বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে উদ্যোক্তাদের লড়াই

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : জিপি হাউজে স্থানীয় ১২ স্টার্টআপ বা উদ্যোক্তাদের জন্য একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে গ্রামীণফোন অ্যাক্সেলারেটর।

প্রতিযোগিতায় সেরা স্টার্টআপ দলকে সিঙ্গাপুরে ডিজিটাল উইনার্স এশিয়া (ডিডব্লিউএ)-তে অংশগ্রহণের জন্য পাঠানো হবে। জিপি হাউজে আগামী সোমবার প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হবে।

মূলত টেলিনরের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত অপারেটর কোম্পানিগুলোর অ্যাক্সেলারেটরে অংশগ্রহণকারী স্টার্টআপদের নিয়ে ‘দ্য ডিজিটাল উইনার্স এশিয়া’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

grameen-phone-startup-techshohor

স্থানীয় স্টার্টআপগুলোকে আঞ্চলিক পর্যায়ে ব্যবসা বিস্তারে সহায়তা করাই ডিজিটাল উইনার্স এশিয়ার মূল উদ্দেশ্য। এ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী দলকে ব্যবসা প্রসারের উদ্দেশ্যে দেওয়া হবে ১০ লাখ টাকার সমমূল্যের এক লাখ নরওয়েজিয়ান ক্রোনার।

গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল ফোলি বলেন, স্টার্টআপগুলো কিভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের তুলে ধরে তা দেখার জন্য পুরো স্টার্টআপ কমিউনিটিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

আনিকা জীনাত

উদ্যোক্তাদের ব্যবসা শুরুর কৌশল নিয়ে বই

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : যুব উদ্যোক্তাদের অনুপ্রেরণা ও সহায়তা যোগাতে জার্নাল বই আকারে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে ‘ইয়ুথ এন্ট্রাপ্রেনারশিপ-হাউ টু স্টার্ট উইথ…?’।

তরুণ  উদ্যোক্তা ও  ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক সৈয়দ রবিউস সামস রচিত ও  প্রকাশিত বইটি নবীন  উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসা শুরুর কৌশল ও প্রাথমিক ধারণার উৎস  হিসেবে কাজে দেবে বলে বলছেন অনেকেই।

বইয়ের লেখক সৈয়দ রবিউস সামস বলেন, উদ্যোক্তার বা ব্যবসায়িক ধারণাগুলি যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া, কিভাবে শুরু করতে হবে, অর্থ যোগান ও প্রচার–প্রসার বাড়ানোর কৌশল, কিভাবে বিভিন্ন বাধাগুলি অতিক্রম করা যায়, কিভাবে জনসংযোগ করতে হয় সেসব বিষয়ে ধারণা দেওয়া হয়েছে।

Book-Techshohor

এছাড়াও বইটিতে ক্রমবর্ধমান ব্যবসার বাস্তব জীবনের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। এতে ৫ জন তরুণ লেখকের প্রবন্ধসহ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সফল উদ্যোক্তা, কর্পোরেট নেতৃবৃন্দ এবং উন্নয়ন কর্মীদের মন্তব্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বইটি প্রকাশনায় সার্বিক সহায়তা করেছে সেন্টার ফর এন্ট্রাপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট (সিইডি), ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়। বইটির মূল্য ১২৫ টাকা।  বইটির অনলাইন পরিবেশক রকমারি ডটকমে পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়াও, বইটি শাহবাগস্থ পাঠক সমাবেশ সেন্টার, তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরস্থ বুকওয়ার্ম, ঢাকা নিউমার্কেটের জিনাত বুক সাপ্লাই ও দি সিটি পেপার হাউজ, ধানমণ্ডি জ্ঞানকোষ প্রকাশনী, নিউ বেইলি রোডের বিদ্যা ভবনে পাওয়া যাচ্ছে।

বইয়ের বাংলা সংস্করণটিও এই বছরের শেষের দিকে প্রকাশ করা হতে পারে।

আনিকা জীনাত

স্টার্টআপ পুরস্কার পেয়েছে বিডিট্যাক্স

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলাদেশ স্টার্টআপ অ্যাওয়ার্ডে একটি ক্যাটাগরিতে সেরা উদ্যোক্তার পুরস্কার পেয়েছে অনলাইন ট্যাক্স প্রস্তুতকরণ সফটওয়্যার কোম্পানি বিডিট্যাক্স।

সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বিডিট্যাক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জুলফিকার আলীর হাতে সম্মাননা পদকসহ এক লাখ টাকার চেক তুলে দেন পলক।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিডি ভেঞ্চারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত হোসেন, গ্রামীনফোনের প্রধান নির্বাহী পিটার ফারবার্গ, স্টার্টআপ বাংলাদেশের পলিসি অ্যাডভাইজার টিনা জাবিন ও এটুআইয়ের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান।

আনিকা জীনাত

সফটওয়্যার সেবায় ধ্রুবতারা হতে চায় ধ্রুবক

ভালো একটি চাকরি চাই- বেশিরভাগের এমন ভাবনার মাঝে ব্যতিক্রম দুই তরুণ। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস নিয়ে তাদের নতুন কিছু করার চিন্তা পরিণত হয়েছে এক সফল উদ্যোগে। বিস্তারিত জানাচ্ছেন ইমরান হোসেন মিলন।

দেশে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে দক্ষতায় সেরাদের একজন মেহেদী হাসান খান। একই ভাবনার সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন সফটওয়্যারে বিশেষ পারদর্শী আশিক-উজ-জোহাকে। বুয়েটে প্রকৌশল শিক্ষা গ্রহণের সময়ই তাদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা রূপ নিয়েছে ধ্রুবক ইনফোটেক সার্ভিসেসে

তরুন এ দুই প্রকৌশলী নিজেরাই কিছু করতে চেয়েছিলেন। নিজেদের দেশেই সফটওয়্যারের বিকাশে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস প্লাটফর্মকে। তাদের সেই যৌথ প্রচেষ্টা এখন বাস্তব রূপ পেয়েছে।

Drubak-infotech-techshohor

মোবাইল প্ল্যাটফর্মে উভয়ের আগ্রহ ও দক্ষতার সুবাদে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, গেইমস, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্টের সেবা প্রদানে বেশ সুনাম করেছে তাদের প্রতিষ্ঠানটি।

বুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে পড়াশোনা করা আশিক ও মেহেদী মিলে ২০১৩ সালের মার্চে প্রতিষ্ঠা করেন ধ্রুবক ইনফোটেক সার্ভিসেস লিমিটেড। চার বছর পর তাদের এ উদ্যোগ ক্রমে বড় হয়েছে। এখন তাদের সঙ্গে কাজ করছেন আরও আট প্রকৌশলী। দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে প্রযুক্তি সহায়তা দিচ্ছেন।

সফটওয়্যার প্রকৌশলী আশিক ধ্রুবকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অপর সহ-প্রতিষ্ঠাতা মেহেদী ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন।

dhurok-all-rounder-techshohor

পিছন ফিরে দেখলে

সব উদ্যোগেরই পেছনে তাকালে সাধারণ হোক আর অসাধারণই হোক, একটা গল্প উঠে আসে। ধ্রুবকের রয়েছে তেমনি একটি গল্প। সাদামাটা হলেও তরুন এ দুই উদ্যোক্তার দৃঢ়তা, নিবিড় পরিশ্রম ও সংগ্রামের চিত্র উঠে এসেছে তাতে।

আশিক বলেন, বুয়েটে পড়ালেখার সময় তিন ও মেহেদী বেশিরভাগ ল্যাব, প্রজেক্ট, থিসিসগুলোতে একই গ্রুপে ছিলেন। সেই সুবাদে বন্ধুত্ব ও কাজকর্মের ব্যাপারে বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে।

পুরনো দিনের কথা তুলে ধরে তরুন এ উদ্যোক্তা জানান, তারা বিভিন্ন বিষয়, আইডিয়া নিয়ে আলাপ করতেন। পড়ালেখা শেষের দিকে থাকায় ক্যারিয়ারের চিন্তাটা সামনে চলে আসে। দুজনেই তখন নিজেরা কিছু করা যায় কিনা সে বিষয়ে ভাবতে শুরু করেন। সেই ভাবনা রূপ নেয় পরিকল্পনায়, গড়ে ওঠে ধ্রুবক।

