ঈদ বিনোদন হাতে হাতে, অনলাইনে

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ঈদ বিনোদন এখন শুধু বেড়াতে যাওয়া বা ঘরের চার কোনা বাক্সটির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। উৎসবের রঙ ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইনেও। হাতের স্মার্টফোন বিনোদনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

দেশে অনলাইনকেন্দ্রিক বিনোদন বাড়ছে বেশ কয়েক বছর ধরে। বিশেষ করে গত কয়েক ঈদে তা জনপ্রিয়তাও পেয়েছে বেশ। এবারও এর ব্যতিক্রম নয়, বরং বেড়েছে কলেবরও।

অনেককে ঢাকা ছাড়ার আগে স্মার্টফোনে সিনেমা ও গান ডাউনলোড করে নিতে দেখা গেছে। গলির দোকানগুলোতে এ জন্য ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন কর্মীরা।

ইউটিউবে নতুন নাটক বা সিনেমা মুক্তির পাশাপাশি মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোও তাদের গ্রাহকদের জন্য নতুন কিছু নিয়ে হাজির হয়েছে। তাদের নেটওয়ার্কে বিনোদনের পসরা সাজিয়েছে।

online-youtube-natok-techshohor

বাংলালিংক যেমন ১২টি গানের নতুন সিরিজ নিয়ে এসেছে। গত বছর অপারেটরটি দেশে প্রথমবারের মতো মোবাইল প্লাটফর্মে মুক্তি দিয়েছিল একটি সিরিয়ালের।

গ্রামীণফোনও নতুন গান দিয়ে সাজিয়েছে তাদের বিনোদন। জিপি মিউজিকে সঙ্গীতপ্রেমীদের জন্য থাকছে সেসব গান।

এবার সাত পর্বের দুটি ‘ওয়েব সিরিজ’ প্রচারিত হবে ইউটিউব চ্যানেল ‘সিএনজিতে’।

আমি ক্রিকেটার হতে চাই – নামের সিরিজটি নির্মাণ করেছেন মাবরুর রশীদ। এতে অভিনয় করেছেন আফরান নিশো, ঈশিকা খান ও বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক খেলোয়াড় মেহরাব হোসেন অপি।

নাটকটি মুক্তি পাবে ঈদের সাত দিন সন্ধ্যা ৭টায়। এতে এক ক্রিকেটপাগল মেয়েকে মুগ্ধ করতে এক ছেলের ক্রিকেটার হওয়ার গল্পই তুলে ধরেছেন পরিচালক।

একই চ্যানেলে ঈদের সাত দিন রাত নয়টায় মুক্তি পাবে অ্যাডমিশন টেস্ট নামে আরেকটি ওয়েব সিরিজ, যেখানে অভিনয় করেছেন টয়া, জোভান, তামিম মৃধা ও জাকি।

এদিকে বাংলা ঢোলের উদ্যোগে সাকিব রায়হানের রচনা ও পরিচালনায় ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম বাংলাফ্লিক্সে প্রচারিত হবে বিশেষ নাটক উপহার। এটি মুক্তি পাবে চাঁদরাতে।

ঈদের দিন সিডি চয়েজের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাবে ঝড়ের পরে নামে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। নতুন গানের মিউজিক ভিডিও নিশ্চয়ই থাকবে ইউটিউবে।

আবার টেলিভিশনের খবর ও বিজ্ঞাপনের ঝামেলা এড়িয়ে যারা নাটক দেখতে চান, তারা যেতে পারেন টেলিভিশনগুলোর ইউটিউব চ্যানেলে।

ডেটা ভয়েসে অপারেটরদের ঈদ বোনাস

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ঈদকে আনন্দময় করতে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো ঈদ বোনাস হিসেবে নানা অফার ও ছাড় দিতে শুরু করেছে।

গ্রাহক বিচারে সবচেয়ে বড় অপারেটর গ্রামীণফোন যে কোনো ডেটা প্যাকের সঙ্গে ২০ শতাংশ বোনাস দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

গত কয়েক দিন ধরে নিজেদের ওয়েবসাইট ও অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজে প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি গ্রাহকদেরকে এসএমএস দিয়ে এ বোনাসের বিষয়ে জানাচ্ছে।

gp-eid-bonus-techshohor

প্রায় তিন কোটি ইন্টারনেট গ্রাহকের অপারেটর গ্রামীণফোন এ অফার কতদিন বহাল থাকবে সে বিষয়ে অবশ্য স্পষ্ট করে বলেনি।

