চাহিদার শীর্ষে গেইমিং মাউস

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের সবচেয়ে বড় কম্পিউটার বাজার আইডিবি ভবনের চারপাশ বেলুন এবং রঙিন ফিতায় সেজেছে নতুন রূপে। বিসিএস কম্পিউটার সিটির ১৫তম সিটিআইটি মেলা উপলক্ষ্যে সাজ সজা রব এখন এই বাজারে। আইডিবি ভবন ঘুরে দেখা গেলো ক্রেতাদের ভীড়। অনেক দোকানদার ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বেচাবিক্রিতে।

হাসিব আদনান নামে এক বিক্রেতা জানান, মেলা নিয়ে তাদের নানা আয়োজন রয়েছে। বিভিন্ন পণ্যের নানা ছাড় থাকবে। তবে এখনো নির্ধারণ করা হয়নি ছাড়গুলো। তবে মূল্য ছাড়া ও প্রেনড্রাইভ, অ্যান্টিভাইরাসসহ বিভিন্ন পণ্য উপহার হিসেবে থাকবে।

তবে মেলার আগেও বেচাবিক্রি অনেকটাই ভালো বলে জানান তিনি। তেমটা বোঝাও গেল কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বলে। তারা জানান, মেলাতে পাওয়া ছাড়ের জন্য অপেক্ষা না করেই তাদের প্রয়োজনীয় গ্যাজেট কিনছেন।

idb-techshohor

শোভন নামে এক শিক্ষার্থী টেকশহরেডটকমকে জানান, তার কম্পিউটারের মাউস নষ্ট হয়ে গেছে। তাই মাউস কিনতে এসেছিলেন। পছন্দমত হওয়ায় এফোরটেক ব্লাডি ভিথ্রিএম মাউসটি কিনে কিনেছেন তিনি।

বাজার ঘুরে দেখা গেলো বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মাউস রয়েছে। ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকারর বেশি দামেরও মাউস রয়েছে বাজারে।

কাজের পাশাপাশি ভিন্নরকম ডিজাইনের মাউস গেইমারদের কাছে গুরত্বপূর্ণ। কেননা কম্পিউটারটিকে সাজিয়ে নিতে চান তারা।  এক্ষেত্রে এফোরটেক ব্লাডি সিরিজের মাউজ বেশ জনপ্রিয় অনেকেই কাছে। সাশ্রয়ী দামে এক বছরের ওয়ারেন্টিসহ আকষর্ণীয় ডিজাইনের মাউস পাওয়া যাচ্ছে। ব্লাডি এ৯১ মডেলেটি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭০০ টাকা, ব্লাডি ভিথ্রিএম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ টাকায়।

রেজার ব্র্যান্ডের মাউস বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১৩ হাজার টাকায়। রেজার ডেথ অ্যাডার মাউস বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৮০০ টাকায়। রেজার নাগা কোমা মাল্টি রংয়ের মাউস ৬ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গেইমিং পণ্য বিক্রির দোকান ওয়ানস্টপের এক বিক্রেতা টেকশহরে ডটকমকে জানান, গেইমিং মাউসগুলো ভালো বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে ব্লাডি, রেজার, জিনিয়াস মাউরুজ, হেভিট ইত্যাদি ব্র্যান্ডগুলো।

আরও কয়েকটি দোকান ঘুরে দেখা যায়, গেইমার ছাড়া অফিস বা বাসায় ব্যবহারকারীদের কাছে ডেল, লজিটেক, এফোরটেক ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাউসগুলোর চাহিদা রয়েছে।

ডেলের অপটিক্যাল মাউস বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। রাপো ব্র্যান্ডের ওয়ালেস কিবোর্ড মাউসের কম্বো পাওয়া যাচ্ছে ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৬ হাজার টাকার মধ্যে।

মাউস ছাড়া প্রসেসর, ল্যাপটপ, কম্পিউটার যন্ত্রাংশ, র‍্যাম, হার্ডড্রাইভ, এসএসডি, স্পিকার ইত্যাদি পণ্যগুলোও ভালো বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা আশা প্রকাশ করছেন মেলা শুরু হলে এই বিক্রির হার আরও বৃদ্ধি পাবে এবং আরো ক্রেতা সমাগম হবে।

