জাপান আইটি উইকে বেসিস

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : জাপানের টোকিও বিগসাইটে শুরু হওয়া তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক আন্তর্জাতিক আয়োজন ‘জাপান আইটি উইক স্প্রিং’ এ অংশ নিয়েছে বেসিস।

বুধবার শুরু হওয়া আয়োজনটি চলবে শুক্রবার পর্যন্ত। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ও বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় ২৬তম এই আয়োজনে তৃতীয়বারের মতো অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)।

Japan IT Week 2017-Techshohor

বিডা’র সচিব অজিত কুমার পালের নেতৃত্বে জাপান আইটি উইকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হারুনুর রশিদসহ বেশ কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।

বেসিসের সদস্য কোম্পানি এটম এপি লিমিটেড, বাংলাদেশ মাইক্রোটেকনোলজি লিমিটেড, বিজেআইটি ইনকর্পোরেশন, কমলিংক ইনফো টেক লিমিটেড, ডাটাসফট সিস্টেমস বাংলাদেশ লিমিটেড, ড্রিম৭১ বাংলাদেশ লিমিটেড, ইশপ বাংলাদেশ লিমিটেড, গিয়ারডন, হ্যালো ওয়ার্ল্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেড, হোস্টিং৪বিডি লিমিটেড, ইনফোক্রাট সল্যুউশন লিমিটেড,ইক্সরা সল্যুউশন লিমিটেড, লিডসফট বাংলাদেশ লিমিটেড, মিডিয়া ৩৬৫, মিডিয়াসফট ডাটা সিস্টেমস লিমিটেড, মাইসফট লিমিটেড, ন্যাসসেনিয়া লিমিটেড, নোবেল আইটি সল্যুউশন লিমিটেড, ওপাস টেকনোলজি লিমিটেড, প্রাডেসিস আইটি লিমিটেড, সিনেসিস আইটি লিমিটেড ও দ্য কম্পিউটারস লিমিটেড এই আয়োজনে তাদের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবার প্রদর্শনী ও প্রচার চালাচ্ছে। এছাড়া রয়েছে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং বিসিএসের সদস্য কোম্পানি অ্যাডভেন্ট টেকনোলজি ও ট্রাই-জেম কম্পিউটারস এর স্টলও।

আয়োজনের অংশ হিসেবে দুটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে ড্রিম৭১ তাদের জাপানি ব্যবসায়ীক অংশীদার কোম্পানির সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।

ইমরান হোসেন মিলন

যুব প্রতিবন্ধীদের তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর :  দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের যুব প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিযোগিতা।

শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটের  ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিকে সারা দেশ থেকে আসা ৮১  প্রতিবন্ধীকে নিয়ে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রতিযোগীরা চারটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কারের জন্য লড়েন। চারটি ক্যাটাগরি যথাক্রমে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, শারীরিক প্রতিবন্ধী, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী এবং নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅ্যাবিলিটিস (এনডিডি)।

2nd-NYICT for Disabilities-Techshohor

সব ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিদের মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট ও ইন্টারনেট-বিষয়ক প্রশ্নের সমাধান করতে হয়েছে। পরে প্রত্যেক ক্যাটাগরি থেকে সেরা তিন জন করে পুরস্কার হিসেবে অর্থ, ক্রেস্ট, সনদ ও আকর্ষণীয় পুরস্কার দেওয়া হয়।

এছাড়াও এই ১২ জনকে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেবে। এছাড়াও পরে কাজের মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্বাচিত চার জনকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগীতার জন্য বাংলাদেশ দল গঠন করে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকার।

তিনি বলেন, বিসিসি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এ প্রতিযোগিতা তারই অংশ। এ প্রতিযোগিতা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে তথ্যপ্রযুক্তির চর্চা উৎসাহিত করবে এবং তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।

সমাপণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি থাকতে পারেননি।

বিসিসির পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন) মোহাম্মদ এনামুল কবির, ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিকের প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. আর কবির, ডিজএবিলিটি কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনালের এক্সিকিউটিভ বোর্ড সদস্য মনসুর আহমেদ চৌধুরী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিকের উপাচার্য প্রফেসর ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হারুনুর রশীদ, বিসিসির নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকার, ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিকের বোর্ড অফ ট্রাস্টিসের চেয়ারপার্সন কাইয়ুম রেজা চৌধুরী সিএসআইডির নির্বাহী পরিচালক খন্দকার জহুরুল আলম এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জিল্লার রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), সেন্টার ফর সার্ভিসেস অ্যান্ড ইনফরমেশন অন ডিজঅ্যাবিলিটি (সিএসআইডি) ও ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিক যৌথভাবে প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করে।

