ক্যানন ইওএস ১৩০০ডি : সাশ্রয়ী বাজেটে পছন্দসই, ভিডিওতে দুর্বল

রিয়াদ আরিফিন, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : স্মার্টফোনের সেলফি জাদু ও উন্নত মানের ক্যামেরা কারিশমায় বাজার হারাতে বসেছে ক্যামেরা নির্মাতা কোম্পানিগুলো। বিশেষ করে অপেশাদার ও শৌখিন ক্রেতা হাত ছাড়া হচ্ছে। অন্যদিকে শুধু পেশাদার ফটোগ্রাফারদের ওভর নির্ভর করেও ব্যবসা চলবে না। এমন পরিস্থিতিতে ডিজিটাল এসএলআরসহ অন্যান্য কামেরা তৈরির প্রতিষ্ঠানগুলোর নজর কমদামি ডিএসএলআরের দিকে। এরই ধারাবাহিকতায় জাপানি প্রযুক্তি জায়ান্ট ক্যানন সম্প্রতি এনেছে ইওএস ১৩০০ডি মডেলের নতুন ডিএসএলআর।

মাঝারি বাজেটের এ ক্যামেরা দিয়ে ব্যক্তিগত ছবি তোলার কাজ ভালোভাবেই মিটিয়ে ফেলা যায়। তবে এটি পেশাদার ফটোগ্রাফারদের জন্য যথোপযুক্ত নয়।

ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি
ক্যানন ইওএস ১৩০০ডি মডেলের ক্যামেরাটি মূলত ডি সিরিজের আগের মডেল ই১২০০ডি-এর নতুন ও বর্ধিত সংস্করণ। তবে আগেরটির চেয়ে কিছুটা হালকা।

এর বডি কার্বন ফাইবার পলিকার্বোনেট দিয়ে তৈরি। এটি সহজেই ধরে ব্যবহার করা যাবে, কেননা বডিতে অনেকটা গ্রিপি ভাব রয়েছে। কন্ট্রোল বাটনগুলো ব্যবহারেও বেশ আরামদায়ক।

তবে ক্যামেরাটিতে আবহাওয়া নিরোধক কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে ব্যবহারকারীকে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে বৃষ্টি বা ধুলো নিয়ে। যা কিছুটা সমস্যা তৈরি করতে পারে। এর সঙ্গে রয়েছে ১৮-৫৫ মি.মি. ও ৫৫-২৫০ মি.মি. লেন্স।

canon-eos-1300-d-800-a-techshohor

উন্নত এলসিডি
এতে ব্যবহৃত এলসিডি ডিসপ্লেটির মান ১২০০ডি-এর তুনলায় অনেকটা ভাল। রেজ্যুলেশন ও ডিপিআই আগের থেকে উন্নত করা হয়েছে।

নতুনদের জন্য কার্যকর
ক্যামেরাটি মূলত একেবারেই নতুন কিংবা যারা নিয়মিত ভ্রমণে যান তাদের জন্য। মানের দিক থেকে অনেকটাই সন্তোষজনক। এতে ডিজিক৪+ প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে।

এপিএস-সি সেন্সরযুক্ত ১৮ মেগাপিক্সেলের এ ক্যামেরা প্রতি সেকেন্ডে ৩টি ছবি তুলতে পারে। এর আইওসও সংবেদনশীলতা সর্বোচ্চ ৬৫০০। ফোকাসিং মোটরও স্টান্ডার্ড। ফলে ১৮-১৫ মি.মি. কিংবা ৫৫-২৫০ মিমি. লেন্সও ভালোভাবে ব্যবহার করা যায়।

canon-eos-1300-d-800-b-TechShohor

ভিডিওতে পিছিয়ে
এ ক্যামেরা প্রতি সেকেন্ডে ৩০ ফ্রেমবিশিষ্ট ফুল এইচডি ভিডিও রেকর্ড করতে সক্ষম। তবে একই বাজেটের নিক্কন ডি৩৩০০ প্রতি সেকেন্ডে ৬০ ফ্রেম রেটের ভিডিও রেকর্ড করতে পারে। এ দিক থেকে ক্যামেরাটি কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।

ব্যাটারিতে স্বস্তি
ক্যামেরাটিতে ব্যবহৃত ব্যাটারি একবার ফুলচার্জ নিলে একাধারে সর্বোচ্চ ৫০০ ছবি তোলা যায়, যা ৮ গিগাবাইটের মেমরি কার্ড পরিপূর্ণ করতে সক্ষম।

ওয়াই-ফাই ও এনএফসি সুবিধা
ক্যামেরাটিতে রয়েছে ওয়াই-ফাই ও এনএফসি সুবিধা। ফলে ব্যবহারকারী ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনের সাথে সংযুক্ত করে ফাইল আদান-প্রদান করতে পারবেন।