আরও পড়ুন: 

র‍্যাপু ৬৬১০ : ব্লুটুথে মাউস ব্যবহার, আছে বিড়ম্বনাও

এস এম তাহমিদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ল্যাপটপ বা উইন্ডোজ ট্যাবলেটের সঙ্গে প্রায় সবাই একটি ওয়্যারলেস মাউস কেনার কথা ভাবেন। ট্র্যাকপ্যাড বা টাচ স্ক্রিন যত ভালো হোক না কেন, কিবোর্ড ও মাউসের মাধ্যমে প্রায় সব কাজ আরও সহজে ও দ্রুততার সঙ্গে করা সম্ভব।

তবে ল্যাপটপে ইউএসবি বা ইউএসবি ডঙ্গল ওয়ারলেস মাউস ব্যবহার করা গেলেও, ট্যাবে সেটি বেশ ঝামেলার। মূলত এ জটিলতার সমাধান দিতেই র‌্যাপু বাজারে এনেছে ওয়্যারলেস ও ব্লুটুথ – ডুয়াল কানেকশন মাউস র‌্যাপু ৬৬১০।

এক নজরে র‌্যাপু ৬৬১০ ব্লুটুথ মাউস

  • ১০০০ ডিপিআই ইনফ্রারেড ট্র্যাকিং সেন্সর
  • ট্রাভেল সাইজ মাউস, হালকা
  • ব্লুটুথ ৩ কানেকশন
  • ব্লুটুথ ছাড়াও ২.৪ গিগাহার্জ ডঙ্গল কানেকশন
  • লেফট ও রাইট ক্লিক, স্ক্রল হুইল ও মিডল ক্লিক
  • ব্যবহারে লাগবে দুটি পেন্সিল ব্যাটারি

Rapoo-6610

ডিজাইন
ছোট্ট আকারের মাউসটি তৈরিতে মূলত দুই রঙের প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে। কালো প্লাস্টিক বডির ঠিক মাঝখানে রয়েছে সিলভার প্লাস্টিকের অংশ, যাতে র‌্যাপু লোগো ও পাওয়ার এলইডি অবস্থিত।

মাউসটিতে যেটি প্রথমেই চোখে পড়বে তা হচ্ছে এটির পাশে আর কোনো বাটন নেই – যা ট্রাভেল মাউসের ক্ষেত্রে বিচিত্র নয়। তবে থাকলে মন্দ হতো না।

এটির তলদেশে রয়েছে ব্লুটুথ পেয়ার করার বাটন, সেন্সর ও ব্যাটারি কম্পার্টমেন্ট। সেটির ভেতরে দুটি পেন্সিল ব্যাটারি লাগানোর জায়গা রয়েছে। এর ঠিক মাঝে ওয়্যারলেস রিসিভারটির অবস্থান।

যারা মাউসটি ব্লুটুথ ডিভাইসের সাথে ব্যবহার করবেন, তাদের এ রিসিভার বের করারই প্রয়োজন নেই।

Rapoo-6610-3

সব মিলিয়ে মাউসটির বিল্ড কোয়ালিটি মাঝারি মানের এবং বাটনে কোনও নতুনত্ব নেই। তবে কালো প্লাস্টিকের কারণে  হাতের ছাপ নিয়ে তেমন চিন্তা করতে হবে না।

ব্যবহারের সুবিধা-অসুবিধা
তারবিহনী মাউস নিয়ে নতুন করে খুব বেশি কিছু বলার নেই। সরাসরি ইউএসবি রিসিভারের সাহায্যে ব্যবহারের জন্য আগে এটি চালু (অন) করতে হবে। তারপর রিসিভারটি পিসির ইউএসবি পোর্টে সংযুক্ত করলেই হবে – কোনও ড্রাইভারের প্রয়োজন নেই।

মাউসটির মূল সুবিধা বলা যেতে পারে, ব্লুটুথের মাধ্যমে সংযোগের ব্যবস্থা। এটির নিচের দিকে পেয়ার বাটনটি চেপে পিসির সঙ্গে পেয়ারিং করতে হবে। তাহলে কোনো ইউএসবি সংযোগ ছাড়াই কাজ করবে।

