উইন্ডোজ পিসি স্টোরেজ বাড়াতে ৩ টিপস

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : স্টোরেজ নিয়ে ঝামেলায় পরার বিষয়টি কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন নয়। স্টোরেজ সংকটে পড়ে অনেক প্রয়োজনীয় ফাইল সংরক্ষণ করা যায় না। এছাড়া হার্ডড্রাইভে স্টোরেজ পরিপূর্ণ হয়ে গেলেও অনেক সময় কম্পিউটারের গতি কমে যায়। তাই উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের স্টোরেজ বাড়তে এই টিউটোরিয়ালে তিনটি টিপস তুলে ধরা হলো ।

ডিস্ক ক্লিনিংআপ:

এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চালিত ডিভাইসের স্টোরেজ বাড়ানোর অন্যতম একটি উপায়। উইন্ডোজ মেনুতে সার্চ করে টেম্পরারি ফাইল, অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের ব্যাকআপ ফাইল ইত্যাদি মুছে দিতে হবে। এছাড়া ‘Clean up system files’ অপশন থেকে পুরানো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের (ওএস) ফাইলগুলো মুছে জায়গা বৃদ্ধি করা যাবে।
অনেক সময় মুছে ফেলা ফাইলগুলোও রিসাইকেল বিনে থেকে যায়। যা অনেকখানি জায়গা দখল করে রাখে। সেক্ষেত্রে রিসাইকেল বিনে থাকা অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো  চেক করে ডিলেট করে দেয়া উচিত। এতে স্টোরেজ বৃদ্ধি পাবে।

windows 10

ভারি সফটওয়্যার আনইন্সটল করা:

নানা কাজের প্রয়োজনে নতুন অনেক সফটওয়্যার কম্পিউটারে ইন্সটল করতে হয়। আবার অন্যদিকে এমন অনেক সফটওয়্যার আছে যা দীর্ঘদিন ধরে কম্পিউটারে ইন্সটল করা থাকলেও ব্যবহার করা হয় না। এধরনের সফটওয়্যারগুলো কোনো কারণ ছাড়াই কম্পিউটারের স্টোরেজ নষ্ট করে। তাই এই সকল ভারি সফওয়্যারগুলো আনইন্সটল করে দেয়া উচিত। এই কাজটি করতে হলে Settings গিয়ে System যেতে হবে তারপর Apps & feature অপশন থেকে সফটওয়্যারটি আনইন্সটল করে দিতে হবে।

একই ফাইল মুছে ফেলা:

ডিস্ক ক্লিনিংআপ ও সফটওয়্যার মুছে ফেলার পরেও অনেক সময় অধিক স্টোরেজের প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভে থাকা ফাইলগুলোর দিকে নজর দিতে হবে। অনেক সময় একই ফাইল একাধিক জায়গায় থাকে যা কম্পিউটারের  স্টোরেজ জায়গা দখল করে রাখে। তাই একই রকম ফাইলগুলো খুঁজে খুঁজে ডিলেট করে দিতে হবে। যেন একই ফাইল একাধিক স্টোরেজ দখল করে না রাখে।

আরও পড়ুন: 

মাইক্রোসফটের নতুন সারফেস প্রো

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : টানা সাড়ে ১৩ ঘণ্টা ব্যাকআপ সুবিধা নিয়ে নতুন সারফেস প্রো উম্মুক্ত করেছে মাইক্রসফট।

পূর্বের সংস্করণের মত ডিজাইনের ডিভাইসটির ওজন ৭৭০ গ্রাম। এতে যুক্ত করা হয়েছে উন্নত সারফেস পেন, যার প্রেসার লেভেল ৪০৯৬।

ডিভাইসটি সম্পর্কে মাইক্রোসফটের সারফেস প্রধান প্যানস প্যানয় বলেন, সম্পূর্ণ নতুনরূপে গ্রাহকদের জন্য ট্যাবটি আনা হয়েছে। এটি ফোরজি এলটিই সংযোগ সমর্থন করবে। ডিভাইসটিতে গ্রাহকরা পাবেন আরও দ্রুত গতির নিশ্চিয়তা।

surface-pro-lead-2_techshohor

১২.৩ ইঞ্চি ডিসপ্লের ডিভাইসটির রেজুলেশন ২৭৩৬*১৮২৪ পিক্সেল, যা ২৬৭ পিপিআই পিক্সেল ডেনসিটি সমৃদ্ধ।

