ওয়ানপ্লাস ৩ জেতার সুযোগ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গত জুন থেকে বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে আসা ওয়ানপ্লাস ৩ বছরের জনপ্রিয় স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে অন্যতম। ৩৯৯ ডলারের এই স্মার্টফোন কেনার ইচ্ছা থাকলেও অনেকেই বাজেটের কারণে সেটি পূরণ করতে পারছেন না। তবে এবার ওয়ানপ্লাসই বিনামূল্যে ফোনটি জেতার সুযোগ দিয়েছে।

ওয়ানপ্লাস ভক্তদের এই ফোনটি জেতার সুযোগ দিতে নিজেদের অফিসিয়াল ফেইসবুকে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে কোম্পানিটি। প্রথমে পেইজটিতে লাইক দিতে হবে। এরপর নির্ধারিত পোস্টের কমেন্ট বক্সে আপনার কাছে মনে হওয়া ওয়ানপ্লাস ৩ এর প্রিয় ফিচারটি কি তা লিখতে হবে।

১৯ জুলাই বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া যাবে। ইতোমধ্যেই ২১ হাজারের অধিক কমেন্ট পড়েছে।

oneplus-3-soft-gold-TechShohor

গ্রাফাইট ও সফট গোল্ড কালারের এই স্মার্টফোনটি থেকে বিজয়ী কোন সংস্করণটি পাবেন তা জানায়নি ওয়ারপ্লাস। তবে বিনামূল্যের জিনিষ একটা হলেই হলো!

ফোনটিতে রয়েছে সুপার অ্যামলয়েড সুবিধাযুক্ত ৫.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লে। যার রেজুলেশন ১০৮০x১৯২০ এবং পিক্সেল ডেনসিটি হলো ৪০১ পিপিআই। হাতে থেকে পড়ে গেলেও যেন ফোনটি সহজে না ভেঙে যায় সেজন্য রয়েছে গরিলা গ্লাস ৪ প্রযুক্তি। অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ এর কাস্টমাইজ অক্সিজেন সংস্করণ।

ফোনটিতে রয়েছে কোয়ালকম এমএমএম৮৯৯৬ স্ন্যাপড্রাগন ৮২০ চিপসেটের ডুয়েল কোর ২.১৫ গিগাহার্টজ প্রসেসর। গতিময় সুবিধা দিতে ফোনটি রয়েছে ৬ গিগাবাইট র‍্যাম। স্টোরেজ সুবিধার জন্য রয়েছে ৬৪ গিগাবাইট ইন্টারনাল মেমোরি। তবে মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহাহারের সুবিধা নেই এতে।

ছবি তোলার জন্য ডিভাইসটির পেছনে রয়েছে ফ্ল্যাশসহ ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা যা দিয়ে ২১৬০ পিক্সেল ভিডিও রেকর্ড করা যাবে। সেলফি তোলার জন্য ডিভাইসটির সামনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। ফোনটিতে রয়েছে ড্যাস চার্জিং প্রযুক্তি। ফলে ৩০ মিনিটেই ৬০ শতাংশ চার্জ হবে ব্যাটারি। এতে রয়েছে তিন হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি।

ফোন এরিনা অবলম্বনে রুদ্র মাহমুদ

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজেক্ট প্রতিযোগিতা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগে একটি প্রজেক্ট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এতে শিক্ষার্থীদের তৈরি করা স্মার্ট হোম উইথ সেক্রেটারি সিষ্টেম, ড্রিম হাউজ, সেক্রেটারি সিপ ড্রোনসহ বিভিন্ন প্রজেক্ট প্রদর্শন করা হয়।

vu

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক এম. সাইদুর রহমান খান। ইইই বিভাগের কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমানের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. ওসমান গনি তালুকদার।

