির জন্য অর্থ সংগ্রহে কাজ করছে। অতি দ্রুত এটি বাজারে আনা হবে বলে জানানো হয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে।

– ইয়াহু নিউজ অবলম্বনে তুসিন আহমেদ

হেডসেট ৭এইচ ফ্যানাটিক : ১৭ হাজার টাকায় উচ্চ মানের শব্দ শোনা

শাহরিয়ার হৃদয়, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : মিউজিক ও গেইমিং যাদের জান প্রাণ, তাদের জন্য অডিও এক্সপেরিয়েন্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সর্বোচ্চ কোয়ালিটির, সবচেয়ে নিখুঁত সাউন্ড না পেলে তাদের চলে না। এরকম পারফেকশনিস্টদের জন্য বাজারে বেশ কিছু হেডফোন রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম স্টিলসিরিজের ৭এইচ ফ্যানাটিক এডিশন গেইমিং হেডসেট।

প্রিমিয়াম কোয়ালিটির হেডফোনের আউটলুকও হওয়া চাই সেরকম। এ দিক থেকে পুরো নম্বর পাবে ৭এইচ। হলদে কমলা কুশন ও কালো বডির ফলে এটি দেখতে খুবই সুন্দর।

steelseries-7h_techshohor

কম্পিউটারের ৩.৫ মিলিমিটার জ্যাকের সাথে এটি সংযুক্ত করতে পারেন। কম্পিউটারে ভালো একটি সাউন্ড কার্ড থাকলে এটি সম্ভবত সেরা অডিও অভিজ্ঞতা দেবে।

গেইম খেলা বা গান শোনার সময় নিখুঁত বেজ পাওয়া যাবে। উঁচু বিটের গান বেশি সুন্দর শোনাবে কিন্তু লো বিটের গানে ট্রেবল বেশি হবে, এমন কোনো সমস্যা এতে নেই। যে কোনো ধরনের গান বা মিউজিক থেকে সঠিক বেজ ও ট্রেবলের সমন্বয়ে সেরা আউটপুট দেবে এটি।

ফার্স্ট পারসন শুটিং গেইম বা রেসিং গেইমে গেইমাররা পাবেন বাড়তি অভিজ্ঞতা। বিশেষ পজিশনাল অডিও, থাকার ফলে গুলির আওয়াজ শুনেই আন্দাজ করতে পারবেন কোনদিক থেকে গুলি আসছে। যারা মাল্টিপ্লেয়ার গেইম খেলেন তাদের খুবই কাজে আসবে এই ফিচার।

এর ফ্রিকোয়েন্সি রেসপন্স ১৮ থেকে ২৮ হার্জ, ইম্পেড্যান্স ৩২ ওহম। তাই সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম শব্দও বাদ যাবে না। এমন কোনো ছোটখাটো শব্দ শুনতে পাবেন যা হয়তো গেইমটি খেলার সময় সাধারণ স্পিকারে শুনতেই পেতেন না।

হেডসেটটি যথেষ্ট হালকা, তাই দীর্ঘ সময় পরে থাকতে পারবেন স্বচ্ছন্দ্যে। নয়েজ ক্যান্সেলেশন নিখুঁত, ফোমের ইয়ারকাপগুলো বাইরের শব্দ সম্পূর্ণ ঢেকে দেবে। এর বডির একটি বিশেষত্ব হচ্ছে সহজে বহন করার জন্য চারটি অংশ খুলতে পারবেন। একেকটি পার্ট প্যান্টের পকেটে সহজে এঁটে যাবে।

এর সঙ্গে ৩৮ ডেসিবেল সেন্সিটিভিটির একটি মাইক্রোফোন রয়েছে। এটি ইউনিডিরেকশনাল অর্থাৎ যে কোনো পাশে সহজে ফিট করিয়ে নিতে পারবেন। মাইক্রোফোনের পারফরম্যান্সো ত্রুটিহীন।

সব মিলিয়ে পেশাদার মিউজিশিয়ান বা গেইমারদের জন্য হেডফোনটি সবচেয়ে উপযোগী। বর্তমানে এর দাম ১৭ হাজার টাকা।

