প্রোগ্রামিং ভাষা জাভা নিয়ে নতুন বই

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর :  কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা জাভা নিয়ে নতুন বই প্রকাশ করেছে দ্বিমিক প্রকাশনী।

‘জাভা প্রোগ্রামিং’ নামের বইটি নবীন শিক্ষার্থীদের উপযোগী করে বইটি লিখেছেন আ ন ম বজলুর রহমান। তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভ্যানটেস ল্যাবস, এলএলসি’তে জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত।

Java-Pro-Boi-Techshohor

বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে জাভা প্রোগ্রামের ইতিহাস, সিনট্যাক্স, কন্ট্রোল ফ্লো, লুপিং ও ব্রাঞ্চিং থেকে শুরু করে অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং, ইনহেরিটেন্স, পলিমরফিজম, এনক্যাপসুলেশন, অ্যাবস্ট্রাক্ট ক্লাস, ইন্টারফেইস, এক্সেপশন হ্যান্ডেলিং, জেনেরিকস, কালেকশন ফ্রেমওয়ার্ক, ইউনিট টেস্টিংসহ আরও বেশ কয়েকটি বিষয়।

অমর একুশে গ্রন্থমেলার ৪৭৩ নম্বর স্টলে বইটি পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও ঘরে বসে অনলাইনে সংগ্রহ করা যাবে রকমারি ডটকম থেকে।  

ইমরান হোসেন মিলন 

জাভা নিয়ে দ্বিমিক প্রকাশনীর নতুন বই

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর :  বর্তমানের প্রোগ্রামিং ভাষার মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হলো জাভা। এই ভাষাটি যেন নতুনরা নিজের ভাষায় আরও সহজ ও আনন্দের সাথে শিখতে পারেন সেই লক্ষ্যে বইমেলায় নতুন বই এনেছে দ্বিমিক প্রকাশনী। ‘জাভা প্রোগ্রামিং’ নামে এই বইটি লিখেছেন আ ন ম বজলুর রহমান।

বর্তমানে আ ন ম বজলুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি সফটওয়্যার ডেভেলমেন্ট কোম্পানি (ভ্যানটেজ ল্যাবস, এলএলসি) তে জ্যেষ্ঠ সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে কর্মরত আছেন।

বইটিতে মোট ১৫টি অধ্যায়ে বিভাজন করে জাভার প্রাথমিক বিষয়বস্তু সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। দেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চার বা ছয় মাসের সেমিস্টার পদ্ধতি বিদ্যমান। এই সময়ের মধ্যে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ও প্রোগ্রামিংয়ের ভাষা হিসেবে জাভা শিক্ষায় অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিষয়বস্তু নির্বাচন ও শ্রেণীবিন্যাস করা হয়েছে।

java-book-techshohor

আ ন ম বজলুর রহমান বইটি সম্পর্কে টেকশহরডটকমকে বলেন, সময়পোযোগী একটা বই লেখার ইচ্ছে ছিল অনেক আগে থেকেই। বাংলাতে প্রোগ্রামিং ভাষার বই অনেকেই পছন্দ করেন না। এই অপছন্দের পেছনে খুব ভালো যুক্তি নিশ্চয়ই রয়েছে, তবে আমার বরাবরই মনে হয়েছে, মাতৃভাষায় কোনো কিছু শেখার আনন্দ সবসময়ই বেশি। তাই বইটি লেখা।

তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশের শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের ভাষাতেই প্রযুক্তি নিয়ে পড়াশোনা করেন। তাদের কাছাকাছি হয়তো এখনই আমরা যেতে পারব না, কিন্তু হাঁটি হাঁটি পা পা করেই হয়তো একদিন অনেক কনটেন্ট বাংলাতে তৈরি হবে।

বইটিতে প্রোগ্রামিং ধারণা নেই এমন যে কারও কাজে লাগবে। তবে যদি সি বা পাইথন ধারণা থাকে তাহলে পরের দিকে সুবিধা পাবেন বলে জানান লেখক।

বইমেলার পাশাপাশি বইটি রকমারি ডটকমের এই ঠিকানা থেকে অনলাইনেও কেনা যাবে।

আরও পড়ুন: 

হাতের মুঠোয় চাকরি : জানতে হবে ১৬ প্রোগ্রামিং ভাষা

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিনের আবহাওয়া দেখা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমানোর আগে পর্যন্ত সব কিছুই এখন কয়েক ক্লিকেই দেখে ফেলা যায়। এটা সম্ভব হয়েছে প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে। আরও সুস্পষ্ট করে বললে সফটওয়্যার ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের কল্যাণে। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সফটওয়্যার নির্ভরতা বাড়ছে। এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারী মারসি অ্যান্ড্রেসেন বলেন, ‘সফটওয়্যার ইস ইটিং দ্য ওয়ার্ল্ড।’ এর সূত্র ধরে বলা যেতে পারে, সফটওয়্যারের হাতের কব্জায় এখন পুরো বিশ্ব।

