সফল ট্রাভেল ব্লগার হওয়ার ৭ টিপস

ফারজানা মাহমুদ পপি, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ঈদের সময় মজা করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। দারুণ সব জায়গায় যাচ্ছেন। মজার সব অভিজ্ঞতা হচ্ছে। এর মধ্যে কয়েকজন সেগুলো তুলে ধরছেন অনলাইন। এ থেকে আয়ও করছেন বেশ। স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে- তাই না? তবে এটি স্বপ্ন নয়, বাস্তব। বিশ্বব্যাপী ভ্রমণ ব্লগের বড় বাজার রয়েছে, এর চাহিদাও বাড়ছে।

আপনি যেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তার গল্পের ঢংয়ে তুলে ধরুন। ভ্রমন সম্পর্কে জানান। পাঠক আসবেই, যা টেনে নিয়ে আসবে বিজ্ঞাপনও। এ থেকে আয় হবে বড় অংকের অর্থ।

একজনের ভ্রমণ ব্লগারের গল্প বলি। ক্রিস্টি উডো নামের সান ডিয়াগো শহরের ৩৬ বছর বয়সী এক নারী ২০১০ সালে তার ভ্রমণ ব্লগ শুরু করেন। এর আগে তিনি নিজের হিসাবরক্ষণ ব্যবসার আর্থিক উপদেষ্টা ছিলেন।

travel-blogging-tips-TechShohor

প্রথমদিকে ব্লগ লিখে বিখ্যাত হয়ে ওঠা এ পর্যটক একটু কম উৎসাহী ছিলেন। ধীরে ধীরে তিনি অকুতোভয় গতিতে এগিয়ে চলেছেন। গত ছয় বছরে তিনি ভ্রমণ ব্লগার ও ফটোগ্রাফার হিসেবে বিশ্বভ্রমণ করেছেন। গত বছর লাখ ডলার ছিল তার বার্ষিক আয়।

বলছিলাম বিশ্বব্যাপী ভ্রমণ ব্লগের বড় বাজার রয়েছে। তবে সবার জন্য সহায়ক ও তথ্যপূর্ণ ব্লগ লেখা সহজ নয়। এজন্য আপনাকে বেশ মনোযোগী হতে হবে। অর্জন করতে হবে দক্ষতাও।

সর্বশেষ ট্রাভেল ট্রেন্ডস রিপোর্ট অনুযায়ী, ৯২ শতাংশ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী ট্রাভেল ব্লগের মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হন। এ ছাড়া প্রায় ৭২ শতাংশ লোক সোশ্যাল মিডিয়ায় তার বন্ধুদের মতামতের ভিত্তিতে ভ্রমণে স্থান নির্ধারণ ও পরিবর্তন করে থাকে।

তাই আপনি যদি ভ্রমণ করতে ভালোবাসেন ও এ বিষয়ে সবাইকে জানানোর মাধ্যমে আয় করতে চান তাহলে একজন ভ্রমন বিষয়ক ব্লগার হিসেবে কাজ শুরু করতে পারেন। একজন সফল ভ্রমণ ব্লগার হওয়ার সাতটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস দেওয়া হলো:

যথাযথ কারণ নির্ধারণ
আপনি একটি ভ্রমণ বিষয়ক ব্লগ লিখলেই সবাই পড়বে না। সেটির প্রতি অন্যদের আগ্রহ থাকতেও হবে। আপনাকে মনে করতে হবে আপনি যেখানে যাবেন সেখানকার ভ্রমণ খরচ, হোটেল ভাড়া সবাই আপনার এই লেখনীর মাধ্যমে উঠে আসতে হবে। আপনার ভবিষৎ রুপরেখা চূড়ান্ত করেই তবেই ভ্রমণ করুন ও লিখুন।

নিশ বিষয় বাছাই করুন
প্রথমদিন আপনি থাইল্যান্ডের একটি রাজকীয় হোটেল সম্পর্কে লিখলেন। দ্বিতীয়দিন আপনি বার্লিনের একটি সস্তা রেস্টুরেন্ট সম্পর্কে লিখলেন। বুঝতে পারছেন কি হবে? আপনার পাঠকরা দ্বিধান্তিত হবে।

আপনি যে বিষয়ে লিখবেন তাতে আপনার অভিজ্ঞ হতে হবে এবং নিজস্ব বিষয় থাকতে হবে। কারণ আপনার একটি নির্দিষ্ট বিষয় আপনাকে হাজারো ব্লগারের থেকে ভিন্ন করবে।

বিশ্বের সফল ব্লগাররা একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়েই লিখে থাকেন। যেমন ফিমেল ট্রাভেল, ফ্যামিলি ট্রাভেল, লাক্সারি ট্র্যাভেল, ফ্যাশন ট্রাভেল, বাজেট ইউরোপ ট্রাভেল, সিনিয়র ট্রাভেল ইত্যাদি। তাই আপনাকে প্রথমেই আপনার কাঙ্খিত পাঠক খুঁজতে হবে এবং তাদের আগ্রহের বিষয়েই লিখতে হবে।

ভালো গল্প লিখুন
সবাই একটি ভালো গল্প পড়তে চায়। তাই যখনই আপনি কোনো বিষয়ে লিখবেন তার একটি ভালো গল্প থাকতে হবে। একটি সিনেমার মতোই আপনার শুরু, মধ্যকার কাহিনী ও শেষটা ভালো হওয়া চাই। একজন নায়ক এবং ভিলেনের বাইরে অন্যদের উত্তেজনাও আপনাকে চিন্তা করতে হবে।

Travel-girl-techShohor

সমাধান দিন
মানুষ একটি সমস্যার সমাধান চায়। তারা আদ্যোপান্ত জানতে চায়। তাই আপনার ব্লগের ডিজাইনটা হতে হবে একটি সমাধানের প্লাটফর্ম। ফলে একজন পাঠকের জানার আগ্রহের শেষটা পর্যন্ত আপনাকে আপনার ব্লগেই রাখতে হবে।

তাকে যেন একই বিষয়ের আরেকটি তথ্য পাওয়ার জন্য অন্য কোনো ব্লগে ভিজিট করতে না হয়। শুধু নিজের অভিজ্ঞতা না বলে পাঠক কিভাবে আরও ভালোভাবে তার ভ্রমণটি করতে পারে সেটি জানাতে হবে।

বিস্তারিত লিখুন
আবারও বলছি, শুধু আপনার ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখলে হবে না। পাঠকদের এর বিস্তারিত জানাতে হবে। লেখার পাশাপাশি আপনাকে যথেষ্ঠ ছবিও দিতে হবে। ক্ষুদ্র কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ দেওয়া চলবে না।

প্রয়োজনীয় তথ্য যেমন বিভিন্ন খরচ, কোন সময় খোলা থাকে, কিভাবে স্থানটি সহজে খুঁজে পাওয়া যাবে ইত্যাদি ছোট ছোট তথ্যও দিতে হবে।

হাল ছেড়ে দিবেন না
কিছুদিন লিখলেন। সফলতা না দেখে হাল ছেড়ে দিলেন এমনটি করলে চলবে না। ট্রাভেল ব্লগিংয়ে সফল হতে হলে অনেক পরিশ্রম ও সময় দিতে হয়। তাই হতাশ না হয়ে অপেক্ষা করতে হবে।

ভালো ফলোয়ার পেতে পরিমানের চেয়ে বরং মানের দিকে নজর দিন। সোশ্যাল মিডিয়া, সাবস্কাইবার, মেইলিং লিস্টসহ বিভিন্নভাবে ফলোয়ার অর্জন করুন। তবে অবশ্যই স্প্যামিং করবেন না। এতে হিতে বিপরীত হবে।

Lauren-Travel-blogger-techshohor

সাধ্যের বাইরে যাবেন না
আপনি একটি স্থানে না গিয়ে ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে লিখে ফেললেন। এটি মোটেও করবেন না। একজন ভালো ট্রাভেল ব্লগার হতে খুব ভালো ব্লগিং কিংবা ওয়েব ডিজাইনে দক্ষতার প্রয়োজন নেই। এগুলো আস্তে আস্তে হয়ে যাবে। আপনাকে নিজের সাধ্যের মধ্যেই সর্বোচ্চ ভালোটা দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। তাই বলে থেমে থাকলে চলবে না।

আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, আপনি যদি পথে না নামেন তাহলে কিছুই ঘটবে না। তাই বুঝে শুনে, পরিকল্পনা করে, নিজের পছন্দের বিষয়বস্তু বুঝে এবং কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে নেমে পড়ুন। চেষ্টা থাকলে অবশ্যই সফল হবেন।

