সফটওয়্যার সেবায় ধ্রুবতারা হতে চায় ধ্রুবক

ভালো একটি চাকরি চাই- বেশিরভাগের এমন ভাবনার মাঝে ব্যতিক্রম দুই তরুণ। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস নিয়ে তাদের নতুন কিছু করার চিন্তা পরিণত হয়েছে এক সফল উদ্যোগে। বিস্তারিত জানাচ্ছেন ইমরান হোসেন মিলন।

দেশে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে দক্ষতায় সেরাদের একজন মেহেদী হাসান খান। একই ভাবনার সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন সফটওয়্যারে বিশেষ পারদর্শী আশিক-উজ-জোহাকে। বুয়েটে প্রকৌশল শিক্ষা গ্রহণের সময়ই তাদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা রূপ নিয়েছে ধ্রুবক ইনফোটেক সার্ভিসেসে

তরুন এ দুই প্রকৌশলী নিজেরাই কিছু করতে চেয়েছিলেন। নিজেদের দেশেই সফটওয়্যারের বিকাশে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস প্লাটফর্মকে। তাদের সেই যৌথ প্রচেষ্টা এখন বাস্তব রূপ পেয়েছে।

Drubak-infotech-techshohor

মোবাইল প্ল্যাটফর্মে উভয়ের আগ্রহ ও দক্ষতার সুবাদে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, গেইমস, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্টের সেবা প্রদানে বেশ সুনাম করেছে তাদের প্রতিষ্ঠানটি।

বুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে পড়াশোনা করা আশিক ও মেহেদী মিলে ২০১৩ সালের মার্চে প্রতিষ্ঠা করেন ধ্রুবক ইনফোটেক সার্ভিসেস লিমিটেড। চার বছর পর তাদের এ উদ্যোগ ক্রমে বড় হয়েছে। এখন তাদের সঙ্গে কাজ করছেন আরও আট প্রকৌশলী। দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে প্রযুক্তি সহায়তা দিচ্ছেন।

সফটওয়্যার প্রকৌশলী আশিক ধ্রুবকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অপর সহ-প্রতিষ্ঠাতা মেহেদী ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন।

dhurok-all-rounder-techshohor

পিছন ফিরে দেখলে

সব উদ্যোগেরই পেছনে তাকালে সাধারণ হোক আর অসাধারণই হোক, একটা গল্প উঠে আসে। ধ্রুবকের রয়েছে তেমনি একটি গল্প। সাদামাটা হলেও তরুন এ দুই উদ্যোক্তার দৃঢ়তা, নিবিড় পরিশ্রম ও সংগ্রামের চিত্র উঠে এসেছে তাতে।

আশিক বলেন, বুয়েটে পড়ালেখার সময় তিন ও মেহেদী বেশিরভাগ ল্যাব, প্রজেক্ট, থিসিসগুলোতে একই গ্রুপে ছিলেন। সেই সুবাদে বন্ধুত্ব ও কাজকর্মের ব্যাপারে বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে।

পুরনো দিনের কথা তুলে ধরে তরুন এ উদ্যোক্তা জানান, তারা বিভিন্ন বিষয়, আইডিয়া নিয়ে আলাপ করতেন। পড়ালেখা শেষের দিকে থাকায় ক্যারিয়ারের চিন্তাটা সামনে চলে আসে। দুজনেই তখন নিজেরা কিছু করা যায় কিনা সে বিষয়ে ভাবতে শুরু করেন। সেই ভাবনা রূপ নেয় পরিকল্পনায়, গড়ে ওঠে ধ্রুবক।

নিজের এ উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার দিনগুলো খুব সহজ ছিল না তাদের। এ সময়ে চোখের সামনে ‘ভালো’ চাকরির হাতছানিও ছিল। সেগুলো গ্রহণ করবেন, নাকি নিজেরা কিছু করে ভবিষ্যতে অন্যদের সেখানে চাকরি দেবেন- সে সিদ্ধান্ত নিতেও তাদের বেগ পেতে হয়েছে।