এক নজরে ভালো
– তুলনাহীন সাউন্ড কোয়ালিটি
– দেখতে খুবই আকর্ষণীয়, সহজে বহনযোগ্য

এক নজরে খারাপ
– দাম বেশি
– ওয়্যারলেস নয়

গেইমারদের পছন্দসই হেডসেট রেজারের ক্রাকেন প্রো

শাহরিয়ার হৃদয়, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : উচ্চমানের গেইম সামগ্রী তৈরির জন্য বিখ্যাত কোম্পানি তাইওয়ানের রেজার। এক্সক্লুসিভ ফিচার সমৃদ্ধ অনেক অ্যাক্সেসরিজও তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটি। যে কারণে তাদের পণ্য প্রিমিয়াম ও হাউএন্ড ইউজারদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। গেইমিং মাউস ও কিবোর্ড দিয়ে গেইমারদের মন জয় করার পর গেইমিং হেডসেট বাজারে আনে তারা। রেজারের এমন একটি বিখ্যাত হেডসেট ক্রাকেন প্রো।

হার্ডকোর গেইমারদের পাশাপাশি যারা হেডফোন থেকে হাই বেজ অডিও এক্সপেরিয়েন্স চান তাদের জন্য চমৎকার হতে পারে এটি।

Razer Kraken Pro_techshohor

রেজারের বেশিরভাগ পণ্যই একটু বড় আকারের, ফিউচারিস্টিক স্টাইলের হয়। সেখানে প্রাধান্য পায় তাদের ব্র্যান্ডের সবুজ ও কালো রঙ। ক্রাকেন প্রো-র উজ্জ্বল সবুজ রংকে প্রথম দেখায় পছন্দ না হতে পারে; কিন্তু সব মিলিয়ে এটি ডিজাইনের সাথে দারুণ মানিয়ে গেছে। এ ছাড়া এটি মূলত প্লাস্টিকে তৈরি হলেও মজবুত গড়নের। ইয়ার কাপ দুটির ওপর মেটাল আবরণ রয়েছ।

হেডব্যান্ডটি ফ্লেক্সিবল প্লাস্টিকে তৈরি। তাই যে কারও মাথায় সহজে বসে যাবে। বেশ শক্তভাবে এঁটে থাকবে, সহজে খুলে পড়ার সম্ভাবনা নেই। নরম লেদারের আবরণ থাকায় পরতে কোনো অস্বস্তি হবে না। তবে ওজন বেশি হওয়ায় অনেকের মাথায় ভারী লাগতে পারে।

ইয়ার কাপ দুটি দুই কানকে সম্পূর্ণ ঢাকার মতো করে তৈরি করা হয়েছে। এটিও যথেষ্ট আরামদায়ক, দীর্ঘ সময় স্বাচ্ছন্দ্যে পরে থাকা যাবে। ইয়ার কাপ দুটির সমস্যা হলো- এরা সম্পূর্ণ ফিক্সড, টিল্ট করা যাবে না।

এটি প্রধানত পিসি গেইমারদের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। তাই পিসির সাথে কানেক্ট করার মূল মাধ্যম ইউএসবি। তবে ৩.৫ মিলিমিটার অডিও জ্যাকও রয়েছে, যার ফলে পিসি বা স্মার্টফোনের অডিও জ্যাকে সংযুক্ত করা যাবে। ভলিউম বাড়ানো-কমানোর জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই পুরো হেডসেটে, যা অনেকের জন্য সমস্যা হতে পারে।

সর্বোচ্চ গেইমিং এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করার জন্য এর প্রতিটি ইয়ার কাপের ভেতর ৪০ মিলিমিটার ড্রাইভার রয়েছে। এ ড্রাইভার নিখুঁত বেজের জন্য বিশেষভাবে টিউন করা। তাই গোলাগুলির শব্দ, গাড়ির শব্দ ইত্যাদি রীতিমতো নিখুঁত হয়ে উঠবে। যে কোনো গেইমেই সন্তুষ্ট হওয়ার মতো সাউন্ড দেবে এটি।

এ ছাড়া গান শোনা, মুভি দেখার ক্ষেত্রে হাই বেজ আলাদা স্বাদ দিতে পারে। তবে অতিরিক্ত বেজ অনেকের ভালো নাও লাগতে পারে।

হেডফোনটি অ্যানালগ প্রকৃতির হওয়ায় কৃত্রিমভাবে সারাউন্ড সাউন্ড তৈরি করতে পারে না, যা এর আরেক দুর্বলতা। এদিক থেকে চিন্তা করলে দাম কিছুটা বেশিই বলতে হবে, ৮ হাজার টাকা।

