আরডুইনো নিয়ে পরিপক্ক হচ্ছে শিক্ষার্থীরা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিভিন্ন স্কুল-কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বেসিক আরডুইনো কর্মশালা।

রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির রোবটিক্স ক্লাব কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

শিক্ষার্থীরা রোবটিক্স গবেষণার পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট সমস্যা সমাধানের জন্য ইলেক্ট্রনিক্সের বহুল পরিচিত কিট আরডুইনো ব্যবহার করে থাকে। বর্তমান সময়ে রোবটিক্স কিংবা প্রোগ্রামনির্ভর প্রজেক্ট তৈরির ক্ষেত্রে আরডুইনো ডেভেলপমেন্ট কিটটি ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

সারাদেশের ১৭ বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাত স্কুল-কলেজের মোট ৩৫ শিক্ষার্থী কর্মশালায় অংশ নেয়। উপস্থিত শিক্ষার্থীদের পাঁচটি গ্রুপে ভাগ করে কর্মশালা করানো হয়েছে।

RDOINO_WORKSHOP_TECHSHOHOR

কর্মশালায় আরডুইনো পিন কনফিগারেশন, মাইক্রোকন্ট্রোলার, লেড জ্বালানো নিয়ন্ত্রণ, ডিজিটাল পিনের ব্যাবহার, এনালগ পিনের ব্যাবহার, পালস উইথ মডুলেশন (পিডাবলুএম), টেম্পারেচার সেন্সর, সোলার সেন্সর, সারভো মোটর এবং সিরিয়াল কমিউনিকেশনের ব্যবহার শেখানো হয়।

প্রতিটি ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের কাছে লজিক এবং কোডগুলিও সঙ্গে সঙ্গে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির একাডেমিক সদস্যরা কর্মশালাটি পরিচালনা করেন।

কর্শালার অভিজ্ঞতা নিয়ে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী নাফিস ফারহান জানান, আরডুইনো ব্যবহারের সুবিধা হলো, এটি একবার প্রোগ্রাম করে দিলে নির্দিষ্ট কাজ নিজেই করতে পারে। যেখানে কম্পিউটার ব্যবহার করতে গেলে আমাকে আলাদা ড্রাইভার ইন্সটল করার ঝামেলায় যেতে হতো। নিজের হাতে এখানে এটার ব্যবহার শিখতে পাওয়া ছিল এক নতুন অভিজ্ঞতা।

রোবোটিক্সে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা যাতে ভালো করতে পারে সেজন্য এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির সহকারি অ্যাকাডেমিক কোঅর্ডিনেটর মো. জুনায়িদুল ইসলাম।

তিনি জানান, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি রোবটিক্সের আরও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এরকম কর্মশালার আয়োজন করবে। বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির রোবোটিক্স ক্লাব খুব শীঘ্রই নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শুরু করবে।

কর্মশালা শেষে সকল শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

ইমরান হোসেন মিলন

ন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং ক্যাম্পে সনদ পেল ৪২ শিক্ষার্থী

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : প্রথমবারের মতো আয়োজিত ন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং এর আবাসিক ক্যাম্পে ৪২ শিক্ষার্থীকে আয়োজন শেষে সনদ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের উপসচিব মাহবুবে পান্না ও বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেন।

উপ-সচিব মাহবুবে পান্না এই সময় শিক্ষার্থীদের এধরনের ক্যাম্প অব্যাহত রাখা হবে বলে আশ্বাস দেন।
NHSGPC-Techshohor

এর আগে সকালে অংশগ্রহণকারীরা দলীয়ভাবে ক্যাম্প মূল্যায়নে অংশ নেয়। ক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী বয়োকনিষ্ঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী রুবাইয়াত জালাল জানায়, এই ক্যাম্পের মাধ্যমে তার অনেক বিষয় খোলাসা হয়েছে যা তাকে আগামীদিনে আরও এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

ঢাকা সিটি কলেজের হাসনা হেনা এমন আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ক্যাম্পের সকল কিছু্ই তার পছন্দের ছিল।