Sample shot from Canon EOS 1300D-techshohor

দাম
দেশের বাজারে ক্যামেরাটি ৩৪ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এক কথায় নতুন ও শখের ব্যবহারকারীদের জন্য সাধ ও সাধ্যের মধ্যে দারুণ মানান সই ক্যাননের এ মডেল।

একনজরে ভালো
• ব্যবহারে আরামদায়ক
• তুলনামূলক হালকা
• চার্জে স্বস্তি
• মানের দিক থেকে দামে সাশ্রয়ী

এক নজরে খারাপ
• ভিডিও রেকর্ডে কিছুটা পিছিয়ে
• প্রফেশনাল ব্যবহারকারীদের জন্য নয়

ক্যানন এসএক্স ৪০০ : টাচ ছাড়াই সস্তায় পেশাদার ফটোশুট

আদনান নিলয়, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ক্যাননের স্টাইলিশ লুকের এক পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যামেরা হলো পাওয়ারশট এসএক্স ৪০০। ক্যামেরাটির কথা আলাদা করে বলতে হবে দুটো কারণে। এক- ডিজাইন, দুই- এটির অত্যাধিক জুম ক্ষমতা।

এ দামে সাধারণ একটি ক্যামেরায় ছয় গুণের বেশি জুম না হলেও এর ১৬ মেগাপিক্সেল লেন্স ৩০ গুণ পর্যন্ত জুম করা যায়। সাধারণ ছবি তোলার ক্ষেত্রে তা দরকার হয় না বলে ক্যামেরাটি পেশাদার বা শখের ফটোগ্রাফারদের কথা চিন্তা করেই তৈরি হয়েছে। ডিএসএলআরের মতো ডিজাইনই এর প্রমাণ।

Canon Powershot SX400-techshohor

ডিজাইন
আগেই বলেছি, ডিএসএলআরের ডিজাইনে গড়া হয়েছে এটি। ডিএসএলআর যেহেতু পকেটে ঢুকে না, তাই এটিও ঢুকবে না। খাপে অথবা গলায় ঝুলিয়ে নিয়ে বেড়াতে হবে।

এটি দিয়ে ছবি তুলতে অনেক আরাম পাবেন ফটোগ্রাফররা। টেক্সচার এমন ধাতু দিয়ে বানানো হয়েছে যাতে হাত থেকে ফসকানোর কোনো সম্ভাবনা নেই। তা ছাড়া বড় হওয়ায়, কোনো বাটনই ছোটখাট নয়। সব বাটনের ওপর আঙ্গুল সবসময় এসে থাকবে।

লাল ও কালো রঙে পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে লালই বেশি আকর্ষণীয়।

পারফরমেন্স
গতির কথা বলতে গেলে আপনি খাপ থেকে বের করে ক্যামেরাটি দিয়ে ৩ সেকেন্ডে একটা ছবি তুলতে পারবেন। ক্যাননের অন্য সব মডেল থেকে এটির গতি প্রায় দ্বিগুণ।

ছবি তোলাতে কোনো সমস্যা হবে না। কিছু ঝামেলা হলেও তা হবে মেন্যুতে। নানা কারণে বেশ স্লো হয়ে যেতে পারে মেন্যু।

স্মার্টফোনে আমরা টাচ টু ফোকাসে অভ্যস্ত হলেও এতে ম্যানুয়ালি তা করতে হবে, সেখানেও বেশি সময় লাগবে।
ভিডিও রেজুলেশনে ১০৮০ পিক্সেল ভিডিও রেকর্ড করা যাবে না, ৭২০ পিক্সেল পর্যন্ত তা সীমাবদ্ধ।

সফটওয়্যার
সফটওয়্যারের অনেক ফিচার আছে থাকলেও সেগুলো খুব গোছানো নয়। খুঁজে খুঁজে বের করতে হয় ফিচারগুলো। টাচস্ক্রিন না হওয়ায় একটু বেশি অসুবিধা হবে।

অটো মোড এ সমস্যা অনেকটা দূর করে দেয়। নামের মতো এ মোড প্রায় সবই কাজই অটো করে দেবে। বিভিন্ন শুটিং মোড সিলেক্ট করার অপশন জানিয়ে দেবে এটি। পরিবেশ বিশ্লেষণ করে ফ্ল্যাশ উপস্থিত করবে, ছোটখাট রেড-আই সমস্যা দূর করবে ইত্যাদি।

গতিশীল বস্তুর ছবি তুলতে আমাদের প্রায়ই সমস্যা হয়, লাইভ ভিউ মোড যেটা সহজে দূর করবে।

অনেক রকম ফিল্টারের অপশন রয়েছে ক্যামেরাটিতে। বিভিন্ন অবস্থা ও পরিবেশ বিবেচনায় তা প্রয়োগ করতে পারেন।

সবশেষে, একটা নেগেটিভ পয়েন্টের কথা বলি। এ ক্যামেরায় ওয়াই-ফাই নেই। স্মার্টফোনের মতো তাই সহজে ছবি আদান-প্রদান করতে পারবেন না।

