জিপির ৯০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ৯০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করেছে গ্রামীণফোন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বসুন্ধরার আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটিতে কোম্পানিটির ২০তম বার্ষিক সাধারণ সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।

গ্রামীণফোন জানায়,  এতে লভ্যাংশের পরিমান পরিশোধিত মূলধনের ১৭৫ শতাংশ বা শেয়ার প্রতি ১৭ দশমিক ৫ টাকা। পূর্বের মতো এবারও অনলাইনে শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে লভ্যাংশ বিতরণ করা হবে।

সভায় বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ শিল্পের সম্ভাবনা, নিয়ন্ত্রণগত অনিশ্চয়তা, ডিজিটাল সেবা প্রদানকারী হিসেবে পরিণত হওয়া, গ্রামীণফোনের লক্ষ্য ইত্যাদি বিষয়ে বক্তব্য রাখেন কোম্পানিটির বোর্ড চেয়ারম্যান ক্রিস্টোফার লাসকা।

gp agm

লাসকা বলেন, গ্রামীণফোন একটি ২০ বছরের সাফল্যের কাহিনী এবং প্রায় ৬ কোটি গ্রাহককে সেবা প্রদান এবং যোগাযোগ ও ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে সামাজিক ক্ষমতায়ন নিয়ে গর্ব করে। ২০১৬ সালে ২১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ, সবচেয়ে বেশি কর্পোরেট কর প্রদান করে এবং ৩৩ হাজার সাধারণ বিনিয়োগকারী নিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে কোম্পানিটি।

কোম্পানি সেক্রেটারি হোসেন সাদাত এর পরিচালনায় সভায় সিইও পেটার বি ফারবার্গ, বোর্ড সদস্যগণ এবং কোম্পানির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিইও তাঁর বক্তব্যে কোম্পানির পরিচালনাগত ও আর্থিক সাফল্যের কথা এবং সফলভাবে থ্রিজি চালু করার কথা উল্লেখ করেন।

বার্ষিক সভার অন্যান্য কার্যক্রমের মধ্যে ছিল ডিরেক্টরস রিপোর্ট ও ২০১৬ এর নিরিক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন গ্রহণ, ডিরেক্টর নির্বাচন বা পুনঃনির্বাচন এবং অডিটর নিয়োগ।

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হবার পর ছিল জিপির ৮ম বার্ষিক সভা।

আল-আমীন দেওয়ান

জিপির ৯০ শতাংশ চূড়ান্ত লভ্যাংশ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভূক্ত একমাত্র মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৯০ শতাংশ চূড়ান্ত লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।

মঙ্গলবার পরিচালনা পর্ষদের সভায় ২০১৬ সালের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণার সুপারিশ করেন পরিচালকরা। ওই বছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে তারা এ সিদ্ধান্ত নেন। এর আগে ছয় মাসের জন্য ৮৫ শতাংশ অর্ন্তবর্তীকালীন লভ্যাংশ দেওয়া হয়।

এতে ২০১৬ সালের জন্য মোট নগদ লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়াল ১৭৫ শতাংশ। ২০১৫ সালে লভ্যাংশ দিয়েছিল ১৪০ শতাংশ।

আরও পড়ুন : মুনাফা-আয়ের নতুন মাইলফলকে জিপি

GrameenPhone Corporate Office_ Tech Shohor

গ্রাহক ও আয়ের বিচারে শীর্ষ অপারেটরটি ২০১৬ সালে দুই হাজার ২৫০ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। শেষ হওয়া এ বছরে মোট আয় ছিল ১১ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা।

বোর্ড সভা শেষে সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচাতারা হোটেলে অপারেটরটি ২০১৬ সালের বার্ষিক আয়-ব্যায়ের হিসাবের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন। কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কমর্কর্তা পেটার বি ফারবার্গ জানান, মুনাফা ও আয়ে আগের সব হিসাব ছাড়িয়ে গেছে অপারেটরটি।

আগামী ২০ এপ্রিল ২০তম বার্ষিক সাধারণ সভার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর রেকর্ড ডেট ধরা হয়েছে ২২ ফেব্রুয়ারি।

আরও পড়ুন: 