আশিকের ভাষায়, ‘আমাদের প্যাশন ছিল মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট। ছাত্র অবস্থায় ২০১১ সালে ফ্রিল্যান্স ডেভেলপার হিসেবে মার্কেটপ্লেসে কাজ করা শুরু করি। ২০১২-১৩ সালের দিকে তখন মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট ব্যাপারটায় এখনকার মত ক্রেজ ছিল না। মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্টকে কেন্দ্র করে ক্যারিয়ার শুরু করতে চেয়েছি, তাই নিজেরাই কোম্পানি শুরু করার সিদ্ধান্ত নিই।’

বুয়েটে পড়ে ভালো চাকরির পিছনে না ছুটে তখন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়াকে অনেকটাই চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখেন এ দুই উদ্যোক্তা। তবে সামাজিক অবমূল্যায়নের ভয়কে থোড়াই কেয়ার করে, নিজেদের পরিকল্পনায় থেকেছেন অটল।

আশিক বলেন, বড় সমর্থনটাই পেয়েছি পরিবার থেকে। ক্যারিয়ারের শুরুতে এ রকম একটা সিদ্ধান্তে পরিবারের সমর্থন অনেক বড় ব্যাপার। ছাত্র অবস্থায় জমানো সামান্য কিছু টাকা নিয়ে স্নাতকের পরই বনশ্রীতে একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে ধ্রুবক ইনফোটেক সার্ভিসেস যাত্রা শুরু করে। এরপর ২০১৪ সালের শেষের দিকে অফিস মেরুল বাড্ডাতে বাণিজ্যিক ভবনে চলে আসে।

প্রতিষ্ঠানটিতে এখন আটজন কর্মী কাজ করছেন। যাদের বেশিরভাগই কম্পিউটার প্রকৌশলী।

যে ধরনের কাজ করে ধ্রুবক
ধ্রুবক মূলত সপটওয়্যার ডেভলপমেন্ট সেবা প্রদান করে। তাদের প্রতিষ্ঠান গুগলের অ্যান্ড্রয়েড ও অ্যাপলের আইওএস অপারেটিং সিস্টেমের জন্য মোবাইল অ্যাপ ও আনুষঙ্গিক সিস্টেম ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরিতে বিশেষভাবে পারদর্শী।

এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি পিএইচপি (লারাভেল, কোড-ইগনাইটর) এবং জাভাস্ক্রিপ্ট (নোড জেএস, অ্যাঙ্গুলার জেএস) ফ্রেমওয়ার্কগুলোতে ওয়েবসাইট ও ওয়েবঅ্যাপ বানায়।

dhrubok-techshohor-office

গ্রাহক কারা
ধ্রুবক থেকে সেবা গ্রহণের তালিকায় দেশি-বিদেশি টেক-স্টার্টআপ ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোই উল্লেখযোগ্য বলে বলেন আশিক-উজ-জোহা। তিনি বলেন, দেশে অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলো স্টার্টআপ হিসেবে শুরু করে ব্যবসায়িক দিকটি ভালো নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা করতে পারলেও, প্রযুক্তিগত দিক থেকে কিছুটা দুর্বল। তাদের সেবা দেওয়া একটা লক্ষ্য ধ্রুবকের।

ধ্রুবক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্য ও সেবার ধরন, গ্রাহকের চাহিদা ও সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে যথোপযুক্ত সার্ভার সিস্টেম, রেস্ট(REST) এপিআই, মোবাইল অ্যাপ, ম্যানেজমেন্ট ও অ্যানালাইটিক সিস্টেম নির্মাণে সহায়তা করে ।

প্রতিবন্ধকতা

ধ্রুবক ইনফোটেক সার্ভিসেস প্রতিষ্ঠার পরে গত চার বছরে অনেক প্রতিকূলতা ও প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে সময় পার করতে হয়েছে বলে বলেন আশিক।