ক্যাম্পের প্রশিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বি এম মইনুল হক, দ্বিমিক কম্পিউটার স্কুলের প্রধান নির্বাহী তাহমিদ রাফি, হ্যাকার রেংকের প্রবলেম কিউরেটর সাফায়েত আশরাফ, প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার প্রশিক্ষক ও প্রবলেম সেটার লাবীব রশীদ, ফাহিম ফেরদৌস, মনজুরুল হুদা প্রমূখ।

জাজিং প্লাটফর্ম কোডমার্শালের প্রধান নির্বাহী মাহমুদুর রহমান ক্যাম্প পরিচালনা করেন।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ২০১৭ সালে শুধুমাত্র মেয়েদের জন্য ন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করে গত ৯ মে। সেই আয়োজনে দেশের ৭৯টি প্রতিষ্ঠানের ১০২টি দল অংশ নেয় এবং ১৬টি দল বিজয়ী হয়। বিজয়ীদের নিয়ে ঢাকার লালমাটিয়াতে গত ১৭ মে থেকে এই আবাসিক ক্যাম্প শুরু হয়েছিল।

বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক এই আয়োজনে বাস্তবায়ন সহযোগী ও কোড মার্শাল জাজিং প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে।

ইমরান হোসেন মিলন

প্রোগ্রামিং জানলে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো খুঁজে নেবে : পলক

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : কম্পিউটার প্রোগ্রামিং জানলে বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে চাকরির অভাব হবে না। এমনকি এসব প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্বের স্বনামধন্য প্রযুক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতায় নামবে বলে বলেছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, ২০১২ সালে ইন্টারন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের বৃষ্টি শিকদার নামের স্কুল পড়ুয়া একটি কিশোরী মেয়েদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সে শুধুমাত্র নিজের প্রচেষ্টায় গুগলে সার্চ করে করে প্রোগ্রামিং শিখেছে এবং বিভিন্ন স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে থাকে।

গত দেড় দুই বছর আগে বৃষ্টি শিকদারের সঙ্গে পরিচয় জানিয়ে বলেন, তারপর আমি শুনলাম বিশ্বের যতো বড় বড় নামকরা ইউনিভার্সিটি আছে এমআইটি, হার্ভাড, স্ট্যামফোর্ড সবগুলো ইউনিভার্সিটি তাকে পাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে।

NGPC 2017_Final-Techshohor

তিনি বলেন,  শেষ পর্যন্ত সে গুগলে ইন্টার্নশিপ করছে, পাশাপাশি এমআইটিতে পড়াশোনা করছে। আমাদের মেধার কোনো ঘাটতি নেই। শুধু দরকার একটা প্লাটফর্ম, একটু সুযোগ করে দেওয়া।

এই সুযোগ তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ সবসময় দেবে বলেও জানান তিনি। আগামী পাঁচ বছরে বিশ্বে যে ২০ থেকে ৩০ লাখ প্রোগ্রামার লাগবে তার উল্লেখযোগ্য সংখ্যাক দেশ থেকে তৈরির কথাও বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ বলেন, বাংলাদেশে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রোগ্রামিংয়ের আন্তর্জাতিক নানা আয়োজনে আমাদের সফলতা রয়েছে। এর ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য বিশেষ করে মেয়েদের আরো এগিয়ে আসতে হবে যাতে করে বাংলাদেশের মেধাবী মেয়েরাও আন্তর্জাতিক ভাবে সফলতা দেখাতে পারে।

সারাদেশের ৭৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১১৭টি নির্বাচিত দল থেকে প্রতিযোগিতার শেষ পর্যন্ত অংশ নিয়েছে ১০২টি দল। সেখান থেকে ১৫টি দলের ৪৫ জনকে পুরষ্কৃত করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য আগামী ১৭ থেকে ২০ মে ঢাকায় আবাসিক ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে।

যারা হলেন বিজয়ী

চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় সাতটি সমস্যার মধ্যে ছয়টির সমাধান করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ‘চুয়েট ডায়মন্ড অ্যান্ড রাস্ট’ দল।

ছয়টির  সমাধান করে প্রথম রানার আপ হয়েছে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ‘এনএসইউ লা লা ল্যান্ড’। পাঁচটির সমাধান করে দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছে ‘চুয়েট গার্লস আর পার্লস’।

বিজয়ী দলকে ৫০ হাজার টাকা, প্রথম রানার আপ ৩০ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় রানার আপ ২০ হাজার টাকা আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হয়।