ইমরান হোসেন মিলন

রাজশাহীতে ১০০০ জনকে চাকরি দেবে কাজী আইটি

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : রাজধানী ঢাকার বাইরে তথ্যপ্রযুক্তিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভাগীয় শহর রাজশাহীতে কর্মসংস্থানের সুযোগ করছে কাজী আইটি সেন্টার লিমিটেড। সেখানে অফিস স্থাপন করে ১০০০ জনের চাকরির ব্যবস্থা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

চাকরির পর ওই হাজার জনকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তুলতে বুধবার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ও কাজী আইটির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিসিসির পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন) মোহাম্মদ এনামুল কবির এবং কাজী আইটির প্রধান নির্বাহী মাইক কাজী সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

Kazi IT-LICT-Techshohor

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, কাজী আইটি একটি সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আমরা সবাইকে সমান সুযোগ করে দিতে চাই।

তিনি বলেন, আগামীতে দেশে কেমন আইটি ফার্ম গড়ে উঠবে তা কাজী আইটি দেখতে কিছুটা আঁচ করা যায়। কারণ তারা গতানুগতিক কোনো ধারা অনুসরণ করছে না। তারা কাজ দিয়েই সরকারের ২০২১ সালের মধ্যে যে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আইসিটিতে রপ্তানি আয় তা পূরণে সহায়তা করবে।

কাজী আইটির প্রধান নির্বাহী মাইক কাজী বলেন, শুধু এই এক হাজার নয়। দক্ষ জনবল পেলে কাজী আইটি আরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে।

তিনি জানান, রাজশাহীতে তাদের অফিস স্পেস নেওয়া হয়েছে। তার কাজ চলছে। আগামী দু মাসের মধ্যে সেখানে পুরোদমে কাজ শুরু করতে পারবেন।

এছাড়াও যশোরের শেখ হাসিনা হাইটেক পার্ক এবং কালিয়াকৈর বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে কাজী আইটি সম্ভবত্য যাাই শেষে অফিস স্থাপন করতে পারে বলেও জানান মাইক কাজী।

সমঝোতা অনুযায়ী বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলর, কম্পিউটার কাউন্সিলের এলআইসিটি প্রকল্প এবং কাজী আইটি যৌথভাবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সেই প্রশিক্ষণে দক্ষদের চাকরির ব্যবস্থা করবে কাজী আইটি।

এই প্রশিক্ষণে বিসিসি এবং এলআইসিটি প্রকল্প ট্রেনিং ল্যাব, মডিউল তৈরি, সনদ প্রদান, প্রচার-প্রচারণা ও অন্যান্য কারিগরি সহায়তা দেবে। আর কাজী আইটি প্রশিক্ষণ, প্রশিক্ষক এবং এর পর চাকরির সুযোগ দেবে।

সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী আগামী দুই বছরে কাজী আইটি এই লোকবল নিয়োগ দেবে। তবে নিয়োগের ক্ষেত্রে তারা দক্ষতাকেই বড় হিসেবে দেখবে। এক্ষেত্রে তারা গ্র্যাজুয়েটদের সাবজেক্ট ব্যাকগ্রাউন্ডকে বেশি নজরে আনবে না।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এলআইসিটি প্রকল্পের পরিচালক মো. রেজাউল করিম এনডিসি, কম্পোনেন্ট টিম লিডার সামি আহমেদ, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ এবং কাজী আইটির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ইমরান হোসেন মিলন

দেশে বছরব্যাপী গার্লস ইন আইসিটির কার্যক্রম শুরু

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশে বছরব্যাপী গার্লস ইন আইসিটি’র কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে দিনাজপুরে একটি সেমিনার করেছে আয়োজকরা।

তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা ও পেশায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) তাদের সদস্য দেশগুলোতে আয়োজন করে থাকে ‘গার্লস ইন আইসিটি ডে’।

প্রতিবছর এপ্রির মাসের চতুর্থ বৃহস্পতিবার এ দিন পালিত হয়। তবে দেশে এর ব্যপ্তি ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এবছর এ কার্যক্রম মাসজুড়ে আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল।

Girls-in ICT-Techshohor

গত ২০ এপ্রিল দিনাজপুর সরকারি মহিলা কলেজে অনুষ্ঠিত সেমিনারের মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু হয়েছে।