প্রতিষ্ঠানের জন্য দক্ষ, যোগ্য ও সঠিক মননের সফটওয়্যার প্রকৌশলী খুঁজে নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। তিনি বলেন, ভালো সফটওয়্যার প্রকৌশলী হওয়া একটি চলমান প্রক্রিয়া। একজন প্রোগ্রামারকে প্রতিনিয়ত নিজের জ্ঞানের পরিধি, ব্যাপ্তি ও গভীরতা বৃদ্ধি করতে হয়; নতুন প্রযুক্তি, ল্যাংগুয়েজ ও প্রক্রিয়ায় নিজের পারদর্শিতা বৃদ্ধি করতে হয়। কিন্তু এমন সুপরিকল্পিত প্রকৌশলীর অভাব বোধ করেছেন তারা।

এ ছাড়াও বড় একটা সমস্যা ছিল পেমেন্ট গেটওয়ে। তাদের বেশিরভাগ গ্রাহক বিদেশি কোম্পানি ও নাগরিক হওয়ায় অধিকাংশ আয় আসে বিদেশ থেকে বিশেষ করে আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে। সেই অর্থ নিয়ে আসতে পেমেন্ট গেটওয়ে নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়েছে। পোহাতে হয়েছে অনেক হয়রাণি।

ভবিষৎ পরিকল্পনা
তাদের স্বপ্ন ধ্রুবকে দেশে ও দেশের বাইরে সফটওয়্যার তৈরি ও সেবায় একটি ব্র্যান্ড ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। ভবিষ্যৎ লক্ষ্যের অনেকটাই কম্পিউটার ভিশন, মেশিন লার্নিং ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কেন্দ্রিক। সেই লক্ষ্যে তারা ধ্রুবকে এসব প্রযুক্তিতে দক্ষ ও পারদর্শী জনবল তৈরিতে কাজ করছেন।

প্রতিষ্ঠানটি মোবাইলকেন্দ্রিক বুদ্ধিমান সফটওয়্যার তৈরির মাধ্যমে দেশি ও আন্তর্জাতিক সমস্যার সমাধান ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে চায়।

যোগাযোগ
সেঞ্চুরি সেন্টার (ফ্লোর ৮)
খ ২২৫ প্রগতি সরণী
মেরুল বাড্ডা
ঢাকা ১২১২
ওয়েবসাইট: www.dhrubokinfotech.com
ফেইসবুক পেইজ

পুলিশের নতুন আরেকটি অ্যাপ চালু

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : প্রযুক্তির ব্যবহারে জনগণকে খুব দ্রুত সেবা দিতে একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্মুক্ত করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। ‘বিডি পুলিশ হেল্পলাইন‘ নামে অ্যাপটি বৃহস্পতিবার উদ্বোধন করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তরে আইজিপি একেএম শহিদুল হক অ্যাপটির উদ্বোধন করেন। অ্যাপটি এখন শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণের জন্য গুগল প্লে স্টোরে ছাড়া হয়েছে। তবে শিগগিরই এটি অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরে পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।

অ্যাপ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুলিশ প্রধান জানান, হাতে থাকা স্মার্টফোনের মাধ্যমে অ্যাপটি ব্যবহার করে অপরাধ ও অপরাধী সম্পর্কে যেকেউ তথ্য জানাতে পারবেন। এছাড়াও সরাসরি ব্যবহারকারীর এলাকার থানায় ওসির সঙ্গে যোগাযোগ এবং সাহায্য চেয়ে অনুরোধ পাঠাতে পারবেন।

BD_POLICE_APP_TECHSHOHOR
এছাড়াও যিনি অ্যাপটি ব্যবহার করবেন তার দেওয়া বার্তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একই জেলার ক্ষেত্রে সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ সুপার, রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ সদরদপ্তর এবং মহানগর পুলিশের ক্ষেত্রে জোনাল সহকারী কমিশনার, উপ-কমিশনার ও কমিশনারের কাছে পৌঁছে যাবে বলে বলেন তিনি।

অ্যাপটির সাহায্যে ওসির কাছে কোনো তথ্য দিলে সেটি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও জানতে পারবেন এবং তদারককারী কর্মকর্তা কী ব্যবস্থা নিয়েছেন তাও পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন বলে জানান শহিদুল হক।

