১১ শহরে চালু হচ্ছে ৫জি

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গত কয়েক বছর ধরে ৫জি সেবা চালু করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভেরিজন। অবশেষে সেই চেষ্টা সফলতার মুখ দেখতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি শহরে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে পঞ্চম-প্রজন্মের এই ওয়্যারলেস সেবা। গত বুধবার এই ঘোষনা দিয়েছে কোম্পানিটি।

একেবারে প্রান্তিক অঞ্চল থেকে শুরু হবে ৫জি সেবা। ভেরিজনের মতে, প্রাথমিকভাবে আন আরবর, মিশিগান, আটলান্টা, বার্নার্ডসভিলে, নিউ জার্সি, ব্রকটন, ম্যাসাচুয়েটস, ডালাস, ডেনভার, হস্টন, মিয়ামি, সিয়াটল, ওয়াশিংটন ডিসি ও সাকরামেন্টো শহরের গ্রাহকরা এই সেবা পাবেন।

5G

ফোরজির চেয়েও ৪০ গুন দ্রুতগতির ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা দেবে ৫জি। যার মাধ্যমে স্বচালিত কার থেকে রোবটের কার্যক্রম সহজ হবে। এই বছরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই ভেরিজন সেবাটি চালু করবে।

নতুন ৫জি টাওয়ারের আওতায় থাকা গ্রাহকদের এই সেবা পরীক্ষামূলকভাবে গ্রহণের সুযোগ দেবে ভেরিজন। ধারাবাহিকভাবে ২০২০ সাল নাগাদ পূর্ণাঙ্গভাবে সেবাটি চালু করবে প্রতিষ্ঠানটি।

সিএনএন অবলম্বনে রুদ্র মাহমুদ

চীনে ফোরজির গ্রাহক এখন ৭৩ কোটি

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে দ্রুতগতিই প্রধান বিষয়। সেখানে চীন অনেকটাই এগিয়ে। দেশটিতে দ্রুতগতির ফোরজি ইন্টারনেট এতোটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যে দেশটিতে এই সেবার গ্রাহক সংখ্যা ৭৩ কোটি ছাড়িয়েছে।

চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগযোগ উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ওয়েন কু জানিয়েছেন, শক্তিশালী গবেষণা ও উন্নয়ন সক্ষমতার কারণে চীনে ফোরজি সেবা এই উল্লেখজনক অবস্থান নিয়েছে। বর্তমানে ৭৩ কোটির অধিক ফোরজি মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে। আগামী ২০২০ সালে বাণিজ্যিকভাবে ফাইভজি (৫জি) চালু করা হবে।

4G-techshohor

ওয়েন জানান, মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ফাইভজি স্টান্ডার্ড ফরমেশনের প্রচারণা ও এই সেবা ব্যবহারে আগ্রহী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও উদ্ভাবনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

গত জুনে চীনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিলো ৭১ কোটি, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার ৫১ দশমিত ৭ শতাংশ। যেখানে বিশ্বব্যাপী এই পরিমান ৩ দশমিক ১ শতাংশ।

সূত্র মতে, চীনের প্রায় ৯২ শতাংশ মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করে। এছাড়া প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যবহারকারী সংবাদ অ্যাপ ব্যবহার করে। মোবাইল সার্চ, অনলাইন মিউজিক ও ভিডিও, এমনকি অনলাইন পেমেন্ট সেবা দেশটিতে প্রচুর জনপ্রিয়।

গ্যাজেট নাউ অবলম্বনে রুদ্র মাহমুদ

৫জি মডেম তৈরি করছে ইন্টেল

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিশ্বের অনেক দেশেই এখন ৪জি (ফোরজি) সেবা দেওয়ার অবকাঠামো তৈরি হয়নি, সেখানে ইন্টেল ৫জিবিপিএস ডাউনলোড গতির ৫জি (ফাইভজি) মডেম তৈরির শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। এই বছরের মধ্যেই নমুনা মডেমটি তৈরি শেষ হবে।

মডেমটি খুবই দ্রুতগতিসম্পন্ন। যেমন এই মডেমের মাধ্যমে ৫০ গিগাবাইটের একটি মুভি ডাউনলোড করতে সময় লাগবে মাত্র ৮০ সেকেন্ড।