নিজের এ উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার দিনগুলো খুব সহজ ছিল না তাদের। এ সময়ে চোখের সামনে ‘ভালো’ চাকরির হাতছানিও ছিল। সেগুলো গ্রহণ করবেন, নাকি নিজেরা কিছু করে ভবিষ্যতে অন্যদের সেখানে চাকরি দেবেন- সে সিদ্ধান্ত নিতেও তাদের বেগ পেতে হয়েছে।

আশিকের ভাষায়, ‘আমাদের প্যাশন ছিল মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট। ছাত্র অবস্থায় ২০১১ সালে ফ্রিল্যান্স ডেভেলপার হিসেবে মার্কেটপ্লেসে কাজ করা শুরু করি। ২০১২-১৩ সালের দিকে তখন মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট ব্যাপারটায় এখনকার মত ক্রেজ ছিল না। মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্টকে কেন্দ্র করে ক্যারিয়ার শুরু করতে চেয়েছি, তাই নিজেরাই কোম্পানি শুরু করার সিদ্ধান্ত নিই।’

বুয়েটে পড়ে ভালো চাকরির পিছনে না ছুটে তখন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়াকে অনেকটাই চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখেন এ দুই উদ্যোক্তা। তবে সামাজিক অবমূল্যায়নের ভয়কে থোড়াই কেয়ার করে, নিজেদের পরিকল্পনায় থেকেছেন অটল।

আশিক বলেন, বড় সমর্থনটাই পেয়েছি পরিবার থেকে। ক্যারিয়ারের শুরুতে এ রকম একটা সিদ্ধান্তে পরিবারের সমর্থন অনেক বড় ব্যাপার। ছাত্র অবস্থায় জমানো সামান্য কিছু টাকা নিয়ে স্নাতকের পরই বনশ্রীতে একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে ধ্রুবক ইনফোটেক সার্ভিসেস যাত্রা শুরু করে। এরপর ২০১৪ সালের শেষের দিকে অফিস মেরুল বাড্ডাতে বাণিজ্যিক ভবনে চলে আসে।

প্রতিষ্ঠানটিতে এখন আটজন কর্মী কাজ করছেন। যাদের বেশিরভাগই কম্পিউটার প্রকৌশলী।

যে ধরনের কাজ করে ধ্রুবক
ধ্রুবক মূলত সপটওয়্যার ডেভলপমেন্ট সেবা প্রদান করে। তাদের প্রতিষ্ঠান গুগলের অ্যান্ড্রয়েড ও অ্যাপলের আইওএস অপারেটিং সিস্টেমের জন্য মোবাইল অ্যাপ ও আনুষঙ্গিক সিস্টেম ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরিতে বিশেষভাবে পারদর্শী।

এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি পিএইচপি (লারাভেল, কোড-ইগনাইটর) এবং জাভাস্ক্রিপ্ট (নোড জেএস, অ্যাঙ্গুলার জেএস) ফ্রেমওয়ার্কগুলোতে ওয়েবসাইট ও ওয়েবঅ্যাপ বানায়।

dhrubok-techshohor-office

গ্রাহক কারা
ধ্রুবক থেকে সেবা গ্রহণের তালিকায় দেশি-বিদেশি টেক-স্টার্টআপ ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোই উল্লেখযোগ্য বলে বলেন আশিক-উজ-জোহা। তিনি বলেন, দেশে অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলো স্টার্টআপ হিসেবে শুরু করে ব্যবসায়িক দিকটি ভালো নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা করতে পারলেও, প্রযুক্তিগত দিক থেকে কিছুটা দুর্বল। তাদের সেবা দেওয়া একটা লক্ষ্য ধ্রুবকের।

ধ্রুবক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্য ও সেবার ধরন, গ্রাহকের চাহিদা ও সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে যথোপযুক্ত সার্ভার সিস্টেম, রেস্ট(REST) এপিআই, মোবাইল অ্যাপ, ম্যানেজমেন্ট ও অ্যানালাইটিক সিস্টেম নির্মাণে সহায়তা করে ।