অ্যপাটি জনগণ ও পুলিশের মধ্যে ‘ইন্টার‍্যাক্টিভ ইন্টারফেইস’ হিসেবে কাজ করবে বলে বলেন তিনি।

আইজিপি বলেন, সারাদেশের প্রতিটি থানার ওসি ও পরিদর্শককে (তদন্ত) স্মার্টফোন ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে এই অ্যাপটির যথাযথ ব্যবহার তারা করতে পারেন।

এই ঠিকানা থেকে অ্যান্ড্রয়েডের জন্য অ্যাপটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যাবে।

জিপির সেল্ফ কেয়ার অ্যাপ ‘মাইজিপি’

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গ্রামীণফোনের বিভিন্ন ধরনের সেবা ব্যবহার, অফার, বোনাস এবং পুরস্কারের তথ্য এখন পাওয়া যাবে একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ‘মাইজিপি’র মাধ্যমে। এছাড়াও অ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে গ্রাহকরা সরাসরি গ্রামীণফোনের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাবেন।

মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে অ্যাপ্লিকেশনটির উদ্বোধন করে জিপি।

অ্যাপলের অ্যাপ স্টোর এবং গুগলের প্লে স্টোর থেকে বিনামূল্যে মাইজিপি অ্যাপ্লিকেশনটি নামিয়ে চ্যানেলটির সাহায্যে গ্রাহকরা গ্রামীণফোনের সেবা সহজে এবং কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে পারবেন।  তবে অ্যাপটিতে হালনাগাদ তথ্য পেতে ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন হবে।

MyGP-techshohor
প্রি-পেইড ও পোস্ট পেইড গ্রাহকরা তাদের হালনাগাদ বিল, ব্যবহারের পরিমাণ, অবশিষ্ট ইন্টারনেট ডাটা, কল রেট, স্টার স্ট্যাটাস এবং অফার সম্পর্কিত তথ্য দেখতে পারবেন।

গ্রামীণফোন ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকলে গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে স্বয়ংক্রীয়ভাবে লগ-ইন হয়ে যাবে। তবে ওয়াইফাই ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত হলে কানেক্ট আইডি অপশনে গিয়ে লগ-ইন করতে হবে যা কিনা টেলিনরের লগ-ইন সল্যুশন। অ্যাপ ব্যবহারকারী যদি তার হ্যান্ডসেট পরিবর্তন করেন তবে অ্যাপটি নতুন হ্যান্ডসেটে আবার ইন্সটল করতে হবে।

গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ইয়াসির আজমান বলেন, গ্রাহকদের ওয়ান-স্টপ সল্যুশন দেয়া মাইজিপির মূল উদ্দেশ্য। যাতে গ্রাহকরা গ্রামীণফোনের সার্ভিসগুলো সম্পর্কে জানতে এবং অফার উপভোগ করতে পারেন। দেশের ডিজিটাল সেবাপ্রদানকারী হিসেবে গ্রামীণফোন তার গ্রাহকদের সবসয় নিজস্ব সেবার সঙ্গে সংযুক্ত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ইমরান হোসেন মিলন

তাইওয়ানে নিষিদ্ধ হচ্ছে উবার!

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে চালক ও যাত্রীদের সংযোগ স্থাপনকারী বিশ্বখ্যাত ট্যাক্সি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান উবার তাইওয়ানে নিষিদ্ধ হতে পারে। তাইওয়ানের আইনসম্মতভাবে কাজ না করায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

তাইওয়ান সরকারের পক্ষ থেকে এমনই একটি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আবার আলোচনার পথ খোলা রাখার কথাও সরকার।

জানা যাচ্ছে, উবার যখন তাইওয়ানে ব্যবসার লাইসেন্স চায় তখন তারা সফটওয়্যার কোম্পানি হিসেবে লাইসেন্স চায় এবং সেটিই পেয়েছে। কিন্তু সফটওয়্যারের নাম করে ট্যাক্সি ব্যবসা করায় সরকার এই পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।