ঈদকে সামনে রেখে বাংলালিংক প্রিপেইড গ্রাহকদের জন্য ৩৯ টাকা রিচার্জে যে কোনো বাংলালিংক নম্বারে আধা পয়সা প্রতি সেকেন্ড ও অন্য অপারেটরে এক পয়সা প্রতি সেকেন্ড সারাদিনের অফার নিয়ে এসেছে।

রবি তাদের ডেটা অফারের সঙ্গে ইনস্ট্রাগ্রাম ফ্রি করে দিয়েছে। একই সঙ্গে ডেটার দামও কমিয়েছে তারা।

আগে যেখানে তারা এক জিবি ডেটা এক সপ্তাহের জন্য বিক্রি করতো ৮৯ টাকায় এখন দেড় জিবি দিচ্ছে ১০১ টাকায়। সেই সঙ্গে ইনস্ট্রাগ্রাম ফ্রি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে অপারেটরটি।

robi-eid-bonus-techshohor

এ ছাড়া গ্রামীনফোন ঈদের কেনাকাটায় সুবিধা দিতে বেশ কিছুদিন থেকে বিভিন্ন পণ্য ও আউটলেটে ১০ থেকে ২০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে। স্টার গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ছাড়ের অফার রয়েছে।

এদিকে ঈদের বিনোদনের দিকেও নজর রেখেছে অপারেটরগুলো। এক দিকে নিজেদের প্লাটফর্মে বিনোদনের কনটেন্ট বাড়ানোর সঙ্গে বিভিন্ন টেলিভিশনে ঈদের সময় নানা নাটক ও সিরিয়ালের আয়োজনও করেছে তারা।

গ্রাহকদের মধ্যে নিজেদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে অপারেটরগুলো এমন উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডিভাইস বেচতে শুরু করল বাংলালিংক

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : মোবাইল হ্যান্ডসেটসহ বিভিন্ন ডিভাইস বেচতে শুরু করেছে বাংলালিংক।  অপারেটরটি নিজেদের ই-শপে এসব স্মার্টফোন ও ইলেক্ট্রনিক্স গ্যাজেট বিক্রি করছে।

এর আগে ২০১৬ সালের আগস্টের দিকে সিম বেচতে এ ই-কমার্স প্লাটফর্ম চালু করে তারা।  অপারেটরটি তখন দেশে প্রথমবারের মতো ঘরে বসে সিম কেনার সুবিধা দিতে শুরু করে।

সেই সময় গ্রামীণফোন গেজেট বিষয়ক ‘জিপি শপ’ নামে একটি ই-কমার্স সাইট চালু করেছিল।

বাংলালিংক এখনও সেভাবে তাদের ই-শপটির কোনো নাম দেয়নি বা এটির প্রচার কার্যক্রমও শুরু করেনি। তবে তাদের শপে থাকা পণ্যসমূহ ইতোমধ্যে বিক্রি হতে শুরু করেছে।

বাংলালিংক হতে অর্ডারের পন্য নিয়ে গ্রাহকদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন কয়েকটি কুরিয়ার সার্ভিস কোম্পানি।

বাংলালিংকের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিরাপদ সেবা, অসংখ্য ব্র্র্যান্ড ও মডেলের ডিভাইস, আকর্ষণীয় অফার ও সুবিধাজনক মূল্য পরিশোধ সুবিধা মিলবে এই ই-কমার্স সাইটে। আর এ বিষয়ে খুব তাড়াতাড়িই তারা প্রচরণাও শুরু করবেন বলে জানান তিনি।

এই শপ থেকে ক্রেতারা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়ারেন্টিসহ নতুন মডেলের স্মার্টফোন ও অন্যান্য গ্যাজেট কিনতে পারবেন।

জিপিতেও অনলাইনে মিলছে সিম

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : জিপি শপের পরিধি আরেকটু বাড়িয়ে গ্রামীণফোনও অনলাইনে সিম বিক্রি শুরু করেছে। তবে এ পদ্ধতিতে এখন তারা শুধু রাজধানীতেই সিম বিক্রি করবে।