সিএনএন অবলম্বনে

ব্লগে আকর্ষণীয় শিরোনাম লেখার ৯ টিপস

মোশাররফ রুবেল, অ্যাপ ডেভেলপার  অতিথি লেখক : একজন ব্লগার খুব ভালো ব্লগ লিখছেন। নিয়মিত সেটি আপলোডও করছেন। অনেকেই তার প্রশংসা করছেন। তবে খুব বেশি সংখ্যক পাঠকের কাছে তা পৌঁছাচ্ছে না। ব্লগের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে তা পাঠক পড়ছেন কিনা কিংবা সেটির র‍্যাংক।

ব্লগ তখনি মানুষ পড়বে ও ভাল র‍্যাংক করবে, যখন ব্লগের আর্টিকেলগুলোর শিরোনাম খুব আকর্ষণীয়ভাবে লেখা হবে। একটি চমৎকার শিরোনাম অনেক অচেনা পাঠককেও লেখার মধ্যে টেনে আনবে। এ কারণে দারুণ একটি শিরোনাম লেখার বেলায় অনেক কিছু খেয়াল রাখতে হয়।

শিরোনাম কত বড় হবে, কতগুলো শব্দ ব্যবহার করা যাবে, কোন শব্দগুলো পরিহার করতে হবে ও মূল বিষয়বস্তুর সঙ্গে সেটির মিল কতটুকু তা মাথায় রাখতে হবে। এসব বিষয় মেনে শিরোনাম লিখতে খুব সহজ একটা ফর্মুলা নিয়ে আলোচনা করব- যা আপনাদের আকর্ষণীয় শিরোনাম লিখতে সাহায্য করবে।

bloging-techshohor

কার্যকরি শিরোনাম দিয়ে শুরু করুন
একটা কার্যকরি শিরোনাম হবে একেবারে সুনির্দিষ্ট। এটি আপনাকে সাহায্য করবে একটি সিংগেল ব্লগ পোস্ট তৈরি করতে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, শিশুদের স্বাস্থ্যকরভাবে বেড়ে ওঠা বিষয়বস্তু থেকে আপনি অনেকগুলো কার্যকরি শিরোনাম তৈরি করতে পারেন। যেমন-

ক) কিভাবে সঠিক পুষ্টি আপনার শিশুর হাড়কে শক্তিশালী করে

খ) শিশুদের আচরণগত শিক্ষায় পিতা-মাতাদের করণীয়

গ) শিশুদের জন্য মজাদার রেসিপি

এখানে দেখুন, প্রতিটি শিরোনাম একটির থেকে অন্যটি ভিন্ন। অথচ মূল বিষয়বস্তু শিশুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রিক। এগুলোর প্রতিটি কার্যকরি শিরোনাম হতে পারে। এগুলো ব্লগ পোস্ট লেখার জন্য সুনির্দিষ্ট ও যথেষ্ট। পরে বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে এগুলোকে ক্লিক ও সার্চফ্রেন্ডলি করে তুলতে হবে।

শিরোনামে বাহুল্য শব্দ ও বিশেষণ বাদ দিন
পরিমাণমত লেখা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে, যখনই আপনি সেখানে কোনো চালাকি করার চেষ্টা করছেন। যদি কোনো আর্টিকেল এমনভাবে লেখা হয় যেটিতে বলা হচ্ছে, ১০টি বিটুবি কোম্পানি ফেইসবুকে এমন ভাইরাল হচ্ছে যে এগুলোর আলাদা কোনো মার্কেটিং চ্যানেল দরকার নেই। তাহলে অনেকেই এ লিংকে ক্লিক করবে।

তবে এর আগে আপনার অবশ্যই নিশ্চিত হতে হবে, খবরটি সত্য। চাইলে শিরোনামের পাশে ব্র্যাকেট ব্যবহার করতে পারেন ও তাতে কিছু শব্দ লিখতে পারেন যা মূল কনটেন্টকে রিফ্লেক্ট করে। যেমন ইনফোগ্রাফিক আর্টিকেলের জন্য টাইটের পাশে ব্র্যাকেটে ইনফোগ্রাফিক কথাটি ব্যবহার করা যায়।

bloging-techshohor

ছন্দ মিলিয়ে লিখুন

ব্লগ পোষ্টের টাইটেল ছন্দ মিলিয়ে লিখতে পারেন। ব্যাপারটি পাঠককে পড়তে উত্সাহিত করে।

শক্তিশালী ভাষা ব্যবহার করুন

ভালো প্রবাদ বা ফ্রেইজ ব্যবহার করুন।

ছবির মাধ্যমে স্পষ্ট করা আছে তা লিখুন

পোস্টে কোনো ছবি যুক্ত করা হলে তা আর্টিকেলটিকে ভিন্ন মাত্রা দেয়। ছবির মাধ্যম অনেক বেশি কথা প্রকাশ করা যায়। আর্টিকেলে ছবির গুরুত্ব বেশি হলে তাহলে কৌশলে শিরোনামে তুলে ধরুন।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এ কৌশল ৩৭% বেশি কার্যকরি হয় অন্য যে কােনো শিরোনামের চেয়ে।

পাঠককে ধরে রাখতে ফোকাস করুন ‘কে’- এর উপর, ‘কেন’-এর উপর নয়। যেসব টাইটেলে ‘কে’ আছে সেগুলো ২২% বেশি কার্যকরি।

blogging-464042_960_720

শিরোনাম সংক্ষেপে লিখুন
পোস্টটাকে ভালো র‍্যাংকে রাখতে শিরোনামে ৭০ ক্যারেক্টারের বেশি লিখবেন না। এর বেশি লিখলে আপনার টাইটেল সার্চ ইঞ্জিন দ্বারা অনেকাংশ কাটা যাবে।

হাব স্পট গবেষণা অনুসারে, যেসব টাইটেল/হেডলাইন ৮-১২ শব্দের মধ্যে সেগুলো গড়পড়তা বেশি শেয়ার পেয়েছে টুইটারে। ফেইসবুকে যেসব হেডলাইন ১২-১৪ শব্দের তা সবচেয়ে বেশি লাইক পেয়েছে। তা ছাড়া, যেসব শিরোনামে আটটি শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো অন্যগুলোর তুলনায় ২১% কার্যকরি।

সার্চ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় অপটিমাইজের চেষ্টা করুন
সবসময়ই আপনার শিরােনামকে অপটিমাইজ করতে চেষ্টা করবেন। এটাই স্বাভাবিক। তবে একই সঙ্গে যদি সার্চকে অপটিমাইজ করতে চেষ্টা চালান তাহলে সেটা আরও ভালো হবে।

এ ক্ষেত্রে আপনি ওই কিওয়ার্ডগুলোকে ফোকাস করার চেষ্টা করুন, যেগুলো মানুষ হরহামেশা সার্চ করে। কিওয়ার্ডের জন্য সার্চ ভলিউমের সাহায্য নিতে পারেন।

ব্রেইনস্ট্রোম করুন
উপরের টিপসগুলো অনুসরন করে বিষয়বস্তু অনুযায়ী কম শব্দে দারুণ একটি হেডলাইন লেখার চেষ্টা করুন। হুট করে কিছু মনে আসলো আর লিখে অনলাইনে পাবলিশ করে দিলেন- সেটা ভালো কাজের উদাহরণ নয়। শিরোনাম লিখতে একটু মাথা খাটান।

ফাইনাল পাবলিশ দেওয়া আগে ব্রেনস্ট্রোমিং করেন। একই শিরোনামে বিভিন্ন শব্দ যোগ করে, ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখেন কোনটি ভালো শোনায় ও দেখায়। সঠিক কি ওয়ার্ড কোনটিতে বেশি আছে সেটিকে বাছাই করার চেষ্টা করেন।

অন্যদের সঙ্গে আলোচনা করুন
প্রয়োজেন শিরোনাম চূড়ান্ত হলে পাশের সহকর্মীর সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। তার মতামত নিতে পারেন। অনলাইনে থাকা আপনার বন্ধুর সঙ্গে কথা বলতে পারেন। কাজের জন্য অনলাইনে গড়ে তোলা সিক্রেট গ্রুপেও এক দফায় আলোচনা সেরে নিতে পারেন। সবার পরামর্শে দারুণ একটি শিরোনাম তৈরি হবে যা ব্লগে ব্যাপক হিট হবে।

rubel

আরও পড়ুন

ব্লগিংয়ে ব্যর্থ হওয়ার ৫ কারণ

মোশাররফ রুবেল, অ্যাপ ডেভেলপার  অতিথি লেখক : অনেক আশা ও উত্তেজনা নিয়ে শুরু করেছেন ব্লগিং। অন্যরা এ কাজ থেকে অনেক আয় করছে সে অনুপ্রেরণায় আপনিও নাম লিখিয়েছেন ব্লগার হিসেবে। প্রথম দিকে নবীন এসব ব্লগার যতটা উদ্যোমী থাকেন পরে নানা কারণে তাতে ভাটা পড়ে।