প্রসেসর দিক দিয়ে ইন্টেল এম৩, কোর আই ৫ এবং কোর আই ৭ এই তিনটি সংস্করণে পাওয়া যাবে। অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে রয়েছে উইন্ডোজ ১০ প্রো।

৪, ৮ এবং ১৬ জিবি র‍্যামের সংস্করণে ডিভাইসটিতে ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি এবং এক টেরাবাইট ইন্টারনাল মেমোরির সংস্করণ।

ছবি তোলার জন্য পিছনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা এবং সামনে রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। দুই ক্যামেরা দিয়ে এইচডি ভিডিও রেকর্ড করা যাবে।

ডিভাইসটিতে ইউএসবি ৩.০, ৩.৫ এমএম হেডফোন জ্যাক, মিনি ডিসপ্লে পোর্ট ও মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।

৭৯৯ মার্কিন ডলার থেকে ডিভাইসটির মূল্য শুরু হয়েছে। ডিভাইসটি গ্রাহকরা হাতে পাবেন ২৫ জুন। তবে বিশ্বের ২৫টি দেশে প্রি-অর্ডার শুরু হয়েছে ।

দ্য নেক্সট  ওয়েব অবলম্বনে তুসিন আহমেদ

উইন্ডোজ কি এর ১০ কাজ

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : কম্পিউটারের কিবোর্ড উইন্ডোজ আইকনের মধ্যে একটি ‘কি’ বা ‘বাটন’ রয়েছে। এটিকে বলা হয় ‘উইন্ডোজ কি’। এতে ক্লিক করে সাধারণত উইন্ডোজ স্টার্ট মেন্যু চালু হয়। সেখানে যাবতীয় অ্যাপ্লিকেশন ও সেটিং অপশনগুলো রয়েছে।

তবে এ কাজ ছাড়াও এ বাটনের মাধ্যমে অনেকগুলো কাজ করে নেওয়া যায়। ফলে বারবার কোনো কাজের জন্য মাউসে হাত না রেখেই কিবোর্ডের সাহায্যে করে নেওয়া যাবে অনেকগুলো প্রয়োজনীয় কাজ।

এ টিউটোরিয়াল উইন্ডোজ কি-এর ১০ কাজ সম্পর্কে তুলে ধরা হলো।

windowskey-techshohor

উইন্ডোজ ১০-এর অ্যাকশন সেন্টার খোলার জন্য নোটিফিকেশন আইকন মাউস নিয়ে ক্লিক করতে হয়। এ কাজ Win + A স্পেস করলেই হয়ে যাবে।

অনেক সময় কোনো সফটওয়্যার দিয়ে কাজের সময় দ্রুত ডেক্সটপ দেখার প্রয়োজন হয়। এ কাজ সহজে করতে Win + D স্পেস করতে হবে।

উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার চালু করতে Win + E স্পেস করতে হবে।

গেইম বার চালু করতে Win + G স্পেস করতে হবে।

সব প্রোগ্রাম মিনিমাইজ করতে Win + M স্পেস করতে হবে

মিনিমাইজ করা উইন্ডোজ রিস্টোর করতে Win + ⇧ Shift + M স্পেস করতে হবে।

টাস্কবারের ফোকাস পাল্টাতে Win + T স্পেস করতে হবে।

অতিরিক্ত কিংবা এক্সটার্নাল মনিটর ও প্রজেক্টরে দৃশ্য দেওয়ার জন্য Win + P স্পেস করতে হবে।

ইন্সটল করা অ্যাপ সার্চ করতে Win + Q স্পেস করতে হবে।

রান ডায়ালগ বক্স ওপেন করা Win + R স্পেস করতে হবে।

আরও পড়ুন

ফাইল ম্যানেজারের সার্চ ইতিহাস মুছবেন যেভাবে

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : হার্ডড্রাইভের অসংখ্য ফাইলের মধ্যে অনেক সময় কোন ড্রাইভে বা ফোল্ডারে কোন ফাইলটি রাখা আছে তা ঠিক মনে থাকে না।  তখন একে একে সবগুলো ফোল্ডার খুঁজে সেটি বের করা খুবই জটিল ও সময় সাপেক্ষ কাজ বটে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে উইন্ডোজের ফোল্ডার এক্সপ্লোরালে রয়েছে সার্চ অপশন।