পিসি ব্যবহারকারীদের জন্য সেটি তেমন গুরুত্বপূর্ণ না হলেও, ট্যাব ব্যবহারকারীদের জন্য এটি বেশ কাজের।

মাউসটির ওজন ও সাইজ বড় হাতের জন্য খুব বেশি সুবিধার নয়। আকারে ছোট হওয়ায় সহজেই পকেটে বা ব্যাগে বহনের জন্য আদর্শ।

প্রায় সব ডিভাইসে কোনো ড্রাইভার ছাড়া ব্যবহারযোগ্য হওয়ায় একটি মাউস অফিস ও বাসায় ব্যবহার করা যেতে পারে।

এটির ১০০০ ডিপিআই ট্রাকিং সেন্সরটি দ্রুত ও যথাযথভাবে  কার্সর নাড়াতে সক্ষম। ফলে বড় ও হাই রেজুলেশন স্ক্রিনে বা সুক্ষ কাজের জন্য বেশ কাজের। যদিও ইনপুট ল্যাগ থাকায় গেমিংয়ের জন্য ব্যবহার না করাই ভালো।

OLYMPUS DIGITAL CAMERA

মাউসটির মূল দুর্বলতা এর আকার। ছোট আকৃতির কারণে দীর্ঘ সময় ব্যবহারে হাত ব্যাথা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। সে কারণে ডেস্কটপের সঙ্গে ব্যবহারে আদর্শ নয়। এটি যাত্রা পথে বা অল্প সময় ব্যবহারের জন্য ঠিক আছে।

মূল্য

মাউসটি বাজারে ১৬০০-১৭০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে

এক নজরে ভাল

  • ছোট ও বহনযোগ্য
  • ওয়্যারলেস ও ব্লুটুথ দুটি সংযোগ ব্যবস্থা

এক নজরে খারাপ

  • ছোট মাউসটি দীর্ঘ সময় ব্যবহারের উপযোগী নয়
  • ব্লুটুথ ব্যবহারে কিছু ইনপুট ল্যাগ রয়েছে

 

 

অ্যাপলের ম্যাজিক মাউসের বিকল্প শাওমির নতুন মাউস

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : যে সকল প্রযুক্তিপ্রেমীরা অধিক দামের কারণে অ্যাপলের মাউস কিনতে পারছেন না তাদের জন্য সুখবর নিয়ে আসলো শাওমি।  অ্যাপলের ম্যাজিক মাউসের মতই নতুন মাউস নিয়ে বাজারে হাজির হয়েছে শাওমি।

সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি এমআই পোর্টেবল মাউস উন্মুক্ত করেছে। মাত্র ৯৯ ইয়ান বা ১ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ডিভাইসটি ১১ নভেম্বর থেকে বিক্রি শুরু হবে।

মাউসটির সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য ফিচার হলো, এটি একই সঙ্গে দুটি ডিভাইসে যুক্ত করে একত্রে কাজ করা যাবে। ফলে সহজেই ডিভাইস পরিবর্তন করে একটি মাউস দিয়েই কাজ করা যাবে।

mouse-techshohor

তারহীন এই মাউসটির একটি ডিভাইস ওয়াইফাই ও আরেকটি ডিভাইসে ব্লুটুথের মাধ্যমে সংযোগ দেওয়া যাবে। ল্যাপটপ, কম্পিটার, ট্যাব, মোবাইল, স্মার্ট টিভিতে ব্যবহার করা যাবে মাউসটি।

ব্যাটারিসহ ৭৭.৫ গ্রাম ওজনের মাউসটি ১০ মিটার দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, উইন্ডোজ ৭ থেকে শুরু করে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে অনায়াসে কাজ করবে এই মাউস। অ্যালমুনিয়াম সেলযুক্ত মাউসটি ১০.২*৫৭.২*২২.৬ এমএম পুরুত্ব।

১১ নভেম্বর থেকে শুধুমাত্র চীনের বাজারে বিক্রি শুরু হবে ডিভাইসটি। তবে অন্য দেশে কবে বিক্রি শুরু হবে সেই সম্পর্কে কোনো তথ্য জানায়নি শাওমি।

ম্যাশেবল অবলম্বনে তুসিন আহমেদ

দেশের বাজারে গিগাবাইটের গেইমিং মাউস

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের বাজারে এসেছে গিগাবাইট ব্রান্ডের এক্সএম-৩০০ মডেলের গেইমিং মাউস। মাউসটি বাংলাদেশে এনেছে স্মার্ট টেকনোলজিস বাংলাদেশ লিমিটেড।