বিএসসিসিএলের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। রোববার কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক হিসাব পর্যালোচনা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত টেলিযোগাযোগ খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত এ কোম্পানির মুনাফা গত অর্থবছরে বেড়েছে। শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা। গত অর্থবছরে যা ছিল ৮৬ পয়সা।

bsccl-techshohor

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ সেপ্টেম্বর।

এ ছাড়া কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৩.৯৫ টাকা। যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২৬.৯১ টাকা।

জিপিরি মুনাফা আরও বেড়েছে, ৮৫% লভ্যাংশ ঘোষণা

জামান আশরাফ, টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে অন্তবর্তীকালীন মুনাফা হিসেবে গ্রামীণফোন ৮৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।

এ সময়ে অপারেটরটি মোট এক হাজার ৬৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা নিট মুনাফা করেছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এর পরিমান দুই দশমিক আট শতাংশ বেশি। শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ দশমিক ৯২ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যা ছিল ৭ দশমিক ৭৬ পয়সা। তবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস কমেছে।

গ্রাহক ও আয়ের বিচারে শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটরটি গত বছর একই সময়ে ৮০ শতাংশ অন্তবর্তীকালীন ও বছর শেষে মোট ১৪০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল। রোববার দেশ সেরা অপারেটরটির বোর্ড মিটিংয়ে এ হিসাব চূড়ান্ত হয়। সোমবার সেটি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরা হবে।

গ্রামীণফোন-টেকশহর

শেয়ারবাজারে তালিকাভূক্ত টেলিকম খাতের এ কোম্পানির অর্ন্তবর্তীকালীন লভ্যাংশের জন্য রেকর্ড ডেট ধরা হয়েছে ৮ আগস্ট।

প্রথমার্ধের আর্থিক হিসাব অনুযায়ী, মুনাফার অর্ধেক (৫’শ নয় কোটি দুই লাখ টাকা) বছরের প্রথম তিন মাসে পেয়েছে গ্রামীণফোন।

দ্বিতীয় প্রান্তিক এপ্রিল-জুন সময়ে কিছুটা মুনাফ কমায় ইপিএসও কমেছে। এ সময়ে  ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৭৭ টাকা। গত বছর একই সময়ে যা ছিল ৩ দশমিক ৮০ টাকা।

অনিরীক্ষিত এ আর্থিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে অপারেটরটির অ্যাকাউন্টে সব মিলে জমা পড়েছে ৫ হাজার ৫৬১ কোটি ২১ লাখ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল পাঁচ হাজার ১৪৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।

এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে অপারেটরটি দুই হাজার ৮০৫ কোটি ১৮ লাখ টাকার রেভিনিউ আয় করেছে।

জানুয়ারি-জুন সময়ে শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৭৪ পয়সা।

আর্থিক বছর ঠিক রাখতে জোর তদবির জিপির

অনন্য ইসলাম, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : আর্থিক হিসাব বছর আগের মতোই জানুয়ারি-ডিসেম্বর রাখার জোর চেষ্টা চালাচ্ছে শীর্ষস্থানীয় মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন। শেয়ারবাজারে তালিকাভূক্ত টেলিযোগাযোগ খাতের প্রথম এ কোম্পানি হিসাব বছর পরিবর্তনে নিয়মটিতে ছাড় পেতে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করছে।

সরকার আর্থিক খাতের কোম্পানি ছাড়া সব নিবন্ধিত কোম্পানির আর্থিক হিসাব বছর গণনা জুলাই থেকে জুন করার সিদ্ধান্ত নেয়। চলতি অর্থবছরের বাজেটে অর্থবিলের মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেয়।

এ নির্দেশনার অংশ হিসাবে গত এপ্রিলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তালিকাভুক্ত সব কোম্পানিকে হিসাব বছর পরিবর্তনের নির্দেশ দেয়।

গ্রামীণফোন-টেকশহর

রাজস্ব আয়ের হিসাবে সুবিধার জন্য সবগুলো কোম্পানির হিসাব বছর অর্থবছরের সময় গণনার (জুলাই থেকে জুন) সঙ্গে মিল রেখে একই করার এ সিদ্ধান্ত হয়।

বিএসইসি সে অনুযায়ী শেয়ারবাজারে তালিকাভূক্ত কোম্পানিগুলোকে হিসাব বছর পরিবর্তনের নির্দেশনা দেয়। যেসব কোম্পানির হিসাব বছর এতদিন জুলাই-জুন ছাড়া অন্য সময়ে গণনা করা হতো সেগুলো এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে গ্রামীণফোন জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তাদের জন্য নিয়মটি শিথিল করতে।