মডেমটি তৈরিতে বেশ কয়েকটি প্রযুক্তি যেমন ব্র্যান্ডউইথ এগ্রিগেশন, আল্ট্রা-লো লেটেন্সি ফ্রিকোয়েন্সিস, এমআইএমও, অ্যাডভান্সড চ্যানেল কোডিং ও ৪জি ফলব্যাক ব্যবহার করা হয়েছে। এটি বর্তমানে ৪জি অবকাঠামোতে ও বিকাশমান ৫জি নেটওয়ার্কেও চলবে।

5g Internet-TechShohor

৫জি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দ্রুত ডেটা স্থানান্তর ও হাই-রেজ্যুলেশনের কনটেন্ট স্ট্রিমিং করা যাবে। এছাড়া স্মার্ট ডিভাইস ও যানবাহনেও কার্যকরী হবে এই নেটওয়ার্ক।

ইতিমধ্যেই আমেরিকার টেলিকম অপারেটর ৫জি নেওয়ার্ক তৈরি করেছে। ভেরিজন দেশটির দশটি শহরে ৫জি সেবা দিতে যন্ত্রাংশ বসিয়েছে। টি-মোবাইল আগামী ২০২০ সাল নাগাদ ৫জি গেইমের জগতে প্রবেশের পরিকল্পনা নিয়েছে। এটিঅ্যান্ডটিও তাদের ডিরেকটিভি স্ট্রিমের জন্য ফিক্সড ৫জি সিগন্যালের কাজ করছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশ যেমন দক্ষিন কোরিয়ায় স্যামসাং ও কোরিয়া টেলিকম ২০১৮ সালে উইন্টার অলিম্পিকে ৫জি সংযোগ ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়েছে।

ফোন এরিনা অবলম্বনে রুদ্র মাহমুদ

ইইউ দেশগুলোতে বিনামূল্যে ওয়াইফাই দেবে কর্তৃপক্ষ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ইউরোপিয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর জনসমাগমপূর্ণ স্থানে বিনামূল্যে ওয়াইফাই ইন্টারনেট দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে কর্তৃপক্ষ। আগামী ২০২০ সালের মধ্যে সেখানে ওয়াইফাই ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার কাজ শেষ করবে ইইউ কর্তৃপক্ষ।

ইউরোপিয় ইউনিয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষতায় ন্যস্ত কমিশন নামে পরিচিত ফ্র্যান্সের স্টাসবুর্গের সভায় এমন পরিকল্পনার কথা জানান ইউনিয়নের প্রধান জ্যঁ ক্লদ জাঙ্কার।

তিনি বলেন, আগামী চার বছরের মধ্যে ইউনিয়নের সবগুলো গ্রাম ও শহরের মানুষকে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এমন পরিকল্পনা তাদের।

free-wifi_techshohor
তবে একই সঙ্গে ২০২৫ সালের মধ্যে ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে ফাইভ জি নেটওয়ার্ক স্থাপনের কথাও ভাবছে ইইউ। আর এমন ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া সম্ভব হলে দেশগুলোতে অন্তত ২০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলেও মনে করছেন জাঙ্কার।

এই ঘোষণার পাশাপাশি ইউরোপিয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে মোবাইলের রোমিং কলের খরচ প্রথা বাতিল করার কথা বলা হয়েছে। তবে এটি কবে নাগাদ বাস্তবায়ন করা হবে তা এখনো জানায়নি কমিশন।

আইবিটাইমস অবলম্বনে ইমরান হোসেন মিলন

ফাইভ জি ইন্টারনেটে গতির ঝড়!

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : পরীক্ষাগারের বাইরে বাস্তব জগতে পঞ্চম প্রজন্মের ইন্টারনেট ফাইভ জি- এর সফল পরীক্ষা চালিয়েছে জাপানের মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠান এনটিটি ডকোমো ইনকরপোরেশন।

প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে টোকিও’র একটি বাণিজ্যিক ভবনে ৫ জি ইন্টারনেট নিয়ে সফল পরীক্ষা চালিয়েছে তারা। এর আগে সাউথ কোরিয়ার টেক জায়ান্ট সামসাংসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ৫ জি নিয়ে পরীক্ষাগারে পরীক্ষা চালিয়েছে।