শামীম রাহমান

এখানেই ডটকমে ভ্যালেন্টাইন প্রতিযোগিতা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ভালোবাসা দিবসকে সামনে রেখে ‘ভাগ্য খুলবেই ভ্যালেন্টাইনে’ নামে  একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে অনলাইন ক্লাসিফায়েড ওয়েবসাইট এখানেই ডটকম।
তিনটি ধাপে প্রতিযোগিতাটি শুরু হয়েছে ২ ফেব্রুয়ারি থেকে, চলবে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

 

Ekhanei
১৮ বা তদুর্ধ্ব বয়সের যেকেউ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। এরজন্য প্রতিযোগীকে ১০ হাজার টাকা মূল্যের নতুন বা ব্যবহার করা হয়নি এমন পণ্য এখানেই ডটকমের সাইটে আপলোড করতে হবে। পরে সেই লিঙ্ক এখানেই এর ফেইসবুক পেইজে পোস্ট করতে হবে। পরে ওই লিঙ্কে কমেন্ট করতে হবে।
সেখান থেকেই বিজয়ী নির্বাচন করে পুরস্কৃত করবে এখানেই ডটকম।
বিস্তারিত জানা যাবে www.facebook.com/Ekhaneicom
ইমরান হোসেন মিলন

অনলাইন ফটো কনটেস্টের ১৮০ ছবির প্রদশর্নী

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অনলাইন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বাছাই করা ১৮০টি ছবির এক প্রদর্শনী হয়ে গেল রাজধানীতে।

‘স্মার্ট-এইচপি টেম্পল অব দ্য মাইন্ড’ শীর্ষক তিন দিনের এ অনলাইন ফটো কনটেস্ট ধানমণ্ডির দৃক গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় পাঠানো সহস্রাধিক ছবির মধ্যে থেকে নির্বাচিত ছবিগুলো বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে দর্শনার্থীদের।

drik-photo-contest-techshohor-1

রোববার প্রদর্শনীটির আনুষ্ঠানিক সমাপনী ঘোষণা করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আলোকচিত্রশিল্পী আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সাবেক সভাপতি মোস্তাফা জব্বার।

বৃহস্পতিবার প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হলেও তা দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয় শুক্রবার। এর আগে মাসব্যাপী একটি অনলাইন ফটো কনটেষ্ট আয়োজন করা হয়।

drik-photo-contest-techshohor

 

প্রর্দশনী ও প্রতিযোগিতা আয়োজন করে দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অরেঞ্জ বিডি পরিচালিত ফটোগ্রাফি ই-কর্মাস সাইট ৭১পিক্স এবং সোশ্যাল মিডিয়াভিত্তিক আলোকচিত্র গ্রুপ ফটোগ্রাফি ইন আওয়ার ড্রিম।

প্রদর্শনী থেকে বিক্রি করা ছবির ২০ শতাংশ অর্থ নেপালের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে ব্যায় করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আয়োজকরা।

ইমরান হোসেন মিলন

অ্যাপস প্রতিযোগিতায় সময় বাড়ল

টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর: ইএটিএল-প্রথম আলো অ্যাপস প্রতিযোগিতায় ধারণাপত্র জমা দেয়ার সময় বাড়ানো হয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত সময় ৩১ অক্টোবর থেকে বাড়িয়ে এখন তা ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অনুরোধেই এই এক মাস সময় বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

প্রতিযোগিতার প্রচারণার জন্য শনিবার বুয়েটে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। এর আগে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিসহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

অ্যাপস প্রতিযোগিতায় সময় বাড়ল ধারণাপত্র জমা দেয়ার-টেকশহর.কম

আয়োজকদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন পর্যায় পেরিয়ে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে সেরা বিজয়ী পাবেন ১০ লাখ টাকা, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিজয়ী পাবেন যথাক্রমে পাঁচ লাখ ও দুই লাখ টাকা। এ ছাড়া শীর্ষ ১০ বিজয়ী পাবেন একটি করে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ও ইএটিএলে চাকরির সুযোগ। এখানেই শেষ নয়, এবার জমা পড়া ধারণাগুলোর মধ্য থেকে নির্বাচিত সেরা ধারণাপত্রের জন্য পুরস্কার হিসেবে থাকছে এক লাখ টাকা।