যে কোনো ফোল্ডারের ডান পাশে রয়েছে সার্চ বার। সেটিতে ক্লিক করে যে কোনো ফাইল খোঁজা যায়। প্রতিনিয়ত অনেক ফাইল খোঁজার ফলে একটি সার্চ হিস্টোরি তৈরি হয়। পরে কোনো কিছু খুঁজলে এ  সার্চ হিস্টোরি সাজেশন দেয়।

তবে অনেক বেশি সার্চ জমে গেলে এ সাজেশনগুলো বিরক্ত লাগতে পারে। তাই সার্চ ইতিহাস মুছে ফেলার মাধ্যমে এটি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। যেভাবে উইন্ডোজে ফাইল ম্যানেজারের মাধ্যমে এ সার্চ ইতিহাস মুছতে হবে।

প্রথমে উইন্ডোজের ফোল্ডার এক্সপ্লোরালে যেতে হবে।

tips-techshohor

তারপর  সেখান থেকে ডান পাশে থাকা সার্চ আইকনে ক্লিক করতে হবে।

2

তাহলে উপরে একটি সার্চ মেনু দেখা যাবে। সেখান থেকে ‘recent searches’-এ ক্লিক করতে হবে।

সেখান থেকে clear searches history’-তে ক্লিক করতে হবে।

তাহলে সার্চ ইতিহাস মুছে যাবে।

আরও পড়ুন

 

যেভাবে মুছবেন ‌উইন্ডোজের পুরনো ওএস ব্যাকআপ

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : আপনি উইন্ডোজ ৭ বা ৮.১ থেকে উইন্ডোজ ১০ আপডেট দিয়েছেন? আপডেট প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর দেখা গেলো সি ড্রাইভের জায়গা কমে গেলো। কারণ হলো নতুন আপডেট নেওয়ার পরেও পুরানো ওএসটি সি ড্রাইভে থেকে যায়। এ কারণে সি ড্রাইভে স্টোরেজ কমে যায়।

কিন্তু কিভাবে সেই পুরানো ওএসটি নিরাপদে ডিলেট করবেন তা নিয়ে ভাবনা পোহাতে হয়। সেই উপায়ই দেওয়া হলো এই টিউটোরিয়ালে।

প্রথমে উইন্ডোজের স্টার্ট মেনু ক্লিক করে সার্চ গিয়ে ‘Disk Cleanup’ অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।
তারপর ‘”Clean up system files’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে ফাইলগুলো স্ক্যান করারর জন্য। তারপর সেখান থেকে ‘Previous Windows installation(s)’ অপশনটি নির্বাচন করে দিতে হবে।

windows 10

পরে ওকে বাটনে ক্লিক করে ক্লিনআপে স্টার্ট করতে হবে। এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে অন্য বক্সগুলো যেন নির্বাচন করা না হয়। তবে ব্যবহারকারীরা চাইলে প্রয়োজন মত বক্সগুলো নিবার্চন করতে পারবেন।

এছাড়া পুরনো ওএসটি সহজেই ডিলেট করা যায় সি ড্রাইভে গিয়ে ‘ Windows.old’ ফোল্ডার থেকে। তবে এক্ষেত্রে একটু সর্তক থাকতে হবে যেন নতুন অপারেটিং সিস্টেমটির কোনো ফাইল ডিলেট না হয়।

আরও পড়ুন: 

প্লে স্টেশনের গেইম খেলা যাবে উইন্ডোজে

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর :  প্লে স্টেশন ও উইন্ডোজ ভক্তদের জন্য সুখবর নিয়ে আসলো জাপানি প্রযুক্তি নিমার্তা  প্রতিষ্ঠান সনি। এখন থেকে গেইমাররা উইন্ডোজ নির্ভর কম্পিউটারেই খেলতে পারবেন প্লে স্টেশনের গেইম।

প্লে স্টেশন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিক লেম্পেল প্রতিষ্ঠানটির একটি ব্লগপোস্টে এই ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, উইন্ডোজে প্লে স্টেশনের এই গেইম খেলার সুবিধা অচিরেই ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকায় উপভোগ করা যাবে। এজন্য ফিচারটি উন্মুক্ত করার কাজ করা হচ্ছে।

ps-techshohor

গড অফ ওয়্যারসহ প্রায় ৪০০টি গেইম গেইমারা উইন্ডোজে উপভোগ করতে পারবে বলে জানিয়েছি সনি। উইন্ডোজ কম্পিউটারে সনি প্লে স্টেশনে গেইম খেলতে হলে অপারেটিং সিস্টেম মিনিমাম উইন্ডোজ ৭ হতে হবে।