অতি প্রয়োজনীয় কিংবা কাজের বা অকাজের এসব সফটওয়্যার তৈরি হয় কোডিং করে। প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার করে করা হয় এ কোডিং। এ প্রোগ্রামিংয়ের অনেক ভাষা রয়েছে। এর মধ্যে কিছু ভাষা খুবই জনপ্রিয় ও চাকরি ক্ষেত্রে অধিক সহায়ক।

একটি প্রতিষ্ঠান প্রোগ্রামারদের কাজের ধরণ অনুযায়ী তাকে নিয়োগ দিয়ে থাকে। তাই প্রোগ্রামিং শেখার আগে কাজের ক্ষেত্রগুলো সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখা উচিত। জনপ্রিয় ব্যবসা সাময়িকী বিজনেস ইনসাইডার স্টাক ওভারফ্লো ও টিওবি ইনডেস্কের জরিপের ভিত্তিতে ১৬টি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষার তালিকা তৈরি করেছে।

girl-working-on-office-compute-techshohorr

এ প্রতিবেদনে বর্তমানে সময়ের জনপ্রিয় ও চাকরি খাতে চাহিদা থাকা এসব ভাষায় সম্পর্কে তুলে ধরা হলো।

জাভা
জাভা একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। সান মাইক্রোসিস্টেম ৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে জাভা ডিজাইন করার পরে এটি অতি দ্রুত বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষার একটিতে পরিণত হয়।

এর জনপ্রিয়তার মূল কারণ বহনযোগ্যতা, নিরাপত্তা ও অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ও ওয়েব প্রোগ্রামিংয়ের প্রতি পরিপূর্ণ সাপোর্ট। এ ভাষা ব্যবহার করে এখন মোবাইল প্লাটফর্ম অ্যান্ড্রয়েডের জন্য অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা হয়। এ ছাড়া ব্যবসায়িক নানা সফটওয়্যার জাভার সাহায্যে তৈরি করা হয়।

the-coder-techshohor

সি
সি একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। ৭০-এর দশকে কাজ করার সময় এটি তৈরি করেন ডেনিস রিচি ও বেল ল্যাবে। । ভাষাটি তৈরির প্রথম উদ্দেশ্য ছিল ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমের কোড লেখায় এর ব্যবহার। অচিরেই এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ভাষায় পরিণত হয়।

অনেক প্রোগ্রামিং ভাষার উপর সি’র গভীর প্রভাব পড়েছে। এটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে এর বহনযোগ্যতা। এ ভাষা দিয়ে রচিত প্রোগ্রাম যে কোনো অপাররেটিং সিস্টেমের কম্পিউটারে চালানো যায়।

পাইথন
পাইথন উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা। ১৯৯১ সালে গুইডো ভ্যান রস্যিউম এটি প্রথম প্রকাশ করেন। এটি তৈরির সময় প্রোগ্রামের পঠনযোগ্যতার উপর বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এখানে প্রোগ্রামারের পরিশ্রমকে কম্পিউটারের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পাইথনের কোর সিনট্যাক্স ও সেমান্টিক্‌স খুবই সংক্ষিপ্ত। তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ। যেসব বড় প্রকল্পে পাইথন ব্যবহৃত হয়েছে তার মধ্যে জোপ অ্যাপ্লিকেশন সার্ভার, এমনেট ডিস্ট্রিবিউটেড ফাইল স্টোর, ইউটিউব ও মূল বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট উল্লেখযোগ্য।

যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য। তথ্য নিরাপত্তা শিল্পে পাইথনে বহুবিধ ব্যবহার লক্ষনীয়। এর মধ্যে ইমিউনিটি সিকিউরিটির কিছু টুলস, কোর সিকিউরিটির কিছু টুলস, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের নিরাপত্তা স্ক্যানার ওয়াপিটি ও ফাজার টিএওএফ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

পিএইচপি
পিএইচপি হচ্ছে একটি স্ক্রিপ্টিং প্রোগ্রামিং ভাষা। যা মূলত ওয়েবসাইট তৈরির জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি কমান্ড লাইন ইন্টারফেস ক্ষমতাকে অন্তর্ভূক্ত করেছে ও স্ট্যান্ডআলোন গ্রাফিক্যাল আপ্লিকেশনকে ব্যবহার করতে পারে।