আয়োজনের অংশীদার সংগঠন আইটি সলিউশন দিনাজপুরের ব্যবস্থাপনায় এ আয়োজনে কলেজের শিক্ষক মনোরঞ্জন, জাকির হোসেন আইটি সলিউশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভিন।

এসময় সেমিনারে আয়োজনের উদ্দেশ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তিতে মেয়েদের অংশগ্রহণের সুযোগ সম্পর্কে বক্তারা আলোচনা করেন।

বিডিওএসএনের প্রোগ্রাম অফিসার শারমীন কবীর জানান, এ বছর ঢাকার বাইরে দিনাজপুর, রংপুর, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে এ আয়োজনকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, এবারের আয়োজন রয়েছে তথ্যপ্রযুক্তিতে মেয়েদের অংশগ্রহণের সুযোগ ও উপায় নিয়ে ক্যারিয়ার টক, প্রযুক্তিতে অধিক সংখ্যক মেয়েদের আকৃষ্ট করার উপায় অন্বেষন শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক,  তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, কুইজ ও প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা।

এছাড়া এবারের আয়োজনে কয়েকজন যোগ্য নারীকে ইন্টার্নশিপের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে শারমীন কবীর জনান।

উল্লেখ্য এ আয়োজনে সহ আয়োজক হিসাবে রয়েছে বাংলাদেশ উইম্যান ইন আইটি। আর পৃষ্ঠপোষকতা করছে জেনেক্স, জুমশেপার, বাইনারি ইমেজ ও চাকরি ডটকম।

আয়োজনের বিস্তারিত পাওয়া যাবে এই ঠিকানায়। এছাড়াও নিজেদের ক্যাম্পাসে কোনো আয়োজন করতে চাইলে girlsinict@bdosn.org এ ঠিকানায় সহায়তা পাওয়া যাবে।

ইমরান হোসেন মিলন

গেইম ডেভেলপমেন্টে ডিপ্লোমা কোর্স করাবে সরকার

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গেইমের বিশ্ববাজার ধরতে এবং দেশে এই ইন্ডাস্ট্রিতে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে দেশে বিশ্বমানের ডেভেলপার তৈরি করতে চায় সরকার। এজন্য গেইম তৈরিতে ডেভেলপার তৈরিতে যৌথভাবে ‘গেইম ডেভেলপমেন্ট’ ডিপ্লোমা কোর্স চালু করেছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ও রাইজ আপ ল্যাবস।

আবেদনকারীদের মধ্য থেকে বাছাই করে ১৫-২০ জনকে গেইম ডেভেলপার হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। কোর্সের সময়কাল এক বছর, যার ৮ মাস প্রশিক্ষণ এবং ৪ মাস ইন্টার্নশিপ। সফল প্রশিক্ষণার্থীদের বিসিসি থেকে সনদ দেওয়া হবে।

bcc-techshohor

কোর্সের উদ্দেশ্য থাকছে প্রশিক্ষণ শুরুর আগে প্রশিক্ষণার্থীর কাছে গেইম  ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে উপস্থাপন করা, গেইম ইঞ্জিন ব্যবহার করে টুডি, থ্রিডি গেইম তৈরি, ভার্সন কন্ট্রোল সিস্টেমের মাধ্যমে প্রজেক্ট ভার্সনগুলো নিয়ন্ত্রণ করা, গেইমের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো টুডি, থ্রিডি অ্যাসেট ক্রিয়েশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরি করা, গেইম ডিজাইনের মূলনীতিগুলো ব্যাখ্যা করা, গেইমের সমস্যা বা বাগ খুঁজে বের করা এবং সেগুলোর সমাধান করা।

সর্বশেষে প্রশিক্ষণার্থীকে নিজের গেইম বানাতে সক্ষম করে তোলা ও গেইম ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ারের বিভিন্ন পথ প্রদর্শন করা।

কোর্সটিতে আবেদনের জন্য আবেদনকারীকে কম্পিউটার বা বিজ্ঞান বিভাগের গ্রাজুয়েট হতে হবে। অথবা চার বছরের আইসিটি ডিপ্লোমা, বা যেকোন ‘অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং’ ল্যাঙ্গুয়েজের অভিজ্ঞতা অথবা আবেদনকারী গ্রাজুয়েট না হলে তিন বছরের এ সম্পর্কিত কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