এক্ষেত্রে কম্পিউটারে ৩.৫ গিগাহার্টজ ইন্টেল কোর আই বা ৩.৮ গিগাহার্টজ এমএমডি এ১০ প্রসেসর, ২ গিগাবাইটের বেশি র‍্যাম, সাউন্ড কার্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড থাকতে হবে।

এছাড়া মিনিমাম ৫ এমবিপিএসের ইন্টারনেট সুবিধা থাকতে হবে। প্লে স্টেশনের কট্রোলার উইন্ডোজে ব্যবহার করার জন্য সনি নতুন উন্মুক্ত করেছে ডুয়াল শক কন্ট্রোলার।

এছাড়াও নতুন প্লে স্টেশন নিয়ে কাজ করছে সনি। প্রযুক্তি বিশ্বে গুঞ্জন শুরু হয়েছে নতুন প্লে স্টেশনের কোড নিয়ে। এতে ফোরকে রেজুলেশনের গেইম খেলা যাবে। তবে এটি বাজারে কবে আসবে সেই সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সিনেট অবলম্বনে তুসিন আহমেদ

সাড়ে ১০ হাজার টাকায় পানিরোধী উইন্ডোজ ফোন

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর :  চীনের বাজারে আরএমকিউ৫০১৮ নামে উইন্ডোজ ১০ চালিত নতুন ফোন উন্মুক্ত করা হয়েছে। পানিরোধক সুবিধা যুক্ত এই স্মার্টফোনটির মূল্য ১৩০ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় সাড়ে দশ হাজার টাকা।

৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের ফোনটি ৭২০ পিক্সেল সমৃদ্ধ। ফোরজি সমর্থক ফোনটিতে রয়েছে ডুয়েল সিম সুবিধা।

রয়েছে ১ গিগাবাইট র‍্যাম ও ৮ গিগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজ সুবিধা। এছাড়া রয়েছে মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা, যেখানে ৩২ গিগাবাইট পর্যন্ত মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা যাবে। ব্যাটারি সুবিধা দিতে এতে রয়েছে ৩ হাজার ২০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি।

windows-phone-techshohor

ডিভাইসটিতে রয়েছে কোয়ার্ড কোর স্ন্যাপড্রাগন ২১০ প্রসেসর এবং গ্রাফিক্স সুবিধা দিতে রয়েছে অ্যান্ডেন ৩০৪ জিপিইউ।

ছবি তোলার জন্য ডিভাইসটির পিছনে রয়েছে অটো ফোকাস ও ফ্ল্যাশসহ ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। সেলফি ও  ভিডিও চ্যাটের জন্য সামনে রয়েছে ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। এছাড়া রয়েছে ওয়াইফাই, ব্লুটুথ, জিপিএস ইত্যাদি সুবিধা।

উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমের পাশাপাশি অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ ললিপপের বিশেষ সংস্করণে পাওয়া যাবে ফোনটি।

হলুদ ও কালো রংয়ের ডিভাইসটি পাওয়া যাবে। ফোনটি বর্তমানে শুধুমাত্র চীনে পাওয়া যাচ্ছে। তবে চাইলে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলিবাবার এই ঠিকানা থেকে অনলাইনে কেনা যাবে ফোনটি।

টেক অ্যান্ড্রয়েডস অবলম্বনে তুসিন আহমেদ

গুগলের নতুন অপারেটিং সিস্টেম ফিউশা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেমের বাজারে গুগল শক্ত অবস্থানে থাকলে ডেস্কটপের ক্ষেত্রে এখনো রাজত্ব করছে উইন্ডোজ। ডেস্কটপের বাজার দখলের এই যুদ্ধে গুগলের ক্রোম অপারেটিং সিস্টেম সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তাই গোপনে নতুন অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে কাজ করছে সার্চ জায়ান্ট গুগল।

ফিউশা’ নামের এই অপারেটিং সিস্টেম তৈরি’র কাজ করলেও বিষয়টি নিয়ে অফিসিয়ালভাবে কোনো বক্তব্য দেয়নি গুগল। অনলাইনভিত্তিক সেবা গিটহাবে পোস্টের তথ্যের মাধ্যমের এই ওএসটি সম্পর্কে জানা যায়।