দেশের বাজারে এটি পাওয়া যায় কমবেশি ১৩ হাজার ৩০০ টাকায়।

এক নজরে ভালো
– চমৎকার ডিজাইন
– ৩০ এক্স জুম

এক নজরে খারাপ
– ওয়াই-ফাই নেই
– টাচস্ক্রিন নয়
– ভিডিও রেজুলেশন ৭২০ পিক্সেল

ক্যানন এলবিপি৩৩০০ : সাধারণ কাজের চাহিদা মেটাবে

শাহরিয়ার হৃদয়, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ঘরে কিংবা অফিসে প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য ক্যাননের লেজার প্রিন্টারগুলো বেশ জনপ্রিয়। এ ব্র্যান্ডের মাঝারি মানের প্রিন্টারগুলোয় প্রয়োজনীয় সব ফাংশন উপস্থিত থাকে। এমন একটি ফিচার সমৃদ্ধ লেজার প্রিন্টার ক্যানন আই-সেন্সিস সিরিজের এলবিপি ৩৩০০।

চমৎকার কমপ্যাক্ট ডিজাইনের কারণে খুব সহজে যে কোনো ওয়ার্ক স্পেস বা টেবিলে বসে যাবে প্রিন্টারটি। আকার সুবিধাজনক হওয়ায় খুব বেশি জায়গা নেবে না। ওজন অবশ্য কিছুটা বেশি, প্রায় ১২ কেজি।

canon-lbp3300-techshohor

প্রিন্টারটির ইন্টারফেস পরিচ্ছন্ন হওয়ায় অপারেট করা বেশ সহজ। সব প্রয়োজনীয় বাটন ও স্লট ফ্রন্ট প্যানেলে রয়েছে। মাল্টিপারপোজ পেইজ ফিডারটি উপরের দিকে। নিচের ক্যাসেটে ২৫০টি কাগজ রাখা যাবে।

এ ছাড়া বাড়তি আরও ২৫০ পেজের একটি ক্যাসেট লাগানোর সুযোগ রয়েছে। সাধারণ কাজে ব্যবহৃত মোটামুটি সবরকম ফরম্যাটই (এ৪, বি৫, এ৫, দলিল ইত্যাদি) এতে সাপোর্ট করে।

এর প্রিন্ট প্রসেসিং টাইম বেশ দ্রুত। প্রতি মিনিটে গড়ে ২১ পেইজ প্রিন্ট করা যাবে। কমান্ড দেওয়ার পর প্রথম প্রিন্টটি বের হতে নয় সেকেন্ড সময় নেবে।

দ্রুত প্রিন্ট করতে গিয়ে যেন আউটপুটের মান ক্ষুণ্ণ না হয় সেজন্য ক্যানন স্মার্ট কমপ্রেশন আর্কিটেকচার নামে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

একই সঙ্গে প্রিন্টারটির কার্যকারিতা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে এর বিল্ট-ইন অটো ডুপ্লেক্স ফিচার, যা সাধারণত প্রিমিয়াম প্রিন্টারগুলোয় দেখা যায়। এর ফলে এক সঙ্গে কাগজের দুই পৃষ্ঠে প্রিন্ট করা যাবে। অবশ্য ডুপ্লেক্স প্রিন্টিংয়ের ক্ষেত্রে সময় সাধারণের চেয়ে কিছুটা বেশি লাগবে।

বেশ কিছু আকর্ষণীয় ফিচারের মতো এর প্রিন্ট কোয়ালিটিও সন্তোষজনক। এর ডিফল্ট প্রিন্ট রেজুল্যুশনও ২৪০০*৬০০ ডিপিআই।

সাদা কাগজে কালো লেজার প্রিন্ট সম্পূর্ণ পরিচ্ছন্ন ও নিখুঁত আসবে। তবে ফটো প্রিন্ট করার ক্ষেত্রে কিছুটা গ্রেইন পড়তে পারে বা আলোছায়ার জায়গাগুলো ঝাপসা হয়ে যেতে পারে।

ডকুমেন্ট প্রিন্টিংয়ে কোনো ত্রুটি নেই, তাই প্রতিদিনের অফিসিয়াল কাজে ব্যবহার করা যাবে।

এ প্রিন্টারের একটি দুর্বল দিক হলো কোনো ওয়্যারলেস কানেক্টিভিটি নেই। পিসির সাথে কানেক্ট করতে হবে ইউএসবি ২.০ বা ইথারনেট পোর্ট দিয়ে। এর অল-ইন-কার্টিজের ফলে মেইনটেন্যান্স তেমন শক্ত নয়। পরিচালনা খরচও অন্যান্য সাধারণ প্রিন্টারের মতো, নাগালের মধ্যে।