৩০ মার্চ পর্যন্ত আবদেন করা যাবে।

কোসটিতে আবদেন করতে হলে এই লিংকে যেতে হবে।

তুসিন আহমেদ

তথ্যপ্রযুক্তিতে নারী পুরুষের অনুপাত হবে ৫০:৫০ : পলক

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ২০৩০ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তিতে নারী-পুরুষের অংশগ্রহণের অনুপাত ৫০ : ৫০ করতে সরকারও চায়। এখন দেশে এই খাতে নারীদের অংশগ্রহণ মাত্র ৯ শতাংশ। বিশ্বে সেটি ১৫ শতাংশ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই অংশগ্রহণ বাড়িয়ে সমান সমান করা হবে বলে বলেছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে নারীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি ইকোসিস্টেম তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। যেখানে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

WIFI-Palak-Techshohor

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল  মিলনায়তনে উইমেন অ্যান্ড আইসিটি ফ্রন্টিয়ার ইনিশিয়েটিভ (ডব্লিউআইএফআই) এর প্রি লঞ্চিং ইভেন্টের সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, তথ্যপ্রযুক্তিতে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। ইতোমধ্যে নারীদের এই খাতে সংশ্লিষ্ট করতে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও তথ্যপ্রযুক্তির প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীনে লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পের অধীনে সারাদেশের ইউনিয়ন পর্যায়ে ২০ হাজার নারীকে তথ্যপ্রযুক্তির প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও দেশে পাঁচটি ভ্রাম্যমাণ বাসের মাধ্যমে দুই লাখ নারীকে তথ্যপ্রযুক্তির প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ চলছে বলে জানান পলক।

জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা(এসডিজি)’র পঞ্চম লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজি(বিডব্লিউআইটি) এবং বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব আইসিটি ডেভেলপমেন্ট (বিআইআইডি) যৌথভাবে জাতিসংঘের ‘দ্যা ইউনাইটেড ন্যাশন এশিয়ান অ্যান্ড প্যাসিফিক ট্রেনিং সেন্টার ফর ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি ফর ডেভেলপমেন্টের একটি প্রকল্প হিসেবে ডব্লিউআইএফআই আয়োজন হতে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনার জুলিয়া নিবলেট, ইউএন-উইমেনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ক্রিস্টিন হান্টার, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবির কিশোর চৌধুরী, বিডব্লিউআইটি সভাপতি লুনা সামসুদ্দোহাসহ আরও অনেকেই।

ইউএনএসকাপ-এপিসিআইসিটি’র ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ফিলিপাইন, শ্রীলংকা, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান এই কার্যক্রম চালু হয়েছে। বাংলাদেশেও এই কার্যক্রম চালু করতে ইতোমধ্যে উদ্যোগটির আওতায় প্রশিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ(টিওটি) কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দুটো ব্যাচে ২০ জনের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে।

ইমরান হোসেন মিলন

 

অভিনব উদ্ভাবনে একসঙ্গে এমআইটি-তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, দেশের সব খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিয়েছে। এজন্য দেশে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে জোর দেওয়া হয়েছে।

শনিবার রাজধানীর আগারগাঁয়ের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলর আয়োজিত ইনোভেশন অ্যান্ড অন্ট্রাপ্রেনরশিপ ইন ডিজিটাল এজ’ নামের একটি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল বিপ্লব ও গবেষণায় অন্যতম প্রতিষ্ঠান এমআইটি। কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা, ডিপ লার্নিং, বিগ ডেটা, ইন্টারনেট অব থিংসসহ অভিনব প্রযুক্তিতে এমআইটির দারুণ সব গবেষণা কার্যক্রম পুরো পৃথিবীর চিত্র বদলে দিচ্ছে।

MIT-BCC_PALAK_TECHSHOHOR

সরকারও ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ বিনির্মাণে অনন্য সব প্রযুক্তির সমাবেশ ঘটাতে চায়। তাই, অভিনব প্রযুক্তিতে কাজ করতে হবে এবং এমআইটি’র সাথে কার্যকর ও টেকসই অংশীদারিত্বে মাধ্যমে যৌথ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করতে আগ্রহী বলে জানান তিনি।

বিগত আট বছরে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রম উল্লেখ করে তিনি বলেন, উদ্ভাবনে সফলতা আনা, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে সরকার ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড অন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ একাডেমি (আইডিয়া) একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে।

প্রকল্পটি গবেষণা ও উদ্ভাবনে শিল্প-শিক্ষার্থী-শিক্ষক-সরকারের সাথে সমন্বয়ের পাশাপাশি উদ্ভাবনী কার্যক্রমে প্রণোদনা সৃষ্টি করবে এবং দেশে একটি বৈশ্বিক স্টার্ট-আপ কালচার সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবে বলে বলেন পলক।