পিএইচপি ১৯৯৫ সালে রাস্মুস লারডরফ উদ্ভাবন করেন। এটির বেশিরভাগ ওয়েব সার্ভার তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়। এটি প্রায় সব অপারেটিং সিস্টেম ও অবস্থান ভেদে বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়।

উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ২০ লাখের বেশি ওয়েবসাইট ও ১০ লাখ ওয়েব সার্ভারে পিএইচপি ব্যবহৃত হচ্ছে।

php-techshohor

ভিজুয়াল বেসিক
ভিজুয়াল বেসিকে সংক্ষেপে বলা হয় ভিবি। সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফট এ ভাষাকে বাজারে আনে পুরাতন বেসিক ভাষার উন্নত সংস্করণ হিসেবে ১৯৯১ সালে।

উইকিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, কম্পিউটারের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা এটি। এটি একটি পুরানো প্রোগ্রামিং ভাষায় হলেও বর্তমানে সময়ে এখনও এর ব্যবহার রয়েছে।

জাভা স্ক্রিপ্ট
ওয়েবনির্ভর অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে জাভা স্ক্রিপ্ট প্রোগ্রামিং ভাষা বেশ জনপ্রিয়। এর সঙ্গে জাভার তেমন সম্পর্কে নেই। জাভা স্ক্রিপ্ট বিশ্বের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট সাইটগুলোতে ব্যবহার হচ্ছে।

আর
‘আর’ একটি উন্মুক্ত কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা, যা পরিসংখ্যান বিষয়ক কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। বিশ্বের বিখ্যাত পরিসংখ্যানবিদদের অক্লান্ত ও অবিরত পরিশ্রমের ফসল। এটি শুধু একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়, একই সঙ্গে একটি পরিসংখ্যানিক প্যাকেজ ও ইন্টারপ্রেটারও।

প্রথম দিকে শুধু পরিসংখ্যান বিষয়ক কাজের জন্য ‌’আর’ প্রোগ্রাম তৈরি করা হলেও এখন গ্রাফিকাল টেকনিকগুলো অত্যন্ত সহজে এ প্রোগ্রাম ব্যবহার করে করা যাচ্ছে।

গো
প্রোগ্রামিং ভাষা ‘গো’ ডেভেলপ করে গুগল। অন্যান্য অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ল্যাংগুয়েজের মত এটির কাঠামো মোটেই জটিল নয়। এখানে সাবক্লাসিংয়ের কোনো ব্যাপার নেই।

ইন্টারফেস ব্যবহারের মধ্যে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ে এটি ভিন্ন মাত্রা বা ভিন্ন স্বাদ এনে দিয়েছে। এতে পাইথন ল্যাংগুয়েজের ছাপ আছে। গুগল সবসময়ই পাইথনকে একটু বিশেষভাবে ফেভার করে।

পাইথনের মত গো ও স্লাইস সাপোর্ট করে, যার সুবাদে সহজ একটি সিনট্যাক্স দিয়ে একটি অ্যারের নির্দিষ্ট অংশকে রেফার করা যায়।

রুবি
রুবি আরেকটি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা। এটি ব্যবহার করে ডেস্কটপ অ্যাপ ও ওয়েব অ্যাপ ডেভেলপ করা যায়। এটির নানা জনপ্রিয় ফ্রেমওয়ার্ক কাজকে করে আরও সহজ করে।

এ ভাষার কোড মেইন্টেইন করা অনেক সহজ। খুব বেশি কমেন্টের দরকার হয় না। কোডে চোখ বুলালেই বোঝা যায়- ওই কোড কি উদ্দেশ্যে লেখা । রুবিতে কোনো সেমিকোলন নেই। এটি হোয়াইট স্পেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট। ব্রাকেটের ব্যাবহার খুবই কম।

apple-code-techshohor

সুইফট
সুইফট স্টিভ জবস খ্যাত টেক জায়ান্ট অ্যাপলের প্রোগ্রামিং ভাষা। এ ভাষা অবজেক্টিভ সি- এর চেয়েও দ্রুত কাজ করে। এটি সহজেই শেখা যাবে।

প্রোগ্রামাররা একই সময় কোড লিখে তার আউটপুট দেখতে পারবেন। সুইফট যেমন কম্পাইলড ল্যাঙ্গুয়েজের মতো শক্তিশালী ও ইফিশিয়েন্ট, তেমনি অন্য জনপ্রিয় ভাষার মতো সহজ ও ইন্টারঅ্যাকটিভ।

অবজেক্টিভ সি
অবজেক্টিভ সি একটি রিফ্লেকটিভ, অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা। এত সি ভাষার সঙ্গে স্মলটকের মেসেজ আদান পদ্ধতির সম্মিলন ঘটেছে। বর্তমানে এটি মূলত ম্যাক ওএস এক্স, আইফোন ওএসে ব্যবহৃত হয়।