এক বছরের ওয়ারেন্টিসহ প্রিন্টারটির বাজার দাম ১১ হাজার ৪০০ টাকা।

এক নজরে ভালো
– আকর্ষণীয় ডিজাইন
– অটো ডুপ্লেক্স, চমৎকার আউটপুট

এক নজরে খারাপ
– ওয়্যারলেস কানেক্টিভিটি নেই
– ডিসপ্লে প্যানেল নেই

ক্যানন এলবিপি ৫০৫০এন : কানেক্টিভিটি ছাড়াও চলনসই প্রিন্টার

শাহরিয়ার হৃদয়, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ক্যাননের মাঝারি দামের প্রিন্টারগুলোর মধ্যে অন্যতম এলবিপি৫০৫০এন কালার লেজার প্রিন্টার। বাসা কিংবা অফিসের ছোটখাটো কাজের উপযোগী প্রিন্টারটি দাম ও ফিচারের চমৎকার সমন্বয় বলা যায়।

প্রিন্টারটির উপরের দিকে সুবিধাজনক একটি কন্ট্রোল প্যানেল আছে। প্যানেলের আটটি এলইডি কার্ট্রিজ, পেপারসহ সব ধরনের ফাংশন ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা জানাবে। সময় বাঁচানোর জন্য এটি বেশ কাজে দেবে।

এ ছাড়া কাগজ ফিড করার জন্য উপরের দিকে একটি স্লট রয়েছে। সামনে সিঙ্গেল পেজ ফিড করানোর একটি স্লট রয়েছে। পুরো মেশিনটির ওজন ১৮.৪ কেজি।

canon LBP5050N_techshohor

প্রিন্টিংয়ের গতি মাঝারি মানের বলা যায়। সাধারণ সাদাকালো টেক্সট প্রিন্টের ক্ষেত্রে স্পিড ৬.৩৮ পিপিএম। তবে বেশিসংখ্যক পেইজ একসাথে প্রিন্ট করতে দিলে পর্যায়ক্রমে গতি বাড়বে। ২০টি পেইজ প্রিন্ট হবে ৯.৯১ পিপিএম গতিতে। কালার প্রিন্টিংয়ের ক্ষেত্রে মিনিটে ৪.৬টি কাগজ প্রিন্ট হবে। সর্বোচ্চ এ৪ আকারের কাগজ প্রিন্ট করা যাবে।

প্রিন্টের কোয়ালিটি সব মিলিয়ে বেশ ভালো বলা যায়। টেক্সট প্রিন্টের ক্ষেত্রে ফন্টগুলো ঝকঝকে ও পরিষ্কার আসবে। কালার প্রিন্টে রংগুলো যথাযথ এলেও কিছু মাঝে মাঝে সবুজ ও নীল রঙে বিচ্যুতি হতে পারে। ফটো প্রিন্টের ক্ষেত্রে এটি সন্তোষজনক পারফরম্যান্স দেবে।

তবে স্মার্ট কানেক্টিভিটি ফিচারের সবই এতে অনুপস্থিত। নেটওয়ার্ক, ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ সুবিধা নেই। পিসির সাথে কানেক্ট করতে হবে ইউএসবি ২.০ দিয়ে। বান্ডেল সফটওয়্যার হিসেবে ক্যাননের নিজস্ব একটি সফটওয়্যার রয়েছে, যা সহজেই যে কেউ ব্যবহার করতে পারবেন।

আকারে মাঝারি ও গোলাকার প্রিন্টারটি টেবিলের স্বল্প পরিসরেও স্বাচ্ছন্দ্যে বসিয়ে রাখা যাবে। চমৎকার আউটলুকের কারণে অফিস কিংবা বাসার পরিবেশের সঙ্গে সহজে খাপ খাইয়ে নেবে। এ ছাড়া প্রিন্টারটির অপারেটিং খরচও তেমন বেশি নয়।

এক বছরের ওয়ারেন্টিসহ এর দাম ২৯ হাজার ৫০০ টাকা।

এক নজরে ভালো
– খুবই চমৎকার আউটপুট
– চালনা খরচ কম, গতি সন্তোষজনক

এক নজরে খারাপ
– কানেক্টিভিটি ফিচার নেই
– দাম কিছুটা বেশি

প্রফেশনালদের পছন্দের ক্যামেরা ক্যানন ইওএস ৭ডি

শাহরিয়ার হৃদয়, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সাধারণত যারা প্রফেশনাল বা সেমি প্রফেশনাল ফটোগ্রাফি করেন তাদের কাছে ক্যাননের ইওএস ডি সিরিজের ক্যামেরার গুণগান খুব বেশি বলতে হবে না। এ সিরিজের ক্যামেরা মূলত প্রফেশনালদের জন্যই তৈরি করেছে বিখ্যাত এ ক্যামেরা প্রস্তুতকারক কোম্পানিটি, যার মধ্যে একটি হল ইওএস ৭ডি।