NGPC-Techshohor

এছাড়াও সেরা ১০টি দলকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়। বিশেষ পুরস্কার পেয়েছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ‘ব্র্যাকু_টিএসপি’, রাজশাহী ইউনিভার্সিটি স্কুলের ‘আরইউ স্কুল পোলারাইস’ এবং ঢাকা সিটি কলেজের ‌‘ডিসিসি ফ্লেমিং গার্লস’।

সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত প্রতিযোগিতার সহযোগী আয়োজক ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সৈয়দ আখতার হোসেন, জীন বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের উপসচিব মাহবুবা পান্না, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের (বিডিওএসএন) সহ-সভাপতি লাফিফা জামাল, সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসানসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন ড্যাফোডিল আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ এম ইসলাম।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের আয়োজনে বাস্তবায়ন সহযোগী বিডিওএসএন ও জাজিং প্লাটফর্ম ছিল কোড মার্শাল এবং সহযোগী আয়োজক ছিল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

ইমরান হোসেন মিলন

দেশে আসছে সুপার কম্পিউটার : পলক

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশে জটিল সব ডেটা অ্যানালিসিসের জন্য উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন সুপার কম্পিউটার আনা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, পাটের জিনতত্ত্ব দিয়ে খ্যাতি পাওয়া বিজ্ঞানী মরহুম মাকসুদুল আলমকে ডেটা অ্যানালিসিসের জন্য মালোয়েশিয়া যেতে হয়েছিল শুধু সুপার কম্পিউটার ছিলো না বলে। ভবিষ্যতে দেশের কাউকে যাতে আর অন্য দেশে না যেতে হয় তাই দেশেই সুপার কম্পিউটার কেনার কথা ভাবা হচ্ছে এবং অল্প দিনেই তা কেনা হবে।

পলক বলেন, মাকসুদুল আলমের পরেও বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিসের ডেটা অ্যানালিসিস করতে হয়। তখন আমি বললাম হাওরে যে বন্যা আসলো, এর কোনো পূর্বাাভাসই কি আমরা পেতাম না, কোনো কি গবেষণা করা যেতো না এমন কোনো আশঙ্কা আছে কিনা? বা আমরা একটু প্রস্তুতি নিলে আমাদের ক্ষতির পরিমাণ আরও কম হতো?

palak-ngpc-techshohor

তিনি বলেন, কয়েকজন দেশি ও বিদেশী বিশেষজ্ঞ বললেন এটা সম্ভব ছিলো যদি আগে থেকেই ওয়েদারের ডেটাগুলো অ্যানালিসিস করতে পারতাম, তাহলে একটা আগাম সতর্কতা পেতে পারতাম। আর এর জন্য দরকার সুপার কম্পিউটার।

তিনি বলেন, দেশে এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানের সুপার কম্পিউটার নাই। আজকে সকালেই তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এখন প্রধানমন্ত্রী এবং তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে দু-এক দিনের মধ্যে পরামর্শ করে খুব শিগগিরই উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সুপার কম্পিউটার কেনা হবে।

কেনার পর এই কম্পিউটার দিয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিসহ বিভিন্ন গবেষণার ডেটা অ্যানালিসিস করা হবে। এটি কালিয়াকৈয় হাইটেক পার্কে স্থাপন করা হবে এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রয়োজন অনুযায়ী টার্মিনাল করা হবে।
দেশের প্রোগ্রামাররা চাইলে এটি ব্যবহারের সুবিধা পাবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার রাজধানীর সোবহানবাগের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এসময় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার বাস্তবায়ন সহযোগী বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদন মুনির হাসান, সহ-সভাপতি লাফিফা জামাল, বুয়েটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

ইমরান হোসেন মিলন

খটখট আওয়াজে প্রোগ্রামিংয়ে ব্যস্ত মেয়েরা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : পুরো ল্যাব জুড়ে কম্পিউটার কি-বোর্ডের খটখট আওয়াজ। একটা রিদম। মন বুঁদ করে চোখ কম্পিউটারের পর্দার দিকে। মাঝে মাঝে মাথা তুলে সমস্যা নিয়ে কথা বলছে পরিচালকদের সঙ্গে।