এই প্রতিযোগিতার টেলিকম পার্টনার হিসেবে আছে গ্রামীণফোন, মিডিয়া পার্টনার চ্যানেল আই ও রেডিও পার্টনার এবিসি রেডিও।

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন www.eatlapps.com

-সাইমুম সাদ

বিআইপিসির সম্মেলনে যোগ হলো ব্লগিং প্রতিযোগিতা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ১৪ নভেম্বর বাংলাদেশ ইন্টারনেট প্রফেশনালস কমিউনিটির (বিআইপিসি) অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনে যোগ হচ্ছে নতুন আরেকটি ইভেন্ট ‘ব্লগিং প্রতিযোগিতা’। এজন্য রেজিষ্ট্রেশনকারীদের কাছ থেকে লেখা আহবান করা হয়েছে।

আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং, সম্মেলন সম্পর্কিত ভাবনা, একই ধরনের সম্মেলনে যোগ দিয়ে পাওয়া পূর্ব অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা পাঠাতে বলা হয়েছে।

প্রফেশনালদের অভিজ্ঞতা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার জন্যই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ দেশে অনলাইন পেশাজীবীদের প্রথম সম্মেলন নভেম্বরে

বিআইপিসি ব্লগ কন্টেষ্ট-টেকশহর.কম

বিআইপিসি’র আয়োজকদের তরফ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিযোগিতায় জয়ী ৩ জনকে নগদ ২ হাজার টাকা করে পুরষ্কার দেওয়া হবে। একাধিক লেখা জমা দেয়া যাবে না। লেখার মাধ্যম হবে ইংরেজি এবং তা কোনোভাবেই ৩৫০ শব্দের অধিক হতে পারবে না। প্রত্যেকের লেখার আলাদা একটা কোড থাকবে এবং কোডগুলো নিরিক্ষে সম্মেলনের দিন অথবা তার আগেই তা ড্র করা হবে।

বিআইপিসি আরো জানিয়েছে, লেখাটি জমা দেয়ার পর কতৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সংশোধন করে বিআইপিসির কনফারেন্স ব্লগে তা প্রকাশ করবে।

উল্লেখ্য, ১৪ নভেম্বর তরুণ অনলাইন পেশাজীবীদের নিয়ে দেশে প্রথমবারের মতো এই সম্মেলন হতে যাচ্ছে। এতে ব্লগিং ছাড়াও নেটওয়ার্কিং, লার্নিং, ফান অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট, শেয়ারিং, র্যা ফেল ড্র এবং গিফট, লেট ওইমেন ইনস্পায়ারের মতো ইভেন্ট রাখা হয়েছে।

ফখরুদ্দিন মেহেদী।

 

ডুয়েট গেইমিং কনটেস্ট জিতলেন ৮ শিক্ষার্থী

টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) গেইমিং কনটেস্টে চার ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন সোলায়মান আলী, আহমেদ নোমান, আবু দাউদ ও আল বিরুনী।

বিশ্ববিদ্যালয়টির কম্পিউটার সোসাইটির আয়োজনে শনিবার শেষ হয় এ প্রতিযোগিতা।

আরো পড়ুন : আন্তর্জাতিক পুরষ্কার পেল চুয়েট শিক্ষার্থীর প্রকল্প

ডুয়েট গেইমিং কনটেস্টের বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান-টেকশহর.কম

এতে রাইজ অব নেশনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন সোলায়মান আলী, রানারআপ আব্দুল্লাহ আল মামুন। এনএফএসে চ্যাম্পিয়ন আহমেদ নোমান, রানারআপ রাফিদুল ইসলাম ইমন।

এইট বল পুলে চ্যাম্পিয়ন আবু দাউদ, রানারআপ রাজিবুল হক। দাবায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন আল বিরুনী, রানারআপ রমেন চন্দ্র।