৭ডি ক্যামেরাটি হঠাৎ দেখলে ক্যাননের আরেকটি মডেল ইওএস ৫০ডি এর মতো মনে হতে পারে। কিন্তু ১৮ মেগাপিক্সেল সিমোস সেন্সর ও ৩ ইঞ্চি এলসিডি ডিসপ্লে সম্বলিত ক্যামেরাটি ৫০ডি থেকে অনেক আলাদা। এর ভিউফাইন্ডারটি ৫০ডি থেকে একটু বড় এবং বাটন প্লেসমেন্ট ফটোগ্রাফারকে একটু হলেও বেশি সাহায্য করবে।

canon eos7d_techshohor

মিটারিং, হোয়াইট ব্যালেন্স, অটো ফোকাস, ড্রাইভ মোড, আইএসও ও ফ্ল্যাশ ক্যাপাবিলিটি বাটন ছাড়াও ক্যামেরাটির আরেকটি অন্যতম সংযোজন হল এম-এফএন বাটন, যা মাল্টি-ফাংশন বাটন হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

ডিফল্ট হিসেবে এটিতে ফ্ল্যাশ এক্সপোজার লক সেট করা থাকে। তবে ব্যবহারকারী তার পছন্দ অনুযায়ী যে কোনো ফাংশন সেট করে নিতে পারবেন।

ক্যামেরাটির ভিউফাইন্ডারটি ১০০ শতাংশ কভারেজ দেয়। এটি এলসিডি ডিসপ্লে থেকে ভাল দূরত্বে আছে, যা পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ছবি তুলতে বেশ সহজ করে। এতে নতুন অটো ফোকাস সিস্টেম ও ডুয়াল ডিজিক ৪ প্রসেসর ব্যবহার করায় ৮ এফপিএস অবিরাম শুটিংয়ে খুব দ্রুত ছবি তোলা ও প্রসেসিং করা যায়।

৬০ এফপিএস রেটে ৭২০পি এইচডি ও ৩০ এফপিএস রেটে ১০৮০পি ফুল এইচডি রেকর্ডিংয়ের জন্য মোড হুইলের পাশেই ছোট মাইক্রোফোন আছে। তবে যারা অডিও কোয়ালিটি নিয়ে বেশ সচেতন তাদের জন্য মাইক ইনপুট সুবিধা আছে।

এতে সহজেই ফ্ল্যাশ টোন চেঞ্জ করে নেয়া যায়- যা ইনডোর ফটো শুটে বেশ কাজে লাগে। গ্যাপলেস মাইক্রলেন্স দিয়ে সর্বোচ্চ ১২৮০০ আইএসও দিয়ে ছবি তোলা যায়।

সবমিলিয়ে সিঙ্গেল গ্রিপ ডিএসএলআর ক্যামেরাটি এর বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে ইতিমধ্যেই ফটোগ্রাফিপ্রেমীদের মন কেড়ে নিয়েছে। আর এর ধুলাবালিরোধক বিশেষ প্রলেপের জন্য ক্যামেরাটিকে ধুলাবালি থেকেও রক্ষা করতে পাবে।

যারা একটু হাই এন্ড ক্যামেরা খুঁজছেন পেশাদার ফটোগ্রাফির জন্য, তাদের ক্যামেরাটি পছন্দের তালিকায় রাখতে দ্বিতীয়বার ভাবতে হবে না। এর বাজারমূল্য ১ লাখ ৭ হাজার টাকা।

এক নজরে ভাল
– খুব দ্রুত প্রসেসিং
– ভাল ফটো কোয়ালিটি
– অটো ফোকাস সিস্টেম
– মজবুত বডি ও যেকোনো আবহাওয়া উপযোগী

এক নজরে খারাপ
– সিঙ্গেল কার্ড স্লট
– কিছু ছোট ফাংশনাল বাটন
– লাইভ ভিউ ফোকাসিং খুব ধীরগতির

ক্যানন এলবিপি৬২০০ডি প্রিন্টার : সস্তা হলেও গতিময়

শাহরিয়ার হৃদয়, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দাম কিছুটা বেশি হলেও কাজের দিক দিয়ে পুষিয়ে দেবে এমনই একটি সাদা কালো প্রিন্টার ক্যাননের এলবিপি৬২০০ডি। অফিসের দৈনন্দিন কাজ বা বাসার টুকিটাকি ব্যবহারের জন্য এটি বেশ উপযোগী।

এইচপি বা স্যামসাংয়ের একই গোত্রের প্রিন্টারগুলোর চেয়ে এটি দেখতে বেশ আকর্ষণীয়। ওজন প্রায় সাত কেজি। এর সামনে দিকে ধূলাবালি প্রতিরোধী একটি বিশেষ স্বচ্ছ কভার রয়েছে।