এর আগে বাংলালিংক গত বছর প্রথম অনলাইনে সিম বিক্রি শুরু করে। তখন গ্রামীণফোন তাদের অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে হ্যান্ডসেট ও অন্যান্য অ্যাক্সেসরিজ বিক্রি করলেও অনলাইনে সিম বিক্রি শুরু করেনি।

gp sim-techshohor

গ্রাহক বিচারে বর্তমানে দেশের বৃহত্তম অপারেটরটি তাদের ওয়েবসাইট ও ফেইসবুক পেইজে ঘোষণা দিয়ে এ বিষয়ক প্রচারণা শুরু করেছে।

আপাতত শুধু প্রিপেইডের নিশ্চিন্ত প্যাকেজের সিম এ পদ্ধতিতে বিক্রি করা হবে। প্রতিটি সিমের মূল্য ধরা হয়েছে ১১০ টাকা। আর ডেলিভারি চার্জ হিসেবে দিতে হবে আরও ৮০ টাকা।

তবে এখান থেকে ইচ্ছে মতো নম্বর পাওয়ার সুযোগ কম বলে গ্রামীণফোন তাদের ফেইসবুক পেইজে জানিয়েছ্

বর্তমানে গ্রামীণফোনের কার্যকর সংযোগের সংখ্যা ছয় কোটি পেরিয়ে গেছে।

সময় মাপা ডেটা অফার দিচ্ছে বাংলালিংক

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গ্রাহক আকর্ষণে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর প্যাকেজের শেষ নেই। ভয়েসের চেয়ে এখন তাদের বেশি নজর ডেটা বিক্রিতে। এতদিন পর্যান্ত ভলিউমভিত্তিক ইন্টারনেটের নানা অফার দিয়ে প্যাকেজ সাজালেও এবার বাংলালিংক নিয়ে এসেছে সময় মাপা অফার।

তাদের নতুন অফারে থাকছে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ ১৯ টাকায় চার ঘণ্টা ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ। বিজ্ঞাপনে আনলিমিটেড বলা হলেও একটু চাতুরি রয়েছে এ অফারে।

আসলে এ চার ঘণ্টায় এক এমবিপিএস গতিতে তারা সর্বোচ্চ এক জিবি ডেটা ব্যবহার করতে দেবে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এক জিবি পার হয়ে গেলে এরপর গতি কমিয়ে ১২৮ কেবিপিএস করে দেওয়া হবে। এ জন্য বাড়তি বিলও গুণতে হবে গ্রাহককে।

Banglalink-Techshohor

বর্তমানে বড় তিন অপারেটরের মধ্যে বাংলালিংকের ডেটার গ্রাহক সবচেয়ে কম। সে কারণে ডেটা থেকে তাদের আয়ও অনেক কম।

অপারেটরটি ডেটা থেকে তাদের আয় বাড়াতেই নতুন অফার নিয়ে আসছে। আর এর অংশ হিসেবেই তারা এমন আরও কিছু অফার নিয়ে আসছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি এ বিষয়ে নিজেদের ফেইসবুক পেইজে প্রচারণা শুরু করেছে গ্রাহক বিবেচনায় দেশের তিন নম্বর অপারেটর বাংলালিংক।

ফেইসবুক পেইজে অবশ্য গ্রাহকরা এ বিষয়ে ভালো-মন্দ উভয় ধরণের মন্তব্যই করেছেন। অনেকে যেমন অফারটি সম্পর্কে আরও খোঁজ নিয়েছেন বা ডেটা ব্যবহারের সীমা না রাখতে বলেছেন। কেউ কেউ আবার বাংলাংলিংকের ইন্টারনেট সেবা সংক্রান্ত নানা অভিযোগও করেছেন।

বাংলালিংকের গ্রাহকরা স্বংয়ক্রিয়ভাবে *৫০০০*৭৭৩# ডায়াল করে সেবাটি নিতে পারবেন।

অফারটি কতদিন কার্যকর থাকবে সে বিষয়ে গ্রাহকের প্রশ্নের পরেও নিশ্চিত করে উত্তর দিতে পারেনি বাংলালিংকের ফেইসবুক অ্যাডমিন।

কম দামে বেশি স্পেকট্রাম চায় অপারেটরগুলো

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ফোরজি সেবায় বেশি দামে কম স্পেকট্রামের পরিবর্তে তুলনামূলক কম দামে পুরো স্টেকট্রাম কিনতে চায় মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো।

প্রতি মেগাহার্ডজ স্পেকট্রামের মূল্য দুই কোটি ডলারের নিচে নামিয়ে আনতে সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে দেশের বড় তিন অপারেটরের মূল কোম্পানি।