প্রফেশনাল গেইমার জন্য মাউসটিতে আছে গেইমিং অপটিক্যাল সেন্সর, ৫০-৬৪০০ ডিপিআই সেন্সিটিভিটি, বিশেষ ডিপিআই সুইচ, স্ট্যান্ডার্ড থ্রিডি স্ক্রলিং, প্রতি সেকেন্ডে ১২৫০০ ফ্রেম রেট, ২০০ ইঞ্চি ট্র্যাকিং স্পিড এবং ২০ মিলিয়ন ক্লিক সুইচ লাইফ।

Gigabyte_xm300 Gaming Mouse-techshohor

এক বছরের বিক্রয়োত্তর সেবাসহ মাউসটির দাম চার হাজার টাকা।

শামীম রাহমান

শেষ হলো গ্রীষ্মকালীন ল্যাপটপ মেলা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : শেষ হলো ল্যাপটপ নিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় আয়োজন সামার ল্যাপটপ ফেয়ার ২০১৬। প্রথম দুদিনের মতো শেষ দিন রোববারও ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। উৎসবের আমেজে বিকিকিনিও হয়েছে বেশ।

এই তিনদিন বিশ্বের নামকরা সব ব্র্যান্ড তাদের ল্যাপটপ নিয়ে পসরা সাজিয়েছিল রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। তিনদিন সম্মেলন কেন্দ্রের কার্নিভাল ও হারমনি হলে মানুষের ভীড়ে তিল ধারণের জায়াগাও ছিল না।

এ ধরনের মেলাতে সাধারণত ক্রেতারা আসেন কিছুটা কম দামে ভালো পণ্যটি কেনার জন্য। পাশাপাশি বিভিন্ন ছাড়-উপহারও আকৃষ্ট করে তাদের। এবারের মেলায় বিভিন্ন ব্র্যান্ড ক্রেতাদের হতাশ করে নি। ক্রেতারা পছন্দের ল্যাপটপটির সঙ্গে পেয়েছেন মূল্যছাড়। সঙ্গে মুঠোফোন, সাউন্ডবক্স, সেলফি স্টিক, টি-শার্ট, মগসহ অসংখ্য পুরস্কার তো ছিলই।

Summer Laptop Fair last day

রাজধানীর মগবাজার থেকে মেলায় এসেছিলেন রাজিব আহমেদ। তিনি টেকশহরডটকমকে বলেন, ল্যাপটপ মেলার জন্য অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করছিলাম। প্রথম ও দ্বিতীয় দিনেও মেলায় এসেছিলাম। তবে ল্যাপটপ কিনেছি একেবারে শেষ দিনে এসে। সঙ্গে দারুণ একটি উপহারও পেয়েছি।

মেলায় সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে মধ্যম মানের ল্যাপটপগুলো। এছাড়া হাইএন্ডের ল্যাপটপেরও ব্যাপক চাহিদা ছিল। ল্যাপটপ ছাড়াও বিভিন্ন প্রযুক্তি যন্ত্রাংশ দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করেছে। বিভিন্ন প্যাভিলিয়ন ও স্টলে সেলফি স্টিক, ট্যাব, ওয়্যারলেস মাউস, ওয়্যারলেস কিবোর্ড, ব্লুটুথ হেডফোন, স্পিকার, পেনড্রাইভ প্রচুর পরিমাণে বিক্রি হয়েছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, এসব পণ্যের দাম কম হওয়ায় সব বাজেটের ক্রেতাই কিনতে পেরেছেন।

মেলায় অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিত্যনতুন ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তির গ্যাজেটগুলো বেশি বিক্রি হয়েছে। বিশেষ করে ব্লুটুথ নির্ভর গ্যাজেটগুলোর চাহিদা ছিল আকাশছোঁয়া। পাশাপাশি পোর্টেবল স্পিকার, ব্লটুথ হেডফোনও ভালো বিক্রি হয়েছে।

Summer Laptop Fair last day (1)