অপারেটরটি চাইছে জুলাই-জুনের এখনকার মতো ক্যালেন্ডার বর্ষের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) হিসাবে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে।

বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি অপারেটরটির শীর্ষ কর্মকর্তাতরা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতসহ উচ্চ পর্যায়ের নীতি নির্ধারকদের অনুরোধ করেছেন। অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

অপারেটরটি বলছে, নরওয়েভিত্তিক টেলিনর গ্রুপ সব মিলিয়ে ১৩ দেশে ব্যবসা করছে। সব দেশে তাদের আর্থিক ও বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় ক্যালেন্ডার বছর ধরে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে ভিন্ন কিছু করতে গেলে তাদেরকে গ্রুপের নিয়ম ভাঙ্গতে হবে।

একই সঙ্গে গ্রুপের বার্ষিক যে সব ঘোষণা থাকে সেগুলো থেকেও তখন গ্রামীণফোনের বাদ পড়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। এটি তাদের ব্যবসায়িক কার্যকমকে বাধাগ্রস্থ করতে পারে। এ কারণে আর্থিক বছর একই রাখতে চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা।

তবে বিএসইসির কর্মকর্তারা জানান, তারা এখন পর্যন্ত গ্রামীণফোনের কাছ থেকে কোনো আবেদন পাননি। এ দিকে জুন শেষ হতে বাকি মাত্র দুই ‍দিন।

নতুন নিয়ম মেনে গ্রামীণফোন জানুয়ারি- থেকে জুন সময়ের জন্য ছয় মাসে বছরের আর্থিক হিসাব চূড়ান্ত করবে নাকি অন্য কোম্পানিগুলোর মতো ১৮ মাসে পরবর্তী বছরের হিসাব চূড়ান্ত করবে তা এখন দেখার বিষয়।

তালিকাভূক্তির পর থেকে গ্রামীণফোন প্রতি বছরই জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিক শেষে অন্তবর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা করে আসছে। এবার আর্থিক হিসাব গণনায় নতুন নিয়ম হওয়ায় অপারেটরটির কি করবে তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা রয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।

এপ্রিলে বিএসইসি আর্থিক হিসাব গণনায় পরিবর্তন আনার বিষয়ে ঘোষণার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে লবিং শুরু করে অপারেটরটি। সূত্র বলছে, ইফতারে অর্থমন্ত্রীকে অামন্ত্রণ জানিয়েও তার কাছ থেকে এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি আদায় করে নেয় গ্রামীণফোন।

গ্রামীণফোনের কর্মকর্তাদের যুক্তি, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নিয়ম শিথিল করা গেলে টেলিযোগাযোগ খাতের এ কোম্পানির জন্যও তা করা জটিল কিছু হবে না।

 

শেয়ারবাজারে গুজব ছড়াচ্ছে ১১৬ ফেইসবুক পেইজ, বন্ধে চিঠি

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : শেয়ারবাজার বিষয়ে নানা গুজব ছড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রভাবিত করে এমন ১১৬টি ফেইসবুক পেইজ বন্ধ করতে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

রোববার বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি বিটিআরসিতে পৌঁছেছে। এতে বলা হয়েছে, বিএসইসির তদন্তে দেখা গেছে এসব গ্রুপ নিজেদের স্বার্থে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করছে, যা  শেয়ারবাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলছে।

তবে বিটিআরসি’র কর্মকর্তারা বলছেন, ফেইসবুক গ্রুপ বন্ধ করার বিষয়টি তাদের এখতিয়ারে নেই। তারা এক্ষেত্রে বিএসইসিকে খুব কম সাহায্য করতে পারবেন।

BD STOCK EX-techshohor

বিটিআরসি’র কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলেননি। তাদের মতে, ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এ বিষয়ে সাড়া দেয় না।

গত বছর বিটিআরসি ফেইসবুকের কাছে কয়েকশ’ অভিযোগ করলেও হাতেগোনা কয়েকটি ক্ষেত্রে জবাব দিয়েছে।

শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির চিঠিতে বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এসব গ্রুপ বন্ধসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, গুজব ছড়াতে এসব ফেইসবুক পেইজের সহায়তা নিচ্ছে কিছু চক্র। তারা নিয়মিত মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার কিনতে এসব পেইজ বা গ্রুপের অনুসারী বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করছে।