প্রতিবন্ধকতা

ধ্রুবক ইনফোটেক সার্ভিসেস প্রতিষ্ঠার পরে গত চার বছরে অনেক প্রতিকূলতা ও প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে সময় পার করতে হয়েছে বলে বলেন আশিক।

প্রতিষ্ঠানের জন্য দক্ষ, যোগ্য ও সঠিক মননের সফটওয়্যার প্রকৌশলী খুঁজে নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। তিনি বলেন, ভালো সফটওয়্যার প্রকৌশলী হওয়া একটি চলমান প্রক্রিয়া। একজন প্রোগ্রামারকে প্রতিনিয়ত নিজের জ্ঞানের পরিধি, ব্যাপ্তি ও গভীরতা বৃদ্ধি করতে হয়; নতুন প্রযুক্তি, ল্যাংগুয়েজ ও প্রক্রিয়ায় নিজের পারদর্শিতা বৃদ্ধি করতে হয়। কিন্তু এমন সুপরিকল্পিত প্রকৌশলীর অভাব বোধ করেছেন তারা।

এ ছাড়াও বড় একটা সমস্যা ছিল পেমেন্ট গেটওয়ে। তাদের বেশিরভাগ গ্রাহক বিদেশি কোম্পানি ও নাগরিক হওয়ায় অধিকাংশ আয় আসে বিদেশ থেকে বিশেষ করে আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে। সেই অর্থ নিয়ে আসতে পেমেন্ট গেটওয়ে নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়েছে। পোহাতে হয়েছে অনেক হয়রাণি।

ভবিষৎ পরিকল্পনা
তাদের স্বপ্ন ধ্রুবকে দেশে ও দেশের বাইরে সফটওয়্যার তৈরি ও সেবায় একটি ব্র্যান্ড ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। ভবিষ্যৎ লক্ষ্যের অনেকটাই কম্পিউটার ভিশন, মেশিন লার্নিং ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কেন্দ্রিক। সেই লক্ষ্যে তারা ধ্রুবকে এসব প্রযুক্তিতে দক্ষ ও পারদর্শী জনবল তৈরিতে কাজ করছেন।

প্রতিষ্ঠানটি মোবাইলকেন্দ্রিক বুদ্ধিমান সফটওয়্যার তৈরির মাধ্যমে দেশি ও আন্তর্জাতিক সমস্যার সমাধান ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে চায়।

যোগাযোগ
সেঞ্চুরি সেন্টার (ফ্লোর ৮)
খ ২২৫ প্রগতি সরণী
মেরুল বাড্ডা
ঢাকা ১২১২
ওয়েবসাইট: www.dhrubokinfotech.com
ফেইসবুক পেইজ

উদ্যোক্তাদের পথ দেখাবে স্টার্টআপ বাস

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর :   শুরু হয়েছে বাংলাদেশ স্টার্টআপ কাপ-২০১৭। বেটারস্টোরিজ দ্বিতীয়বারের মতো এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে।

উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম তৈরির এবারের অায়োজনে বিশেষায়িত একটি বাস দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে ঘুরবে। আয়োজকরা বলছেন,  স্টার্টআপ সংস্কৃতির উন্নয়ন এবং উদ্যোক্তাদের স্থানীয় স্টার্টআপ ব্যবসার সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি ও বিকাশে সহায়তা করবে এই বাস।

সোমবার রাজধানীর গুলশান ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বছরব্যাপী ব্যবসায়িক মডেল তৈরির প্রতিযোগিতা স্টার্টআপ কাপ। বিশ্বের ৬০ টিরও বেশী দেশে আয়োজিত স্টার্টআপ কাপের অংশ হিসেবে স্থানীয় নতুন উদ্যোক্তাদের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্য থাকছে এতে।

এতে সহযোগিত করছে নেদারল্যান্ড ও ভারতভিত্তিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আবিস্কার।

startup-bus-techshohor

বরিশাল, চট্টগ্রাম, খুলনা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট বিভাগে ৭ দিন করে ইকোসিস্টেম তৈরির জন্য কর্মশালা, নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন।

আগ্রহীরা ২৫ মার্চের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। সরাসরি কথা বলা যাবে-০১৭৫৪১৪১১৮৮ নম্বরে।

 সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত লিওনি কুলেনারা, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) ও অ্যাকসেস টু ইনফরমেশনের প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার, বাংলাদেশ স্টার্টআপ কাপ প্রকল্প পরিচালক সেলিমা হোসাইন এলেন ও উপ-প্রকল্প পরিচালক মুহাইমিন খান।

আল-আমীন দেওয়ান

না বুঝেশুনে উদ্যোক্তা নয়

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞান, খাত যোগাযোগ, পলিসিসহ সবকিছু ভালভাবে জেনেবুঝে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন খাতটির সফল উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে চলমান বেসিস সফটএক্সপোতে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক মাসিক ম্যাগাজিন সিনিউজ আয়োজিত ‘তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোগের জন্য পরবর্তী প্রজন্মকে প্রস্তুতকরণ’ শীর্ষক সেমিনারে এসব পরামর্শ দেন তাঁরা।

সেমিনারে সিনিউজের স¤পাদক ও দি ডাটাবিজ সফটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশেদ কামাল মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

প্রবন্ধে তিনি উল্লেখ করেন, অনেকেই আইটি ব্যবসায় শুরু করার ব্যাপারে আগ্রহী হচ্ছে। কিন্তু তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ধৈর্য্যের বড় অভাব। তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তা হতে গেলে বড় প্রয়োজন ধৈর্য্য।

তিনি বলেন, উদ্যোক্তার খাতায় নাম লেখাতে হলে সবকিছু বুঝেশুনে এগোতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তার জন্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট নলেজ থাকা দরকার। নতুন উদ্যোক্তাদের আইন, পলিসি, ব্যাংকিং, ইন্টারন্যাশনাল রোল, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, কোর অ্যাকাউন্টিং কনসেপ্ট, বেসিক নলেজ, বেসিক নেটওয়ার্কিং কনসেপ্ট ইত্যাদি বিষয়গুলো জানা থাকা একান্তই দরকার। তাহলেই উদ্যোক্তারা সফলতার মুখ দেখবেন।

cnews.techshohor

বিডিজবস ও আজকের ডিলের প্রধান নির্বাহী ফাহিম মাশরুর বলেন, উদ্যোক্তা হতে গেলে সীমাহীন ধৈর্য্য থাকতে হবে। আমাদের তরুণদের মধ্যে কম সময়ে বড় লোক হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাচ্ছে। কিন্ত তা কখনই সম্ভব না। বাংলাদেশের মত দেশে সফল হতে গেলে ম্যারাথন দৌড়ের মানসিকতা থাকতে হবে।

ব্রেইন স্টেশন ২৩ এর প্রধান নির্বাহী রাইসুল কবির বলেন, টাকার জন্য উদ্যোক্তা নয়। টাকা চাইলে চাকরি করুন। আর উদ্যোক্তা হতে গেলে আগে ব্যবসা জানতে হবে। বর্তমান সময়ে জানি না বলতে কোনো শব্দ নেই, না জানলে গুগল করুন। উদ্যোক্তা হতে গেলে জানতে আপনাকে হবেই।

সিনিউজের নির্বাহী সম্পাদক কাজী মোস্তাক এর সঞ্চালনায় সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন বিডিওএসএনের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান, বেটার স্টোরিজের মিনহাজ আনোয়ার, সিনিউজের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কাওসার উদ্দিন।

আল-আমীন দেওয়ান

পদত্যাগ করা ইউডিসি উদ্যোক্তাদের পুনর্বহালের নির্দেশ

রুদ্র মাহমুদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশব্যাপী সাড়ে চার হাজারের অধিক ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের জোর করে পদত্যাগ করানো যাবে না। পাশাপাশি যেসব উদ্যোক্তাদের ইতিমধ্যেই পদত্যাগে বাধ্য করানো হয়েছে তাদেরকে পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানীয় সরকার বিভাগ দেশের সকল জেলা প্রশাসক বরাবর এই নির্দেশনা দিয়েছে।