এটি তৈরি করা হয়েছে ওপেন স্টেপ স্ট্যান্ডার্ডের ওপর ভিত্তি করে- যা নেক্সটস্টেপ, ওপেনস্টেপ ও কোকোয়া ফ্রেমওয়ার্কের প্রধান ভাষা।

পার্ল 
পার্ল ভাষার উদ্ভাবন করেন ল্যারি ওয়াল। ১৯৮৭ সালে এটি প্রথম প্রকাশ করা হয়। এ ভাষায় সি, বোর্ন শেল, অক, সেড ও লিস্প থেকে ফিচার ধার করা হয়েছে।

গাঠনিকভাবে এ ভাষায় অক ও সি ভাষায় প্রচলিত দ্বিতীয় বন্ধনীতে আবদ্ধ কোড ব্লকের ধারণা অনুসরণ করা হয়েছে। এটি স্ট্রিং প্রক্রিয়াকরণে একটি অত্যন্ত কার্যকরী।

বিজনেস ইনসাইডারের তালিকায় থাকা বাকি পাঁচটি প্রোগ্রামিং ভাষা হলো গ্রেবি,এসেম্বলি ল্যাংগুয়েজে,প্যাসকেল,ম্যাটল্যাব ইত্যাদি।এগুলো ভালোভাবে জানা থাকলে বিশ্বব্যাপী কাজ পেতে কোনো সমস্যা হবে না। এসব ভাষার পুরোপুরি দখল থাকলে একজন প্রোগ্রামারকে বেকার থাকতে হবে না।

আরও পড়ুন: 

বিনামূল্যে অ্যাপেও শেখা যাবে জাভা

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জনপ্রিয়তার এ যুগে অ্যাপ্লিকেশনের চাহিদা বাড়ছে। ডেভেলপারদের অনেকেই অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চান। অ্যান্ড্রয়েড প্লার্টফমের জন্য অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে হলে জানতে হবে জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।

আগ্রহীদের অনেকেই এ ল্যাঙ্গুয়েজ শিখতে গিয়ে প্রথম দিকে নানা সমস্যার সম্মুখীন হন। বিভিন্ন নামকাওয়াস্তের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে জাভা শিখতে গিয়ে অনেক অর্থ ব্যয় করেন। হাতের কাছে ভালো কেন্দ্র না থাকলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। আপনার স্মার্টফোনে একটি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে শিখে ফেলা যাবে এ ল্যাঙ্গুয়েজ। তেমনি একটি অ্যাপ্লিকেশন হলো ‘লার্ন জাভা’।

learn-java-apps-techshohor

এক নজরে অ্যাপ্লিকেশনটির ফিচারগুলো
১.অ্যাপ্লিকেশনটিতে বেসিক থেকে শুরু করে জাভা প্রোগ্রামিং ভাষার বিস্তারিত টিউটোরিয়াল রয়েছে।

২. অনেক শিক্ষার্থী জাভার টেক্সট টিউটোরিয়াল পড়ে ঠিকভাবে বুঝতে পারেন না। তাদের সহজে বোঝার জন্য অ্যাপটিতে রয়েছে ভিডিও টিউটোরিয়ালের সুবিধা।

৩. অ্যাপটির মাধ্যমে কোনো শিক্ষার্থী জাভা সম্পর্কে কতটুকু শিখেছে তা পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করে দেখার সুবিধা রয়েছে।

৪. পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী অন্য আরও শিক্ষার্থীদের তুলনামূলক স্কোর দেখা যাবে এতে ।

৫. এটি অফলাইনেও কাজ করবে। তবে ভিডিও টিউটোরিয়ালসহ কিছু ফিচার ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই ইন্টারনেট সংযোগ লাগবে।

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা বিনামূল্যে এ ঠিকানা থেকে অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন।

আরও পড়ুন 

প্রোগ্রামিংয়ের লজিক শেখাবে অ্যাপ

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে এখন কোডিংয়ের খেলা বেশ জমে উঠেছে। নতুন নতুন কোডের মাধ্যমে উদ্ভাবন হচ্ছে দারুণ কিছু। এ কারণে প্রোগ্রামিংয়ের এ ভাষার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে অনেকের।

হাল আমলের জনপ্রিয় বিষয় অ্যাপ বানানো হয় শুধু কম্পিউটারে কোডিং করেই। তবে এ জন্য জানতে হবে প্রোগ্রামিং, যেটির রয়েছে নিজস্ব কিছু ভাষা। এ জন্য অনলাইনে রয়েছে প্রচুর রিসোর্স।