কোম্পানির লভ্যাংশ ও অন্যান্য মূল্য সংবেদনশীল তথ্য গ্রহণের আগেই কিছু ফেইসবুক পেইজ থেকে অনুমাননির্ভর পূর্বাভাস দেওয়া হয়। অনেক ক্ষেত্রে ইনসাইডারদের তথ্য হিসেবেও প্রচার করা হয়।

আবার কিছু কিছু পেজে বিভিন্ন শেয়ারের বাজারদর বাড়বে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়। কিছু গ্রুপ থেকে অর্থের বিনিময়ে অনেক দর বাড়বে এমন শেয়ারের নাম জানিয়ে দেওয়া হয়।

DES-facebook-page-techshohor

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, গুজব ছড়িয়ে শেয়ারবাজারকে প্রভাবিত করে ফায়দা লোটার অপচেষ্টা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ আইনের পরিপন্থী। এ জন্য এগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

চিঠির সঙ্গে সংযুক্তি হিসেবে বিভিন্ন পেইজের অনুসারীদের সংখ্যাও উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন- বাংলাদেশ স্টক মার্কেট শেয়ার বিজনেস নামের একটি পাবলিক গ্রুপে ৪৩ হাজারের বেশি অনুসারী রয়েছে।

ডিএসই ফর রিস্কি গেইম, ডিএসই ইনভেস্টরস ক্লাব, ডিএসই ক্লাব, ডিএসই কারেন্ট ডাটা অ্যানালাইসিস নিউজে মতো গ্রুপগুলোরও ২২ থেকে ৪০ হাজার পর্যন্ত সদস্য রয়েছে।

এসব পেইজ বন্ধের বিষয়ে চাইলেই তাৎক্ষণিকভাবে কিছু করতে পারবে না বিটিআরসি।  ফেইসুবক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো চুক্তি না থাকায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শীর্ষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি এসব অভিযোগ আমলে নেয় না বলে জানিয়েছেন, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা।

ফেইসবুকের সঙ্গে চুক্তি করাসহ অন্যান্য বিষয়ে উদ্যোগ নিতে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারনা হালিম এর আগে চেষ্টা চালালেও এখন পর্যন্ত এর কোনো সুরাহা হয়নি। ফেইসবুকের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা ঘুরে গেলেও চুক্তির বিষয়ে অগ্রগতি হয়নি।

আমরা কোম্পানিজের আরেক কোম্পানি শেয়ার বাজারে আসছে

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানি আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেড শেয়ার বাজারে আসছে। নতুন নতুন ডাটা সেন্টার স্থাপন, স্থাপিত ডাটা সেন্টার ও দেশব্যাপী ওয়াইফাই সার্ভিসের সম্প্রসারণসহ ব্যবসায়িক পরিধি বাড়াতে পুঁজিবাজার হতে মুলধন সংগ্রহ করবে আমরা কোম্পানিজের এই কোম্পনিটি।

কোম্পানিটি বাজারে দেড় কোটি শেয়ার বিক্রি করে ৬০ কোটি টাকা তুলতে চায় বলে টেকশহরডটকমকে জানিয়েছেন আমরা কোম্পানিজের হেড অব মার্কেটিং মুনতাসির আহমেদ।

aamra-networks-limited-techshohor

আইপিওতে প্রতিটি শেয়ারের দাম নির্ধারণ করা হবে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে। বিএসইসির অনুমোদনের পর দাম নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

ইতোমধ্যে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রত্যাশিত ইনিসিয়াল পাবলিক অফারিং (আইপিও)-এর জন্য আমরা নেটওয়ার্কস লংকা-বাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের সঙ্গে ‘ইস্যু ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস’চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এ বিষয়ে নিয়ামক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে। ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) সভাকক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইফতেখার উজ জামান, আমরা নেটওয়ার্কসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ফরহাদ আহমেদ, লংকাবাংলা ফিন্যান্সের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক খাজা শাহরিয়ার, আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নাসরিন সুলতানা, লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টসের সিইও খন্দকার কায়েস হাসানসহ তিন প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আমরা কোম্পানিজের ১২টি কোম্পানির মধ্যে একটি কোম্পানি আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেড। অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ইন্টারনেট সেবাদাতা কোম্পানি আমরা নেটওয়ার্কস।