এমআইটি’র কানেকশন সায়েন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডেভিড এম শয়ার কর্মশালায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

পরে ডিজিটাল অর্থনীতির ন্যায্য হিস্যা বুঝে নিতে বাংলাদেশের করণীয়, সুযোগ ও সম্ভাবনা উল্লেখ করে বলেন, ডিজিটাল অর্থনীতির সম্মানজনক অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগ প্রশসংনীয়।

১০ হাজারবার চেষ্টার পরে বিদ্যুৎ আবিষ্কার করেছিলেন আলভা এডিসন। সেই দিকটি স্বরণ করে দেশের নবীন উদ্যোক্তাদের ব্যর্থ না হয়ে কাজ করে যেতে বলেন তিনি।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে, অতিরিক্ত সচিব হারুনুর রশিদ, অতিরিক্ত সচিব পার্থ প্রতিম দেব, অতিরিক্ত সচিব সুশান্ত কুমার সাহা, আইসিটি ডিভিশনের চিফ স্ট্রাটেজিক অফিসার জামিল আজহারসহ তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ইমরান হোসেন মিলন

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে চাকরি দিতে মেলা চলছে ঢাবিতে

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট খাতে চাকরি দাতা প্রতিষ্ঠান এবং আগ্রহী শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগসূত্র তৈরির লক্ষ্যে দিনব্যাপী একটি চাকরি মেলা শুরু হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনস্ট্রেশন (আইবিএ) অডিটোরিয়ামে শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে এই চাকরি মেলা।

চাকরি মেলায় দেশের প্রথম সারির অর্ধশতাধিক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন।

Lict-Ict-Bcc-Techshohor2
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) এলআইসিটি প্রকল্প, আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়াং, আইবিএ এবং বিক্রয় ডটকমের সহযোগিতায় যৌথভাবে আয়োজনটি করেছে  করেছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ।

আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়াং, পৃথিবীর অন্যতম বড় একটি পেশাদারী সেবা সংস্থা যেটি বিসিসির সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন এলআইসিটি প্রকল্পে কাজ করে থাকে।

অন্যদিকে আইটি-আইটিইএসের এই প্রকল্পে এখন পর্যন্ত ৩০ হাজার স্নাতকোত্তর পাচ্ছেন উচ্চমানের প্রশিক্ষণ।

lict-bcc-jobfair-techshohor

চাকরি মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা আগ্রহী শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে চাকরির বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। এই খাতের ভবিষ্যৎ নিয়েও কথা বলেন তারা।

প্রথমে জীবনবৃতান্ত সংগ্রহ করা এবং পরে সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের লোকবল খুঁজে নেবে।

তবে এই চাকরি মেলায় কতজন চাকরি পাচ্ছে তা জানা যাবে দিন শেষে।

ইমরান হোসেন মিলন

মেহেরপুরে হল আইসিটি ক্যারিয়ার ক্যাম্প

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে তরুণদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আইসিটি ক্যারিয়ার ক্যাম্প। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের ধারাবাহিকতায় এবার মেহেরপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ক্যারিয়ার ক্যাম্পটি।

বৃহস্পতিবার মেহেরপুর সরকারি কলেজে জেলার তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ,অ্যামপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (এলআইসিটি) প্রকল্পের আওতায় এই ক্যারিয়ার ক্যাম্পটি হয়েছে।

 LICT_ICT CAMP_TECHSHOHOR
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর জেলা প্রশাসক পরিমল স্নিগ্ধা, মেহেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক বি এম দেলওয়ার হোসেন, মেহেরপুর সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ও আইসিটি ইনচার্জ হাসানুজ্জামান মালেক, এলআইসিটি প্রোজেক্টের টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট মো. অসাদুর রহমান নাইল ও অরবিট থ্রিসিক্সটি এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আজহারুল আলম রাব্বি।

বক্তারা বলেন, সরকার ২০২১ সালের মধ্যে আইটি পেশাজীবির সংখ্যা বর্তমান সাত লাখ থেকে ২০ লাখে উন্নীত করতে সরকারের এমন পদক্ষেপ তরুণদের জন্য খুবই সহায়ক। ইতোমধ্যে এলআইসিটি প্রকল্পের মাধ্যমে আইটিতে বিশ্বমানের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ৪৫ হাজার দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তোলা হয়েছে বলে তারা জানান।