এবার এ রিসোর্সের তালিকায় যুক্ত হয়েছে একটি অ্যাপ্লিকেশন। এ অ্যাপ ব্যবহার করে স্মার্টফোনেও শেখা যাবে প্রোগ্রামিং। অ্যাপটির নাম হলে এনকোড : লার্ন টু কোড।

lear to code-techshohor

এক নজরে অ্যাপ্লিকেশনটির ফিচারগুলো
১. অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করে প্রোগ্রামিং শুরু করতে চান এমন শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন লজিক সম্পর্কে ধারণা পাবেন।

২. কোডিংয়ের ক্ষেত্রে লজিক বেশ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। তাই স্ট্রিং, ভ্যারিবল, ইফ ইত্যাদি বিষয়গুলো সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

৩. এতে জাভা স্ক্রিপ্ট ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।

৪. অ্যাপ্লিকেশনটির সম্পূর্ণ অফলাইনে কাজ করবে। ফলে ডাউনলোডের পর ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হবে না।

বিনামূল্যে অ্যাপ্লিকেশনটি এই ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা।

আরও পড়ুন

 

জাভা ডেভেলপারদের মিটআপ ১৪ মে

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : জাভা জনপ্রিয় একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে এক নম্বর প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এবং এটি রিয়েল ওয়ার্ল্ড অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। দেশের ডেভেলপারদের মধ্যে এই প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজটির নানা বিষয় শেয়ারিংয়ের জন্য আয়োজন করা হচ্ছে জাভা ডেভেলপার মিটিআপ। ১৪ মে এই মিটআপের আয়োজন করছে ফেইসবুকভিত্তিক  জাভা ইউজার গ্রুপ বাংলাদেশ

অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে জাভা ব্যবহারের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে জাভা ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে শক্তিশালী ওয়েবসাইট যেমন; ইবে, অ্যামাজন, ফেইসবুক, জিমেইল ইত্যাদি ক্ষেত্রে জাভার ব্যবহার হচ্ছে। এছাড়া এন্টারপ্রাইজ অ্যাপ্লিকেশন যেমন, ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস, হেল্থকেয়ার, মেনুফেকচারিং ইত্যাদির জন্যে যেকোনো ইন্ডাস্ট্রিতে জাভার চাহিদা সবার আগে।

javameetup-techshohor

আয়োজকদের পক্ষ থেকে ভ্যানটেজ ল্যাবস ঢাকার সিনিয়র সফটওয়্যার ডেভেলপার বজলুর রহমান রোকন টেকশহর ডটকমকে জানান, বাংলাদেশের জাভার চাহিদা অনেক এবং জাভাতে কাজ করা সফটওয়্যার কোম্পানির সংখ্যাও অনেক। পৃথিবীতে সবগুলো মেজর সিটিতে জাভা ইউজার গ্রুপ নামে জাভা কমিউনিটি রয়েছে যারা ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সরাসরি জড়িত থেকে জাভা টেকনোলজি সম্পর্কে কমিউনিটিতে নলেজ শেয়ার করে। এতে ইন্ডাস্ট্রি এবং যারা এই টেকনোলজিতে আগ্রহী ব্যক্তিদের উপকার হয়।

তিনি বলেন, এই আয়োজনে বিনামূল্যে যেকোনো ডেভেলপার ও নতুন জাভা শিখতে আগ্রহী এমন শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন। ছোট টক এবং ডিসকাশনের মাধ্যমে জাভার বিভিন্ন সমস্যা এবং নতুন আইডিয়া নিয়ে আলোচনা করা হবে।

১৪ মে সকাল দশটা থেকে দুইটা পর্যন্ত এই আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হবে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের অডিটরিয়ামে। এতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিটিও, সিইও ও সিনিয়র ডেভেলপাররা থাকবেন। আয়োজনে অংশগ্রহণ ও নিবন্ধন বিষয়ক বিস্তারিত জানা যাবে এই ঠিকানায়।

আরও পড়ুন: 

গুগলের কাছে ৯৩০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়েছে ওরাকল

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সার্চ জায়ান্ট গুগলের কাছে ৯৩০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়েছে মার্কিন টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান ওরাকল। ওরাকলের জাভা ‘অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস’ (এপিআই) অ্যান্ড্রয়েডে দীর্ঘ সময় ব্যবহার করার কারণে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে এই অর্থ দাবি করেছে ওরাকল।

গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে জাভা প্লাটফরম ব্যবহারের জন্য ছয় বছর আগে মামলা করেছিল ওরাকল। সে সময় তারা জাভা ব্যবহারের জন্য অনুমতিপত্র নেয়ারও দাবি জানিয়েছিল।