নবীনরা যখন ব্লগিং সাইট খোলার সিদ্বান্ত নেয়, তখন নানা রকম জড়তা তাদের আকড়ে ধরে। যার কারণে তারা সফল হতে পারে না কিংবা অনেকে এ কাজে ইস্তফা দেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, বেশিরভাগ ব্লগই শুরুর চার মাসের মাথায় বন্ধ হয়ে যায়।

বিশ্বে প্রতিদিন ১ লাখ ৭২ হাজারের বেশি ব্লগ সাইট খোলা হয়। তাহলে এত ব্লগ ঝরে পড়ে কেন- তার কিছু কারণ নিয়ে আজকের টিউটোরিয়াল।

blog-laptop-techshohor

কঠোর পরিশ্রম করার ভয়
ব্লগিং করাটা প্রচুর পরিশ্রমের কাজ। এখানে ভালো কিছু করতে হলে আপনাকে অবিশ্বাস্যভাবে পরিশ্রম করতে হবে। প্রথমে অনেক সময় ব্যয় হবে কনটেন্ট তৈরি ও প্রমোশনের কাজে।

আপনি যদি ব্লগটাকে একটা ভাল পর্যায়ে দাঁড় করাতে চান তাহলে এসইও নিয়ে কাজ করতে হবে। অন্যান্য ব্লগারদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে হবে ও অবশ্যই ভালো পোষ্ট লিখতে হবে। প্রথমে যখন অনেকে ব্লগিং শুরু করেন, তখন তারা ভাবেন যে এটা ডালভাতের মতো ব্যাপার। তবে কিছু সময় যাওয়ার পর রেসপন্স কমে গেলে তারা বোঝেন বিষয়টি মোটেও সহজ নয়। তখন অনেকেই ভয় পেয়ে তা ছেড়ে দেয়।

যারা কম পরিশ্রমে বেশি ফল আশা করেন তারা সাধারণত সহজ ও ফানি কাজ খুঁজে থাকেন। তবে সফল ব্যক্তিরা হন এর উল্টো। তারা চ্যালেঞ্জিং কাজ খোঁজেন, নিয়ম মেনে যথাসময়ে তাদের কাজ শেষ করেন এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তাদের কাক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছেন।

ব্লগিংয়ের জন্য কিছু সংখ্যক ভালো আইডিয়া জেনেরেটের মাধ্যমে আপনি সবসময় ফোকাসড থাকতে পারেন। মাঝেমধ্যে অন্যান্য স্থানীয় ব্লগারদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। তাদের নিয়ে একটি মাস্টারমাইন্ড গ্রুপ তৈরি করতে পারেন।  সমমনা ব্যক্তিদের সাথে বেষ্টিত থাকাটা আপনার অনেক কাজে আসবে।

আপনাকে অবশ্যই আপনার ব্লগের সফলতার প্রতি কমিটেড হতে হবে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণের মাধ্যমে আপানার কাজ শেষ করতে হবে। নিয়ম মেনে এ কাজগুলো করতে থাকলে ব্লগিংকে খুব বেশি কঠিন মনে হবে না। আর সাফল্য ধরা দিতে থাকলে তখন এতটুকু পরিশ্রমকে কিছুই মনে হবে না, কেননা দীর্ঘমেয়াদীতে ব্লগিং অনেক ভালো কিছু দিয়ে থাকে।

তীব্র প্রতিযোগিতার ভয়
অনেকে ব্লগিংয়ের শুরুতে চিন্তা করেন, তারা যা লিখছেন পাঠক সহজেই তা খুঁজে পেয়ে যাবেন । কিছু দিন পরেই অবশ্য তাদের এ ভুল ভেঙ্গে যায়। তারা বোঝেন তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে পাঠক তাদের সহজেই খুঁজে পান না।

প্রতিযোগিতার মধ্যে খেই হারিয়ে নবীন ব্লগাররা ভয় পেয়ে যান এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা ছেড়ে দেন। এদের অনেকের জানা নেই বর্তমানে যারা প্রভাবশালী ব্লগার এদের অনেকেই বছরের পর বছর সময় ব্যয় করেছেন শুধু বিশাল আকারের পাঠক শ্রেণী তৈরির পেছনে। সে সময়টা নবীনদের কাছে রীতিমত ভীতিকর কিছু হতে পারে।

নবীনদের মধ্যে এমন ভাবনা তৈরি হতে হবে তারাও প্রতিযোগিতায় ভালো করতে পারবেন। বর্তমানে যেসব কনটেন্ট আছে ও প্রমোশন কৌশল রয়েছে সেগুলোর চেয়ে তিনি ভালো কিছু করতে পারবেন।

সফল ব্লগাররা জানেন তার যথেষ্ট ভালো মান আছে পাঠকদের নতুন কিছু দেওয়ার মতো। যতই প্রতিযোগিতা থাকুক না কেন, তারা ঠিকই পাঠক তৈরি করার কৌশল বের করে নেন।

ব্লগে সেল করার ভয়
অনেক ব্লগারই মনে করেন আর্টকেলের সঙ্গে কিছু বিজ্ঞাপন ও অ্যাফিলিয়েট লিংক দিলে তিনি অর্থ উপার্জন  করতে পারবেন। এ প্রক্রিয়া যখন কাজ করে, তখন এটা প্রচুর ট্রাফিক নিয়ে আসে।

তাই আপনিও পণ্য, সেবা বা  নিজস্ব কোর্স বিক্রি করতে পারেন পাঠকদের কাছে। তখন আপনার অডিয়েন্স অনেক কম থাকলেও এটি আপনার ব্লগকে মনেটাইজ করার একটি কার্যকর উপায়।

আপনার মধ্যে সৃষ্টিশীল মানসিকতা তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে বিনামূল্যে অনেক তথ্য দেওয়ার মত চিন্তা থাকতে হবে। তথ্য বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করার আইডিয়াটা আপানার কাছে ‘অস্বাভাবিক’ মনে হতে পারে।

তবে তথ্য বিক্রি করার দক্ষতা ব্লগিং থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এ দক্ষতা আপনাকে শিখতে হবে। আর হ্যাঁ, আপনাকে বুঝতে হবে, কোন তথ্য পাঠকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এবং তারা কখনও কখনও তা কিনতে চাইতে পারে।

Girl-Blogger-techshohor

পরিবর্তনের ভয়
কিছু মানুষ আছে যারা পরিবর্তনকে ভয় পায়। একজন সফল ব্লগার হতে হলে আপনাকে পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলানোর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। ঘন ঘন পরিকল্পনা ও কনটেন্ট বদল করতে হলে অনেকে ভেবে থাকেন লেখার মান ঠিক রাখা যাবে না। পাঠকদের খুশি রাখতে পারবেন না বলেও অনেকের মধ্যে আশংকা থাকে।

এ ক্ষেত্রে একজন সফল ব্লগার হতে আপনাকে অবশ্যই আপনার মূল বৈশিষ্ট্য ঠিক রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, অতীতে যেভাবে আপনি খাপ খাইয়ে নিয়েছেন ভবিষ্যতেও সেভাবে করবেন।

ব্যর্থ হওয়ার ভয়
যখন কেউ ব্লগিং শুরু করে, তখন তার সবচেয়ে বেশি ভয় থাকে ব্যর্থ হওয়ার। খুবই প্রচলিত একটি প্রবাদ আছে, ব্যর্থতাই সফলতার চাবিকাঠি। তাই ব্যর্থ হওয়ার ভয় পাবেন না। কারণ ব্যর্থতাও ক্ষণস্থায়ী।

বারবার চেষ্টার পর দেখবেন আপনার ব্যর্থতা থেকেই দারুণ কিছু তৈরি হয়েছে। ওই অভিজ্ঞতা আপনাকে সফলতার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাবে।

rubel

 

 

 

আরও পড়ুন

ব্লগিংয়ে ভালো করার ১০ টিপস

মোশাররফ রুবেল, অ্যাপ ডেভেলপার  অতিথি লেখক : এমনটি ভাবার কারণ নেই আপনি লেখালেখির প্রথম দিক থেকেই খুব ভালো লিখবেন। যারা আজকে অনেক বড় ও জনপিয় ব্লগার হয়েছেন তারাও একদম প্রথমে খুব ভাল লেখেননি। নিয়মিত চর্চার মাধ্যমেই ভালো লেখা ও জনপ্রিয় ব্লগ তৈরি হয়। আপনাকেও সেই পথ অনুসরণ করতে হবে।

বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, গাইতে গাইতে গায়েন। তেমনি আপনি লিখতে লিখতে লেখক হয়ে যেতে পারেন। প্রথম পর্যায়ে আপনার লেখা বিখ্যাত বা জনপ্রিয় ব্লগারদের তুলনায় অনেক খারাপ মনে হতে পারে। সাড়াও মিলবে কম। এটাকে স্বাভাবিক হিসেবেই নিতে হবে।

আপনি যদি নিয়মিত অনেক বেশি মৌলিক কনটেন্ট লিখতে থাকেন তাহলে সেটা পরে ভালো লিখতে সাহায্য করবে। নিজের ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। ব্লগিং থেকে আমি ভালো কিছু করতে পারি- এমন বিশ্বাস আপনাকে সফলতা দেবে। আরও ভালো করতে ১০ টিপস আপনাকে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

blogging-464042_960_720

গুগুল এলার্ট সেট আপ
কি লিখবেন- লেখার বিষয় খুঁজে পাচ্ছেন না তাহলে গুগুল এলার্ট সেট করে নিতে পারেন। এটি আপনাকে সমসাময়িক বিষয় ও ঘটনাগুলো জানতে সাহায্য করবে।

এতে করে আপনি জানতে পারবেন বর্তমানে কোন বিষয়গুলো ট্রেন্ডিং আছে এবং কোনগুলো লেখার টপিক হতে পারে। মানুষ কোন বিষয় জানতে আগ্রহী তা বুঝতে সহায়তা করবে এটি। এভাবে পেতে পারেন লেখার জন্য কাঙ্খিত বিষয়।

একই রকম ব্লগ সাবস্ক্রাইব
আপনি যে রকম ব্লগে লিখছেন সেটির মতো ব্লগ সাবস্ক্রাইব করা। এর মাধ্যমে আপনি একই বিষয়ে সমসাময়িক কি ঘটছে সেটি জানতে পারবেন। অন্যদের সর্বশেষ ব্লগিংয়ের বিষয়ে খোঁজখবর রাখতে তা সহায়তা করবে।

এতে করেও আপনি ধারণা পাবেন, আপনার কি লেখা উচিত। একটা বিষয় অবশ্যই মনে রাখতে হবে, আপনার প্রতিযোগী ব্লগার যা লিখছেন তা নিয়ে হবহু লিখতে যাবেন না। তাদের লেখা যদি কোনো সমসাময়িক বিষয়ের উপর হয়, তাহলে আপনি সেটির অন্য দিক নিয়ে আলোচনা করতে পারেন।

উদাহরণ  হিসেবে বলা যেতে পারে, অন্য ব্লগ যদি বর্তমানে কোনো সমস্যা নিয়ে লেখে তাহলে আপনি সেটির সমাধান নিয়ে লিখতে পারেন। কারণ মানুষ তখন তা পড়তে আগ্রহী হবে।

পাঠক জরিপের ব্যবস্থা রাখা
আপনার লেখা যেসব পাঠক পড়বেন তারা সবসময় চান মতামত দিতে। তাই সে ব্যবস্থা রাখা ভালো। আপনি যদি ফিডব্যাক রাখার ব্যবস্থা রাখেন তাহলে সেটা পাঠক ও লেখক উভয়ের জন্য ভালো হবে। উভয়ের মধ্যে একটি যোগসূত্র তৈরি হবে।

কারণ ভালো ফিডব্যাক আপনাকে আরও ভালো লিখতে উৎসাহী করবে। অন্যদিকে পাঠক ব্লগের কার্যক্রমে অংশ নিতে পেরে আনন্দিত হবেন।

আপনি সপ্তাহে একটি করে প্রশ্ন করতে পারেন- পাঠকরা কি ধরণের লেখা চায়। এতে আপনার টপিক বাছাই করা সহজ হবে।

গেস্ট লেখককে আমন্ত্রণ জানানো
আপনার ব্লগের জন্য পোস্ট লিখতে গেস্ট ব্লগারকে আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। এর ফলে পাঠক নতুন লেখককে পেয়ে আনন্দ পাবে। এই ফুরসতে আপনি লেখার জন্য নতুন আইডিয়া তৈরি করতে পারবেন। এখন অনেকেই ব্লগ লিখতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। তাই গেস্ট লেখক পাওয়া কঠিন কিছু হবে না।

bloging-techshohor

জিজ্ঞাসার মাধ্যমে টপিক বাছাই
আপনি শুধু নিজে চিন্তাভাবনা করে কিংবা নেট সার্চ করে ভালো টপিক সংগ্রহ করে নিতে পারেন, তা নয়। মাঝে মাঝে বন্ধু-বান্ধব, আত্নীয় স্বজনকে জিজ্ঞাসা করেও তারা কি পড়তে ভালোবাসেন তা জেনে নিতে পারেন। তাদের কাছ থেকেও পেতে পারেন দারুণ সব টপিক।

নিজের ভুল নিয়ে লেখা
মানুষ সাধারণত ভুল নিয়ে লেখা পড়তে বেশি পছন্দ করে। কারণ তারা সেটা থেকে শিখতে পারে। তা ছাড়া, একটা কথা তো আছেই ব্যর্থতাই সফলতার চাবিকাঠি। তাই আপনার করা শেষ ভুলটাই হয়ে যেতে পারে লেখার টপিক।

হ্যাঁ, তবে অবশ্যই পাঠকদের জানাতে ভুলবেন না যে সে ভুল থেকে আপনি কিভাবে শিখেছেন।

সমাধানের জন্য আলোচনা করা
লেখালেখি করাটা আপনার সম্পূর্ণ নিজস্ব কাজ। এটা নিয়ে বাইরে আলোচনা না করলে মানুষ জানতেও পারবে না, কি নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে আপনার মধ্যে। তাই যে বিষয় নিয়ে চিন্তাভাবনা করছেন এবং সেটির সমাধানে পৌঁছাতে পারছেন না, তা নিয়ে বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করতে পারবেন।

আপনি যেসব আইডিয়া নিয়ে ভেবেছেন বা ভাবছেন সেগুলো কেমন হতে পারে কিংবা এসব ভাবনার সমাধান খুঁজে পাচ্ছেন না সেটি নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। এমন আলোচনা আপনার সৃজনশীলতাকে বিকশিত হতে সহায়তা করবে।

অনেক সময় এমনও দেখা যায় ব্লগারদের ব্যক্তিগত ঝুট ঝামেলার কারণে চিন্তাভাবনা এলোমেলো হয়ে পড়ে কিংবা লেখায় মনোযোগ দিতে পারেন না। আপনার ভিতরের এমন সংকট নিয়ে কাছের বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। এতে সমস্যাগুলোর সমাধান বের হয়ে আসবে। আপনি ভিন্ন ভাবে চিন্তা করতে শিখবেন।

বিতর্কিত বিষয় নিয়ে লেখা
আপনি যদি কোনো হট টপিক নিয়ে লিখতে চান, তাহলে বর্তমান সময়ের বিতর্কিত বিষয় নিয়েও লিখতে পারেন। বিতর্কিত বিষয় মানুষের মনোযোগ টানতে সাহায্য করে। এ কারণে সমসাময়িক আলোচিত বা বিতর্কিত বিষয়ের বিভিন্ন দিক আপনার লেখার আইডিয়া হতে পারে।

পাঠকদের প্রশ্ন করুণ
আপনার আশেপাশে যদি কোনো বিতর্কিত বিষয় থাকে এবং সেটির সমাধান নিয়ে আপনি সন্দিহান থাকেন তাহলে সেটা নিয়ে পাঠকদের প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন । পাঠক এ বিষয়ে কি মনে করেন তা আপনাকে নতুন কিছু লিখতে সহায়তা করবে।

একই সঙ্গে আপনার প্রতিযোগী ব্লগাররা কি সমাধান দিয়েছে তা পাঠকদের সামনে তুলে ধরতে পারেন। এভাবে পাঠকদের আপনার চিন্তার সঙ্গে সংযুক্ত করতে পারেন এবং প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যেতে পারেন।