এনটিটি ডকোমো ইনকরপোরেশন প্রথম কোন প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য ৫ জি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক পরীক্ষা চালিয়েছে।

girl_mobile

জাপানের শীর্ষ মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে তাদের চালানো ওই পরীক্ষায় ডাউনলোডের গতি ছিল প্রতি সেকেন্ড ২ গিগাবিট এর বেশি। আর ব্রাউজের গতি পাওয়া গেছে প্রতি সেকেন্ড ৩ দশমিক ৬ গিগাবিট।

অর্থাৎ এনটিটি ডকোমো ৫জি ইন্টারনেটে ২ জিবি সাইজের একটি মুভি ডাউনলোড করতে এক সেকেন্ড সময়ও লাগবে না।

গত ১৩ অক্টোবর মোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নকিয়া নেটওয়ার্কের সঙ্গে যৌথভাবে ৫জি নেটওয়ার্কের পরীক্ষা চালায় এনটিটি ডকোমো। পরে বৃহস্পতিবার ওই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

জাপানে ৬৮ মিলিয়নের বেশি গ্রাহকের প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে তাদের লক্ষ ২০২০ সালের মধ্যে সবার জন্য বাণিজ্যিকভাবে ৫ জি নেটওয়ার্ক চালু করা।

গ্যাজেটস থ্রিসিক্সটি ডিগ্রি অবলম্বনে সৌমিক আহমেদ

সামনের দিনের লড়াই ফাইভ জি নিয়ে

জামান আশরাফ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলাদেশে এখনও খ্রিজি দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া যায়নি। তৃতীয় প্রজন্মের এ প্রযুক্তিও এখন পর্যন্ত জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ওঠেনি। তাই বলে কি আরও নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবনে থেমে থাকবে বিশ্ব। মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসের চার দিনব্যাপী আয়োজনে মোটেও সে রকম মনে হয়নি।

২০২০ সালের মধ্যে বিশ্বে ফাইভ জি’র গতিময় ইন্টারনেটের দেখা পাওয়া সময়ের ব্যাপার বলে কংগ্রেসে অংশ নেওয়া বিশেষজ্ঞরা নিঃসন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

তবে দক্ষিণ কোরিয়ার কেটি কর্পোরেশন বলছে, ডেটা স্থানান্তরের গতির দুনিয়ায় প্রবেশ করতে এতো দিনও অপেক্ষা করা লাগবে না। ২০১৮ সালে তাদের দেশে অনুষ্ঠিত শীতকালীন অলিম্পিক গেমসেই ফাইভ জির সেবা দিয়ে বিশ্বকে চমকে দেবে কোম্পানিটি। এমন ঘোষণা দিয়ে চমক তৈরি করেছে কো্ম্পানিটি।

5 G_techshohor

 

এবারের কংগ্রেসে সেটির একটি মহড়াও দেখিয়েছেন কেটি কর্পোরেশনের প্রেসিডেন্ট ড. চান-গু হাওয়ান। তিনি দেখিয়েছেন, ড্রাইভার ছাড়া কিভাবে একটি গাড়ি চলবে। তা ছাড়া গাড়ির মধ্যেই গোটা অফিসের সুবিধা নিয়ে আসাসহ নানা রকম পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের মহড়া দিয়ে কংগ্রেসকে চমকে দিয়েছেন তিনি।

কেটির মতো হুয়াওয়ে, এরিকসন, নকিয়া সিমেন্সসহ আরও কোম্পানি ফাইভ জি প্রযুক্তি তৈরির এ লড়াইয়ে নেমে পড়েছে। কার আগে কে সফল হবে তা এখন দেখার অপেক্ষা।

কংগ্রেসে ৪ দশমিক ৫ জি প্রযুক্তি আনার ঘোষণা দিয়ে গবেষণাকে এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে আরেক দক্ষিণ কোরিয়ান কোম্পানি হুয়াওয়ে।
ইতিমধ্যে কয়েকটি মোবাইল ফোন অপারেটর বিশেষ করে এরিকসনের সঙ্গে চুক্তি করেছে জাপানের এনটিটিডকোমো। তারা ২০২০ সালের মধ্যে জাপানের গ্রাহকদের ফাইভ জি প্রযুক্তির সুবিধা দিতে কাজ করছে।