ওরাকল ২০১০ সালে জাভা এপিআই নিয়ে গুগলের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়। জাভা এপিআইয়ের সঠিক ব্যবহার করছে না গুগল এমন অভিযোগ করে আসছিল প্রতিষ্ঠানটি।

oracle-google

তবে ২০১২ সালে গুগলের পক্ষেই রায় দিয়েছিল মার্কিন জুরি বোর্ড। হাল না ছেড়ে ওরাকল শরণাপন্ন হয় মার্কিন ফেডারেল আদালতের। তবে ফেডারেল আদালত মামলাটি না নিয়ে আবার নিম্ন আদালতে পাঠিয়ে দেয়।

সম্প্রতি ওরাকল অভিযোগ করেছে অ্যান্ড্রয়েডে জাভার সঠিক ব্যবহার না করার কারণে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে তারা গুগলের কাছ থেকে ৯৩০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ হিসেবে দাবি করেছে।

তবে এ বিষয়ে গুগল বা ওরাকলের কারো কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নেটওয়ার্ক ওয়ার্ল্ড ও বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে শামীম রাহমান

আরও পড়ুন :

অ্যাপ ডেভেলপার হতে জানতে হবে ৭ স্কিল

মোশাররফ রুবেল, অ্যাপ ডেভেলপার  অতিথি লেখক : গ্লোবালাইজেশনের অনুকরণে বলা যায় এখন মোবালাইজেশনের যুগ। স্মার্টফোনের ব্যবহারে বিশ্ব সবার হাতের মুঠোয়। বিশেষ করে অ্যাপের কারণে সব কিছুই আগের চেয়ে অনেক সহজ।

স্মার্টফোন বা ট্যাব এতটাই কার্যকরি ডিভাইস হয়ে উঠেছে যে, এগুলো দিয়ে কম্পিউটারের প্রায় সব কাজ করা যায়। এটি সম্ভব হয়েছে বিভিন্ন ধরনের অ্যাপের কল্যাণেই। ডেভেলপারদের ক্লান্তিহীন পরিশ্রম ব্যবহারকারীদের ডিভাইস ব্যবহারে প্রতিনিয়ত অন্য মাত্রা যোগ করছে।

একজন ভালো মানের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপার হতে হেলে যে সাতটি দরকারি স্কিল আপনার লাগবে তা নিয়ে এ টিউটোরিয়াল।

জাভা
জাভা ও অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট দু’টি অবিচ্ছেদ্য ব্যাপার। অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ বানাতে জাভা জানা জরুরি। আপনি যদি কোনো একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ভালো করে জানেন, সেক্ষেত্রে জাভাতে সুইচ করা আপনার জন্য কঠিন কিছু হবে না।

জাভার বিশেষ দিক হলো- এটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড সাপোর্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।

ভালো অ্যাপ ডেভেলপ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই জাভাতে সুদক্ষ হতে হবে।

Android

এক্সএমএল জ্ঞান
প্রাথমিকভাবে এক্সএমএল সৃষ্টির পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল ডাটা বহন। অ্যান্ড্রয়েডে মূলত এক্সএমএলের ব্যবহার হচ্ছে লেআউট ডিজাইন ও এর মধ্যে অ্যাট্রিবিউট স্থাপনের কাজে।

এ অ্যাট্রিবিউটের ভ্যালুগুলো বহন করে অ্যান্ড্রয়েডের এক্সএমএল। মূলত জাভা যুক্ত থাকে এক্সএমএলের সাথে।

একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের যেই ইন্টারফেস আমরা দেখতে পারি তা সাধারণত ডিজাইন করা হয় এক্সএমএল দিয়ে ও এর কাজগুলো হয় জাভা প্রোগ্রামিং দিয়ে।

এ কারণে অ্যাপ ডেভেলপরের কাজ করতে গেলে সাধারণভাবে এক্সএমএলের বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হবে।

অ্যান্ড্রয়েড এসডিকে
এসডিকে হচ্ছে সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট কিট। এটা মূলত টুলবক্সের মতো। যখন আপনি অ্যান্ড্রয়েড এসডিকে ডাউনলোড করে এতে কাজ করছেন, তখন অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ক্যামেরা, সাউন্ড, সেন্সর ইত্যাদির মতো টুলসগুলো আপনি ব্যবহার করতে পারবেন।

এসডিকে আসলে অনেকগুলো ক্লাস, যেগুলো এক্সেস করে আমাদের মতো করে অ্যাপ ডেভেলপ করতে পারি।

download (1)

অ্যান্ড্রয়েড স্টুডিও
অ্যান্ড্রয়েড স্টুডিও হচ্ছে একটি আইডিই- ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট এনভায়রনমেন্ট। এটি আসলে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপের এনভায়রনমেন্ট সৃষ্টি করে দেয়, যেখানে ডেভেলপার জাভা কোড, এক্সএমএল কোড লিখতে পারবে।