ডুয়েট কম্পিউটার সোসাইটির মাল্টিমিডিয়া ও গেইমিং গ্রুপের প্রধান সোলায়মান আলী টেকশহর ডটকমকে জানান, শিক্ষার্থীদের মাঝে গেইমিং নিয়ে প্রচারণা চালাতে এবং গেইমিং ডেভেলপমেন্টকে উৎসাহিত করতে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এখন থেকে প্রতি বছর এটি আয়োজন করা হবে।

২০১৩ সালে ডুয়েট কম্পিউটার সোসাইটি প্রথমবারের মতো গেইমিং কনটেস্টের আয়োজন করে।

– সাইমুম সাদ

আরো পড়ুন

ছাঁটাই প্রতিবাদের পুরষ্কার পাচ্ছে জিপি ইউনিয়ন

হ্যাকার বিশেষজ্ঞকে মাইক্রোসফটের ১ লাখ ডলার পুরষ্কার

জাকারবার্গের পেইজ হ্যাক করায় পুরষ্কার ১০ হাজার ডলার

 

গেইম নিয়ে টেকনেক্সটের প্রতিযোগিতা মেইড ইন বাংলাদেশ

তুসিন আহমেদ,টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : প্রথম দেখলে মনে হবে বিদেশি বিখ্যাত কোনো গেইম নিমার্তা প্রতিষ্ঠানের তৈরি এটি। খেলা শুরু করলে মনে পড়ে যাবে ফ্ল্যাপি বার্ডস গেইমটির কথা। এটির মতো বারবার গেইমটি খেলতে ইচ্ছা করবে।

গেইমটির নাম ‘ডেক্সট্রিস হ্যালোইন‘। এটি তৈরি করেছে বাংলাদেশি তরুণদের নিয়ে গঠিত ‘টেকনেক্সট’ নামে মোবাইল গেইম ডেভেলপমেন্টকারী একটি প্রতিষ্ঠান। এ খবর অনেকের জানা। তবে নতুন খবর হলো এ গেইম নিয়ে শুরু হয়েছে একটি গেইমিং প্রতিযোগিতা। জয়ীদের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় পুরস্কার

বাংলাদেশে যে বিশ্বমানের গেইম তৈরি হচ্ছে এটি জানানোর জন্য প্রতিষ্ঠানটি এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। প্রতিযোগিতার নাম দিয়েছ ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’। এটি চলবে আগামী ১৬ ই ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে ।

আরো পড়ুনঃ দেশে অনলাইন গেইমিংয়ের রঙ্গিন দুনিয়ায় ভিড় বাড়ছে

“ডেক্সট্রিস হ্যালোইন-টেকশহর

প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময়ে ডেক্সট্রিস হ্যালোইন গেইমে অংশ নেওয়া গেইমারদের মধ্যে প্রতি সপ্তাহে সেরা ১০ জনকে স্কোরের দ্বিগুন মোবাইলে রিচার্জ দেওয়া হবে। আর ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সেরা দু’জন স্কোরারকে দুটি স্মার্টফোন পুরস্কার দেওয়া হবে।

বাংলাদেশে বসবাসকারী যে কোনো ব্যবহারকারী এ প্রতিযোগীতায় অংশ নিতে পারবেন।

বর্তমানে গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে গেইমটি। আগামী সপ্তাহে আইফোন এবং উইন্ডোজ ফোনের জন্য আনা হবে গেইমটির সংস্করণ।

গেইমটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের ডেভলপাররা জানান, এটি তৈরি করতে প্রায় এক মাস সময় লেগেছে। এটির ডেভেলপার ছিলেন আহমেদ-বিন-জামান, আকিব আশেফ, ডিজাইনার হিসেবে ছিলেন নাঈম আহমেদ এবং নাভিদ জামান ধ্রুব । এ ছাড়াও আরিফুজ্জামান সোহেল এবং আয়মান শশী বিভিন্নভাবে সহায়তা করেন।

 