সামনের প্যানেলটিতে ২৫০টি এ৪ কাগজ রাখা যাবে। বেশি মোটা কাগজে প্রিন্ট করা জন্য ম্যানুয়াল ইনপুট ট্রে রয়েছে। টোনার দিয়ে একবারে ২১০০ কাগজ প্রিন্ট করা যাবে।

canon lbp6200d_techshohor

এটি অটোমেটিক ডুপ্লেক্স প্রিন্টিং সাপোর্ট করে অর্থাৎ একইসঙ্গে কাগজের দু’পাশে প্রিন্ট হবে। সাধারণভাবে প্রতি মিনিটে ২৫টি ও ডুপ্লেক্স প্রিন্টিংয়ে মিনিটে ১৫.৪টি কাগজ প্রিন্ট করতে পারে। ফলে গতির দিক দিয়ে এটি বেশ এগিয়ে আছে বলতে হবে।

আউটপুট কোয়ালিটি ক্যাননের বেশিরভাগ সাদা কালো লেজার প্রিন্টারের মতোই। ছাপা স্পষ্ট ও ঝকঝকে; কিন্তু কখনও কখনও ঝাপসা আসতে পারে। গ্রাফ ও চার্ট ধরনের গ্রাফিক্যাল প্রিন্ট করতে গেলে মাঝে মাঝেই অসুবিধা হতে পারে- চেক চেক দাগ বা প্যাটার্ন চলে আসতে পারে। আবার আলো-ছায়ার ব্যবধান বেশি নয়, এমন প্রিন্টের আউটপুটও পছন্দসই আসবে না। বান্ডেল সফটওয়্যারের সাহায্যে ড্রাইভার সেটিংসে পরিবর্তন এনে মান কিছুটা বাড়ানো যেতে পারে। তবে সব মিলিয়ে ছবির মান চলনসই বলতে হবে।

প্রিন্টারটির আরেক অসুবিধা হলো স্মার্ট ডিভাইসগুলোর সঙ্গে কানেক্ট করার জন্য এতে ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই নেই। ফলে সরাসরি আপনার ফোন থেকে প্রিন্ট করতে পারবেন না। যদিও কাছাকাছি দামের মধ্যে এ ধরনের কানেক্টিভিটিসম্পন্ন প্রিন্টার রয়েছে।

এর বর্তমান দাম ১১ হাজার টাকা।

এক নজরে ভালো
দ্রুত গতির প্রিন্টিং
দেখতে আকর্ষণীয়

এক নজরে খারাপ
ওয়্যারলেস সুবিধা নেই
আউটপুটের মান আশাব্যঞ্জক নয়

টাচস্ক্রিনসহ নতুন রূপে ক্যাননের ৬৫০ডি

শাহরিয়ার হৃদয়, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : শিক্ষানবিশ ফটোগ্রাফারদের প্রথম পছন্দ হিসাবে ক্যাননের রিবেল সিরিজের বেশ সুনাম রয়েছে। এ সিরিজের অন্যতম একটি ক্যামেরা ডিএসএলআর টি৪আই/৬৫০ডি। এর মধ্যে জনপ্রিয় ক্যামেরা ৬০০ডি’কে আপগ্রেড করে ৬৫০ডি তৈরি করা হয়েছে। নতুনদের পাশাপাশি পেশাদার ফটোগ্রাফারদের সব চাহিদা পূরণ হওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে আপগ্রেডের সময়।

ক্যামেরাটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য টাচস্ক্রিন এলসিডি প্যানেল। সাধারণ কমপ্যাক্ট ক্যামেরায় টাচপ্যানেলের ছড়াছড়ি দেখা গেলেও উঁচু পর্যায়ের ডিএসএলআরে সাধারণত টাচস্ক্রিন কম দেখা যায়। ৩ ইঞ্চির এ স্ক্রিনটি স্মার্টফোনের স্ক্রিনের মতোই রেসপন্সিভ। এ ছাড়া আকার-আকৃতির দিক দিয়ে ৬০০ডি থেকে তেমন পরিবর্তন হয়নি। গ্রিপ ও ইরগোনমিক্স খুবই চমৎকার। শাটার বাটন, আইএসও বাটনসহ সব কন্ট্রোলই স্বস্তিতে ব্যবহার করা যাবে।

canon-650d_techshohor

এর সঙ্গে EF-S 18-55mm f/3.5-5.6 IS II লেন্স কিট, যা সাধারণ ইউজারদের বেশ কাজে দেবে। ক্যামেরাটির মূল ফিচার, যেমন- ১৮ মেগাপিক্সেল সিএমওএস সেন্সর, ৯-পয়েন্ট অটোফোকাস সেন্সর ইত্যাদি ৬০০ডির মতোই। কিন্তু প্রতিটি ফিচারই পৃথকভাবে আরও সমৃদ্ধ করা হয়েছে। যা একজন পেশাদারের চোখে সহজেই পড়বে।