এ ছাড়া অ্যান্ড্রয়েড স্টুডিওয়ের সঙ্গে অ্যান্ড্রয়েড এসডিকে যুক্ত করিয়ে ভার্চুয়াল ডিভাইস তৈরি করে তাতে ডেভেলপ করতে থাকা অ্যাপ পরীক্ষা করা যায়।

বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস ডেভেলপ করতে গেলে অ্যান্ড্রয়েড স্টুডিওয়ের বিকল্প নেই, যদিও আগে ইক্লিপ্স আইডিই-এর সঙ্গে এসডিকে যুক্ত করে করা যেত।

ডেটাবেজ
ডেটাবেজ ডিজাইন ও ডেটাবেজ নিয়ে কাজ করতে পারা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপর। অ্যাপ ডেভেলপ করতে গেলে অনেক সময় বড় পরিমানে ডেটা নিয়ে কাজ করতে হবে। তখন সেগুলোকে স্টোর করা, তারপর রিড ও রাইট করতে জানতে হবে।

তাই ডেটাবেজ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা ও সেটা নিয়ে কাজ করতে পারার কৌশলগুলো জানা জরুরি।

api-services

এপিআই
এপিআইয়ের পূর্ণরূপ হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস। অ্যাপ ডেভেলপার হিসেবে কাজ করতে গেলে সার্ভার রিলেটেড কাজ অবশ্যই করতে হবে একজন ডেভেলপারকে।

সার্ভারের সঙ্গে অ্যাপের কমিউনিকেশন করাতে হলে আবশ্যক ব্যপার হচ্ছে এপিআই। সহজ ভাষায় ওয়েবের সঙ্গে অ্যাপের সংযোগ সক্ষমতা হচ্ছে এপিআই।

ডেভেলপার হিসেবে কাজটি জানতেই হবে আপনাকে। তাছাড়া সার্ভার সম্পর্কিত অ্যাপ বানানো সম্ভব হবে না। সার্ভারের সঙ্গে এপিআই দিয়ে যোগাযোগ করার জন্য দুটি পদ্ধতি রয়েছে। এগুলো হচ্ছে- এক্সএমএল পার্সিং ও জেসন পার্সিং।

ম্যাটেরিয়াল ডিজাইন
বড় ডেভেলপমেন্ট কোম্পানিগুলো পণ্যের ম্যাটেরিয়াল ডিজাইন নিয়ে গভীরভাবে খুব একটা চিন্তা করেনি। তবে সম্প্রতি গুগল ম্যাটেরিয়াল ডিজাইন নিয়ে তাদের চিন্তার ব্যাপারটি পরিষ্কার করেছে। টেক জায়ান্টটি তাদের প্রায় সব প্রডাক্টে ম্যাটেরিয়াল ডিজাইন যুক্ত করেছে।

ম্যাটেরিয়াল ডিজাইন হচ্ছে একটি ইন্টারফেসের কম্পোনেন্টগুলো ম্যাটেরিয়ালের মতো দেখাবে, যেগুলোর মিনিমাম একটা ড্রপ শ্যাডো থাকবে।

গুগল যেহেতু ম্যাটেরিয়াল ডিজাইনের দিকে নজর দিচ্ছে, তাই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপে ভালো করতে হলে এ সম্পর্কে জানা ও তা কাজে প্রয়োগ করার উপায় জানা থাকলে তা বেশ কাজে দেবে।

rubel

আরও পড়ুন 

অ্যান্ড্রয়েড ওএসে ওরাকলের জাভা রাখছে না গুগল

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে ওরাকলের জাভা ‘অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস’ (এপিআই) ব্যবহার না করার ঘোষণা দিয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল। তার পরিবর্তে নিজেদের ওএস এর পরবর্তী সংস্করণে ওপেন সোর্স ইন্টারফেস ‘ওপেনজেডিকে’ ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশ্বে এখনও গুগল অ্যান্ড্রয়েড দিয়ে মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম (ওএস) খাতে একচ্ছত্র প্রভাব ধরে রেখেছে। পাঁচ বছর ধরে অ্যান্ড্রয়েড বিষয়ে গুগল ও ওরাকলের মধ্যে আইনি লড়াই শেষে এমনটি ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি।

তবে গুগল যে ওপেনজেডিকে ব্যবহার করবে সেটিও ওরাকলের নিজস্ব প্রোগ্রামিং ইন্টারফেসের ওপেন সোর্স সংস্করণ।