৫জি-টেকশহর ডটকম

কিন্তু ফাইভ জি সুবিধা এখনি চালুর বিপক্ষে ইউরোপের অপারেটর বিশেষ করে ফ্রান্সের অরেন্জ। তারা বলছে, মাত্র কয়েক বছর হয় ফোর জি চালু হয়েছে ইউরোপে। এখন ফাইভ জি নিয়ে আসলে ফো’র জিতে করা বিপুল বিনিয়োগ জলে যাবে। কিন্তু ফাইভ জি’র গতির কাছে এ আলে‌‌চনা টিকছে না।

এবারের কংগ্রেসে একটি সেমিনারে হুয়াওয়ে দাবি করেছে, আট গিগাবাইটের একটি মুভি থ্রিজি প্রযুক্তিতে ডাউনলোড করতে যেখানে ৭০ মিনিট লাগে ফোর জিতে তা করা যাচ্ছে মাত্র সাত মিনিটে। আর ফাইভ জি প্রযুক্তি হলে সেটি করা যাবে মাত্র ছয় সেকেন্ডে।

জিএসএমএর তথ্য অনুসারে বর্তমানে বিশ্বে ৫০ কোটি লোক ফোর জি প্রযুক্তির মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন। আর ২০২০ সালের মধ্যে তা ৩০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। বর্তমানে বিশ্বের ১২৪ দেশের ৩০৫ অপারেটর ফোর জি সেবা চালু করেছে।

ফাইভ জি’তে গতির যাদু দেখাল স্যামসাং

সৌমিক আহমেদট, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : খুব বেশি দিন হয়নি বাংলাদেশে তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) মোবাইল সেবা চালু করা হয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলো এক ধাপ এগিয়ে ফোর জি প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হয়েছে। পাশের দেশ ভারতেও তা চালু হয়েছে। এরই মধ্যে চলে এসেছে পরবর্তী প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি ‘ফাইভ জি’।

অবাক হলেও অতি গ্রুত গতির ডেটা সেবা দেওয়ার এ প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কাজটি করে দেখিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার দুই টেক জায়ান্ট স্যামসাং এবং এসকে টেলিকম।

দাবি করা হয়েছে ফোর জি থেকে এটির গতি ৫০ গুণ বেশি দ্রুততর হবে। ফাইভ জিতে ১ গিগাবাইটের একটি ফাইল ডাউনলোড হতে সময় লাগবে ১ থেকে ২ সেকেন্ড।

আরও পড়ুন: ফাইভ জি উদ্ভাবনের চেষ্টায় হুওয়াই

৫জি-টেকশহর ডটকম

পঞ্চম পর্যায়ের এ মোবাইল প্রযুক্তির পরীক্ষমূলক ব্যবহার দেখানো হয়েছে বুসান এক্সিবেশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে ওয়ার্ল্ড আইটি শোতে।

ডাউনলোড না করেই ব্যবহারকারীরা উচ্চ রেজ্যুলেশনের ‘ফোর কে’ ভিডিও মোবাইল ফোনে সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন।

এ প্রযুক্তি মেলায় টেক দুনিয়ার নতুন এ সংযোজনের প্রদর্শনী দেখে বিস্মিত হযেছেন দর্শনার্থীরা। ফাইভ জির গতিতে মুগ্ধ হয়েছেন মেলায় আসা ব্যক্তিরা। বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে এ প্রযুক্তি মেলা।

উদ্ভাবনের পর থেকেই মোবাইল প্রযুক্তির প্রতিনিয়ত অগ্রগতি হচ্ছে। আর আপডেট প্রযুক্তির সেবা দ্রততম সময়ের মধ্যে মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে প্রযুক্তির প্রতিষ্ঠানগুলো।

এ নিয়ে অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের মতো জায়ান্টদের প্রতিযোগিতার খবর অনেক পুরনো। এবার মোবাইল প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয়েছে সনি ও এলজির মতো ইলেকট্রনিক্স পণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান।

২০২০ সাল নাগাদ ফাইভ জি প্রযুক্তি সম্বলিত মোবাইল ফোন ও ডিভাইস বাজারে আসবে বলে জানিয়েছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান স্যামসাং এবং এসকে টেলিকম।