ধারণা করা হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেমটি ডেস্কটপের পাশাপাশি স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট অব থিংকস (আইওটি)’তে ব্যবহার যোগ্য হতে পারে। এতে থাকবে ম্যাটেরিয়াল ডিজাইন, চমৎকার সহজ ইন্টারফেইস। তবে এতে ব্যবহার করা হয়নি ওপেন সোর্স ভিত্তিক লিনাক্স প্লাটফর্ম। এতে প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে ডার্ট ব্যবহার করা হয়েছে।

fuchsia-google-techshohor

গুগলের জ্যেষ্ঠ প্রোকৌশলী ব্রায়ান সোয়েটল্যান্ড নতুন ওএস সম্পর্কে বলেন, অপারেটিং সিস্টেমটি সম্পর্কে এখনো কোনো কিছু নির্ধারণ করা হয়নি। যখন সব কিছু ঠিক হবে তখন আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। এখনো সব কিছু প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

নেটমার্কেট শেয়ার ডটকমের তথ্যমতে, বর্তমানে ডেস্কটপ ওএসের বাজারে উইন্ডোজের দখলে আছে ৮৯.১৮ শতাংশ, ম্যাক ওএসের দখলে আছে ৪.৬৯ শতাংশ এবং লিনাক্সের দখলে আছে ২.৩৩ শতাংশ। এদিকে স্মার্টফোনের বাজারে ৮৪.১ শতাংশ নিয়ে শীর্ষ স্থানে রয়েছে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড।

এখন দেখার বিষয় নতুন অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে অ্যান্ড্রয়েডের মত ডেস্কটপে মাত করতে পারে কিনা গুগল। অপেক্ষা নতুন ওএসের।

দ্য নেক্সট ওয়েব অবলম্বনে তুসিন আহমেদ

আরও পড়ুন :

উইন্ডোজ ১০: লক স্ক্রিনকে বিজ্ঞাপন মুক্ত রাখবেন যেভাবে

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : উইন্ডোজ ১০ ব্যবহারকারীদের প্রায়ই লক স্ক্রিনে বিজ্ঞাপন নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয়। মাইক্রোসফট বাড়তি আয়ের আশায় লক স্ক্রিনে প্রায়ই বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। অনেকের এটি ব্যাপক অপছন্দের।

এমন গ্রাহকদের কথা বিবেচনা করে বিজ্ঞাপন অপশনটি বন্ধ করার সুবিধাও রয়েছে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে। তবে এ কৌশলটি জানা থাকতে হবে। তাহলে কয়েক ক্লিকেই উটকো বিজ্ঞাপন দেখার ঝামেলা থেকে রেহাই পাবেন।

এ টিউটোরিয়ালে তুলে ধরা হলো কিভাবে লক স্ক্রিন বিজ্ঞাপন মুক্ত রাখা যায়।

প্রথমে স্টার্ট মেন্যু থেকে যেতে হবে ‘settings’-এ ।

তারপর সেখান থেকে ‘Personalization’-এ যেতে হবে।

lock_techshohor 1

সেখান থেকে বাম পাশে থাকা ট্যাব থেকে ‘lock screen’-এ যেতে হবে।

এরপর সেখানে তিনটি অপশন পাওয়া যাবে। সেগুলো থেকে পছন্দ মত অপশনটি নিবার্চন করতে হবে।

lock _techshoor 2

সর্বশেষ “Get fun facts, tips, tricks, and more on your lock screen” অপশনটি আনচেক করতে হবে।

তাহলে আর কোনো বিজ্ঞাপনের ঝামেলা থাকবে না লক স্ক্রিনে।

আরও পড়ুন 

কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীদের অনেকেই সতর্কতা ও নিরাপত্তার জন্য কম্পিউটারে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন। তবে বিপত্তি বাধে তখনই যখন অনেক পাসওয়ার্ডের ভিড়ে সেটি ভুলে গেলে। তখন অনেকের ধারণা কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা ছাড়া উপায় নেই। তবে এটিই একমাত্র পথ নয়। আরও কৌশল আছে কম্পিউটার খোলার।

সেটি জানা থাকলে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলেও প্রয়োজন হবে না অপারেটিং সিস্টেম নতুন করে সেটআপ দেওয়ার। এ জন্য জানতে হবে দুই কৌশল।

এ টিউটোরিয়ালে উইন্ডোজে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কিভাবে তা রিসেট করা যাবে সেটি তুলে ধরা হলো।

Screenshot_3

পাসওয়ার্ড রিসেট ডিস্ক
পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে যেন ডিস্ক ব্যবহার করে তা রিসেট দেওয়া যায় সে জন্য একটি বিশেষ পদ্ধতি রয়েছে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে।

এ জন্য স্টার্ট মেন্যু থেকে কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে ইউজার অ্যাকাউন্টস থেকে সিলেক্ট করে creat a password রিসেট ডিস্কে ক্লিক করতে হবে। নির্দেশগুলো মেনে তৈরি করে ফেলুন ডিস্কটি।

ডিস্কটির মাধ্যমে আপনি ফরম্যাট ও আবার উইন্ডোজ ইন্সটল করা ছাড়াই পাসওয়ার্ড রিসেট করতে পারবেন।

উইন্ডোজ বুট ডিস্ক ব্যবহার
উইন্ডোজ বুট ডিস্ক দিয়ে উইন্ডোজ রিপেয়ার করা যায়। উইন্ডোজ রিপেয়ার করতে দেওয়ার সময় পাসওয়ার্ডটির জায়গাটি খালি রাখুন অথবা নতুন কোনো পাসওয়ার্ড দিন।

আরও পড়ুন

উইন্ডোজের অজানা তিন শর্টকার্ট

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : কম্পিউটার ব্যবহারের সময় কিছু কৌশল জানা থাকলে কাজ আরও সহজ হয়ে যায়। এতে যেমন সময় বাঁচে, তেমনি কাজে গতিও আসে। তাই কিছু কৌশল জানা থাকলে তা বিভিন্ন সময় কাজে দেবে সকলের।

উইন্ডোজের জন্য তেমনি প্রয়োজনীয় তিনটি টিপস তুলে  ধরা হলো এই টিউটোরিয়ালে।

windows 10

মুছে ফেলা ট্যাব চালু
কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় ভুলে ব্রাউজারে কোনো ওয়েব অ্যাডেস কেটে যেতে পারে। তখন হিস্টোরি থেকে আগের লিংকে যাওয়াটা সময় সাপেক্ষ।

এমন পরিস্থিতিতে কিবোর্ড শর্টকাটে সহজেই পুরানো ট্যাব ফিরে পাওয়া যায়। এ জন্য কিবোর্ডের ‘Control’ এবং “Shift’ স্পেস করে “T” স্পেস করতে হবে।

সহজে স্ক্রিনশট নেওয়া
কম্পিউটারে নির্দিষ্ট একটি অংশের স্ক্রিনশট নিতে অনেক ব্যবহারকারী থার্ডপার্টি সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন। তবে উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের জন্য অপারেটিং সিস্টেমটির সাথে ডিফল্ট একটি সফটওয়্যার রয়েছে। এটি ব্যবহার করে সহজেই কম্পিউটারের যে কোনো অংশের স্ক্রিনশট নেয়া যাবে।

এ জন্য উইন্ডোজের স্টার্ট বাটন ক্লিক করে “Snipping Tool”-এ ক্লিক করতে হবে। তাহলে সফটওয়্যারটি চালু হবে এবং যেখান থেকে প্রয়োজনীয় অংশটির  স্ক্রিনশট নেওয়া যাবে।

মাউসের ব্যবহার
সাধারণ ব্যবহারকারীরা মাউসের বাম বা ডান বাটন ব্যবহার করে থাকেন। এ ছাড়া মাউসের মাঝে ক্রল করার জন্য একটি চাকার মত বাটন থাকে। এ তিন ভাবেই মাউস ব্যবহার করা হয়।

ওয়েবসাইট ব্রাউজার করার সময় কোনো লিংকে ক্লিক করে নতুন ট্যাব ওপেন করতে হলে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে ‘ওপেন নিউ ট্যাব’ অপশনটিতে ক্লিক করতে হয়।

তবে এ কাজটি মাউসের  মাঝের ক্রল করার বাটনটি ক্লিক করেও অনায়াসে করা যাবে। এটি ক্লিক করে যে কোনো ট্যাব বন্ধও করা যাবে।

আরও পড়ুন