আমরা কোম্পানিজের আরেক কোম্পানি আমরা টেকনোলজিস ইতোমধ্যে শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি।

মুনাফা কমেছে জিপির, ৬০% লভ্যাংশ ঘোষণা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গ্রাহক সংখ্যার বিচারে দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন ৬০ শতাংশ চূড়ান্ত লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর আগে কোম্পানিটি গত জুলাইয়ে ৮০ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ দিয়েছিল। এ নিয়ে ২০১৫ সালের জন্য মোট লভ্যাংশের পরিমান দাঁড়িয়েছে ১৪০ শতাংশ।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে সোমবার এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ রোববার অনুষ্ঠিত বৈঠকে লভ্যাংশ প্রদানের এ সিদ্ধান্ত নেয়।

গত বছর অপারেটরটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৪ টাকা ৫৯ পয়সা। তবে এর পরিমান ২০১৪ সালের চেয়ে কম। ওই বছর ইপিএস ছিল ১৪ টাকা ৬৭ পয়সা। এর মানে আগের বছরের চেয়ে ২০১৫ সালে অপারেটরটির নিট মুনাফা কমেছে।

জিপি-টেকশহর

অন্যদিকে শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২২ টাকা ৬৮ পয়সা। ২০১৪ সালে যা ছিল ২৩ টাকা ২৩ পয়সা।

গত ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশ ঘোষণা করে।

পর্ষদ বৈঠকে গত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়েছে।

আগামী ১৯ এপ্রিল কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ ফেব্রুয়ারি।

–  জামান আশরাফ

ফেইসবুকে শেয়ারবাজারের তথ্য দিয়ে জেল

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ফেইসবুকে শেয়ারবাজারের তথ্য দিয়ে ২ বছরের জেল খাটতে যাচ্ছেন এক ব্যক্তি। মাহাবুব সারোয়ার নামে ওই ব্যক্তি ফেইসবুকে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার কেনা-বেচার তথ্য অগ্রিম প্রকাশ করেছিলেন।

ফেইসবুকের সাথে বিভিন্ন ওয়েব পোর্টালেও ভুয়া এসব তথ্য প্রকাশ করে মাহাবুব শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করেছেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

সোমবার পুঁজিবাজার বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক (বিশেষ জেলা জজ) হুমায়ুন কবীর মাহাবুব সারোয়ারকে দুই বছরের কারাদন্ড দেন।

রায়ে বলা হয়, ‘আসামি মাহাবুব সারোয়ার শেয়ারবাজারের বিভিন্ন কোম্পানির আগাম বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ফেইসবুকসহ অন্যান্য ওয়েব পোর্টালে প্রকাশ করেছেন। সেখানে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার কেনা-বেচার আগাম মিথ্যা তথ্য প্রচার করে বিনিয়োগকারী ও পুঁজিবাজারকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষ যে সাক্ষ্য দিয়েছে তা বিশ্বাসযোগ্য। এখানে অবিশ্বাসের কিছুই নেই।

tribunal1

আর বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আসামি মাহাবুব সারোয়ারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশে যে তদন্ত রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছিল তা যথাপোযুক্ত। পাশাপাশি পুলিশের তদন্তেও আসামি দোষী প্রমাণিত হয়েছে।

বিএসইসি রেজিস্ট্রেশন নিয়ে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনা-বেচার আগাম তথ্য দিয়ে সহায়তা করার কাজ বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক বা পোর্টফোলিও ম্যানেজার করে থাকে। কিন্তু আসামি মাহাবুব সারোয়ার রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনা-বেচার আগাম তথ্য ফেসবুকসহ বিভিন্ন ওয়েব পোর্টালে প্রকাশ করেছেন। যা সিকিউরিটিজ আইন পরিপন্থী।

আসামি মাহাবুব সারোয়ার সন্দেহাতীতভাবে দোষী প্রমাণিত হয়েছে। তাই বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এর ১৮ ধারা ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯ এর ২৪ ধারা অনুযায়ী আসামিকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মাহাবুব ২০০৭ সালের মার্চ থেকে ২০১০ সালের মার্চ পর্যন্ত সময় ফেইসবুক, সৈকতস ব্লগ, মাহাবুব সারোয়ার, সৈকত সৈকত, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও ডিএসই-এক্সুসিভ পোর্টালগুলোতে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করেন। বিভ্রান্তিকর এসব তথ্যে তখন প্রতারিত হয় অনেক বিনিয়োগকারী ।

এরপর ২০১০ সালেই মাহাবুব সারোয়ারকে গুলশানের একটি বাসা থেকে কম্পিউটারসহ আটক করে র‌্যাব। পরে গুলশান থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়।

আল-আমীন দেওয়ান

স্মার্টফোনে শেয়ারদর জানার অ্যাপ ডিএসই অ্যালার্ম

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিদেশে শেয়ারবাজারের খোঁজখবর নেওয়ার জন্য অনেক অ্যাপ রয়েছে। তবে দেশের শেয়ারবাজারের সর্বশেষ অবস্থা জানতে এতদিন পর্যন্ত অনলাইনে ডিএসইর ওয়েবসাইটই ছিল মূল ভরসা। তবে এখন থেকে বিনিয়োগকারীদের সব সময় আপডেট থাকার একটি ব্যবস্থা হয়েছে। বিশেষ করে নিজের পোর্টফোলিওতে থাকা শেয়ারটির সর্বশেষ দর জানার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তাই এখন থেকে শেয়ারের সর্বশেষ অবস্থা জানতে ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট ব্রাউজ করতে হবে না কিংবা  টেলিভিশনে চোখ রাখতে হবে না। হুটহাট উদ্বিগ্ন হয়ে ব্রোকারেজ হাউজেও ফোন করতে হবে না। এ অবস্থায় হাতে থাকা স্মার্টফোনটি যদি নোটিফিকেশনের মাধ্যমে আপনার শেয়ারের সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে দেয় তাহলে কেমন হয়?

তেমনি একটি অ্যাপ্লিকেশণ ডিএসই অ্যালার্ম। চলতি পথে বাসে, অফিসে কিংবা মিটিংয়ের মধ্যেও জেনে নিতে পারবেন আপনার বিনিয়োগের সর্বশেষ খবর। তবে এ জন্য নামিয়ে নিতে হবে অ্যাপটি।

Screenshot_2

এক নজরে অ্যাপ্লিকেশনটি ফিচারগুলো
১. শেয়ারবাজারে তালিকাভূক্ত কোম্পানির প্রতিমুহূর্তের খবর জানতে রয়েছে লিস্ট অপশন। যার ফলে এক ট্যাপে কোম্পানিটির তথ্য সম্পর্কে জানা যাবে।

২. এতে রয়েছে সার্চ সুবিধা।

৩. সহজে যে কোনো তথ্য পেতে রয়েছে ফিল্টার সুবিধা।

৪. ডিএসইর সর্বশেষ লেনদেন, শেয়ারের দাম, সবোর্চ্চ এবং সবনিন্ম মূল্যসহ আপনার প্রয়োজনীয় সব তথ্য পাওয়া যাবে অ্যাপটির মাধ্যমে। নিজের সুবিধামতো কাস্টোমাইজ করার সুবিধাও রয়েছে।

৫. গ্রাফ আকারে শেয়ারবাজারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত তথ্য জানার সুবিধা দিবে অ্যাপটি।

৬. এতে রয়েছে অ্যালার্ম সুবিধা।

গুগল প্লের এ ঠিকানা থেকে অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যাবে।

আরও পড়ুন: 

আমরা টেকনোলজিসের মুনাফা কমেছে

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : শেয়ারবাজারে তালিকাভূক্ত কোম্পানি আমরা টেকনোলজিসের তৃতীয় প্রান্তিকে মুনাফা কমেছে ২৭ শতাংশ। এ সময়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয়ও কমেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে কোম্পানির সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদনের এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি হিসাব বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ সময়ে কোম্পানিটির নিট মুনাফা হয়েছে ৩৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা। আগের বছর একই সময়ে এর পরিমান ছিল ৫৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

aamra technologies_techshohor

এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১০ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি হিসাব বছরের নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানির নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৪৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

এ সময় কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১ টাকা ৪ পয়সা।

কোম্পানিটির মুনাফা কমার প্রভাব পড়েছে বুধবারের লেনদেনে। ডিএসইতে এদিন শেয়ারের দর কমেছে ২০ পয়সা। ৩২ থেকে ৩৩ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে এটির দর ওঠানামা করে। সর্বশেষ ৩২ টাকা ৪০ পয়সায় লেনদেন হয়।

দেশের উভয় শেয়ারবাজারে ২০১২ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৫৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।