৬৫০ডি’র আইএসও রেঞ্জ বাড়িয়ে ২৫৬০০ পর্যন্ত করা হয়েছে, যেখানে ৬০০ডি’র ছিল ১২৮০০। তাই স্বাভাবিকভাবেই ৬৫০ডিতে আরও নিখুঁত ও নয়েজ বিহীন ছবি তোলা যাবে। ফোকাস বেশ দ্রুত ও ত্রুটিবিহীন। ভিডিও করার সুবিধার জন্য নতুন কিছু ফোকাসিং মোড যুক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া কম আলো ও প্রতিকূল পরিবেশে ছবি তোলার ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে ৫ এফপিএস বার্স্ট রেট। অন্যান্য নতুন ফিচারের মধ্যে আছে মাল্টি শট নয়েজ রিডাকশন, যার সাহায্যে চারটি ছবি একত্রিত করে একটি ছবি করা যাবে।

ছবির আউটপুট কোয়ালিটি বেশিরভাগ ফটোগ্রাফারকেই সন্তুষ্ট করবে। হোয়াইট ব্যালেন্স ও কালার প্রায় বাস্তবের মতো বলা যেতে পারে, অটো হোয়াইট ব্যালেন্স সিস্টেমও চমৎকারভাবে কালার পৃথক করতে পারে। শার্পনেস ও ডিটেইল ৬০০ডি’র মতোই। তবে র’ ফাইলের চেয়ে জেপিজি ফাইলে কনট্রাস্ট কিছুটা বেশি চোখে পড়তে পারে।

সব মিলিয়ে বলতে হবে, টাচস্ক্রিন, উচ্চ আইএসও রেঞ্জসহ নানা ছোটখাটো পরিবর্তন ৬০০ডি থেকে উন্নত করেছে ক্যামেরাটিকে। আর নতুনদের জন্য সহজ নির্দেশনার বিষয়টি মাথায় রেখে তৈরি করায় সহজেই তারা ডিএসএলআরের বিভিন্ন খুঁটিনাটি আয়ত্তে আনতে পারবেন। তাই যে কোনো পর্যায়ের ফটোগ্রাফারই নির্দ্বিধায় এটি কিনে ফেলতে পারেন।

দেশের বাজারে এর দাম ৫৬ হাজার টাকা।

এক নজরে ভালো

–     উন্নত টাচস্ক্রিন, নিখুঁত কালারিং

–     আরামদায়ক গ্রিপ

এক নজরে খারাপ

–     ছবির কোয়ালিটি আরও উন্নত হতে পারত

–     টাচস্ক্রিনে সব সুবিধা নেই

দাম বেশি হলেও কাজের প্রিন্টার ক্যাননের এলবিপি৬২০০ডি

শাহরিয়ার হৃদয়, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দাম কিছুটা বেশি হলেও কাজের দিক দিয়ে পুষিয়ে দেবে এমনই একটি সাদা-কালো প্রিন্টার ক্যাননের এলবিপি৬২০০ডি। অফিসের দৈনন্দিন কাজ বা বাসার টূকিটাকি ব্যবহারের জন্য এটি বেশ উপযোগী।

এইচপি বা স্যামসাংয়ের একই গোত্রের প্রিন্টারগুলোর চেয়ে এটি দেখতে বেশ আকর্ষণীয়। ওজন প্রায় সাত কেজি। এর সামনে দিকে ধুলো প্রতিরোধী একটি বিশেষ স্বচ্ছ কভার রয়েছে।

canon printer_techshohor

সামনের প্যানেলটিতে ২৫০টি এ৪ কাগজ রাখা যাবে। বেশি মোটা কাগজে প্রিন্ট করার জন্য ম্যানুয়াল ইনপুট ট্রে রয়েছে। টোনার দিয়ে একবারে ২১০০ কাগজ প্রিন্ট করা যাবে।

এটি অটোমেটিক ডুপ্লেক্স প্রিন্টিং সাপোর্ট করে অর্থাৎ একই সঙ্গে কাগজের দু’পাশে প্রিন্ট হবে। সাধারণভাবে প্রতি মিনিটে ২৫টি ও ডুপ্লেক্স প্রিন্টিংয়ে মিনিটে ১৫.৪টি কাগজ প্রিন্ট করতে পারে। ফলে গতির দিক দিয়ে এটি বেশ এগিয়ে আছে বলতে হবে।

আউটপুট কোয়ালিটি ক্যাননের বেশিরভাগ সাদাকালো লেজার প্রিন্টারের মতোই। ছাপা স্পষ্ট ও ঝকঝকে। তবে কখনও কখনও ঝাপসা আসতে পারে। গ্রাফ, চার্ট ধরনের গ্রাফিক্যাল প্রিন্ট করতে গেলে মাঝে মাঝেই অসুবিধা হতে পারে- চেক চেক দাগ বা প্যাটার্ন চলে আসতে পারে।