Uber-TechShohor
তবে এর জন্য আগামী ১১ আগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে সেই সিদ্ধান্ত জানার জন্য, যে তাইওয়ান সরকার উবারকে সেদেশে নিষিদ্ধ করবে নাকি অন্যকোনো পথ খোলা রাখবে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা রাখছে বলে জানায় ইউয়ান সরকার।

বুধবার সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় তারা আগামী সপ্তাহেই বিষয়টি নিয়ে একটি সভা করবে।

উবার দেশটির আইন-কানুন মেনে ব্যবসা করছে না বলে স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন ইউয়ান সরকারের একজন মুখপাত্র টং জিউয়ান।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যার মাধ্যমে একটি প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে ব্যবসা পরিচালনার দিকে মনোযোগ দেওয়া হতে পারে বলে জানান তিনি। যার সিদ্ধান্ত খুব দ্রুতই পাওয়া যাবে।

তবে তাইওয়ানে বিভিন্ন অভিযোগে বেশকিছু উবার চালককে ৬৫ মিলিয়ন তাইওয়ানিজ ডলার জরিমানা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন যোগযোগ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিং কিউ হেসিয়েন।

বাংলাদেশেও উবার তাদের কার্যক্রম শুরু করবে বলে অনেকদিন আগেই খবর বেরিয়েছে। কিন্তু কবে নাগাদ কার্যক্রম শুরু করবে তা এখনো নির্দিষ্ট নেই।

বিবিসি অবলম্বনে ইমরান হোসেন মিলন

এমবিলিয়ন্থ জিতেছে বাংলাদেশের তিন উদ্যোগ

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : মোবাইল খাতের উদ্ভাবন নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় পুরস্কার ‘এমবিলিয়ন্থ’ জিতেছে বাংলাদেশের তিন উদ্যোগ।

তিনটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে এই উদ্যোগগুলোকে বিজয়ী হিসেবে নির্ধারণ করেছে এমবিলিয়ন্থ কর্তৃপক্ষ।

এবারের আয়োজনে জনবসতি এবং নগরায়ণ বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) উদ্যোগের ‘বাংলাদেশ ইমারজেন্সি সার্ভিসস’ প্রকল্প। বিজনেস অ্যান্ড কমার্স বিভাগে দেশে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে গড়ে ওঠা দেশীয় মার্কেটপ্লেস অ্যাপবাজার এবং সরকার ও নাগরিক সম্পৃক্ততা বিভাগে ভ্যাট চেকার অ্যাপ্লিকেশন যা সরকারের কোষাগারে জনগণের দেওয়া ভ্যাট জমা পড়ছে কিনা তা জানার মোবাইল অ্যাপ এই পুরস্কার পেয়েছে।

আরও পড়ুন: এমবিলিয়ন্থ পেল অ্যাপবাজার

mbillion-techshohor

শনিবার ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের এমবিলিয়ন্থ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখায় এই পুরস্কার দেওয়া হয়।  ২০১০ সাল থেকে প্রতি বছর দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল মোবাইল উদ্যোগগুলোকে এই স্বীকৃতি জানিয়ে আসছে কর্তৃপক্ষ।

ভারতে অবস্থানরত অ্যাপবাজারের প্রধান নিবার্হী শফিউল আলম টেকশহরডটকমকে জানান, আন্তর্জাতিক এমন একটি আয়োজনে আসতে পেরে ভালো লাগছে। অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। পুরস্কার পাওয়ার অনুভুতি সব সময় আনন্দের। চেষ্টা করবো অ্যাপবাজারকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে।

উল্লেখ্য ২০১৫ সালে বিকাশ লিমিটেড, আইসিটি বেইজড লাইভস্টক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম,  বইপোকা, শিক্ষক ডটকম, মায়া আপা এবং  টকিং আই’স প্রকল্প মোবাইল খাতের উদ্ভাবন নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় পুরস্কার‘এমবিলিয়ন্থ’ জিতেছিল।

ফ্রান্স হামলায় বার্তা পাঠাতে ব্যর্থ মোবাইল অ্যাপ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গত মাসেই ফ্রান্স সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জরুরী অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক করে এমন একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্মুক্ত করেছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার ফ্রান্সের সমুদ্রতীরবর্তী নিশ শহরে ট্রাক নিয়ে হামলা করলে সেই অ্যাপের সাহায্যে অনেকেই তাৎক্ষণিক সাহায্য চেয়ে বার্তা পাঠায়। তবে সেই বার্তা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে ঘটনা ঘটার তিন থেকে চার ঘণ্টা পর।

অ্যাপটির নাম এসএআইপি। যা ইউরো ২০১৬ ফুটবলের আসরকে সামনে রেখে উন্মুক্ত করেছিল ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যাতে কাছে কোথাও কোনো দুর্ঘটনা বা কোনো আক্রমণ হরে ব্যবহারকারীরা বার্তা পাঠিয়ে তাৎক্ষণিক সাহায্য পায়।

Police-Franch-Techshohor
কিন্তু সেদিনের ওই ঘটনায় অ্যাপটি তাৎক্ষণিক কোনো নোটিফিকেশন দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ওই বার্তা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছাতে নিয়েছে তিন ঘণ্টার বেশি সময়।

অ্যাপটির এমন সময়ক্ষেপণে এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে সমন পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ভবিষ্যতে যেনো অ্যাপটি এমন কোনো ত্রুটিতে না পড়ে সেদিকেও নজর দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

অ্যাপটি ডিজাইন ও তৈরি করেছে ফ্রান্সের একটি প্রতিষ্ঠান ডেভরিওয়্যার। তারাই এটি দেখভালের কাজ করে। প্রতিষ্ঠানটি সতর্কবার্তা পেয়েও কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে দেরি করেছে বলে একটি পত্রিকাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে ইমরান হোসেন মিলন

আরও পড়ুন: 

নারী নির্যাতন রোধে মন্ত্রণালয়ের অ্যাপ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টার নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বা অ্যাপ তৈরি করেছে। ‘জয় : নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধে একটি আইসিটি ভিত্তিক টুল’ নামের ওই অ্যাপ বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিনে উদ্বোধন করা হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর ইস্কাটনের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা জানান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি।

তিনি বলেন, নির্যাতনের শিকার হতে যাচ্ছে বা হয়েছেন এমন পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিকার পেতে এই অ্যাপ কাজে দেবে।

Nari-techshohor
অ্যাপটি স্পর্শ বা ওপেন করার সঙ্গে সঙ্গে বিপদ সংকেতসহ একটি বার্তা চলে যাবে নির্দিষ্ট কিছু নম্বরে। সেটা হতে পারে পরিবারের সদস্য, সংশ্লিষ্ট থানা এবং নারী নির্যাতন প্রতিরোধের ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টার (১০৯২১) ও পুলিশ কন্ট্রোল রুমে। ওই বার্তায় জানিয়ে দেওয়া হবে সাহায্য চাওয়া ব্যক্তির ঠিকানা।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঘটনার সময় প্রয়োজনীয় সাহায্য চাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এছাড়াও উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে অনেকসময়ই অপরাধী পার পেয়ে যায়। এসব সমস্যা সমাধানের জন্যই এই অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম বলেন, মোবাইল অ্যাপটিতে স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইলের দুটি ক্যামেরাও কাজ শুরু করবে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি তুলে সংরক্ষণের পাশাপাশি পাঠাবে সাহায্য চাওয়া ঠিকানাগুলোতে।

তবে অ্যাপটি নারী নির্যাতন প্রতিরোধে করা হলেও এটি পুরুষরাও ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানান সচিব।

ইমরান হোসেন মিলন

আরও পড়ুন: 

অপরাধী শনাক্তে কলকাতা পুলিশের মোবাইল অ্যাপ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ১৯৯৪ সালে বেদন স্ট্রিট এলাকায় একটি মার্ডার কেসের ঘটনায় কলকাতা পুলিশ প্রথমবারের মতো নিহত ব্যক্তির কঙ্কাল প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করেছিল। নিহত ব্যক্তির হারগুলো জোরা দিয়ে কঙ্কালটি গঠন করেছিলেন সেন্ট্রাল ফরেনসিকস ল্যাবরেটরির বিশেষজ্ঞরা। এই প্রমাণের ভিত্তিতেই হত্যাকারীকে শনাক্ত করা হয়। আদালত হত্যাকারীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

গত ২২ বছর ধরে ফরেনসিক বিজ্ঞান ব্যবহৃত হয়েছে আসছে অপরাধী শনাক্তে। তবে প্রযুক্তির উৎকর্ষের যুগে এই বিজ্ঞান এখন বেশ পুরনো।

আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে কলকাতা পুলিশেও। সম্প্রতি কলকাতা পুলিশ নিজস্ব একটি মোবাইল অ্যাপলিকেশন তৈরি করেছে। যা দিয়ে অপরাধীদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য মুহূর্তেই জানা যাবে। শুধু তাই নয়; অপরাধীদের ছবি তুলে অ্যাপটিতে রাখা হলেই জানা যাবে তার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।

মোবাইল-অ্যাপস-ডেভেলপমেন্ট-টেকশহর

কলকাতা পুলিশের দক্ষিণ সুবারবান জোনের ডেপুটি কমিশনার সন্তোষ পাণ্ডের উদ্যোগে তৈরি হয়েছে এই অ্যাপটি। এখনো অ্যাপলিকেশনটির নাম ঠিক হয়নি। তবে এম-ওয়াচ বা মোবাইল ওয়াচ নামে ডাকা হতে পারে এটি।  অ্যাপটি পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তাদের মুঠোফোনে ইনস্টল করা হবে। ইতিমধ্যে এটির পরীক্ষামূলক ব্যবহার সম্পন্ন হয়েছে এবং এতে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে।

অ্যাপটির কার্যকারিতা সম্পর্কে সন্তোষ পাণ্ডে বলেন, এই অ্যাপে থানায় রেকর্ড হওয়া বিভিন্ন অপরাধের খুঁটিনাটি ও অপরাধীদের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য থাকবে। পাশাপাশি অ্যাপটি লালবাজার থানার অপরাধপঞ্জীর সঙ্গে যুক্ত করে দেয়া হবে। এতে কলকাতা পুলিশ এলাকার সব ধরনের তথ্য অ্যাপটিতে যুক্ত হয়ে যাবে। অ্যাপে মোট ৫১টি বিভাগে অপরাধের তথ্য ঠাসা থাকবে। কোনো অপরাধীর ছবি তুলে অ্যাপটিতে সংযোজন করলেই তার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে দেবে অ্যাপটি।

মি. পাণ্ডে বলেন, অ্যাপটিতে গ্রেফতার হওয়া নারী ও পুরুষ অপরাধীদের বিস্তারিত তথ্য, শারীরিক কাঠামো, তারা যে ভাষায় কথা বলে, যেসব অঞ্চলে অপরাধ কার্যক্রম সংঘটিত করে এমনকি অপরাধ করার সময় তারা কী ধরনের আচরণ করে তাও অ্যাপটি জানিয়ে দেবে।

তিনি আরও বলেন, অ্যাপটির শতভাগ সফলতার জন্য অপরাধীদের আরও বিস্তারিত তথ্য সংযোজন করতে হবে। আমরা আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে এটির কার্যক্রম চালাচ্ছি। খুব শিগগির অ্যাপটি দিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হবে। এই ডিভিশনে অ্যাপটি সাফল্য পেলে ভবিষ্যতে তা অন্য থানাতেও ব্যবহার করা যাবে।

ইটিটেলিকম অবলম্বনে শামীম রাহমান

মোবাইল অ্যাপে সিসিমপুর

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : জনপ্রিয় টিভি কার্টুন শো সিসিমপুর নিয়ে এবার মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন চালু হয়েছে। ‘এখানেই সিসিমপুর’ নামের অ্যাপটিতে অনুষ্ঠানটির নানা তথ্য জানা যাবে।

অ্যাপটি সিসিমপুর কোন চ্যানেলে, কবে, কখন প্রচারিত হয় এসব তথ্য জানাবে। পাশাপাশি এই অ্যাপ শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সচেতনতামূলক নানা ধরনের টিপসও দেবে।

sisimpur

এ ছাড়াও এ অ্যাপে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের গেইমস এবং বই কেনার সুযোগ। অ্যান্ড্রয়েড প্লাটফর্মে নির্মিত ৪.৮ মেগাবাইট সাইজের অ্যাপটি গুগল প্লেস্টোর থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

আহমেদ মনসুর

ম্যারাথনের পথ দেখাবে ‘রান বাংলাদেশ’ অ্যাপ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ‘রান বাংলাদেশ’ নামের একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্মোচন করেছে এভারেস্ট একাডেমি। শনিবার দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিতব্য ‘নীলসারগ গ্রুপ আন্তর্জাতিক স্কাই ম্যারাথন’ উপলক্ষে অ্যাপটি উন্মোচন করা হয়েছে।

১৬ জানুয়ারি বান্দরবনে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হবে স্কাই ম্যারাথন। এই ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারী দৌড়বিদদের সহজে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে রান বাংলাদেশ।

বান্দরবন-রুমা সড়কের ওয়াই জংশনের কাছ থেকে শুরু হয়ে ২১.১ কিলোমিটারের এই স্কাই ম্যারাথন শেষ হবে বান্দরবন স্টেডিয়ামে গিয়ে।

run bangladesh

আর অ্যাপটির সাহায্যে গন্তব্যে পৌঁছানোর নির্দেশনা পাওয়া যাবে। অ্যাপটিতে ওই এলাকার দর্শনীয় স্থানও সংযোজন করা হয়েছে। এছাড়া অ্যাপটির বিভিন্ন ফিচারে থাকছে কে কত দূরত্ব পেরোলো, কার কত দূরত্ব বাকি, রানারের কতটুকু শক্তি ব্যয় হচ্ছে, দৌড়ের গতি কত, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন গতি ইত্যাদি জানা যাবে।

শনিবার বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ) অফিসে অ্যাপটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আকতারুজ্জামান খান কবির।

বিশেষ অতিথি তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা জব্বার, বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট জয়ী মুসা ইব্রাহীমসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ইমরান হোসেন মিলন

ছুটির দিনের জন্য সঙ্গী খুঁজে দেবে মোবাইল অ্যাপ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ছুটির দিনটাকে আনন্দময় করতে কে না চায়। কিন্তু চাইলেও দিনটাকে আনন্দময় করা যায় না। কারণ, সপ্তাহের এই একটা দিনও দেখা যায় সময় কাটানোর জন্য কোনো বন্ধু বা বান্ধবীকে পাওয়া যাচ্ছে না। যার সাথে যোগাযোগ করা হয় সেই জানায়, ‘সময় নেই’!

এক্ষেত্রে মুশকিল আসান হতে পারে ‘হু’জ ডাউন’ নামের এক মোবাইল অ্যাপ। এটি সহজেই ছুটির দিনের সময় কাটানোর সঙ্গী বা সঙ্গিনী খুঁজে দেবে।

অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস ব্যবহারকারীদের জন্য সদ্য উন্মোচন করেছে গুগল।

Google Who's Down for Android, iOS Shows Friends Free to Hang Out

অ্যাপটি ডাউনলোড করে ব্যবহারকারী ছুটিতে আছেন বা ‘ডাউন’ জানালেই তার স্ট্যাটাস জেনে যাবে বন্ধুরা। এই অ্যাপে ছুটিতে থাকার সময়ের ব্যাপ্তিও উল্লেখ করা যাবে। শুধু তাই নয়, বন্ধুদের কেমন সঙ্গ চাইছেন তাও এই অ্যাপের মাধ্যমে জানানো যাবে।

হু’জ ডাউন গুগলপ্লে ও অ্যাপস্টোর থেকে ডাউনলোড করা যাবে। অ্যাপটির অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণের ওজন ৫ দশমিক ৭ এমবি এবং আইওএস সংস্করণের ওজন ১৬ দশমিক ২ এমবি।

এনডিটিভি অবলম্বনে আহমেদ মনসুর