ঘোরাঘুরির মাধ্যমে আইডিয়া পাওয়া
আপনার ভ্রমণপ্রিয় স্বত্তাকে জাগিয়ে তুলুন। টানা কাজে বিরতি দিয়ে দূর-দূরান্তে ঘুরতে চলে যান। এতে নতুন  তখন খেয়াল করা যে কে কি করছে এবং তার থেকে কি টপিক পাওয়া যেতে পারে লিখার জন্য। আমাদের আশে পাশে অসংখ্য মানুষ তাই তাদের কাজ -কর্মও ভিন্ন । এইসব কিছু খেয়াল করে আপানার ব্লগের টপিক হতে পারে।

rubel

আরও পড়ুন    

আপনার ব্লগকে আরও জনপ্রিয় করার ৫ টিপস

মোশাররফ রুবেল, অ্যাপ ডেভেলপার  অতিথি লেখক : এখন অনেকেই ব্লগিং করছেন। লেখা বা অন্যান্য কনটেন্টও ভালো হচ্ছে। এরপরও আহামরি ভিজিটর মিলছে না ব্লগে। ছোট কিছু ব্যাপার পরিহার করায় ভিজিটর হারাতে হচ্ছে অধিক সংখ্যায়। ছোট ছোট কিছু টিপস অনুসরন করলে অনায়েসে ব্লগে যেমন পাওয়া যাবে ভিজিটর, তেমনি পুরনোদেরও ধরে রাখা যাবে।

শুধু কি তাই, আরও জনপ্রিয় করতে কি করা উচিত সেটা নিয়েও কাজ করতে হবে। একজন ভিজিটর যেন একবার ব্লগে এসে চলে না যায় সেদিকেও দৃষ্টি রাখতে হবে।

ভিজিটরকে বার বার ফিরিয়ে আনা, একটির পর একটি ব্লগের আর্টিকেলের দিকে আকৃষ্ট করার জন্য করতে হবে কিছু কাজ। সেগুলো তুলে ধরতেই এ টিউটোরিয়াল।

আরও পড়ুন : ব্লগিংয়ে অ্যাডসেন্সের বিকল্প আয়ের পথ

blogging-girl-techshohor

ব্লগ শুধু আপনার কথা নিয়ে নয়
হ্যাঁ- ব্লগ শুধু আপনার চিন্তাকে ঘিরে যেন না হয়। ব্লগিং করার সময় আমরা অনেক সময় নিজের চিন্তা দিয়ে শুরু করি। ভিজিটরের সংখ্যা বেশি হলে এদের অনেকেই আপনার চিন্তা গ্রহণ নাও করতে পারে। ভিন্ন মতের ভিজিটর বেশি হলে তারা যাতে চলে না যান সেজন্য কৌশলী হতে হবে।

আপনার ব্লগ যদি ৫০ হাজার মানুষ অনুসরণ করেন, সেক্ষেত্রে তাদের এমন কিছু দিতে হবে যাতে সেটা তাদের কাছে উপকারী হয়, পড়তে আনন্দ পায় এমন কিছু নিয়ে হয়। আপনি সেলিব্রেটি না হলে এরা কেউ আপনার চিন্তার কথা শুধু শুনতে চাইবে না। তাই তাদের উপযোগী কনটেন্ট থাকতে হবে।

পাঠকদের ব্লগ পড়ার গুরুত্ব বোঝানো
মূলত এই ব্যপারটা হচ্ছে পাঠককে এমন কিছু টনিক দেয়া যাতে তাকে আপনার ব্লগ পড়তে আসতে হয়। যেমন ধরুন আপনি লিখছেন তথ্য ও প্রযুক্তি নিয়ে, এখন একজন সাহিত্য প্রেমী বা ফুড লাভার কেন আপনার ব্লগ পড়বে- সে তো প্রযুক্তির মানুষ নয়।

তাই এ ধরনের পাঠকরা আপনার ব্লগে এলে তাদের ধরে রাখা যাবে এমন কনটেন্ট দিতে হবে। তাদের ভালো লাগার বিষয় বা ব্লগে আসার কারণ খুঁজে পায় তেমন কিছু থাকতে হবে।

এ বিষয়ের পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে সব ধরনের অডিয়েন্স টার্গেট করতে গিয়ে যেন মূল টপিক থেকে ব্লগ সরে না যায়। তবে তথ্যপ্রযুক্তির ব্লগ যেন তথ্যপ্রযুক্তি নিয়েই পাঠকদের সব দিতে পারে তা সর্ব প্রথমে নিশ্চিত করতে হবে।

ফ্রেন্ডলি হতে হবে
খেয়াল রাখতে হবে সব কিছু যাতে একদম পানসে মনে না হয়। পাঠক যাতে মনে না করেন মানুষ নয়, রোবট লিখেছে এ আর্টিকেল। তাই একটু ফ্রেন্ডলি হতে হবে অবশ্যই।

তবে এ ক্ষেত্রে প্রথম পয়েন্টও খেয়াল রাখতে হবে সব কিছু আপনি কেন্দ্রিক না হয়ে যায়। এক্ষেত্রে পাঠকদের অনুরোধের টপিক নিয়ে লেখা, পাঠকদের মন্তব্যের উত্তর দেওয়াও ফ্রেন্ডলি হওয়ার অংশ।

পাঠকদের সাথে ব্লগার এর ফ্রেন্ডলি সম্পর্ক ব্লগকে জনপ্রিয় করতে বেশ অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন : ব্লগিংয়ের জনপ্রিয় ৭ বিষয়, শুরু করুন এখনই

blogging-techshohor

ম্যাটেরিয়ালস যেন সময় উপযোগী হয়
আপনি ব্লগের জন্য যা কিছু ব্যবহার করছেন, যেসব ম্যাটেরিয়ালস অনুসরণ করছেন- খেয়াল রাখতে হবে তা যেন সময় উপযোগী হয়। সময় উপযোগী বা টাইমিং ব্লগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যপার।

আপনি কি বোঝাতে চাচ্ছেন তা পাঠক যদি নিজের সঙ্গে মেলাতে না পারেন, তাহলে বুঝতে হবে আপনার আর্টিকেল সময় উপযোগী হচ্ছে না।

পাঠক যে ব্যপারটা যে সময় আশা করছে সেটির উপর নির্ভর করে আপনি যেন সরবরাহ করতে পারেন সেই ব্যপারটি নিশ্চিত করতে হবে।

পাঠক আগ্রহের চুম্বকাংশ যেন প্রথমেই থাকে
শিরোনাম দেখার পর আর্টিকেল পড়ার জন্য পাঠকের মনে এক ধরনের প্রত্যাশা তৈরি হয়ে যায়। তারপর পাঠক যখন মূ আর্টিকেল পড়া শুরু করে তখন যেন প্রথম দুই লাইন পড়েই বুঝতে পারে লেখাটি গুরুত্বপূর্ণ।

এ অংশেই পাঠককে বোঝাতে হবে সে যা চাচ্ছে সেটি কিংবা তার চেয়েও ভালো কিছু পেতে যাচ্ছে এ লেখায়। প্রথম দুই লাইন যদি ভালো কিছুর প্রতিফলন না ঘটায় তাহলে শুরুতেই পাঠক আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।

তাই খেয়াল রাখতে হবে পাঠককে পুরোটি কনটেন্টে ধরে রাখতে শুরুতেই তার মনোযোগ আকর্ষণ করতে হবে। তিনি যা চাচ্ছেন তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ যেন প্রথমেই থাকে- যা তাকে পুরো লেখা বা পরের লেখাগুলো পড়তে আগ্রহী করে তুলবে।

rubel

আরও পড়ুন: 

ব্লগিংয়ে অ্যাডসেন্সের বিকল্প আয়ের পথ

মোশাররফ রুবেল, অ্যাপ ডেভেলপার অতিথি লেখক : আয়ের জন্য গুগল অ্যাডসেন্স চমৎকার একটি মাধ্যম। কস্ট পার ক্লিক (CPC) ও কস্ট পার মাইল (CPM) এর হিসাব অনুযায়ী গুগল অ্যাডসেন্সের প্রতিদ্বন্দ্বী বলতে এখনও তেমন কেউ নেই। তবে গুগল অ্যাডসেন্সের অ্যাকাউন্ট পাওয়া ও সেটাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে আয় করা খুব সহজ কাজ নয়। তাই অনেকেরই প্রয়োজন পড়ে বিকল্প পথ।

অ্যাডসেন্সের কয়েকটি বিকল্প নিয়ে আলোচনা করা হলো এ টিউটোরিয়ালে।

অ্যাফিলিয়েশন
সাম্প্রতিক সময়ে অ্যাফিলিয়েশন মার্কেটিং তরুন ফ্রিল্যান্সারদের কাছে পছন্দের তালিকায় বেশ উপরের দিকে। ব্লগ মনেটাইজেশনের জন্য দিন দিন অ্যাফিলিয়েশন হয়ে উঠছে অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

ব্লগে কোনো পণ্যের বিজ্ঞাপন দেওয়ার পর সেটি বিক্রি হলে কমিশন পাওয়ার উপায় হচ্ছে অ্যাফিলিয়েশন। যেমন, অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েশন করা যাবে আপনার সাইটে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ এ ই-কমার্স সাইটের পণ্য আপনার সাইটের মাধ্যমে বিক্রি করে আয় করা যায়। এখন অনেকের নিশ্চিত আয়ের উৎস এটি।

google-adsense-vs-affiliate-marketing

অ্যাফিলিয়েশনে পর্যপ্ত সময় দিতে হয় ও সাইটের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন নিয়ে কাজ করতে হয়।

অ্যাডসেন্স ঘরানার অন্য মাধ্যমগুলো
কস্ট পার ক্লিক (CPC) ও কস্ট পার মাইল (CPM) এর মাধ্যমে পে করার এখন প্রচুর সাইট রয়েছে। সেগুলো ব্যবহার করেও আয় করা যায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু সাইট হচ্ছে-

ইনফোলিঙ্কস
বিডভার্টাউজার
রেভেনিউহিটস
অ্যাডভার্সাল

অ্যাডসেন্সের বিকল্প হিসেবে এ সাইটগুলো সময়ের সঙ্গে পেয়েছে জনপ্রিয়তা।

স্পন্সর আর্টিকেল
এমন অনেক সাইট রয়েছে যেগুলোতে আপনার সাইটকে সাবমিট করলে সেখানে অন্যদের প্রোডাক্ট লেখার জন্য আমন্ত্রণ পাবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে প্রতি আর্টিকেলের জন্য পে করা হবে।

১০, ২০ কিংবা ৫০ ডলারের বিনিময়ে তাদের প্রোডাক্টের জন্য আপনার সাইটে আর্টিকেল লিখতে পারেন।

4263193267_fb5cee0c57_z

এমন সাইটগুলোর মধ্যে জনপ্রিয় একটি হচ্ছে Sponsored Reviews । এতে সাবমিশনের পর তারা আপনার সাইট রিভিউ করে অনুমোদন দেবে।

এরপর যারা আপনাকে দিয়ে লেখাতে চায় তাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে আপনার সাইটের মাধ্যমে যোগাযোগ করবে। লেখা শেষ হলেই আপনাকে পে করে দেওয়া হবে।

সরাসরি বিজ্ঞাপন
এ ক্ষেত্রে কিছু কোম্পানি আছে যেখানে আপনি আপনার মতো করে বিজ্ঞাপন তৈরি করবেন এবং আপনার সাইটে স্পেস ভাড়া দিবেন। তবে এ ক্ষেত্রে আপনার সাইটকে অবশ্যই ভালো মানের হতে হবে।

ভালো পরিমানে ভিজিটর নিয়মিত আসতে হবে আপনার সাইটে। সাধারনত স্পেসের জন্য আপনাকে প্রতি মাসে পে করা হবে।

স্থানীয় কোম্পানির বিজ্ঞাপনও এ ক্যাটাগরির অন্তর্ভূক্ত। সাইটের ভিজিটর ভালো হলে কোম্পানিগুলোই আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবে। আপনার সাইটে মাসিক হিসেবে স্পেস ভাড়া দিয়ে বড় অংকের অর্থ আয় করতে পারবেন।

rubel

আরও পড়ুন

ব্লগিংয়ের জনপ্রিয় ৭ বিষয়, শুরু করুন এখনই

মোশাররফ রুবেল, অ্যাপ ডেভেলপার  অতিথি লেখক : পেশা হিসেবে অনেকেই বেছে নিচ্ছেন ব্লগিং। পাঠক যেমন বাড়ছে, তেমনি লেখালেখির এ মাধ্যম থেকে আয়ও বাড়ছে। শুধু ব্লগিং করে ও ব্লগ মনেটাইজ করে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলছেন অনেক ফ্রিল্যান্সার।

ব্লগিং শুরু করতে বিনিয়োগ কম লাগলেও পরিশ্রম একটু বেশিই করতে হয়। বেশি সময় ও শ্রম দিলে উন্নতি করার সুযোগও অনেক বেশি। নিজের মতো করে কাজ করার সুযোগও রয়েছে এ ক্ষেত্রে।

তবে বিষয় নির্বাচনের দিকে খেয়াল রাখতে হবে এবং সতর্কভাবে নির্বাচন করতে হবে। পাঠকপ্রিয় বিষয় নির্বাচন করতে হবে। কেননা ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে পাঠকই প্রাণ। এ টিউটোটিরালে যে ধরনের বিষয় নির্বাচন করে ব্লগ সাজাতে পারেন তার টিপস দেওয়া হলো।

blog-laptop-copy-2

টিপস অ্যান্ড ট্রিক্স
বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের টিপস অ্যান্ড ট্রিক্স নিয়ে ব্লগিং দীর্ঘদিন ধরেই একটি জনপ্রিয় বিষয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, উইন্ডোজ কিংবা লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহারের টিপস অ্যান্ড ট্রিক্স নিয়ে করা যেতে পারে ব্লগ।

এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন জায়গা থেকে ব্লগের জন্য পাঠক পাওয়া যাবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে আপনি যে বিষয়ে লিখছেন সেই বিষয়ে যেন খুব ভালো ধারনা রাখেন। ভুল তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

টিপস অ্যান্ড ট্রিকস লেখার ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে তা যেন সহজ ও সাবলীল হয়। প্রতিটি ধাপ বুঝিয়ে দিতে লেখার সঙ্গে পর্যাপ্ত স্কিনশট বা ছবি দিলে তা খুব ভালো হবে।

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং
কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা বলে শেষ করা যাবে না। কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগে বাধ্যতামূলকভাবে এ প্রোগ্রামিং শিখতে হয়। এ জন্য অনলাইনে রয়েছে প্রচুর রিসোর্স। এত কিছুর পরেও প্রোগ্রামিং নিয়ে ব্লগিং করার রয়েছে অনেক সুযোগ।

এ জন্য খেয়াল রাখতে হবে যিনি ব্লগিং করবেন, তাকে খুব ভালো মানের প্রোগ্রামার হতে হবে। সহজভাবে উদাহরণসহ বুঝিয়ে দিতে হবে। শুরু থেকে টপিকগুলো কভার করা গেলেও প্রোগ্রামিং দিয়ে জয় করা যাবে ব্লগিংয়ের দুনিয়া।

ব্লগ জনপ্রিয় করে ফেলা গেলে সহজেই করা যাবে মনেটাইজেশন। প্রচুর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ রয়েছে এখন। আপনি যেটিতে ভালো সেটি দিয়ে শুরু করতে পারেন।

রেসিপি ব্লগিং
বিশ্বায়নের এ যুগে আমাদের সংস্কৃতি, খাদ্যাভাস সবকিছুই দেশের গন্ডি পেরিয়ে অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। বিদেশি খাবারগুলো জনপ্রিয় হচ্ছে দেশে। আবার আমাদের খাবারের প্রতি বিদেশিদের আকর্ষণও বাড়ছে। এক্ষেত্রে রেসিপি শেয়ার সাইটগুলো কিংবা ইউটিউব ভিডিওগুলো রাখতে পারে অনেক ভূমিকা।

সেই ভূমিকায় অবদান রাখতে পারেন আপনিও। যদি রান্না বান্না করা আপনার শখের কিংব পেশার মধ্যে পড়ে সেক্ষেত্রে এসব বিষয় নিয়েও করতে পারেন ব্লগ।

মজার আইটেম তৈরি, পরিবেশন নিয়ে লিখে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে পারেন আপনার রান্নাগুলো।

গ্যাজেট রিভিউ
প্রযুক্তির নতুন উদ্ভাবনের খবর প্রতিদিনই আসছে। সঙ্গে যোগ হচ্ছে নতুন সব গ্যাজেট। এর মধ্যে রয়েছে ল্যাপটপ, মোবাইল, এক্সেসরিজসহ বিভিন্ন ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় ডিভাইস। এসব গ্যাজেট কেনার আগে ক্রেতারা এগুলো সম্পর্কে জানতে চান।

বস্তুত, ক্রেতা আগে দেখেন, পড়েন, বোঝার চেষ্টা করেন ও বাজেটের সঙ্গে মিলিয়ে নেন এরপর কেনার সিদ্ধান্ত নেন। তাই তৈরি করে ফেলতে পারেন গ্যাজেট রিভিউয়ের ব্লগ।

এ ক্ষেত্রে আপনি যে পণ্যের রিভিউ করছেন তা কেনার জন্য সঙ্গে একটা লিঙ্ক জুড়ে দিয়ে করতে পারেন এফিলিয়েশানও।

coffee

ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেল ব্লগিং
কোনো ট্যুরিস্ট স্পটে ট্যুর করে তার রিভিউ করার জন্য তৈরি করতে পারেন নিজের ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর ব্লগ। এক্ষেত্রে যে স্পটের রিভিউ করা হচ্ছে সেই স্পটে যেতে খরচ, সেখানে কি কি আছে, সেখানে থাকার ব্যবস্থা, খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনাসহ তৈরি করা যেতে পারে ব্লগটি।