“ডেক্সট্রিস হ্যালোইন-টেকশহর

টেকনেক্সট প্রতিষ্ঠানের কো-ফাউন্ডার এবং প্রজেক্ট ম্যানেজার সৈয়দ রেজওয়ানুল হক টেকশহরকে বলেন, “বাংলাদেশে প্রচারণা বড় সমস্যা। যদি প্রচারণায় ভালো সাপোর্ট পাওয়া যায়, তাহলে গেইমটি দিয়ে ফ্লাপি বার্ডের জনপ্রিয়তা অতিক্রম করা সম্ভব। ”

টেকনেক্সট প্রতিষ্ঠানটি ২০১২ সালের প্রতিষ্ঠা করেন সৈয়দ রেজওয়ানুল হক এবং শাহজাহান জুয়েল। বর্তমানে এখানে সর্বমোট ১৭ জন ডিজাইনার, ডেভেলপার এবং প্রোগ্রামার কাজ করছেন।

মূলত মোবাইল গেইম ডেভেলপমেন্ট এবং ওয়েব আপ্ল্যিকেশন ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডাতে কয়েকটি সফটওয়্যার ফার্মের সাথে বিভিন্ন প্রোডাক্ট ডেভেলমেন্ট নিয়ে কারছে তরুণের এ প্রতিষ্ঠান।

গেইমটি ডাউনলোড করা যাবে এ ঠিকানা থেকে। প্রতিযোগীতার বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে এ ফেইসবুক পেইজে এটির প্রমো ভিডিওয়ের লিংক নিচে দেওয়া হলো-

আরো পড়ুনঃ

ভয়ংকর নিষ্ঠুর তবুও জনপ্রিয় ছয় গেইম!

বছরের সেরা গেইম ডার্ক সোলস ২

ভিডিও গেইমের স্কুল হচ্ছে!

মাইক্রোসফটের ডেভ সেন্টারে সবার জন্য রিভিউ উন্মুক্ত

কোডিং দিয়ে জীবন বদলের দুই প্রকল্প

ফখরুদ্দিন মেহেদী, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : আর্থিক অনটনে মুহাইমিনের পড়াশোনা আটকে গিয়েছিল সপ্তম শ্রেণীতেই। এরপর হয়ত হাজারো শিশুর মতো তিনিও হয়ত হারিয়ে যেতেন। কিন্তু অদম্য ইচ্ছা ও জানার প্রচন্ড আগ্রহ তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। নিজের চেষ্টায় এগিয়ে চলেছেন। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই মাইক্রোসফট ও বিশ্বব্যাংকের ‘কোডিং ইউর অপরচুনিটি’ প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন।

সার্কের তিন দেশের সঙ্গে স্বদেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে বিজয়ী মুহাইমিন খান আবেগ তাড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি হয়তো ঝড়ে পড়াদের দলেই শামিল হতাম। কিন্তু কম্পিউটার নিয়ে আমার আগ্রহের সীমা ছিল না। সারাদিন কাটত কম্পিউটারের জগতের মধ্যে। ইন্টারনেটে ঘেটে বেড়াতাম সারা দুনিয়ায় কোথায় কি আছে। নিজে থেকেই আয়ের পথ তৈরি করেছি। নিজের রোজগারে ও লেভেল শেষ করেছি, এখন এ লেভেল পড়ছি।”

মাইক্রোসফট ও বিশ্বব্যাংকের যৌথভাবে আয়োজিত এ কোডিং প্রতিযোগীতায় মুহাইমিন ও তার সহযোগী সুমন সেলিমের দল বেটার স্টোরিজ লিমিটেডের প্রকল্পটির নাম ‘কোডিং ইউর ওয়ে আউট অব প্রোভার্টি। মূলত পথশিশু বা বস্তিতে বসবাস করা শিশু-কিশোরদের কম্পিউটারের বেসিক ও কোডিং শিক্ষায় আগ্রহী করে তোলাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