UDC notice-TechShohor

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব সৈয়দ মো. নুরুল বাসির স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনা মতে, ইতিমধ্যেই নবনির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত উদ্যোক্তাগনকে বহাল রাখার বিষয়ে অঙ্গীকারনামা গ্রহণ ও চুক্তি সম্পাদনের জন্য আলাদা দুটি পত্রের মাধ্যমে অনুরোধ জানানো হয়।

সেখানে আরও বলা হয়, কোনো ইউডিসির উদ্যোক্তাদের পদত্যাগে বাধ্য করানোর অভিযোগ পাওয়া গেলে জেলা প্রশাসক একান্তে ওই উদ্যোক্তার সঙ্গে বৈঠক করবেন ও দায়ি ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের পদত্যাগে বাধ্য করে নতুন উদ্যোক্তা নিয়োগের অভিযোগ উঠে আসে। এতে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানদেরকে দায়ী করা হয়।

নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানরা তাদের পছন্দের উদ্যোক্তা নিয়োগ দিচ্ছেন বলে অনেকে অভিযোগ করেছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও এটুআই বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়।

উদ্যোক্তা হতে স্বপ্ন চাই

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : উদ্যোক্তা হতে গেলে স্বপ্ন দেখতে হবে। স্বপ্ন হতে হবে বড় আর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে থাকতে হবে বিশ্বাস।

দেশের প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপগুলো নিয়ে শুরু হওয়া কানেক্টিং স্টার্টআপস বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে নবীন উদ্যোক্তাদের এভাবে স্বপ্ন দেখতে উৎসাহিত করেন সফল উদ্যোক্তা ও বিশেষজ্ঞ বক্তরা।

রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত ওই সেমিনারে অংশ নেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও তরুণ উদ্যোক্তরা।

প্রেনিউরল্যাবের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ নিজামীর সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রতিযোগিতার নানা দিক নিয়ে কথা বলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) যুগ্ম-মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: মামুনুর রশিদ, বেসিসের পরিচালক ও স্টুডেন্ট ফোরামের আহবায়ক আরিফুল হাসান অপু।

Basis-1

সেমিনারে প্রতিযোগিতা নিয়ে ভিডিও উপস্থাপনা দেন বেসিসের যুগ্ম-মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি বলেন, এই প্রতিযোগিতা নবীন উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বড় প্ল্যাটফর্ম। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী নির্বাচনের ধাপগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যার মাধ্যমে প্রত্যেক অংশগ্রহনকারী তার উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে নানা বিষয় শিখতে পারবে।

বিশ্বের শীর্ষ তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের উদাহরণ টেনে মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, কাউকে আসলে উদ্যোক্তা বানানো যায় না, তৈরি হয়ে যায়। যাদের ভেতরে কোনো আইডিয়া বাস্তবায়নের তাড়না রয়েছে কেবল তারাই উদ্যোক্তা হতে পারে।

প্যানেল আলোচক মো. মামুনুর রশিদ বলেন, প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের জন্য এখন দারুণ সুযোগ। সরকারি প্রণোদনার পাশাপাশি এখন দেশি-বিদেশী বিনিয়োগকারীরাও বিনিয়োগে উৎসাহী। যা কয়েকবছর আগে মসৃণ ছিল না।

আরিফুল হাসান অপু বলেন, আইডিয়া শুধু মাথায় থাকলে চলবে না। প্রথমে খোঁজ নিন আপনার আইডিয়া আগেই বাস্তবায়ন হয়েছে কিনা। তারপর বিবেচনা করে দেখেন আপনার আইডিয়ার সামাজিক প্রভাব এবং ব্যবসায়িকভাবে তা কতটা লাভজনক।

সেমিনারের প্রশ্ন-উত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীরা নানা বিষয়ে প্রশ্ন করে প্যানেল আলোচকদের কাছ থেকে উত্তর জেনে নেন।

প্যানেল আলোচক ছাড়াও প্রতিযোগিতায় আবেদন সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলেন বেসিসের অনুষ্ঠান ও প্রকল্প নির্বাহী শাফায়েত চৌধুরী। সেমিনারে শেষে লটারির মধ্যমে অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে থেকে পাঁচজনকে পুরস্কার দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, কানেকটিং স্টার্টআপস হচ্ছে নবীন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি দেশী–বিদেশী বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগসূত্র তৈরির একটি প্রতিযোগিতা।