Oracle-Google-Java

ওরাকল ২০১০ সালে জাভা এপিআই নিয়ে গুগলের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়। জাভা এপিআইয়ের সঠিক ব্যবহার করছে না গুগল এমন অভিযোগ করে আসছিল প্রতিষ্ঠানটি।

তবে ২০১২ সালে গুগলের পক্ষেই রায় দিয়েছিল মার্কিন জুরি বোর্ড। হাল না ছেড়ে ওরাকল শরণাপন্ন হয় মার্কিন ফেডারেল আদালতের। তবে ফেডারেল আদালত মামলাটি না নিয়ে আবার নিম্ন আদালতে পাঠিয়ে দেয়।

গুগল পরবর্তীতে যে সংস্করণ আনছে তার নাম ‘অ্যানড্রয়েড এন’ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে নতুন এই সংস্করণ অ্যানড্রয়েড এন ডেভেলপারদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও মনে করা হচ্ছে।

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম এখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে। ওএসটিকে গ্রাহকবান্ধব করতে শুরু থেকেই গুগল কাজ করে আসছে। এখনও অপারেটিং সিস্টেমটিতে নতুন অ্যাপ ও ফিচার যুক্ত করা হচ্ছে।

বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে ইমরান হোসেন মিলন

শেষ হলো ১০০ জনের জাভা প্রশিক্ষণ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও ভারতের ইনফোসিসের উদ্যোগে আয়োজিত জাভা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষ হলো আজ।

তিনমাস ব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি জানুয়ারিতে ইনফোসিস মহীশুর ক্যাম্পাসে শুরু হয়। এতে ১০০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ইনফোসিস আয়োজিত এক সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করেন।

java

পলক বলেন, আমরা আপনাদেরকে বিশ্বমানের মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে দিলাম, আপনাদের কর্তব্য হলো সেই শাণিত মেধাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে বিশ্ব দরবারে আরও এগিয়ে নেয়া এবং দেশকে সম্মানিত করা।

এর আগে তিনি মহীশুর ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের প্রধান সাজি মেথাও এবং অ্যাসোসিয়েট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাথিসা বি নানজাপার নেতৃত্বাধীন ইনফোসিস কর্তৃপক্ষের সাথে এক মত বিনিময় করেন। ঐ সময় তিনি বাংলাদেশের সাথে তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করার আহবান জানালে ইনফোসিস কর্তৃপক্ষ তা নিয়ে ভাবার আশ্বাস দেয়।

মত বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিসিসি’র নির্বাহী পরিচালক এস এম আশরাফুল ইসলাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের যুগ্ম-সচিব সুশান্ত কুমার সাহা, সাপোর্ট টু কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কের প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম, ইআরডি’র উপ-প্রধান জাহাঙ্গীর হোসাইনসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ফখরুদ্দিন মেহেদী

প্রোগ্রামিং প্রশিক্ষণে শুক্রবার ভারতে যাচ্ছেন ১০০ আইটি শিক্ষার্থী

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : জাভা প্রোগ্রামিংয়ে বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ নিতে শুক্রবার ভারতের পথে রওনা হচ্ছেন দেশের ১০০ কম্পিউটার সায়েন্স ও আইটি গ্র্যাজুয়েট।

হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ‘সাপোর্ট টু ডেভেলপমেন্ট অব কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্ক’ প্রকল্পে বিনামূল্যে এই প্রশিক্ষণের সুযোগ পেয়েছেন তারা।

ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের মহিশুরের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান ইনফোসিস টেকনোলজিস লিমিটেডের ক্যাম্পাসে এ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

infosys3

প্রকল্পের ডিপিডি আজিজুল ইসলাম টেকশহরডটকমকে জানান, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ খরচ ও বিনামূল্যে আবাসন ব্যবস্থা করবে ইনফোসিস। এছাড়া যাতায়াত খরচসহ অন্যান্য ব্যয় বহন করবে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

এরআগে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিনিধিদল ভারতের ইনফোসিসের কার্যালয় সফর করে। তখন শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে বাংলাদেশি ১০০ আইটি গ্র্যাজুয়েটকে প্রশিক্ষণ দেয়ার কথা জানায় তারা।

এই প্রকল্পে প্রশিক্ষণার্থীদের বাছাইয়ের জন্য প্রাথমিকভাবে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নির্বাচিত ১০০ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে ৯০ জন গ্রাজুয়েট ও বাকি ১০ জন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রয়েছেন ।

জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের উপর এই প্রশিক্ষণ শুরু হবে ১২ জানুয়ারি থেকে। শেষ হবে ২৪ মার্চ।

আজিজুল ইসলাম জানান, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জাভা প্রোগ্রামিংয়ের উপর বিশ্বমানের জনবল পাওয়া যাবে।

আল আমীন দেওয়ান