অনুষ্ঠানের শেষে অনলাইন কুইজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে একজনকে বিজয়ী ও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে একজনকে উই মোবাইলের সৌজন্যে একটি করে স্মার্টফোন দেওয়া হয়েছে।

ইমরান হোসেন মিলন

তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলার জন্য ১৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর :  তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলার ব্যবহার বাড়ানো, বাংলা কম্পিউটিংয়ের নতুন নতুন উদ্ভাবনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের একটি প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় (একনেক) এই প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।

গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ শীর্ষক এই প্রকল্পে তৈরি করা হবে ১৬টি সফটওয়্যার। ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে এর কাজ শেষ করবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫৯ কোটি ২ লাখ টাকা।

ict bangla.techshohor

ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সাধারণ ও অল্পশিক্ষিত মানুষও তথ্যপ্রযুক্তির আওতায় আসছেন। এই প্রকল্পের বাস্তবায়নে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ব্যবহার সকলের জন্য সহজ হবে।

প্রকল্পটিতে গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে বৈশ্বিক পর্যায়ে বাংলাকে শীর্ষ পর্যায়ে নেয়া, তথ্যপ্রযুক্তি সহায়ক বাংলা ভাষার বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য প্রমিতকরণ, বাংলা কম্পিউটিংয়ে বিভিন্ন টুলস, প্রযুক্তি ও বিষয়বস্তুর উন্নয়ন এবং জরিপ, সমীক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম করা হবে।

সফটওয়্যার ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মধ্যে থাকছে, বাংলা করপাস, বাংলা স্পিচ টু টেক্সট এবং টেক্সট টু স্পিচ, ন্যাশনাল কিবোর্ডের আধুনিকায়ন, বাংলা ফন্টের ইন্টার-অপারেবিলিটি ইঞ্জিন, বাংলা ভাষায় কমন লোকাল ডেটা রিপোজিটোরি (সিএলডিআর), বাংলা বানান ও ব্যাকরণ এক্সামিনার, বাংলা মেশিন ট্রান্সলেটর ডেভেলপমেন্ট, স্ক্রিন রিডার সফটওয়্যার, সেন্টিমেন্ট অ্যানালাইসিস টুলস উন্নয়ন, নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ভাষার প্রমীত কিবোর্ড, বাংলার আন্তর্জাতিক ফোনেটিক অ্যালফাবেট উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়।

আল-আমীন দেওয়ান

বিসিসিতে প্রতিবন্ধীদের চাকরি মেলা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিনে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে শুরু হয়েছে প্রতিবন্ধীদের জন্য চাকরি মেলা।

সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) প্রতিবন্ধীদের জন্য তৃতীয়বারের মতো এই চাকরি মেলা ২০১৭ এর আয়োজন করেছে।

রোববার সকালে প্রধান অতিথি থেকে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ন্যাশনাল অ্যাডভাজরি কমিটি অন অটিজমের চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদ হোসনে।

sayma-ICT_BCC_Techshohor

সায়মা ওয়াজেদ নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, সবার জন্য সমাজ গড়তে হলে প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। এজন্য তাদের কাছে আমাদের জানতে হবে তাদের কোন জায়গায় অসুবিধা হচ্ছে। সে অনুযায়ী আমাদের কাজ করতে হবে।

অটিজম নিয়ে কাজ করা প্রধানমন্ত্রী কন্যা বলেন, আমরা যারা সুস্থ স্বাভাবিক আমরা তাদের অসুবিধাগুলো শুধু অনুভবের চেষ্টা করি। কিন্তু প্রকৃত অসুবিধাগুলো তাদের কাছ থেকে জানতে হবে। তাহলেই তা সমাধান সম্ভব।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অবহেলা না করে তাদের সহায়তা দিয়ে দেশের সম্পদে পরিণত করতে হবে। সেই লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এমন আয়োজন থেকে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিবন্ধীদের চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থা করছে যা খুবই আশাব্যঞ্জক।

অনুষ্ঠানে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত প্রতিবন্ধীদের জন্য কোডিং প্রতিযোগিতায় অংংশ নেওয়া চারজনকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের পক্ষ থেকে একটি করে ল্যাপটপ দেওয়া হয়। এছাড়াও বিসিসিতে অনুষ্ঠিত একটি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সনদ তুলে দেন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন।

পরে তিনি আয়োজনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টল ঘুরে দেখেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিরা নিজেদের প্রতিষ্ঠানে প্রতিবন্ধীদের চাকরি দেওয়া এবং ট্রেনিং করার বিষয়টি তুলে ধরেন।

ইমরান হোসেন মিলন