মাইক্রোসফট-বিশ্ব-ব্যাংক-কোডিং-প্রতিযোগিতা-পুরস্কার-টেকশহর

গত জুন-জুলাইয়ে শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতার প্রথম পর্যায়ে বাংলাদেশের ২০ প্রতিষ্ঠান দলগতভাবে অংশ নিয়েছিল। এগুলোর মধ্যে মুহাইমিন ও সুমনের বেটার স্টোরিজ লিমিটেডসহ চারটি দল আঞ্চলিক পর্যায়ের ফাইনাল রাউন্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। আঞ্চলিক পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগীতায় সাত দলের মধ্যে বাংলাদেশের দুটি ও নেপালের দুটি দল জয়ী হয়।

জয়ী দল কোডিং বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ১০ হাজার ডলার অনুদান পেয়েছেন। কর্মসংস্থানমুখী প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসারে এ কোডিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে মাইক্রোসফট ও বিশ্বব্যাংক।

বাংলাদেশ, নেপাল, মালদ্বীপ ও শ্রীলংকার তরুন-তরুনীদের নিয়ে কাজ করছে এমন প্রতিষ্ঠানের কাছে আইডিয়া আহ্বান করা হয়েছিল।

জয়ী দল বেটার স্টোরিজ লিমিটেডের এ তরুনদের প্রকল্পের মডিউল ছিল, তারা পাঁচজন কোডারকে জোগাড় করবেন- যারা ১০ ভিন্ন এলাকায় গিয়ে ১০ জন ছেলেমেয়েকে কম্পিউটিং এবং কোডিংয়ের বেসিক শেখাবেন। এরপর ওই ১০ জন শিক্ষার্থীর মাধ্যমে আরও ১০০ জন জোগাড় করে তাদের কোডিং শেখানো হবে।

এভাবে ক্রমান্বয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের সংখ্যা বাড়তে থাকবে। তার এই আইডিয়াটিই সর্বশ্রেষ্ঠ বলে বিবেচিত হয়েছে মাইক্রোসফট ও বিশ্বব্যাংকের বিচারকদের কাছে।

কোডিং-মুহাইমেন-মাইক্রোসফট-বিশ্বব্যাংক-বাংলাদেশ-টেকশহর

প্রকল্পটি সম্পর্কে মুহাইমিন বলেন, আসলে দরিদ্রদের সারাজীবন দরিদ্র করে রাখা হয়। তাদের নিয়ে কেই বড় পরিকল্পনা করতে সাহস করে না। দেশের বড় বড় প্রকল্পের আওতায় কোটি কোটি টাকা করচ করা হলেও পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য তেমন কিছু করা হয় না।

একটি রাস্তার ছেলের পিছনে ১০০ ডলার খরচ করা হলে তার জীবন বদলে দেওয়া যায় বলে মনে করেন তিনি। পিছিয়ে পড়া এসব জনগোষ্ঠীর চোখে কোডার হওয়ার স্বপ্ন ছড়িয়ে দিতে দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানে ফান্ডের জন্য আবেদন করবেন বলে জানান তৃণমূল থেকে উঠে আসা এ তরুণ।

মুহাইমিন খান ‘বিজ ক্যাফে’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানেরও সহ-প্রতিষ্ঠাতা। এটি ষ্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলোকে মেন্টর এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সংযুক্ত করিয়ে দেওয়ার কাজ করে।

অন্যদিকে বাংলায় ভিডিও কনটেন্ট তৈরির প্রকল্প উপস্থাপন করে কোডিং প্রতিযোগিতায় রানার আপ হয়েছে বাংলাদেশের ড্রিম ডোর সফট লিমিটেড। এ দলে ছিলেন ড. মোহাম্মদ আনওয়ারুস সালাম ও তার সহযোগী মো: সাদেকুর রহমান।

এ প্রকল্পের আওতায় প্রোগ্রামিং বা কোডিং শিখতে আগ্রহীদের জন্য বাংলায় ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করা হবে। দেশের সব শিক্ষার্থীকে ইংরেজিতে কোডিং শিখতে হয় যা অনেকের কাছে বোধগম্য হয় না। তাই স্বদেশি ভাষার কনটেন্ট দিয়ে শেখানোর ভাবনা থেকে এ প্রকল্প তৈরি করেন তারা।