গ্রামীণফোনের মূল কোম্পানি টেলিনর, রবির মূল কোম্পানি আজিয়াটা ও বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিয়েনের পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়েছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে গত ২৯ মে পাঠানো যৌথ এ চিঠিতে তিন কোম্পানির তিন শীর্ষ কর্মকর্তা সই করেছেন।

GP-banglalink-robi-4G-techshohor

তারা বলছেন, ২০১৩ সালে দেশে থ্রিজি চালুর আগে সরকারের হাতে থাকা স্পেকট্রামের মাত্র কিছু অংশ বিক্রি হয়েছিল। উচ্চ মূল্যের কারণেই অপারেটরগুলো অল্প স্পেকট্রাম কিনে থ্রিজি সেবা চালু করতে বাধ্য হয়।

এখন থ্রিজি ব্যান্ডে অনেক অবিক্রিত স্পেকট্রাম রয়ে গেছে। সরকার তখন নিলামে এই স্পেকট্রামের ভিত্তিমূল্য ধরেছিল প্রতি মেগাহার্ডজ দুই কোটি ডলার। নিলামে তা দুই কোটি ১০ লাখ ডলারে বিক্রি হয়।

দেশে ফোর জি সেবা চালু করতে এখন কয়েকটি ব্যান্ডের স্পেকট্রাম বিক্রি করতে চায় বিটিআরসি। নিরামে এগুলোর কোনোটির ভিত্তিমূল্য তিন কোটি থেকে সাড়ে তিন কোটি ডলার পর্যন্ত ধরা হচ্ছে।

এত দাম না বাড়িয়ে অপারেটরগুলো বরং সরকারকে ভিন্নভাবে চিন্তা করতে অনুরোধ করছে। তারা প্রতি মেগাহার্ডজ স্পেকট্রামের মূল্য দুই কোটি ডলারের নিচে নামিয়ে আনার অনুরোধ করেছে।

দাম কমানো হলে অপারেটরগুলো বেশি স্পেকট্রাম কিনতে বিনিয়োগ করতে পারবে, তাতে ফোরজিতে গ্রাহক সেবার মান উন্নত হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেন কর্মকর্তারা।

একই সঙ্গে তারা ফোরজিতে অপারেটরগুলোর রাজস্ব ভাগাভাগি কিছুটা কমিয়ে আনা এবং স্পেকট্রামে বাড়তি মূল্য না নিয়ে প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা দেওয়ার ‍অনুরোধ করেন।

মোরায় বিপদগ্রস্তদের নিয়ে বাংলালিংকের ‘ইয়ার্কি’

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ঘূর্ণিঝড় মোরায় মহাবিপদের মুখে থাকা মানুষদের নিয়ে নিজেদের ফেইসবুক পেইজে এক পোস্ট দিয়ে তুমুল সমালোচনায় পড়েছে বাংলালিংক।

‘আসছে ঝড়, সামলাও ঘর’ এমন বক্তব্যে বাংলালিংকের লোগো দিয়ে নিজেদের ভেরিফাইড পেইজে করা পোস্টটি সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত তুলেও নিয়েছে তারা।

সোমবার সন্ধ্যার দিকে ওই পোস্টটি দেয়া হয়। এর পর মানুষ এই বিষয়টিকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ ‘অবিবেচনাপ্রসূত’ কাজ হয়েছে বলে সমালোচনা করতে থাকেন।

বিল্লাহ মামুন বাংলালিংকের এই ছবি শেয়ার করে ফেইসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, বাংলালিংক থেকে এ ধরনের মানুষের জীবন-মৃত্যু ইস্যুতে ফান আশা করিনি। বাংলালিংকের ক্ষমা চাওয়া উচিত এবং দশ হাজার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বাড়ি পুন:নির্মাণ করে দেয়া উচিত।

শফিক আর ভুঁইয়া লিখেছেন, ইনসেসিবল।

এছাড়া ফেইসবুকে বাংলালিংকের এই ‘ইস্যুভিত্তিক বিজ্ঞাপন’ শেয়ার করে অনেক মানুষ ক্ষুব্ধ মত প্রকাশ করেছেন। মঙ্গলবার সকালে অপারেটরটির ভেরিফাইড পেইজ ‘বাংলালিংক ডিজিটাল’ হতে পোস্টটি সরিয়ে ফেলা হয়।

বিষয়টি নিয়ে ফোনে যোগাযোগ করে বাংলালিংকের  পিআর অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের কাউকে পাওয়া যায়নি। অপারেটরটির পিআর অ্যান্ড মিডিয়া যোগাযোগ প্রতিষ্ঠান কনসিটো পিআরও এ বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেনি।