পর্যটকরা কোনো স্থানে যাওয়ার আগে প্রথমে এসব বিষয় জেনে নিতে পছন্দ করেন। তাই এ ধরনের ব্লগগুলো পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় থাকে প্রথম দিকেই।

হেলথ অ্যান্ড এক্সারসাইজ টিপস
কে নয়, স্বাস্থ্য সচেতন- এমন প্রশ্ন করলে নেতিবাচক উত্তর পাবার সম্ভাবনা কম। সবাই কম বেশি নিজের স্বাস্থ্যের বিষয়ে খোঁজখবর রাখেন। নিজের শরীর ঠিক রাখার জন্য চেষ্টা করেন। অন্যদিকে নারীদের পাশাপাশি এখনও পুরষও ফিগার সচেতন হয়ে উঠছেন।

এ কারণে এসব বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া পাঠকের সংখ্যা বাড়ছে। তাই তৈরি করে ফেলতে পারেন আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক ব্লগ। ছবি বা ভিডিওর মাধ্যমে করে দিতে পারেন কিভাবে এক্সারসাইজ করতে হবে সেগুলো।

কর্মব্যস্ত মানুষের জন্য সহজে স্বাস্থ্য ঠিক রাখার টিপস দিতে পারেন। নিয়মিত কোন ব্যয়াম করতে হবে তা নিয়ে তৈরি করতে টু-ডু এর মতো ব্যয়াম লিস্ট। ব্লগের কমেন্ট সেকশনে দিতে পারেন পাঠকের দরকার অনুযায়ী টিপস।

ভাষা শিক্ষা ব্লগ
পৃথিবী জুড়ে রয়েছে হাজারো ভাষা। মায়ের ভাষার পরেও আমাদের জন্য রয়েছে অন্য ভাষা শেখার সুযোগ। বিদেশে চাকরি বা শিক্ষার পাশাপাশি স্থায়ী অভিবাসনের জন্য নতুন ভাষা শেখার দরকার হয়।

আপনি কোনো ভাষায় দক্ষ হলে, ওই ভাষা শেখাতে ভালোবাসলে খুলে ফেলতে পারেন ব্লগ। এতে আপনার শখ পূরণের পাশাপাশি আয় হবে। কেননা আপনার ব্লগের জন্য পেয়ে যাবেন বড় ধরনের পাঠক শ্রেণী।

নিজের জানাকে ছড়িয়ে দিয়ে ব্লগ মনেটাইজ করে তৈরি করে নিতে পারেন পরোক্ষ আয়ের সুযোগ।rubel

ব্লগিং শুরুর জরুরি ৫ ধাপ

মোশাররফ রুবেল, অ্যাপ ডেভেলপার, অতিথি লেখক : জানা বিষয়গুলো নতুন করে ভিন্ন আঙ্গিকে জানানো কিংবা নিজের মতামত ও চিন্তাভাবনা প্রকাশ করার চমৎকার মাধ্যম হলো ব্লগিং। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনলাইনের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে ব্লগিংও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তবে মাধ্যমটিকে পেশা হিসেবে নেওয়া যেতে পারে।

ব্লগিং কিভাবে শুরু করা যায় সেটা নিয়ে আছে অনেক প্রশ্ন। ব্লগিং শুরুর ক্ষেত্রে এ আর্টিকেল সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবে।

ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ঠিক করা
প্রথমেই ঠিক করে নিতে হবে ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম কোনটা হবে, কি হবে। এ জন্য এখন পর্যন্ত সেরা হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস। নিচের ছবিটি লক্ষ্য করলে ব্যাপারটা পরিষ্কার বোঝা যাবে।

12083991_1108457435854353_2087455355_n

ওয়ার্ডপ্রেস সহজেই ইনস্টল করা যায়। এর ব্যবহারও সহজ হওয়ায় এটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তা ছাড়া এটি সম্পূর্ণ ফ্রি। প্রচুর ভালো থিম অনলাইনে বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

এ মাধ্যমে কোনো কাজ করার সময় আটকে গেলে সহজেই সাপোর্ট পাওয়া যায় অনলাইনে। শেয়ারিং, কমেন্ট করা যায় খুব সহজেই। এসব কারণে ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার এবং সাইট ওনারদের কাছে প্রথম পছন্দ।

এছাড়াও আরও দুইটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম রয়েছে, একটি হচ্ছে ব্লগার ডটকম আরেকটি টাম্বলার ডট কম।

 ফ্রি বনাম ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে ব্লগ তৈরি
নিজের সাইটে ব্লগিং করার ক্ষেত্রে কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়নের এ ধাপে এসে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ফ্রি সাইট তৈরি করবে নাকি পেইড সাইট।

ফ্রি ব্লগের ইউআরএলে ওই প্ল্যাটফর্মের এক্সটেনশান থাকবে। কিনে নিলে সেখানে শুধুই সাইটের নাম থাকবে।

ফ্রি হলে সাইটের নাম হবে নিম্নরুপ :

  • আপনারব্লগ ডট ব্লগস্পট ডটকম ( www.yourblog.blogspot.com )
  • আপনার ব্লগ ডট ওয়ার্ডপ্রেস ডটকম ( www.yourblog.worpress.com )

এ ছাড়াও ফ্রি ব্লগে বেশ অনেক রকমের লিমিটেশন থাকে। মনেটাইজ করায় সমস্যা হতে পারে। ওয়ার্ডপ্রেসের ক্ষেত্রে ফ্রি থিম ব্যবহার করাও যাবে না।

তবে ব্লগারে টেমপ্লেট পরিবর্তন করা যাবে। গুগল অ্যাডসেন্স ব্যবহার করে মনেটাইজ করাও যাবে।

ডোমেইন হোস্টিং কিনে ব্লগ করলে এসব সমস্যা হয় না। বর্তমানে দুই হাজার টাকার মধ্যেই ভালো মানের ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে ব্লগ শুরু করা যায়।

ডোমেইনের নাম প্রদান
ফ্রি নাকি পেইড এ সিদ্ধান্তে আসার পরের ধাপ হলো ডোমেইনের নাম ঠিক করা। এ জায়গায় অত্যন্ত সতর্ক হতে হয়। ব্লগের ডোমেইন নাম যেন ব্লগের মূল বিষয়কে ১ বা ২ শব্দে বোঝাতে পারে সেভাবে সিলেকশন করতে হবে।

যেমন, টেকনোলজি সম্পর্কিত কোনো ব্লগ করা হলে সেটা যেন ব্লগের নাম থেকেই বোঝা যায় সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

কেউ যদি স্পোর্টস নিয়ে ব্লগ করতে চায় তাহলে তাতে স্পোর্টস সম্পর্কিত শব্দ থাকলে তা সহজেই ব্যবহারকারীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পায়।

ডোমেইন এর নাম যেন খুব বেশি লম্বা না হয় কিংবা খুব কঠিন না হয়, সেইদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

bloging

ব্লগ ডিজাইন
প্রথম দর্শনধারী এরপর গুণবিচারী। বাংলা প্রবাদে এমন একটি কথা আছে। প্রথম দেখায় যাতে চোখ আটকে যায় সে দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। এজন্য ব্লগের ডিজাইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

প্রথমে কেউ ব্লগে প্রবেশ করলেই ভালো ইম্প্রেশন যাতে তৈরি হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভালো ইম্প্রেশনের জন্য রুচিশীল ও আকর্ষণীয় ডিজাইন করতে হবে।

এ ক্ষেত্রে প্রফেশনাল ডিজাইনার দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়াই হচ্ছে ভালো সমাধান। ব্লগে বিজ্ঞাপন কখনোই অতিরিক্ত পরিমানে ব্যবহার করা যাবে না।

সাবস্ক্রিপশন অপশন রাখতে হবে, যাতে পাঠকদের কাছে নতুন আর্টিকেল সহজেই চলে যায়। ব্লগে পাঠকদের মতামতের জন্য সঠিক ব্যবস্থা রাখতে হবে। সর্বোপরি এসব বিষয়গুলো মাথায় রেখে ডিজাইন ও ডেভেলপের কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

blog

ব্লগের মার্কেটিং
উপরের চার ধাপ করলেই যে কাজ শেষ তা কিন্তু নয়। প্রচার পেতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিতে হবে। ব্লগের সঠিক মার্কেটিং করতে হবে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) করতে হবে, যাতে সার্চে সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়। ব্লগের জন্য যেসব সামাজিক মাধ্যমগুলোতে অবশ্যই পেইজ বা একাউন্ট করতে হবে সেগুলো হলো-