কোডিং-আনোয়ারর-মাইক্রোসফট-বিশ্বব্যাংক-বাংলাদেশ-টেকশহর

এটির বাস্তাবয়ন হলে দেশে কর্মসংস্থান বাড়বে বলে মনে করেন এ দলের দুই সদস্য। ড. সালাম টেকশহর ডটকমকে জানান, জাপানের মতো উন্নত দেশগুলোতে শিক্ষার্থীদের নিজ ভাষায় কোডিং বা প্রোগামিং শেখানো হয়। কিন্তু আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে ইংরেজিতে কোডিং শেখানো হয়। এ কারণে দেশের বেশিরভাগ কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীও ভালো করে কোডিং বা প্রোগ্রামিং শিখে বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে বের হতে পারে না। এমনকি তার কর্মস্থলে গিয়েও বিপদে পড়েন। এর কারণ ইংরেজিতে দুর্বলতা।

এ প্রকৌশলী বলেন, তাদের প্রকল্পের আওতায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্কিল আপ করার প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। বাংলা কনটেন্ট থেকে শিক্ষার্থীরা কতটুকু শিখতে পারে এটা পরিমাপ করার জন্যই মূলত এ আয়োজন করা হবে। এ জন্য তারা তহবিল যোগাতে বেসিস ও বিসিসির সহায়তা চাইবেন বলে জানান।

ড. সালাম ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতক পাশ করার পর টোকিও ইউনিভার্সিটি অব ইলেক্ট্রা কমিউনিকেশন থেকে মাস্টার্স ও পিএইচডি করেছেন। বর্তমানে তিনি গুগল বাংলাদেশের কান্ট্রি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করছেন।

সেলফি প্রতিযোগিতা চালু করল বাংলালিংক

জামান আশরাফ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিংয়ে সেলফি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে দ্বিতীয় গ্রাহক সেরা মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংক। মোবাইল ফোন অফারেটরগুলোর আয়োজনে এটিই এ ধরণের প্রথম প্রতিযোগিতা।

অপারেটরটির ফেইসবুক পেইজে বুধবার প্রতিযোগিতার ঘোষণা দিয়ে বলা হয়েছে, সেলফির মাধ্যমে দেশকে তুলে ধরার এ প্রয়াস শুরু করেছে বাংলালিংক।

‘#০১৯ বাংলাদেশ’ শিরোনামে দেশের ব্র্যান্ডিংয়ে এ প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। ‘#০১৯ বাংলাদেশ’ নামে খোলা নতুন পেইজে পোস্ট করা শীর্ষ ৫০টি সেলফিকেই খোঁজা হচ্ছে বলে বাংলালিংকের ফেইসবুক পেইজে প্রতিযোগিতা শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সেলফি-বন্ধু-ফ্রেন্ডস-টেক-শহর

 

এর আগে ‘#০১৯ বাংলাদেশ’ নামে অপর একটি ফেইসবুক পেইজ চালু করে অপারেটরটি।

প্রতিযোগিতায় কেবল সবচেয়ে বেশি লাইক পড়া সেফলির মালিককে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ফাইভ পুরস্কার দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে পরের তিন জন পাবেন এলজি জিথ্রি হ্যান্ডসেট।

অপারেটরটি আরও জানিয়েছে, সেলফি #০১৯ বাংলাদেশে পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে তা পাবলিক করতে হবে। একই সঙ্গে ছবিটি কোথায় তোলা হয়েছে সেটিরও বর্ণনা যুক্ত করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এসব প্রতিযোগিতার মাধ্যমে গ্রাহকদেরকে আরও বেশি ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত রাখা বা টেক ফ্রেন্ডলি করে তোলার চেষ্টা করছে অপারেটরগুলো। সে কারণে এমন নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে।

অপারেটরগুলো বাণিজ্যিকভাবে থ্রিজি চালুর পর থেকে এমন প্রতিযোগিতা আয়োজন বাড়িয়েছে বলেও জানিয়েছেন বাংলালিংকের এক কর্মী।