পাওয়া যাচ্ছে কম্পিউটার সোর্সে। তারপরও রেজারের পণ্যের অভিনবত্বের সবটুকুই এর মধ্যে পাওয়া যাবে।

এক নজরে ভালো
–        দেখতে খুবই সুন্দর
–        পরতে আরামদায়ক
–        বেজের জন্য বিশেষভাবে টিউন্‌ড

এক নজরে খারাপ
–        দাম বেশি
–        অ্যানালগ স্টেরিও সাউন্ড, সারাউন্ড নয়
–        ভলিউম রকার নেই

গেইমার উপযোগী হেডফোন করসায়্যার ভেনজেন্স ১৫০০

শাহরিয়ার হৃদয়, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : কম্পিউটারের নানা আনুষাঙ্গিক পণ্য তৈরিতে অল্প সময়ে বেশ সুনাম করেছে ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক ব্র্যান্ড করসায়্যার। বিশেষ করে গেইমিং পণ্য তৈরির দিক দিয়ে কোম্পানিটি এখন সবচেয়ে এগিয়ে। আর গেইমারদের কথা চিন্তা করেই তৈরি হয়েছে করসায়্যার ভেনজেন্স ১৫০০ হেডসেট- যা বেশ কমদামে ৭.১ সারাউন্ড সাউন্ডের অভিজ্ঞতা দেবে।

পলিশড প্লাস্টিকে তৈরি হেডসেটটি দেখতে বেশ আকর্ষণীয়। ইয়ারকাপ দুটির বাহু প্লাস্টিকে তৈরি হলেও দেখতে ধাতু বলে ভুল হবে। হেডব্যান্ডটি ফক্স-লেদার ও ফোম দিয়ে তৈরি। ইয়ারকাপের ভেতরে রয়েছে ভেলভেটে মোড়ানো ফোম। এটি মোটামুটি সহজেই বেশিরভাগ ইউজারের মাথায় বসে যাবে এবং ব্যবহারের সময় কোনো অস্বস্তি হবে না।

headphone_techshohor

তবে বিপত্তি বাধতে পারে যাদের কান কিছুটা বড় তাদের ক্ষেত্রে। কেননা তাদের কানে ইয়ারকাপ খাপে খাপে নাও বসতে পারে। যাদের বেশি মাথা নাড়াচাড়া করার অভ্যাস আছে, তাদের জন্য উপরের ব্যান্ডটি মাঝে মাঝে খুলে আসতে পারে।

সাউন্ড কোয়ালিটির দিক দিয়ে ভেনজেন্স বেশিরভাগ হেডফোনের চেয়ে উন্নত হলেও নিখুঁত নয়। ৭.১ ভার্চুয়াল সারাউন্ড সাউন্ডের অভিজ্ঞতা বাস্তবিকভাবে পাওয়া যাবে। যুদ্ধের গেইম খেলার সময় অনুভব করতে পারবেন টিমমেটের চিৎকার বা গুলির আওয়াজ কোনদিক থেকে আসছে। সাউন্ড লিক নেই বললেই চলে, নয়েজ ক্যান্সেল লেভেল সন্তোষজনক। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেজ দুর্বল ও বিচ্ছিন্ন মনে হতে পারে, যে কারণে মুভি দেখা বা গান শোনার জন্য হেডফোনটি পারফেক্ট বলা যায়না।

দুটি চ্যানেলে সাউন্ড সেপারেশনও নিখুঁত নয়। চ্যানেল বদলের সময় হালকা শিসের মতো শব্দ হতে পারে কোনো কোনো ক্ষেত্রে।

তবে হেডফোনটির মাইক্রোফোন খুবই উন্নতমানের এবং আউটপুট সেরা। স্কাইপেতে কিংবা গেইম চ্যাটে স্বাচ্ছন্দ্যে এটি ব্যবহার করা যাবে। ভলিউম কন্ট্রোল বাটনেও কোনো সমস্যা নেই।

কিছুটা দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও দাম মাত্র ১০৬ ডলার হওয়ায় সাধারণ ইউজার এবং গেইমাররা নিঃসন্দেহে ভেনজেন্স ১৫০০ বেছে নিতে পারেন।

এক নজরে ভালো

–      দাম কম, দেখতে আকর্ষণীয়

–      উন্নত মাইক্রোফোন

এক নজরে খারাপ

–      সাউন্ড কোয়ালিটি পারফেক্ট নয়

–      কারও কারও মাথায় ঠিকভাবে না-ও বসতে পারে