প্রযুক্তিক্ষেত্রে নতুন উদ্ভাবনী আইডিয়া অথবা দুই বছরের কম সময়ের কোনো স্টার্টআপ যাদের ব্যবসায়ীক মূলধন ৫ হাজার ডলারের কম তারা কানেকক্টিং স্টার্টআপস প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা জনতা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে স্টার্টআপদের জন্য বরাদ্দকৃত ফ্লোরে অফিস স্পেস ছাড়াও অর্থসংস্থানের ব্যবস্থা, উদ্ভাবনী অনুদান, মেন্টরশিপ, আইনি সহায়তাসহ বিশ্ব স্টার্টআপস এক্সেলারেটর প্রোগ্রামে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

প্রতিযোগিতাটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ (বিএইচটিপিএ) এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)।

প্রতিযোগিতায় নিবন্ধনের শেষ সময় ৩০ জানুয়ারি। অংশগ্রহণের বিস্তারিত এই ঠিকানায়

আল-আমীন দেওয়ান

দারাজের ব্লগারস মিট অনুষ্ঠিত

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের তরুণ অনলাইন উদ্যোক্তাদের সাথে কাজ করতে চায় দারাজ ডটকম ডটবিডি। সেই লক্ষ্যে দারাজ প্রথমবারের মতো আয়োজন করে ‘ব্লগারস মিট’। এখানে অংশগ্রহণকারী তরুণ উদ্যোক্তারা নিজেদের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

শনিবার রাজধানীর বনানীতে দারাজ বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে এই ব্লগারস মিট অনুষ্ঠিত হয়।

এই আয়োজনে অনলাইন ব্যবসা শুরু উপায়, পণ্য বিক্রি করতে গিয়ে সামনে আসা সমস্যা থেকে বাঁচার উপায় ও দেশব্যাপী পণ্য ছড়িয়ে দিতে দারাজের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

daraz

আলোচনায় অংশ নিয়ে দারাজ বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মার্কেটিং হেড সুমিত জাসরিয়া বলেন, এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে আমরা দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের পণ্য দারাজের মাধ্যমে বিক্রির জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। কোনো ঝামেলা ছাড়াই যেন তারা আমাদের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করতে পারেন সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে অনলাইনে কাজ করেন ফারিয়া মেহমুদ। তিনি জানান, ফ্যাশন ডিজাইন ও বিউটিফিকেশন পণ্যগুলো নিয়ে কাজ করেন তিনি। নিজের ব্যবসার প্রসার করতে দারাজের সঙ্গে কাজ করতে চান বলেও জানান তিনি।

ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে কাজ করেন আরেক নবীন উদ্যোক্তা ফারিয়া ফাইজুন। তিনি নিজের পণ্য দারাজের মাধ্যমে বিক্রির উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

এছাড়াও অ্যান্ড্রয়েড কথনের প্রতিষ্ঠাতা ও লিড রাইটার আমিনুল ইসলাম সজীব জানান, ক্রেতারা যেনো পণ্য কিনতে উদ্বুদ্ধ হন সেজন্য তাদের নিয়মিত কিছু রিভিউ দরকার।

ব্লগারস মিট -এ রকেট ইন্টারনেটের ভেঞ্চার দারাজের বিশ্বব্যাপী ব্যবসা নিয়ে কথা বলেন দারাজ বাংলাদেশের পাবলিক রিলেশন কর্মকর্তা পাভেল খান। প্রতি দু’মাসে একবার করে ‘ব্লগারস মিট’ আয়োজন করা হবে বলে জানান তিনি।

ইমরান হোসেন মিলন

নতুন উদ্যোক্তাদের প্রতিযোগিতা শুরু

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের নতুন উদ্যোক্তাদের পরামর্শ দিয়ে সামনে চলার পথকে সুগম করে দিতে শুরু হয়েছে ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতা। সমস্যা জেনে সমাধানের পথ দেখিয়ে নতুনদের সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও বেটার স্টোরিজ লিমিটেড।