আল-আমীন দেওয়ান

ইজি পেমেন্ট কার্ড আসছে

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর :  ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা বাংলালিংক গ্রাহকদের অনলাইন-অফলাইনে আর্থিক সেবা দিতে চালু হচ্ছে ইজি পেমেন্ট কার্ড।

এই কার্ডটির মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ই-কমার্স সাইটগুলো থেকে ১৫০০ টাকা মূল্যের ডিসকাউন্ট ভাউচার এবং দেশব্যাপী ১৭০০ আউটলেট থেকে এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট এবং সুবিধা পাবেন। আর বাংলালিংক গ্রাহকরা দেশব্যাপী মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের যেকোনো শাখায় এই কার্ডটি বিনামূল্যে নিবন্ধন করতে পারবেন।

মাস্টারকার্ড (এমসি), মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি) ও বাংলালিংক যৌথ উদ্যোগে এই ‘ইজি পেমেন্ট কার্ড’ চালু করেছে।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে এই কার্ডের ঘোষণা দেয় প্রতিষ্ঠানগুলো।

Easy Payment card- banglalink-Techshohor

সংবাদ সম্মেলনে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক শুভংকর সাহা ও বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি এবং সিইও আনিস এ খান বলেন, কার্ডটি মূলত সেই সব গ্রাহকদের জন্য তৈরি করা হয়েছে যারা এখনো কোনো আর্থিক সেবার অধীনে আসেনি। ইলেকট্রনিক অর্থ ও ই-কমার্সের এই যুগে গ্রাহকদেরকে দুটো সুবিধাই উপভোগ করার সুযোগ করে দেবে কার্ডটি।

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, এই কার্ড উন্মোচন তাদের উদ্ভাবনী সেবা ও সল্যুশন প্রদানেরই প্রতিশ্রুতি, যা স্থানীয় কমিউনিটির চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম।

বাংলালিংকের সিইও এরিক অস বলেন, টেলিযোগাযোগ সেবার ওপর ভিত্তি করে অন্যান্য সেবা গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেবার পরিকল্পনা নিয়ে বাংলালিংক ডিজিটাল লিডার হিসেবে এগিয়ে আসতে আগ্রহী। তারা তাদের তিন কোটি ১০ লাখের বেশি গ্রাহককে এই সেবা দিতে প্রস্তুত। যার মধ্য দিয়ে তাদের জীবনযাপনকে আরও বেশি ডিজিটাল ও সহজ করে তোলা সম্ভব হবে।

আনিকা জীনাত

জেডটিই এবং বাংলালিংকের ভার্চুয়াল এসডিএম

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভার্চুয়াল সাবস্ক্রাইবার ডাটা বেসড ম্যানেজমেন্ট বা এসডিএম প্লাটফর্মের মাধ্যমে মাইগ্রেশনের ঘোষণা দিয়েছে জেডটিই ও বাংলালিংক।

মোবাইল ইন্টারনেটের প্রযুক্তি, এন্টারপ্রাইজ এবং টেলিকমিউনিকেশন সেবা দানকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান জেডটিই কর্পোরেশন এবং বাংলালিংক দেশের ৬ কোটি গ্রাহকের মাইগ্রেশন সফল করেছে বলে বলছে।

এই রূপান্তর বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক তৈরি করেছে বলে বলছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

এই ভার্চুয়াল এসডিএম বর্তমানে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ভিএসডিএম প্লাটফর্ম বলে দাবি করছে তারা।

ZTE-Banglalink-Techshohor

ভার্চুয়াল এসডিএম প্লাটফর্মের উন্নত ভার্চুয়ালাইজেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারকে আলাদা করতে সাহায্য করে। ব্যবস্থাপনা ও পরিচালন খরচ কমানো, ফাইভজি ও আইওটি-এর মতো সেবা এবং নেটওয়ার্কের ধারাবাহিক পরিবর্তন মোকাবেলা করা, সহনীয় ও সহজ পদ্ধতিতে চাহিদা পূরণের জন্য বাণিজ্যিক অব-দ্যা-শেলফ (সিওটিএস) হার্ডওয়্যার ব্যবহার করে।