দৃশ্যটি আসলে মেয়েদের নিয়ে জাতীয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের আসরের। রাজধানীর সোবহানবাগের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে মেয়েদের এই  প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আসর বসেছে মঙ্গলবার সকাল থেকে।

সকালে মেয়েরা এসে নিবন্ধনের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। যদিও আগেই প্রাথমিক বাছাই থেকে চূড়ান্ত পর্বের জন্য ১১৭টি দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

NGPC_FINAL_TECHSHOHOR

সারা দেশ থেকে আসা এসব ক্ষুদে মেয়ে প্রোগ্রামাররা লড়ছে বেশকিছু সমস্যা সমাধানের জন্য। যে যতো সমস্যা সমাধান করবে সে দলের মাথায় মুকুট যাবে।

প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণা করা হবে বেলা তিনটায়। তখন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রধান অতিথি থেকে জাতীয় গার্লস প্রোগ্রামিং বিজয়ীদের পুরস্কার তুলে দেবেন।

দেশের মেয়েদের মধ্যে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি তৈরি করতে এবং তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ২০১৫ সাল থেকে সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে ন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা বা এনজিপিসি শুরু হয়।

NGPC-Techshohor

শুরু থেকেই আয়োজনটির বাস্তবায়ন সহযোগী হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক।

বিডিওএসএন সূত্রে জানা যায়, মোট ৭৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১১৭টি দল এবার প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। এর আগে গত ৭ মার্চ অনুষ্ঠিত অনলাইন প্রতিযোগিতার ৩৬৩টি দলের মধ্যে থেকে এদের নির্বাচন করা হয়।

প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের জাজিং প্ল্যাটফর্ম সহযোগী রয়েছে কোড মার্শাল।

ইমরান হোসেন মিলন

ন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিংয়ের চূড়ান্ত পর্ব মঙ্গলবার

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে আগামী মঙ্গলবার।

রাজধানীর সোবহানবাগের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসবে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার এই আসর।

দেশের মেয়েদের মধ্যে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি তৈরি করতে এবং তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ২০১৫ সাল থেকে সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে ন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা বা এনজিপিসি শুরু হয়। শুরু থেকেই আয়োজনটির বাস্তবায়ন সহযোগী হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ ওপেন সোর্সো নেটওয়ার্ক।

NGPC

বিডিওএসএন সূত্রে জানা যায়, মোট ৭৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১১৫টি দল অংশ নিচ্ছে। এর আগে গত ৭ মার্চ অনুষ্ঠিত অনলাইন প্রতিযোগিতার ৩৬৩টি দলের মধ্যে থেকে ১১৫টি দলকে নির্বাচিত করা হয়।

প্রতিযোগী দলগুলোর তালিকা এই ওয়েবসাইট থেকে দেখা যাবে।

মঙ্গলবার সকাল ৯টার মধ্যে অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিত থাকার জন্য বিডিওএসএন অনুরোধ জানিয়েছে।

ওই দিন দুপুর পর্যন্ত প্রতিযোগিতার পর বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।

পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের জাজিং প্ল্যাটফর্ম সহযোগী রয়েছে কোড মার্শাল।

ইমরান হোসেন মিলন

রুবি ডেভেলপার তৈরির লক্ষ্যে কনফারেন্স

টেক শহর কনেটন্ট কাউন্সিলর : রুবি ডেভেলপার কমিউনিটির সবচেয়ে বড় কনফারেন্স ‘রুবিকন্‌ফ বাংলাদেশ ২০১৭’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার রাজধানীর ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন মিলনায়তনে দেড় শতাধিক রুবি ডেভেলপার কনফারেন্সে অংশ নেন। দিনব্যাপী কনফারেন্সে দশটি টেক সেশন পরিচালনা করেন রুবি বিশেষজ্ঞরা।

কনফারেন্সটি আয়োজন করেছে রুবিবিডি এবং সহযোগিতা করেছে  বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক বা বিডিওএসএন।

rubyconf-bangladesh-2017-Techshohor

অনুষ্ঠানে রুবির বিভিন্ন ফ্রেমওয়ার্ক, বিশেষ করে রুবি অন রেইলসের বিভিন্ন সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

রুবি অন রেইলস্ একটি তুলনামূলকভাবে নতুন ফুল স্ট্যাক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক যেটা দিয়ে দ্রুততম উপায়ে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন লঞ্চ করা যায়।

বহির্বিশ্বে এই ফ্রেমওয়ার্কটি স্বল্পতম সময়ে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। যেখানে এয়ারবিএনবি ডটকম, স্লাইড শেয়ার, গিটহাবের মতো জনপ্রিয় সফটওয়্যার প্রডাক্ট এই ফ্রেমওয়ার্কে তৈরি করা।

দেশে খুব বেশি ওয়েবসাইট রেইলসে্‌ না পাওয়া গেলেও বিয়েটা ডটকম, ইশকুল ডটকম এদের মধ্যে অন্যতম।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, রুবি বাংলাদেশে ক্রমশ জনপ্রিয় হচ্ছে।

আয়োজকরা জানান, কনফারেন্সের মূল লক্ষ্য ছিল রুবি কমিউনিটির ভেতর যোগাযোগ বাড়ানো এবং নতুন প্রোগ্রামারদের উৎসাহিত করা। ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর পরিসরে এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে আয়োজক রুবিবিডি।

কনফারেন্সে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে ন্যাসেনিয়া এবং বিডিরেনে।

ইমরান হোসেন মিলন

দেশে বছরব্যাপী গার্লস ইন আইসিটির কার্যক্রম শুরু

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশে বছরব্যাপী গার্লস ইন আইসিটি’র কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে দিনাজপুরে একটি সেমিনার করেছে আয়োজকরা।

তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা ও পেশায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) তাদের সদস্য দেশগুলোতে আয়োজন করে থাকে ‘গার্লস ইন আইসিটি ডে’।

প্রতিবছর এপ্রির মাসের চতুর্থ বৃহস্পতিবার এ দিন পালিত হয়। তবে দেশে এর ব্যপ্তি ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এবছর এ কার্যক্রম মাসজুড়ে আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল।

Girls-in ICT-Techshohor

গত ২০ এপ্রিল দিনাজপুর সরকারি মহিলা কলেজে অনুষ্ঠিত সেমিনারের মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু হয়েছে।

আয়োজনের অংশীদার সংগঠন আইটি সলিউশন দিনাজপুরের ব্যবস্থাপনায় এ আয়োজনে কলেজের শিক্ষক মনোরঞ্জন, জাকির হোসেন আইটি সলিউশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভিন।

এসময় সেমিনারে আয়োজনের উদ্দেশ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তিতে মেয়েদের অংশগ্রহণের সুযোগ সম্পর্কে বক্তারা আলোচনা করেন।

বিডিওএসএনের প্রোগ্রাম অফিসার শারমীন কবীর জানান, এ বছর ঢাকার বাইরে দিনাজপুর, রংপুর, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে এ আয়োজনকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, এবারের আয়োজন রয়েছে তথ্যপ্রযুক্তিতে মেয়েদের অংশগ্রহণের সুযোগ ও উপায় নিয়ে ক্যারিয়ার টক, প্রযুক্তিতে অধিক সংখ্যক মেয়েদের আকৃষ্ট করার উপায় অন্বেষন শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক,  তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, কুইজ ও প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা।

এছাড়া এবারের আয়োজনে কয়েকজন যোগ্য নারীকে ইন্টার্নশিপের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে শারমীন কবীর জনান।

উল্লেখ্য এ আয়োজনে সহ আয়োজক হিসাবে রয়েছে বাংলাদেশ উইম্যান ইন আইটি। আর পৃষ্ঠপোষকতা করছে জেনেক্স, জুমশেপার, বাইনারি ইমেজ ও চাকরি ডটকম।

আয়োজনের বিস্তারিত পাওয়া যাবে এই ঠিকানায়। এছাড়াও নিজেদের ক্যাম্পাসে কোনো আয়োজন করতে চাইলে girlsinict@bdosn.org এ ঠিকানায় সহায়তা পাওয়া যাবে।

ইমরান হোসেন মিলন

উদ্যোক্তাদের বৈশাখী হাট শুরু

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : উদ্যোক্তা তৈরির প্লাটফর্ম ‘চাকরি খুঁজব না, চাকরি দেব’ ফেইসবুক গ্রুপ এবং বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের (বিডিওএসএন) উদ্যোগে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বৈশাখী উদ্যোক্তা হাট।

প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে উদ্যোক্তা হয়ে ওঠা বেশকিছু প্রতিষ্ঠান এবারের বৈশাখী মেলায় অংশ নিয়েছে। অংশ নিয়েছে বেশ কয়েকটি সুপ্রতিষ্ঠিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান।

শনিবার সকালে পান্থপথের সামারাই কনভেনশন সেন্টারে (বসুন্ধরা সিটির উল্টা দিকে) মেলাটির উদ্বোধন করেন ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান সবুর খান।

Uddokta-hat-techshohor

এসময় বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান, উদ্যোক্তা হাট আয়োজক ও অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সকালে উদ্যোক্তা হাটে গিয়ে দেখা যায়, তরুণ উদ্যোক্তারা তাদের পণ্য সাজানোয় ব্যস্ত। ক্রেতারাও আসতে শুরু করেছে হাটে।

কনভেনশন সেন্টারের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় বসা এই হাটে অংশ নিয়েছে বুটিক, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, তৈরি পোশাক, বাড়িতে বানানো খাবার, খেলনা, ইন্টেরিয়র, গৃহস্থালির গ্রামগ্রী, তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, ফটোগ্রাফি এবং বই এর মতো পণ্য।

মেলায় অংশ নেওয়া তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান থিম এক্সপার্টের প্রধান আইডিয়াবাজ পারভেজ আক্তার বলেন, তিন দিনের এই হাটে তারা নতুন একটি সেবার সঙ্গে দর্শনার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেবেন। সেই সঙ্গে তােদর আশা এখান থেকে তারা ভালো কাজও পাবেন।

চাকরি খুঁজব না চাকরি দেব গ্রুপের সমন্বয়কারী প্রমি নাহিদ বলেন, তাদের গ্রুপে এখন পাঁচ শাতধিক উদ্যোক্তা রয়েছেন। যারা একেবারেই ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা। তারা বড় কোনো প্রদর্শনীতের নিজেরে উদ্যোগ তুলে ধরতে পারেন না। যে কারণে প্রতিবছর এমন ছোট পরিসরে হলেও তাদের উদ্যোগ তুলে ধরার সুযোগ করে দেওয়া হয়্

তিনি বলেন, চতুর্থবারের মতো এবারের আয়োজনে লটারির মাধ্যমে ৫০টি উদ্যোগ নিয়ে বৈশাখী হাট বসেছে। যারা নিজেদের কিছু পণ্য প্রদর্শন করছে।

থিম এক্সপার্ট মেইলস্কাউট নামের একটি সেবা নিয়ে অংশ নিচ্ছে। রয়েছে বৈশাখী হাটের সিলভার স্পন্সর হিসেবে।

বৈশাখী উদ্যোক্তা হাট সোমবার পর্যন্ত চরবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত খোলা থাকবে এই হাট।

এবারের আয়োজনের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে রয়েছে আজকের ডিল। এছাড়াও  সিলভার স্পন্সর বিডি ভেঞ্চার লিমিটেড, মেইল স্কাউট এবং ডপ্টর।

ইমরান হোসেন মিলন

শুক্রবার হাইস্কুল প্রোগ্রামিংয়ের জাতীয় পর্ব

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা ২০১৭ আসরের চূড়ান্ত বা জাতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল শুক্রবার।

আঞ্চলিক পর্বের প্রতিযোগতা শেষে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে ১২০০ শিক্ষার্থী।

শুক্রবার সকালে মোট তিনটি ভেনুতে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় পর্বের আয়োজন। এর মধ্যে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে উদ্বোধন, কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউট ও ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

National-Programming-Contes

সকাল ৯.৩০ থেকে ১২.৩০ পর্যন্ত প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও সকাল সাড়ে দশটা থেকে পৌনে ১১টা পর্যন্ত কুইজ প্রতিযোগিতা হবে।

কয়েকটি পর্বের আয়োজন শেষে বিকেল চারটায় হবে তৃতীয় এই আয়োজনের সমাপণী অনুষ্ঠান। প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার এই জাতীয় পর্বের সমাপণীতে প্রধান অতিথি থাকবেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযিুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ কায়কোবাদ, বিডিওএসএন এর সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসানসহ আরও অনেকেই উপস্থিত থাকবেন।

দেশের হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কম্পিউটার প্রোগ্রামিংকে জনপ্রিয় ও তাদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ তৃতীয়বারের মতো জাতীয় হাইস্কুল আইসিটি কুইজ ও প্রোগ্রমিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

১৬টি আঞ্চলিক ও তিনটি উপজেলা পর্যায়ের ২০ হাজার প্রতিযোগীর মধ্যে থেকে বিজয়ীরা ঢাকায় জাতীয় পর্বে অংশ নেবে। এর পর ধারাবাহিক নির্বাচনের মাধ্যমে ইরানের তেহরানে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াডের জন্য বাংলাদেশের সদস্যদের নির্বাচন করা হবে।

বিডিওএসএন প্রতিযোগিতার বাস্তবায়ন সহযোগী এবং কোড মার্শাল জাজিং প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগ স্থানীয় আয়োজক হিসেবে সম্পৃক্ত রয়েছে।

ইমরান হোসেন মিলন

উপজেলাতেও সফল হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিভাগ ও জেলার গণ্ডি পেরিয়ে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা এবার উপজেলা পর্যায়েও ছড়িয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে সফলভাবে দুটি উপজেলার প্রতিযোগিতা শেষও হয়েছে।

মঙ্গলবার চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও বুধবার নীলফামারি সৈয়দপুর উপজেলায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে উপজেলা পর্যায়ের দুটি প্রতিযোগিতা।

বাকি একটি উপজেলা নাটোরের সিংড়াতে আগামীকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে এবারের উপজেলা পর্যায়ের শেষ প্রতিযোগিতা।

Saidpur-Upajila-Techshohor

এবার এই আয়োজনের মাধ্যমে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি উপজেলাতেও পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানান আয়োজন সহযোগী বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন)।

সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা আগামীতে আরও বেশি সংখ্যক উপজেলায় আয়োজন করা হবে বলে জানায় আয়োজকরা।

এবার উপজেলা প্রশাসন স্থানীয় আয়োজকের দায়িত্ব পালন করেছে। একই সঙ্গে বুধবার মার্চ সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুমিল্লায় বাংলাদেশ আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে যথাক্রমে সিলেট ও কুমিল্লা অঞ্চলের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই চার পর্বের প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী ও সমাপনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, আনোয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, নির্বাহী কর্মকর্তা গৌতম বাড়ৈ, শাবিপ্রবির উপাচার্য প্রফেসর মো. আমিনুল হক ভূঁইয়া, ডিন প্রফেসর মো. শহীদুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ইলিয়াস উদ্দীন বিশ্বাস, বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মো. সেলিম রেজা, প্রফেসর মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, কুমিল্লা সেনানিবাসের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. রাশেদ আমিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইলিয়াস ইফতেখার রসুল, বিডিওএসএনের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান, সৈয়দপুর ক্যান্টন্টমেন্ট পাবলিক স্কুলের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ বি এম শেফাউল কবীর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু ছালেহ মো. মুসা প্রমূখ।

এই প্রতিযোগিতায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে যাদের মধ্যে থেকে ২২০ জনকে জাতীয় পর্যায়ের জন্য বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

দেশের হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কম্পিউটার প্রোগ্রামিংকে জনপ্রিয় ও তাদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ তৃতীয়বারের মতো জাতীয় হাইস্কুল আইসিটি কুইজ ও প্রোগ্রমিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

১৬টি আঞ্চলিক ও তিনটি উপজেলা পর্যায়ের বিজয়ীরা ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেবে। এর পর ধারাবাহিক নির্বাচনের মাধ্যমে ইরানের তেহরানে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াডের জন্য বাংলাদেশের সদস্যদের নির্বাচন করা হবে।

বিডিওএসএন প্রতিযোগিতার বাস্তবায়ন সহযোগী এবং কোড মার্শাল জাজিং প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগ স্থানীয় আয়োজক হিসেবে সম্পৃক্ত রয়েছে।

প্রতিযোগিতার সমূয়সূচী এই ওয়েবসাইট ও ইভেন্টের খবর পাওয়া যাবে ফেইসবুক পেইজে

ইমরান হোসেন মিলন