আলো-ছায়ার ব্যবধান বেশি নয়, এমন প্রিন্টের আউটপুটও পছন্দসই আসবে না। বান্ডেল সফটওয়্যারের সাহায্যে ড্রাইভার সেটিংসে পরিবর্তন এনে মান কিছুটা বাড়ানো যেতে পারে। তবে সব মিলিয়ে ছবির মান চলনসই বলতে হবে।

প্রিন্টারটির আরেক অসুবিধা হলো, স্মার্ট ডিভাইসগুলোর সঙ্গে কানেক্ট করার জন্য এতে ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই নেই। ফলে সরাসরি আপনার ফোন থেকে প্রিন্ট করতে পারবেন না। যদিও কাছাকাছি দামের মধ্যে এ ধরনের কানেক্টিভিটিসম্পন্ন প্রিন্টার রয়েছে।

দেশের বাজারে এর বর্তমান দাম ১১ হাজার টাকা।

এক নজরে ভালো
– দ্রুত গতির প্রিন্টিং
– দেখতে আকর্ষণীয়
এক নজরে খারাপ
– ওয়্যারলেস সুবিধা নেই
– আউটপুটের মান আশাব্যঞ্জক নয়

বাসায় ব্যবহার উপযোগী প্রিন্টার ক্যানন পিক্সমা এমজি৭১২০

শাহরিয়ার হৃদয়, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাসায় ব্যবহারের জন্য চমৎকার একটি মাল্টিফাংশন প্রিন্টার ক্যানন পিক্সমা এমজি৭১২০ বিকে ওয়্যারলেস। ভালো আউটপুট, দ্রুতগতির প্রিন্টিংসহ বেশ কিছু বেসিক সুবিধা এ ইঙ্কজেট প্রিন্টার থেকে পাওয়া যাবে।

মাল্টিফাংশন হওয়ায় এটি দিয়ে প্রিন্ট, কপি বা স্ক্যান করা যায়। প্রিন্ট প্রিভিউ দেখার জন্য রয়েছে ৩.৫ ইঞ্চির এলসিডি টাচস্ক্রিন। এর বিল্ট-ইন মেমোরি কার্ড রিডারে কার্ড ভরে সরাসরি স্ক্যান বা প্রিন্ট করার সুবিধাও রয়েছে।

গ্লসি ব্ল্যাক রঙের প্রিন্টারটি দেখতে একইসঙ্গে আকর্ষণীয় ও টেবিলে সহজে বসানোর যোগ্য। ওজন ১৮.১ পাউন্ড। ১২৫ শিটের মূল পেপার ট্রের পাশাপাশি রয়েছে ফটো ট্রে। কাগজের দু’পাশেই একসঙ্গে প্রিন্টের জন্য আছে অটোমেটিক ডুপ্লেক্সার। এর ভেতর ছয়টি ইঙ্কট্যাঙ্ক রয়েছে- পিগমেন্ট ব্ল্যাক, ইয়েলো, সায়ান, ডাই ব্ল্যাক ও গ্রে। এটি প্রতি মিনিটে ২.৫টি পেজ প্রিন্ট করতে সক্ষম।

canon pixma 7120

এয়ারপ্রিন্ট সাপোর্টেড হওয়ায় এতে সরাসরি অনলাইন থেকে ফটো কিংবা ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা যাবে। গুগলে ক্লাউড প্রিন্ট সুবিধার ফলে যে কোনো কম্পিউটার বা ফোন থেকে প্রিন্টারে ফাইল পাঠানো যাবে। এ ছাড়া সরাসরি যে কোনো স্মার্ট ডিভাইস থেকে প্রিন্ট করার সুবিধা তো আছেই। ক্লাউড সুবিধাকে পরিপূর্ণতা দিতে ইউএসবির পাশাপাশি রয়েছে ওয়াইফাই কানেক্টিভিটি।

সাধারণ ইঙ্কজেটের চেয়েও ভালো আউটপুট পাবেন প্রিন্টারটি থেকে- টেক্সট এবং ফটো উভয় ক্ষেত্রেই। কালার প্রিন্টিংয়ের ক্ষেত্রে রঙগুলো মোটামুটি নিখুঁত আসবে। তবে অত্যন্ত উচ্চমানের প্রিন্ট হলে কখনও কখনও বিচ্ছিন্ন লাইন দেখা যেতে পারে।

যদিও এর চেয়ে কিছুটা অ্যাডভান্সড এমএক্স৯২২ মডেলে আরও কিছু অতিরিক্ত ফিচার রয়েছে; কিন্তু বেশিরভাগ ইউজারই এ মডেলটি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে পারবেন। এর বর্তমান দাম ১৯৯ ডলার।

এক নজরে ভালো

 

–     চমৎকার আউটপুট কোয়ালিটি

–     আকার সুবিধাজনক

এক নজরে খারাপ

 

–     হোম ইউজের জন্য ভালো হলেও অফিসিয়াল কাজে উপযোগী নয়