বাংলালিংকের সিইও এরিক অস বলেন, বাংলালিংক সত্যিকার অর্থে একটি সর্বব্যাপী ডিজিটাল সমাজ গঠনের চেষ্টা করে আসছে এবং এই লক্ষ্যে আমাদের সহযোগী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় ভার্চুয়াল এসডিএম প্লাটফর্মের সফল বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে আমরা একধাপ এগিয়ে গেলাম।

জেডটিই বাংলাদেশের সিইও ভিনসেন্ট লিউ বলেন, জেডটিইর পক্ষ থেকে স্ট্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে, ভিয়নের ব্যবসায়িক সফলতার ধারাবাহিকিতা অর্জনের জন্য তারা শ্রেষ্ঠ সেবা ও সমাধান প্রদান ধারাবাহিক করবে।

জেডটিই উদ্ভাবনী প্রযুক্তি এবং ভার্চুয়াল সলিউশনের মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে উনয়নের ধারা বজায় রেখে ইন্ডাস্ট্রি চেইনের উন্নতিতে অবদান রাখছে যা টেলিকম অপারেটরদের ৫জি ও আইওটি সম্পৃক্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহায়তা করে। জেডটিই শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলালিংকের ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন এবং গ্রাহক সুবিধার উন্নয়নে কাজ করে যাবে।

ইমরান হোসেন মিলন

গ্রাহকদের কক্সবাজার ঘুরালো বাংলালিংক

টেকশহর কন্টেন্ট কাউন্সিলর : বাংলালিংক তাদের লয়্যালটি প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে ১০ প্রিয়জন গ্রাহককে কক্সবাজারে ভ্রমণের সুযোগ করে দিয়েছে।

সংযোগ ব্যবহারের সময় এবং ব্যবহারের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে বাংলালিংক তাদের এই গ্রাহকদের বেছে নেয়।

banglalink-techshohor

দশজন গ্রাহককে তাদের দুইজন পরিবারের সদস্যসহ কক্সবাজারের একটি রিসোর্টে দুই রাত তিন দিন থাকা, ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকায় ভ্রমণের সুযোগ দেয়।

বাংলালিংকের লয়্যালটি পার্টনারশিপ ম্যানেজার ইয়াসির আরাফাত হোসেন বলেন, বাংলালিংক সব সময় তার গ্রাহকদের জন্য ব্যতিক্রম কিছু করার চেষ্টা করে। এরই ধারাবাহিকতায় গ্রাহকদের পরিবারসহ বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত ঘুরে দেখার সুযোগ করে দিতে পেরে আনন্দিত ও গর্বিত।

আনিকা জীনাত

প্রতিযোগীর চাপে বাংলালিংক, আয়ে বড় ধাক্কা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গ্রাহক সংখ্যার বিচারে দ্বিতীয় হতে তৃতীয় হয়ে যাওয়া বাংলালিংক বছরের প্রথম প্রান্তিকে আয়ের ক্ষেত্রে বড় রকমের ধাক্কা খেয়েছে। গত বছরের জানুয়ারি-মার্চ সময়ের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে তাদের মোট আয় এক শতাংশের কিছুটা বেশি পড়ে গেছে।

তবে যথারীতি লাভ-লোকসানের কোনো হিসেবে দেয়নি অপারেটরটি।

সম্প্রতি ভিম্পেলকম থেকে ভিওন নাম নেওয়া বাংলালিংকের মূল কোম্পানি তাদের যে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তাতে বলা হচ্ছে প্রাথম প্রান্তিকে তাদের আয় হয়েছে এক হাজার দুইশ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

আর ২০১৬ সালের একই সময়ে সেটি ছিল এক হাজার দুইশ ১৫ কোটি নয় লাখ টাকা।

বাংলালিংক লোগো-টেকশহর

মোট আয় পড়ে গেলেও ডেটা থেকে অপারেটটির ৪৩ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে একশ ৫২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা হয়েছে বলে হিসাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

গত বছরের প্রথম প্রান্তিকে ডেটা থেকে অপারেটরটির আয় ছিল মাত্র একশ ছয় কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতি সময়ে বাজারে অত্যাধিক প্রতিযোগিতার কারণে তাদের আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

তাছাড়া গত বছরের রি-রেজিস্ট্রেশন পরবরতী ফলাফলকেও এক্ষেত্রে একটি কারণ বলা হচ্ছে।

তবে ওই ধাক্কায় অপারেটরটির গ্রাহক ৩৫ লাখ কমে গেলেও গ্রাহক প্রতি আয় তাদের খানিকটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

জামান আশরাফ