সোমবার রাজধানীর আমেরিকা সেন্টারে স্টার্টআপ বাংলাদেশ প্রতিযোগিতাটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিস অফিসার জর্জ মেন্থস। তিনি বলেন, উদ্যোক্তারা সমৃদ্ধির ইঞ্জিন। আর এটাই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার চাবিকাঠি।

startup bangladesh

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্টার্টআপ বাংলাদেশ নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিভাগের রিজনাল পলিসি অফিসার আনা ওয়াই আয়ালা।

বেটার স্টোরিজের চিফ স্টোরি টেলার মিনহাজ আনোয়ার জানান, ১৬ কোটির বেশি জনসংখ্যার এই দেশে ৬০ শতাংশের বেশি মানুষের বয়স ৩৫ বছরের নিচে। আর প্রতি বছর প্রায় ২.৭ মিলিয়ন মানুষ কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছে। কিন্তু খুব বেশি মানুষকে চাকরি দেয়া যাচ্ছে না। দেশে নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরিতে উদ্যোক্তারা ভূমিকা রাখবে।

স্টার্টআপ বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া যাবে এই ঠিকানায় গিয়ে নিবন্ধন করে।

স্টার্টআপ বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার ইভেন্ট পার্টনার হিসেবে রয়েছে ইএমকে সেন্টার, ফিউচার স্টার্টআপ, ফাউন্ডার বাংলাদেশ এবং সেভেন সেইজেস।

অনুষ্ঠানে মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে প্রযুক্তি বিষয় সংবাদ মাধ্যম হাইফাই পাবলিক ডটকম।

ইমরান হোসেন মিলন

পাসওয়ার্ড বিক্রির ব্যবসায় ১১ বছরের বালিকা!

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : আইডিয়া থাকলে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য বয়স কোনো বাধা হতে পারে না। আর সেটাই প্রমাণ করেছে মাত্র ১১ বছর বয়সী এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত বালিকা, যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিরাপদ পাসওয়ার্ড বিক্রির হাইটেক ব্যবসা করে আসছে।

ক্ষুদে এই উদ্যোক্তার নাম মিরা মোদি। নিউ ইয়র্ক সিটিতে ক্লাস সিক্সে পড়ে সে। বয়স কম বলে মেয়েটিকে হেলাফেলা করার কোনো অবকাশ নেই। কারণ, সাইবার হামলার হাত থেকে ব্যবহারকারীদের ইমেল এবং ফেইসবুকের ব্যক্তিগত পাসওয়ার্ডকে রক্ষা করতে মুশকিল আসান হিসেবে হাজির হতে পারে এই বছর এগারোর মেয়েটিই।

এই টুকুন বয়সেই মিরা খুলেছে নিজস্ব ওয়েবসাইট। ডাইস রোল পদ্ধতির মাধ্যমে সে তৈরি করেছে সাংকেতিক পাসওয়ার্ড। আর নিরাপদ এই পাসওয়ার্ড পেতে খরচও নেই তেমন। মাত্র ২ ডলারে মিলবে এই পাসওয়ার্ড।

the 11-year-old Indian-origin girl in US sells secure passwords

পেশায় সাংবাদিক মা জুলিয়া অঙ্গউইন তার পরবর্তী বইয়ের গবেষণার জন্য বেছে নেন মেয়ে মিরাকে। এই কাজ করতে করতেই নিরাপদ পাসওয়ার্ডের কথা মাথায় আসে মিরার। যেমন ভাবা তেমন কাজ। আর এই কাজের কল্যাণে মিরা আজ উদ্যোক্তা।

পাসওয়ার্ড বিক্রির জন্য মিরা বেছে নিয়েছে এক অভিনব পদ্ধতি। পাসওয়ার্ড কাগজে হাতে লিখে ডাক সেবার মাধ্যমে ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেয় সে।

এ ব্যাপারে মিরার বক্তব্য, আমি মনে করি, ভালো পাসওয়ার্ড গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে আমরা চাইলে ভালো কম্পিউটার পাই, তাতেও সাইবার হামলা ঠেকানো সম্ভব হয় না।

ইকোনোমিকস টাইমস অবলম্বনে আহমেদ মনসুর

আরও পড়ুন: