প্রতিদিনের কেনাকাটায় এলো নিত্যপণ্য ডটকম

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : নাগরিক জীবনে প্রতিদিন বাজারে যাতায়াত সমস্যা লাঘব করতে যাত্রা করেছে  নিত্যপণ্য ডটকম নামের একটি অনলাইন কেনাকাটা সাইট।

এই সাইটটিতে নিত্যদিনের কাঁচা বাজার যেমন, শাক-সবজি, তাজা মাছ, মাংস, চাল-ডালসহ ফ্যাশন, ইলেকট্রনিক্সসহ নানা ধরনের পণ্য পাওয়া যাবে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি(বিসিএস) ইনোভেশন সেন্টারে বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার নিত্যপণ্য ডটকমের উদ্বোধন করেন।

Nittoponno-techshohor

তিনি বলেন, দেশ ডিজিটালের সঙ্গে সঙ্গে ই-কমার্স জনপ্রিয় হচ্ছে। এটি শুধু ই-কমার্স নয় এটি ডিজিটাল কমার্সও।এখন আইনগত সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করছেন তারা। আর পণ্য ডেলিভারি থেকে শুরু করে প্রতি পদক্ষেপে যেসব বাধা রয়েছে সেগুলোকে দূর করতেও কাজ করা হচ্ছে বলে বলেন বিসিএসের সাবেক এই সভাপতি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিএস মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার, ই-ক্যাব সভাপতি রাজিব আহমেদ এবং নিত্যপণ্য ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক টি এইচ মোস্তফা দিপু।

ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার বলেন, কেনাকাটার জন্য নিত্যপণ্য ডটকম ওয়ান স্টপ সলিউশন হিসেবে কাজ করবে। বিসিএসের সদস্যরা যেসব পণ্য বিক্রি করে তা ডেলিভারি দিতে যাতে কোনো সমস্যা না হয় এবং পথে ঘাটে সমস্যাগুলোর সমাধানে তারা দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার চেষ্টা করেন। এই প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও তাই হবে বলে জানান তিনি।

ই-ক্যাব সভাপতি রাজীব আহমেদ বলেন, ডেলিভারির সময়টা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সকালে অর্ডার দিয়ে যেন পণ্য পেতে বিকেল না হয় সেদিকে নজর দিতে হবে।

সাইটের পাশাপাশি ফেইসবুক পেইজ থেকেও কেনাকাটা করা যাবে।

ইমরান হোসেন মিলন

কৃষির উন্নয়নে একসঙ্গে বেসিস ও ইউএসএইড

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলাদেশের কৃষি খাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি ও সংশ্লিষ্টদের মানোন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) ও ইউএসএইড। সোমবার বেসিস সভাকক্ষে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বারের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইউএসএইড’স এগ্রিকালচারাল ভ্যালু চেইনস (এভিসি) প্রকল্পের চিফ অব পার্টি মাইকেল ফিল্ড, আইসিটি মার্কেট স্পেশালিস্ট মাসুদ রানা ও বেসিসের পরিচালক উত্তম কুমার পাল।

BASIS & USAID Meeting-techshohor

বৈঠকে উভয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কৃষির জন্য তথ্যপ্রযুক্তি টুলস উদ্ভাবন, কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, গবেষণা ও যারা এসব টুলস ব্যবহার করতে চায় তাদের সহযোগিতার বিষয়ে যৌথভাবে কাজ করার কথা জানানো হয়। একইসাথে বেসিসের সদস্য কোম্পানিরা যাতে এই প্রকল্পের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করতে পারে সেজন্য তাদের মানোন্নয়নে ও দক্ষতা উন্নয়নে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

এ বিষয়ে শিগগিরই বেসিস ও ইউএসএইডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হবে বলে বৈঠকে জানানো হয়। আগামী ২০১৮ সালের জুন এর মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

ইমরান হোসেন মিলন

তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তির উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তি পেশায় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে দিক নির্দেশনা দিতে একটি সেমিনার করেছে বাংলাদেশ আইসিটি ইনোভেশন ফোরাম।

তথ্যপ্রযুক্তি ব্যাকগ্রাউন্ড ছাড়াও যে এই খাতে দক্ষ উদ্যোক্তা হওয়া সম্ভব সে সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে অনুষ্ঠানটিতে।

সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সভাপতি মোস্তাফা জব্বার।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আইসিটি ইনোভেশন ফোরাম গঠিত হওয়ায় আমি ব্যক্তিগতভাবে আনন্দিত। এধরনের ফোরাম দেশের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে নিঃসন্দেহে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

tech-meetup-techshohor

আজকের তরুণ সমাজই আগামী দিনের দেশ গড়বে। তরুণ সমাজ যত বেশি ইনোভেটিভ চিন্তা করবে দেশের পরিবর্তনে ততবেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জুমশেপার এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও কাওসার আহমেদ। আইটি বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও আইটি উদ্যোক্তা হিসেবে কিভাবে সফলতা পাওয়া যেতে পারে এ বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে অংশগ্রহণকারীদের দিকনির্দেশনামূলক বিভিন্ন কথা বলেন কাওসার।

তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই প্রতিষ্ঠা করেছেন পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম জুমলা টেম্পলেট কোম্পানি ‘জুমশেপার’। এসময় তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তা হওয়ার বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।

অনুষ্ঠানের আয়োজক ‘বাংলাদেশ আইসিটি ইনোভেশন ফোরাম’ এবং ‘স্পেস অ্যাপস বাংলাদেশ’ এর আহ্বায়ক আরিফুল হাসান অপু বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের দেশের তরুণরা যেসব চড়াই-উতরাইয়ের সম্মুখীন হন সেগুলোর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং সেগুলো কিভাবে অতিক্রম করা যায় এ বিষয়ে তাদের দিক নির্দেশনা দেয়া এধরনের কার্যক্রমের প্রধান উদ্দেশ্য।

তিনি জানান, বাংলাদেশ আইসিটি ইনোভেশন ফোরাম সারাদেশে এধরনের অনুষ্ঠান করবে। এই কার্যক্রম অংশগ্রহণকারীদের আইটি বিষয়ে ইনোভেটিভ আইডিয়াগুলোকে এগিয়ে নিতে সহায়তাও করা হবে।

এই অনুষ্ঠান আয়োজনের সহযোগিতায় ছিল স্পেস অ্যাপস বাংলাদেশ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, প্রিজম ইআরপি এবং ইএমকে সেন্টার।

ইমরান হোসেন মিলন

দক্ষতা উন্নয়নে বিআইটিএমে আটটি ব্যাচের প্রশিক্ষণ শুরু

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের শীর্ষস্থানীয় দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)-এ ডিজিটাল মার্কেটিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট-পিএইচপি, প্রাকটিক্যাল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) এবং আইটি সাপোর্ট টেকনিক্যাল বিষয়ে নতুন ৮টি ব্যাচের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ বিআইটিএম ল্যাবে শুরু হওয়া প্রশিক্ষণগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার।

unnamed

এসময় বেসিস সভাপতি বলেন, দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের এখন উড্ডয়নের সময়। এজন্য প্রয়োজন দক্ষ জনশক্তি। একদিন দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের চাহিদা মিটিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীরা চাকরি পরিমাণ বাড়বে।

তিনি বলেন, অনেকেই নিজেকে দক্ষ করে তুলে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে অন্যদেরকে চাকরি দেবে। সেই লক্ষ্যেই সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে বেসিস-বিআইটিএম কাজ করছে।

বিনামূল্যের এসইআইপি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ইতিমধ্যে প্রায় ৬ হাজার তরুণ-তরুণী বিআইটিএম থেকে প্রশিক্ষণ শেষ করেছে। ২০১৮ সাল নাগাদ মোট ২৩ হাজার তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে জানান বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার।

প্রশিক্ষণটি এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইআইপি)-এর অধীনে এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)-এর তত্ত্বাবধায়নে পরিচালিত হচ্ছে।

ইমরান হোসেন মিলন

গেইম-অ্যাপসে ১০ হাজার ডেভেলপার তৈরির প্রস্তুতি শুরু

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : শত কোটি ডলারের গেইম ও অ্যাপের বিশ্ববাজার ধরতে প্রস্তুতি শুরু করেছে সরকার। এ জন্য বেসরকারি খাতের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার কথা জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তারই পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে রোববার ‘মোবাইল গেইমের বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের প্রস্তুতি’ নিয়ে একটি ব্রিফিংও করেছেন প্রতিমন্ত্রী।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) মিলনায়তনে ওই ব্রিফিংয়ে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, চলতি বছরে বিশ্ববাজারে মোবাইল গেইমের ৯৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। যেখানে মোবাইল গেইমের বাজার রয়েছে ৩৬ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। সেই বাজার ২০১৮ সালের মধ্যে ১১৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে। যেখানে ৪৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার আসবে শুধু মোবাইল গেইম থেকে।

App-Mobile game-techshohor
সেই বড় বাজারে বাংলাদেশকে নেতৃত্বস্থানীয় অবস্থানে নিয়ে যেতে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ২৮২ কোটি টাকার ‘মোবাইল গেইম ও অ্যাপ্লিকেশনের দক্ষতা উন্নয়ন’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে ১০ হাজার ডেভেলপার তৈরিসহ নানা ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানান  জুনাইদ আহমেদ পলক।

সেই প্রস্তুতি হিসেবে প্রকল্পটির আওতায় দেশের সাতটি বিভাগীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপস এবং গেইম ডেভেলপমেন্ট একাডেমি, ৩০টি জেলার স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোবাইল গেইম ও অ্যাপ ল্যাব, অ্যাপ টেস্টিং ল্যাব ও ট্রেনিং পয়েন্ট স্থাপন করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী পলক।

এজন্য পূর্ণাঙ্গ অ্যাপস ডেভেলপার হিসেবে আট হাজার ৭৫০ জনকে এবং গেইমিং অ্যানিমেটর হিসেবে দুই হাজার ৮০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে।  এসব কাজে সরকারকে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশষ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সহ বেসরকারি খাতের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

এছাড়াও প্রকল্পে অধীনে অনলাইন কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স টেস্টিং ও বাছাইকরণ, ইন্ডাস্ট্রিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা, ভেঞ্চার সংশ্লিষ্ট উদ্যোগ ও কার্যক্রমে সহায়তা করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে পলক বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যারা আছেন তাদের নিয়ে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ইন্ডাস্ট্রিকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে হবে।

দেশে মেধাবী লোকের ঘাটতি নেই এবং সরকার সবসময় এসব বিষয়ে আন্তরিক জানিয়ে বলেন, মোবাইল ও অ্যাপ ডেভেলপার যারা আছেন তারা এটিকে আপনাদের প্রকল্প ভেবে এই সুযোগটা গ্রহণ করবেন। আর আমাদের জনগণের কষ্টার্জিত প্রত্যেকটি পয়সা আপনারা সঠিকভাবে ব্যবহার করবেন।

জনগণের ২৮২ কোটি টাকা সঠিকভাবে ব্যবহার করে যেন দুই হাজার ৮২ কোটি টাকার ইন্ডাস্ট্রি তৈরি করা সম্ভব হয় এবং মোবাইল গেইমে বিশ্বদরবারে দেশের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য নিয়ে এগোনোর জন্য সেমিনারের আয়োজন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

এ আগে গত ১৪ জুন মোবাইল গেইম ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বা অ্যাপ উন্নয়নে ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নিয়ে ২৮২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি(একনেক)।

সেসময় পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল দেশের ১১ কোটি মোবাইল ব্যবহারকারীর কথা মাথায় রেখে ‘মোবাইল গেইম ও অ্যাপস ল্যাব’ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ২০১৮ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান।

ব্রিফিং এ উপস্থিত ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, অতিরিক্ত সচিব সুশান্ত কুমার সাহা, বেসিস জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রাসেল টি আহমেদ, বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার, ভেঞ্চার ক্যাপিটালের পার্টনার শামীম আহসান, তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মুনির হাসানসহ আরও অনেকে।

ব্রিফিংয়ের পরে ‘মোবাইল অ্যাপস ও গেইমিং ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে অগ্রযাত্রা’ শিরোনামে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইমরান হোসেন মিলন

৯ হাজার টাকায় উইন্ডোজ ট্যাব

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : মাত্র ৮ হাজার ৯৯৯ টাকায় উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম চালিত ট্যাব বিক্রি হচ্ছে স্মার্টফোন ও ট্যাব মেলাতে। মেলার প্রবেশ পথে বিজয় ডিজিটালের স্টলে বিক্রি হচ্ছে এই ‘স্বদেশ ট্যাব’। ওকে মোবাইলের এই ট্যাবে অ্যাপ্লিকেশন ও কন্টেট সাপোর্ট দিয়েছে বিজয় ডিজিটাল। এই ট্যাবে শিশু উপযোগী পাঠ্য বইসহ শিক্ষামূলক অনেক অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে।

৮ ইঞ্চি ডিসপ্লে ট্যাবটির রেজ্যুলেশন হলো ৮০০*১২৮০। এতে রয়েছে এটম প্রসসের এবং ১ গিগাবাইট র‍্যাম। স্টোরেজ সুবিধায় ১৬ গিগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজ। রয়েছে ইউএসবি ক্যাবল, অডিও জ্যাক এবং মাইক্রো এসডি কার্ডের পোর্ট। ব্যাটারি ব্যাকআপে ৪ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি।
DSC_1578

ট্যাবটির সাথে পাওয়া যাবে কিবোর্ড ও হেডফোন। ফলে ট্যাবের পাশাপাশি কিবোর্ডটি ব্যবহার করে ল্যাপটপের মতই ব্যবহার করা যাচ্ছে এই ডিভাইসটি।

তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও বিজিয় ডিজিটালের প্রধান নিবার্হী মোস্তাফা জব্বার টেকশহরডটকমকে জানান, এই ট্যাবটি বিশেষ করে শিশুদের শিক্ষার কার্যক্রমের জন্য তৈরি করা হয়েছে। ট্যাবটি হার্ডওয়্যার ভালো মানের। ইতোমধ্যে নেত্রকোনায় আরবার একাডেমি স্কুলে ৪০ জন প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের এই ট্যাব দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, পরবর্তীতে ট্যাবটিতে আরও শিক্ষামূলক অ্যাপ যুক্ত করা হবে।

রাজধানী বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপি  স্মার্টফোন ও ট্যাব মেলায় বিজয় ডিজিটাল স্টলে এই ট্যাব ছাড়াও শিশুদের শিক্ষামূলক নানা ডিভিডিও বিক্রি হচ্ছে।

মেলা চলবে শনিবার রাত ৯টা পর্যন্ত।