ফাইভ জি প্রযুক্তির পাশাপাশি প্রথমবারের মাতো গিগাবাইট ইন্টারনেট চালু করেছে কোরিয়ান টেলিকম প্রতিষ্ঠান কেটি। এখনকার ১০০ মেগা বাইট গতির ইন্টারনেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি গতির হবে গিগাবাইট ইন্টানেট।

বিশ্বে কেটিই প্রথম যারা জাতীয় পর্যায়ে গতিময় ইন্টারনেট চালু করেছে। গিগাবাইট ইন্টানেটের মাধ্যমে এক জিবি ভিডিও ফাইল মাত্র ১০ সেকেন্ডের মধ্যে ডাউনলোড করা সম্ভব হবে। মডেম ইনস্টলের মাধ্যমে সহজেই ব্যবহার করা যাবে গিগাবাইট ইন্টনেট।

– এপি অবলম্বনে

আরও পড়ুন:

দক্ষিণ কোরিয়ায় ফাইভ জি নিয়ে গবেষণা শুরু

গিনিস বুকে জিটিএ ফাইভ!

থ্রিজি নিয়ে বড় প্রচারণায় যাচ্ছে বাংলালিংক

দক্ষিণ কোরিয়ায় ফাইভ জি নিয়ে গবেষণা শুরু

অনন্য ইসলাম, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিশ্বের মাত্র কয়েকটা দেশে তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে। অবশ্য বেশিরভাগ জায়গায় এটি সফল হয়নি। চতুর্থ প্রজন্মের (ফোর জি) ব্যবহার এখনও হাতে গোনা। এর মধ্যে পঞ্চম প্রজন্মের (ফাইভ জি) প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা শুরু করে দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।

সম্প্রতি ফিনিশ কোম্পানি নকিয়ার সঙ্গে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার অপারেটর এসকে টেলিকম। বাংলাদেশেও টেলিযোগাযোগের নানা বিষয় নিয়ে এসকে টেলিকম কাজ করছে। তবে সেসব কাজ মূলত সরকারের কোম্পানি বিটিসিএলের সঙ্গে।

5g internet speed-TechShohor

প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, নকিয়া এবং এসকে টেলিকমের স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুসারে ২০২০ সালের মধ্যে ফাইভ জি নিয়ে আসতে চায় তারা। তবে এর বাজারজাতকরণে আরও খানিকটা সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন এসকে টেলিকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হা সুং মিন।

এর আগে চীনা কোম্পানি হুওয়াই গত বছর পঞ্চম প্রজন্মের এ প্রযুক্তি উদ্ভাবনের গবেষণায় ৬০ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দেয়। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নেটওয়ার্ক সামগ্রী প্রস্তুতকারক কোম্পানিটি ২০২০ সালের মধ্যে ফাইভ জি উদ্ভাবনের সম্ভাবনার কথা বলছে।

২০২০ সালের মধ্যে কোম্পানিটি ডেটা স্থানান্তরে পঞ্চম প্রজন্মের প্রযুক্তি ব্যবহার শুরুর আশা করছে। ফাইভ জি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে প্রতি সেকেন্ডে ১০ গিগাবাইট গতিতে ডেটা স্থানান্তর করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে কোম্পানিটির গবেষকরা।

বর্তমানে বিশ্বের মাত্র কয়েকটি দেশে চতুর্থ প্রজন্মের জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তি রয়েছে। আবার কোথাও কোথাও এলটিইকেও চতুর্থ প্রজন্মেও মোবাইল প্রযুক্তি বলা হচ্ছে।

বাংলাদেশে থ্রিজির প্রচলন শুরু হয়ে গেছে এবং এইটিইর জন্য অপেক্ষা করছেন গ্রাহকরা।

– টেলিকম পেপার অবলম্বনে

কোরিয়ায় চালু হচ্ছে ৫জি

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী দেশ দক্ষিণ কোরিয়ায় চালু হতে যাচ্ছে পঞ্চম প্রজন্মের (৫জি) ইন্টারনেট সেবা। ১৫০ কোটি ডলারের এই উদ্যোগের ফলে বড় বড় মুভিও কয়েক সেকেন্ডে ডাউনলোড করা যাবে।

দেশটির বিজ্ঞান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ছয় বছরের মধ্যে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে। গতির দিক দিয়ে হবে ৪জি’র এক হাজার গুণ।