  • ফেসবুক
  • গুগল প্লাস
  • টুইটার
  • স্ট্যাম্বল আপন
  • ডিগ
  • পিন্টারেস্ট

এ ছাড়া আরও অনেক সামাজিক মাধ্যম আছে যেগুলোতে ব্লগ আর্টিকেল শেয়ার করতে হবে, যাতে তা পাঠকপ্রিয়তা পায়। প্রচার না হলে কিংবা ব্লগের আর্টিকেল বেশি ভিউ না হলে এ থেকে আয় আসবে না।

সেজন্য শুধু গুণগত মানের লেখা হলেই চলবে না, তা যাতে সকলের দৃষ্টিতে পড়ে সেজন্য  মার্কেটিংয়ের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

rubel

আরও পড়ুন

ককপিটে তরুণীর সেলফি নিয়ে ইন্টারনেটে তোলপাড়

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিল : উড়োজাহাজের ককপিটে এক তরুণীর সেলফি তোলা নিয়ে তোলপাড় চলছে এশিয়া প্যাসেফিক অঞ্চলজুড়ে।

আডা নি নামের ওই চাইনিজ তরুণী তাইওয়ানের তায়েপে থেকে হংকং যাচ্ছিলেন। ক্যাথে প্যাসেফিক এয়ারের বিজনেজ ক্লাসের জাম্প সিটের বুকিং দেন তিনি।

কিন্তু ওই সিটটি আসলে রিজার্ভ থাকে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের পরিবারের সদস্যদের জন্য। ফলে ২৬ ফেব্রুয়ারি বিমানে উঠে আডা দেখতে পান তার সিটটি বুকড হয়ে গেছে।

China_Plain

সুন্দরী নারীর এমন বিপত্তিতে এগিয়ে আসেন এয়ারলাইন্সের পাইলট। বসতে দেন প্লেনের ককপিটে তার পেছনের প্যারাস্যুট সিটে।

পাইলটের আতিথিয়তায় মুগ্ধ আডা। এমন সুযোগ প্রতিদিন আসেনা তাই কয়েকটি সেলফি তোলেন ও ভিডিও করেন প্লেনের ককপিটে।

এমন মধুর সময় বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার না করে থাকা যায়? আডা তার মাইক্রোব্লগিং সাইট উইবো’তে ৬টি ছবি ও একটি ভিডিও আপলোড করেন। পাশাপাশি জুড়ে দেন ২ ঘন্টার ওই সফরের সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও।

এরপর বিভিন্ন প্রশ্ন আসতে থাকে তার ফলোয়ারদের কাছ থেকে। এয়ারলাইন্সের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকেই। তীব্র বিতর্কের জন্ম দেওয়া ছবি ও ভিডিও সমালোচনার মুখে সরিয়ে নেন আডা।

পরে বিষয়টি নজরে আসে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের। এয়ারলাইন্স কর্তাদের কাছে কারণ জানতে চেয়ে চিঠিও পাটিয়েছে তারা।

ইয়াহু নিউজ অবলম্বনে সৌমিক আহমেদ

বিআইপিসির সম্মেলনে যোগ হলো ব্লগিং প্রতিযোগিতা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ১৪ নভেম্বর বাংলাদেশ ইন্টারনেট প্রফেশনালস কমিউনিটির (বিআইপিসি) অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনে যোগ হচ্ছে নতুন আরেকটি ইভেন্ট ‘ব্লগিং প্রতিযোগিতা’। এজন্য রেজিষ্ট্রেশনকারীদের কাছ থেকে লেখা আহবান করা হয়েছে।

আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং, সম্মেলন সম্পর্কিত ভাবনা, একই ধরনের সম্মেলনে যোগ দিয়ে পাওয়া পূর্ব অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা পাঠাতে বলা হয়েছে।

প্রফেশনালদের অভিজ্ঞতা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার জন্যই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ দেশে অনলাইন পেশাজীবীদের প্রথম সম্মেলন নভেম্বরে

বিআইপিসি ব্লগ কন্টেষ্ট-টেকশহর.কম

বিআইপিসি’র আয়োজকদের তরফ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিযোগিতায় জয়ী ৩ জনকে নগদ ২ হাজার টাকা করে পুরষ্কার দেওয়া হবে। একাধিক লেখা জমা দেয়া যাবে না। লেখার মাধ্যম হবে ইংরেজি এবং তা কোনোভাবেই ৩৫০ শব্দের অধিক হতে পারবে না। প্রত্যেকের লেখার আলাদা একটা কোড থাকবে এবং কোডগুলো নিরিক্ষে সম্মেলনের দিন অথবা তার আগেই তা ড্র করা হবে।

বিআইপিসি আরো জানিয়েছে, লেখাটি জমা দেয়ার পর কতৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সংশোধন করে বিআইপিসির কনফারেন্স ব্লগে তা প্রকাশ করবে।

উল্লেখ্য, ১৪ নভেম্বর তরুণ অনলাইন পেশাজীবীদের নিয়ে দেশে প্রথমবারের মতো এই সম্মেলন হতে যাচ্ছে। এতে ব্লগিং ছাড়াও নেটওয়ার্কিং, লার্নিং, ফান অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট, শেয়ারিং, র্যা ফেল ড্র এবং গিফট, লেট ওইমেন ইনস্পায়ারের মতো ইভেন্ট রাখা হয়েছে।

ফখরুদ্দিন মেহেদী।

 

প্রিয়শপ ব্লগিং প্রতিযোগিতা জিতে থাইল্যান্ড ভ্রমণ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : প্রিয়শপডটকমের ব্লগিং প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার হিসেবে থাকছে থাইল্যান্ড ভ্রমণ। বিজয়ী সেরা ব্লগার একজন সঙ্গীসহ চার রাত পাঁচ দিনের এই ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।

রোববার বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে ‘প্রিয়শপ ডটকম ব্লগিং প্রতিযোগিতা’র বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির সিইও আশিকুল আলম খান।  আগামী এক সেপ্টেম্বর হতে শুরু হয়ে এ প্রতিযোগিতা অক্টোরেরর শেষ পর্যন্ত চলবে।

প্রিয়শপ-টেকশহর

প্রতিযোগিতার নিয়মাবলীর বিষয়ে তিনি জানান, অংশগ্রহণকারীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ই-কমার্স নিয়ে বিভিন্ন ব্লগ, নিউজসাইট ও পোর্টালে লিখবেন। লেখাটি নূন্যতম সাড়ে চারশত শব্দে বাংলা অথবা ইংরেজিতে হতে হবে। একজন ভিন্ন থিমের একাধিক লেখা প্রকাশ করতে পারবেন। তবে তা মৌলিক হতে হবে।

এছড়া প্রকাশিত লেখায় অবশ্যই প্রিয়শপ ডটকমের একটি লিংক থাকতে হবে এবং এতে ব্যবহৃত ছবি কিংবা উদাহরণের ক্ষেত্রে প্রিয়শপ ডটকমকে উপস্থাপন করতে হবে। লেখার স্বার্থে প্রিয়শপ ডটকমের স্ক্রিনশটও ব্যবহার করা যাবে। তারপর প্রকাশিত লেখার লিংকটি প্রিয়শপ ডটকমের প্রতিযোগিতার পেইজে সাবমিট করতে হবে।

প্রাথমিকভাবে ৪০ জনকে নির্বাচিত করা হবে। এরপর লেখাগুলোর মানের উপর ভিত্তি করে বিচারকদের রায় এবং স্যোশাল মিডিয়ায় লাইক ও শেয়ারের ভিত্তিতে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও সেরা ২০ জনকে নির্ধারণ করা হবে। নভেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরষ্কার হিসেবে থাকবে স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট। বাকী ১৭ জন পাবেন বিশেষ গিফট।

আশিকুল আলম খান জানান, দেশে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের পরিমাণ বাড়ছে। কিন্তু তা এখনও জনপ্রিয় হয়ে উঠেনি। তাছাড়া গ্রাহকরা অনলাইন পেমেন্ট, আর্থিক নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয়ে ভালভাবে জানেন না। এগুলো সাধারণ মানুষকে বোঝাতে ও ভোগান্তি এড়াতে এ অনলাইন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রিয়শপডটকমের সিনিয়র বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এক্সিকিউটিভ রোমেল ডি রোজারিও, ডেভসটিম লিমিটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নাসির উদ্দিন শামীম। প্রতিযোগিতার সহযোগিতায় রয়েছে বিডিওএসএন, ডেভসটিম লিমিটেড ও পরামর্শ ডটকম।

ফখরুদ্দিন মেহেদী