মেলার আয়োজক এক্সপো মেকারের পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাহিদ হাসনাইন সিদ্দিকী জানান, মেলায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় ছিলো। অংশগ্রহণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বেচাকেনা করেছে। সার্বিকভাবে সবার সহযোগিতায় সফলভাবে মেলাটি শেষ করতে পেরেছি।

এক্সপো মেকারের এটি ১৭ তম ল্যাপটপ মেলা। এই মেলায় ৪টি প্যাভিলিয়ন, ৭টি মিনি প্যাভিলিয়ন ও ৫৪টি স্টলে দেশ-বিদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বশেষ প্রযুক্তির পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করেছে।

মেলার সহ-পৃষ্ঠপোষক ছিল ল্যাপটপ ব্র্যান্ড এসার, আসুস, ডেল ও এইচপি। এছাড়া স্মার্টফোন পার্টনার হিসেবে লাভা এবং পার্টনার হিসেবে ছিল পিপলস রেডিও, টেকশহরডটকম ও এডুমেকার।

মেলার টিকিট বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌসী সোমার চিকিৎসায় ব্যয় করা হবে। তার বাবা একজন সিএনজি চালক।

শামীম রাহমান

রাপুর ডুয়েল মোড অপটিকাল মাউস

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাজারে এসেছে রাপুর ৬৬১০ মডেলের ডুয়েল মোড অপটিকাল মাউস। মাউসটি বাংলাদেশের বাজারে এনেছে গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড।

২.৪ গিগাহার্জ গতির ওয়্যারলেস কানেকশনসহ মাউসটিতে রয়েছে ব্লুটুথ সংযোগ। এই ডুয়েল মোড সংযোগের মাধ্যমে মাউসটি ১০ মিটার দূরত্ব থেকে কাজ করতে সক্ষম।

Rapoo 6610

ইনভিজিবল ট্র্যাকিং ইঞ্জিন, ন্যানো রিসিভার, ১০০০ ডিপিআই রেজ্যুলেশন এবং অ্যাফিক্সড মেটাল স্ট্রিপ স্ক্রল হুইল সম্পন্ন মাউসটিতে ৯ মাস পর্যন্ত ব্যাটারি লাইফ রয়েছে। ২ বছর বিক্রয়োত্তর সেবাসহ মাউসটির দাম পড়বে এক হাজার ৮৫০ টাকা।

শামীম রাহমান

মাউসের কার্সর লুকানোর উপায়

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : কম্পিউটারের মুভি বা ইউটিউবে কোনো ভিডিও ফুল স্ক্রিনে দেখার সময় মাউসের কার্সরটা মাঝে মধ্যেই ঝামেলা বাধায়। তখন কার্সরটাকে সরিয়ে দিতে হয়। বারবর এটা করতে হয় বলে বিরক্তিও আসে। বিশেষ করে দূরে থেকে ভিডিও দেখতে হলে বারবার মনিটরের কাছে আসতে হয়।

তবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্সরটা হাইড করা গেলে এ ঝামেলা আর থাকে নাভ কিভাবে মাউসের কার্সর স্বয়ংক্রিয়ভাবে হাইড করতে হয় তা এ টিউটোরিয়ালে তুলে ধরা হলো।

প্রথমে  অটো হাইড মাউস কার্সর সফটওয়্যারটি ডাউইনলোড করতে হবে।

তারপর সফটওয়্যারটি রান করতে হবে। এতে ডিফল্ট সময় করা থাকবে ৫ সেকেন্ডে। এটি পরিবর্তন করার জন্য বাঁয়ে নিচের দিকের স্লাইডার ব্যবহার করতে হবে।

Screenshot_1

সফটওয়্যারটির ডানের উপরের দিকের ‘অপশন’ মেন্যু থেকে ‘Always start minimized (To Tray)’ এনাবল করতে দিতে হবে।

তারপর ব্যবহারকারীর ঠিক করে দেওয়া সময়ের পরে মাউস কার্সর অটো হাইড হয়ে যাবে।

প্রতিবার কম্পিউটার চালু করার পর সফটওয়্যারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু করতে  ‘preferences’-এ ‘always start with windows’ সিলেক্ট করে রাখতে হবে।

আরও পড়ুন

ওয়্যারলেস প্রেজেন্টার মাউস আনল স্মার্ট টেকনোলজিস

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের বাজারে টারগাসের ওয়্যারলেস প্রেজেন্টার মাউস এনেছে স্মার্ট টেকনোলজিস।