5g internet speed-TechShohor

মন্ত্রণালয়ের একও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আমরা ১৯৯০ সালে ২জি দিয়ে, ২০০০ সালে ৩জি দিয়ে এবং ২০১০ সালে ৪জি দিয়ে জাতীয় প্রবৃদ্ধি বাড়িয়েছি। এখন সময় এসেছে ৫জি’র জন্য প্রস্তুত হওয়ার।’

ইউরোপ, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রও ৫জি চালুর জন্য জোর গবেষণা চালিয়ে বলে এতে উল্লেখ করা করা হয়। তাই আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই এ মার্কেটে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হবে।

বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০১৭ সালে পরীক্ষামুলক ৫জি এবং ২০২০ সালে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক ৫জি চালু হবে কোরিয়ায়। এতে মূল আলট্রা-এইচডি কোয়ালিটির মিডিয়া ও দ্রুতগতির সোশ্যাল নেটওয়ার্কের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যবহারগুলো ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এ খাত থেকে ৩৩১ ট্রিলিয়ান উওন আয় করতে পারবে বলে ভবিষৎবানী করা হয়েছে।

কোরিয়ার শীর্ষ ফোন অপারেটর এসকে টেলিকম ও কোরিয়া টেলিকম এবং দুই ফোন নির্মাতা স্যামসাং ও এলজির কাছেও এ ব্যাপারে সাহায্য চেয়েছে সরকার। স্যামসাং এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কোরিয়ান এই কোম্পানিটি বিশ্বের স্মার্টফোন বাজারের সিংহভাগ দখলে রেখেছে বর্তমানে।

– টাইমস অফ ইন্ডিয়া অবলম্বনে হাসান শাহরিয়ার

ফাইভ জি উদ্ভাবনের চেষ্টায় হুওয়াই

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলাদেশ সবেমাত্র থ্রিজি যুগে পা রাখছে। পুরোদমে ব্যবহার শুরু হতে এখনও অনেক দেরি। নতুন প্রজন্মের এ টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি নিয়ে উচ্ছাস না থাকলেও উৎসাহের কমতি নেই মোবাইল ফোন গ্রাহকদের একাংশের। তবে বিশ্বের টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক বিস্তারের তুলনামূলক বিচারে এটি নতুন কিছু নয়। কেননা থ্রিজি ও ফোরজির সফলতার পর এবার ফাইভ জি প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হয়ে গেছে।

সর্বশেষ চীনা কোম্পানি হুওয়াই পঞ্চম প্রজন্মের এ প্রযুক্তি উদ্ভাবনের গবেষণায় ৬০ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।  বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নেটওয়ার্ক সামগ্রী প্রস্তুতকারক কোম্পানিটি ২০২০ সালের মধ্যে ফাইভ জি উদ্ভাবনের সম্ভাবনার কথা বলছে।

বাংলাদেশের সবগুলো অপারেটরের থ্রিজি যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ সরবরাহ করছে হুওয়াই। এককভাবে তারাই এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় থ্রিজি ভেন্ডর।

5g_techshohor

২০২০ সালের মধ্যে কোম্পানিটি ডেটা স্থানান্তরে পঞ্চম প্রজন্মের প্রযুক্তি ব্যবহার শুরুর আশা করছে। ফাইভ জি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে প্রতি সেকেন্ডে ১০ গিগাবাইট গতিতে ডেটা স্থানান্তর করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে কোম্পানিটির গবেষকরা।

এ কাজে সফল হতে আগামী পাঁচ বছরে তারা বিপুল এ অর্থ নতুন প্রযুক্তির উৎকর্ষতা এবং এয়ার-ইন্টারফেস টেকনোলোজির গবেষণায় ব্যয় করবে।

এ ছাড়া এখন পর্যন্ত হুওয়াই ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ফাইভ জি গবেষণা প্রকল্পে অংশ নিয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বের ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে।

কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুধু নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন নয় বিশ্বজুড়ে টেলিকম খাতের উৎকর্ষ সাধনে কোম্পানিটি কাজ করছে।

– টেলিকমবিষয়ক ওয়েবসাইট টেলিকমপেপার প্রতিবেদন থেকে আমিন রানা