এটিকে একই সাথে প্রেজেন্টার এবং ওয়্যারলেস এয়ার মাউস হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

Targus Wireless Presenter Mouse 2

মাউসটিতে লং র্যা ঞ্জ ২.৪ গিগাহার্জ ওয়্যারলেস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এতে মাউসটিকে ১৫ মিটার দূরত্বে থেকে প্রেজেন্টার বা এয়ার মাউস হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

৩ বছরের রিপ্লেসমেন্ট ওয়্যারেন্টিসহ মাউসটি দুই হাজার ৯০০ টাকায় পাওয়া যাবে।

আহমেদ মনসুর

কুলার মাস্টার স্টোর্ম অকটেন : কম দামের সেরা কম্বো

শাহরিয়ার হৃদয়, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : পিসি কুলিং এর ক্ষেত্রে বিখ্যাত কোম্পানি কুলার মাস্টার সম্প্রতি নিয়ে এসেছে একেবারে কম দামে এক অসাধারণ গেমিং কিবোর্ড। শুধু কিবোর্ড নয়, গেইমিং মাউস এবং কিবোর্ডের সমন্বয়ই হলো এই কম্বো কুলার মাস্টার স্টোর্ম অকটেন।

ডিজাইন
অনেকটা রোবটের মত দেখতে এর ডিজাইন। প্লাস্টিক প্লাস্টিক ভাব রয়েছে। অনেকের কাছে যেটা অস্বস্তিকর হতে পারে। গেইমিংয়ের সময় কিবোর্ড অনেক নড়াচড়া করতে পারে। কিন্তু এখানে তা হবে না। কিবোর্ডের চারপাশে শক্ত করে ধরে রাখার জন্য রাবারের গ্রিপ রয়েছে।

কিবোর্ডটি ব্যাকলিট। তার মানে, পেছনে সবসময় আলো থাকবে, যেটা প্রিমিয়াম কিবোর্ডেই বেশিরভাগ দেখা যায়। মাউসটাও দেখতে অনেকটা আয়রন ম্যানের মত! কিন্তু বেশ হালকা। যথাযথ বাটন গুলো ছাড়াও গেইমিংয়ের জন্য বাড়তি বাটন রয়েছে।

cooler master storm octane

পারফরমেন্স
কমদামের কম্বো হলেও এর পারফরমেন্সও খারাপ নয়। হাত খাপে খাপে বসে যায় সব বাটনে, তাই একটা চাপতে গিয়ে আরেকটা চাপার সম্ভাবনা কম। বিশেষ করে, গেমিংয়ে এ ব্যাপারটা জরুরি।

গেইমে বিভিন্ন কম্বো দ্রুততার সাথে কাজ করবে, একটুও ল্যাগ হবে না। মাউসও একই ধরনের দ্রুত এবং সঠিক রেসপন্স দেবে।

cooler master storm octane 2

ফিচার
কিবোর্ডে অনেক শর্টকাটে সেট করা যাবে। তাছাড়া মিডিয়ার জন্য প্লে-পস ইত্যাদি কিছু বাটন রয়েছে, যেগুলো খুবই কাজে আসবে।

কুলার মাস্টারের বক্তব্য অনুযায়ী, ১০ মিলিয়নের বেশি ক্লিক নিতে পারে এই স্টোর্ম অকটেন মাউস। যত খুশি ক্লিক করে শুটিং, ফাইটিং যে কোনো গেইম খেলা যাবে, মাউস নষ্ট হওয়ার ভয় নেই!

দাম
ডিভাইসটি মাত্র ৩ হাজার ৯০০ টাকায় পাওয়া যাবে।

cooler master storm octane 3

এক নজরে ভালো
– ব্যাকলিট কিবোর্ড, আকর্ষণীয় ডিজাইন
– কম দামে সেরা কম্বো
এক নজরে খারাপ
– ডিজাইন অনেকের পছন্দ না হতে পারে

এইচপির নতুন মাউস এনেছে স্মার্ট টেকনোলজিস

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : এইচপি ব্র্যান্ডের বেশ কয়েকটি নতুন মডেলের মাউস বাজারে এনেছে স্মার্ট টেকনোলজিস।

তারযুক্ত ও তারবিহীন এসব মাউস এখন সারা দেশেই পাওয়া যাচ্ছে বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে স্মার্ট টেকনোলজিস।

HP X3000 Purple

তারযুক্ত এক্স১০০০ ও এক্স৫০০ মডেলের মাউসের দাম রাখা হয়েছে ৫০০ টাকা। অন্যদিকে, তারবিহীন বাহারি রঙের এক্স৩০০০ রেড, এক্স৩০০০ ব্লু, এক্স৩০০০ পার্পল এবং এক্স৩০০০ সিলভার মডেলের মাউসের দাম ৯৫০ টাকা।

ইমরান হোসেন মিলন

লজিটেক এমএক্স মাস্টার : আকারে বড় হলেও নিখুঁত পারফর্মেন্স

শাহরিয়ার হৃদয়, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ফিচার বহুল প্রিমিয়াম মাউস বাজারে এনেছে লজিটেক। এটা একটু বেশিই হইচই করে আনা হয়েছে। লজিটেকের দাবি, এটাই তাদের এ পর্যন্ত বাজারে আনা সেরা মাউস! এর দাম সাত হাজার টাকা।

ডিজাইন
মাউসের ডিজাইন অনেকের কাছে বেখাপ্পা লাগতে পারে, আবার অনেকের কাছে দুর্দান্তও লাগতে পারে। যাই লাগুক, ধরতে খুবই আরামদায়ক হবে মাউসটি। রাবারের তৈরি হওয়াতে হাতে সবসময় গ্রিপ থাকবে। মাউসের পাশে একটা ছোট্ট বাড়তি জায়গা আছে যা দীর্ঘক্ষণ মাউস ধরে রাখলেও হাত ব্যাথা অথবা টনটন করতে দেবে না।

ব্যবহারকারীর কম্পিউটার টেবিল যে ধাতুর তৈরি হক না কেন, এটি গ্লাস, কাঠ, বিছানা যে কোন জায়গায় ব্যবহার করা যাবে। কেননা, এতে লজিটেকের ডার্কফিল্ড টেকনোলজি জুড়ে দেয়া হয়েছে।

logitech-mx-master 2

ফিচার
স্বাভাবিকভাবেই ফিচারে ভরা এই মাউস। এতে মাল্টি টাচ ট্র্যাকপ্যাড রয়েছে যা অনেক রকম গেসচার নির্ধারণ করে শর্টকাট হিসেবে কাজে লাগানোর সুবিধা দেবে। যেমন, মোবাইলে ফটো বদলানোর সোয়াইপ করার মত এখানেও টাচপ্যাডে সোয়াইপ ফটো বদলানো যাবে। ব্রাইটনেস , ভলিউমও বাড়ানো যাবে। এক কথায়, মোট ১০০ ধরনের কম্বিনেশনের শর্টকাট তৈরি করতে পারবেন মাউসটি দিয়ে!

স্ক্রলিং অত্যন্ত আকর্ষণীয়। প্রথমত, দুইটা স্ক্রোলিং হুইল দেখা যাবে মাউসে। আপনি যেই স্পিডে স্ক্রোলিং করেন, তা নিজেই শিখে নেবে এই মাউস এবং পরবর্তীতে এই স্পিডে পেইজ স্ক্রোল করবে। ম্যানুয়ালিও ঠিক করে দিতে পারবেন স্ক্রোলিং স্পিড।

পারফর্মেন্স
পারফর্মেন্স অত্যন্ত গতিশীল ও নিখুঁত। কোথায় আটকানোর সুযোগ নেই। গেইমাররা এই মাউসে বেশি আনন্দ পাবেন, বিশেষ করে শুটিং গেইমগুলোতে।

ব্যাটারি
চার্জে চালিত এই মাউস। যদি তা ঝামেলা মনে করেন তাহলে বলতে হয়, এক চার্জে চল্লিশ দিন পর্যন্ত চলবে লজিটেক এমএক্স মাস্টার।

logitech-mx-master 3

এক নজরে ভালো
– অনেক ফিচার
– নিখুঁত পারফর্মেন্স
এক নজরে খারাপ
– আকারে একটু বেশি বড়

আরও পড়ুন: