যুব প্রতিবন্ধীদের তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর :  দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের যুব প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিযোগিতা।

শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটের  ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিকে সারা দেশ থেকে আসা ৮১  প্রতিবন্ধীকে নিয়ে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রতিযোগীরা চারটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কারের জন্য লড়েন। চারটি ক্যাটাগরি যথাক্রমে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, শারীরিক প্রতিবন্ধী, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী এবং নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅ্যাবিলিটিস (এনডিডি)।

2nd-NYICT for Disabilities-Techshohor

সব ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিদের মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট ও ইন্টারনেট-বিষয়ক প্রশ্নের সমাধান করতে হয়েছে। পরে প্রত্যেক ক্যাটাগরি থেকে সেরা তিন জন করে পুরস্কার হিসেবে অর্থ, ক্রেস্ট, সনদ ও আকর্ষণীয় পুরস্কার দেওয়া হয়।

এছাড়াও এই ১২ জনকে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেবে। এছাড়াও পরে কাজের মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্বাচিত চার জনকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগীতার জন্য বাংলাদেশ দল গঠন করে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকার।

তিনি বলেন, বিসিসি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এ প্রতিযোগিতা তারই অংশ। এ প্রতিযোগিতা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে তথ্যপ্রযুক্তির চর্চা উৎসাহিত করবে এবং তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।

সমাপণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি থাকতে পারেননি।

বিসিসির পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন) মোহাম্মদ এনামুল কবির, ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিকের প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. আর কবির, ডিজএবিলিটি কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনালের এক্সিকিউটিভ বোর্ড সদস্য মনসুর আহমেদ চৌধুরী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিকের উপাচার্য প্রফেসর ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হারুনুর রশীদ, বিসিসির নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকার, ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিকের বোর্ড অফ ট্রাস্টিসের চেয়ারপার্সন কাইয়ুম রেজা চৌধুরী সিএসআইডির নির্বাহী পরিচালক খন্দকার জহুরুল আলম এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জিল্লার রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), সেন্টার ফর সার্ভিসেস অ্যান্ড ইনফরমেশন অন ডিজঅ্যাবিলিটি (সিএসআইডি) ও ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিক যৌথভাবে প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করে।

ইমরান হোসেন মিলন

ইএটিএলের চূড়ান্ত বিচারে ৩০ অ্যাপ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরির প্রতিযোগিতা ইএটিএল-প্রথম আলো অ্যাপসের চূড়ান্ত বিচারে স্থান পেয়েছে ৩০ অ্যাপ। সেখান থেকে চূড়ান্ত বিচারের পর সেরা ১০টি অ্যাপের নাম ঘোষণা করা হবে।

ধারণাপত্র জমা দিয়ে শুরু হয়েছিল প্রতিযোগিতাটি। এরপর গ্রুমিং, ধারণাপত্র উপস্থাপন, নির্বাচিত ধারণাপত্র থেকে মোবাইল অ্যাপ তৈরি—ধাপে ধাপে চূড়ান্ত পর্বের জন্য নির্বাচিত হয় ৩০টি অ্যাপ। অ্যাপগুলো রাখা হয়েছিল ওয়েবসাইটে। সেখান থেকে নামিয়ে ব্যবহারও করা গেছে।

ইএটিএল-প্রথম আলো অ্যাপস প্রতিযোগিতা ২০১৬-এর নির্বাচিত এই ৩০ অ্যাপের চূড়ান্ত বিচারপর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল শনিবার।

EATL-APP-Techshohor

রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে দিনভর চলে বিচারকাজ। তিনটি দলে ভাগ হয়ে বিচারকেরা অ্যাপ নির্মাতাদের উপস্থাপনা ও অ্যাপের নমুনা দেখেন। এর চূড়ান্ত পর্বে বিচারকদের সামনে ৩০টি অ্যাপের ধারণা উপস্থাপন করেছেন প্রতিযোগী দলগুলোর সদস্যরা। এখান থেকে তিন বিভাগের সেরা ১০টি অ্যাপের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

প্রতিযোগিতায় প্রধান বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার কৌশল বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ।

তিনি বলেন, শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নিয়েই ব্যস্ত নয় এখনকার শিক্ষার্থীরা। তারা আমাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য অ্যাপ তৈরি করছে। এতে তাদের দেশপ্রেম প্রকাশ হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংক ঢাকার সিনিয়র অপারেশনাল অফিসার মোখলেসুর রহমান বলেন, এই অ্যাপগুলোর মধ্যে অন্তত কয়েকটি অ্যাপ যেন বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আসে সেই চেষ্টা করতে হবে।

ইএটিএল ও প্রথম আলো আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় এবারে অ্যাপের মান আগের চেয়ে ভালো বলে জানালেন বিচারকমণ্ডলীর সমন্বয়ক রাজেশ পালিত।

এথিকস অ্যাডভান্সড টেকনোলজিস লিমিটেডের (ইএটিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন খান বলেন, আমরা আগে দেখেছি দলগুলো শুধু অ্যাপ বানাতে ব্যস্ত। কিন্তু সেই অ্যাপ যে মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে সেদিকে কারও নজর ছিল না। চতুর্থবারের মতো আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার বিশেষত্ব হলো সেই অ্যাপগুলো ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করা। যা করছেনও প্রতিযোগীরা।

এই প্রতিযোগিতায় সেরা অ্যাপের জন্য রয়েছে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার। এ ছাড়া প্রতিটি বিভাগে প্রথম স্থান অর্জনকারী দলের জন্য থাকবে ২ লাখ টাকা করে পুরস্কার।

আয়োজনে সহযোগিতা করছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ, বিশ্বব্যাংক ও কানাডা প্রতিযোগিতার প্রধান পৃষ্ঠপোষক।

ইমরান হোসেন মিলন

এসিএম-আইসিপিসিতে ঢাকার চ্যাম্পিয়ন ‘বুয়েট রেও’

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং বা এসিএম-আইসিপিসিতে ঢাকা অঞ্চলের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বুয়েটের একটি দল ‘বুয়েট রেও’। ১০টি সমস্যার মধ্যে সবগুলোর সমাধান করে দলটি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

এছাড়াও ৯টি সমস্যা সমাধান করে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বুয়েটের আরেকটি দল বুয়েট অমনিট্রিক্স, তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ডিইউ_সেন্সরড। তারা করেছে আটটি সমস্যার সমাধান।

শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটের ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাটির ঢাকা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

ACM_ICPC_DHAKA_TECHSHOHOR-2

এবার মোট ১২৫টি দল চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। আর মোট এক হাজার ৬৬৫টি দল প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে অনলাইনে নিবন্ধন করে। সেখান থেকে প্রাথমিক বাছাইয়ের পর ১২৫ দল চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিতে পারে।

আর প্রথমবারের মতো মেয়েদের ১২৯টি দল প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে নিবন্ধন করেছিল। সেখান থেকে চূড়ান্ত পর্বে সুযোগ পেয়েছে চারটি দল।

এই ঠিকানায় ঢাকা পর্বের চূড়ান্তদের তালিকা পাওয়া যাবে।

শুক্রবার রাজধানীর ফার্মগেটের এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটিতে দুই দিনের এই প্রতিযোগিতার শুরু হয়। যার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়টির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ।

ঢাকা অঞ্চলের প্রতিযোগিতা আয়োজনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এসিএম-আইসিপিসির এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক সি জে হুয়াং। বাংলাদেশে ভবিষ্যতে প্রতিযোগিতাটির চূড়ান্ত পর্ব আয়োজনে সামনের বছরেই প্রতিনিধি দল আসবে। এবং আয়োজন করা যায় কিনা তার সম্ভাব্যতা দেখবেন বলেও জানান তিনি।

Result-ACM_ICPC
দুই দিনের প্রতিযোগিতার মূল পর্ব শনিবার হলেও শুক্রবার বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রোগ্রামিংয়ে অংশ নেন।

বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত তিন থেকে চারটি দল আগামী বছরের ২০ থেকে ২৫ মে যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ডাকোটায় এসিএম-আইসিপিসির বিশ্ব আসরের চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেবে।

ঢাকা অঞ্চলের সমাপনীতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মধ্যে সর্বমোট চার লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়াও মেয়েদের জন্য আলাদা করে বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়।

১৯৯৮ সাল থেকে এসিএম-আইসিপিসির মূল পর্বে বাংলাদেশ নিয়মিত অংশ নিয়ে আসছে। গত বছরের প্রতিযোগিতায়ও বাংলাদেশ থেকে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অনেক ভালো ফল করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, বুয়েটের অধ্যাপক মোহাম্মাদ কায়কোবাদ, জে সি হুয়াং, এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জামিলুর রেজা চৌধুরীসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

ইমরান হোসেন মিলন

নভেম্বরে এসিএম-আইসিপিসির ঢাকা পর্ব

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিশ্বের সবচেয়ে মর্যদাপূর্ণ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা এসিএম-আইসিপিসির ঢাকা পর্বের আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ ও ১৯ নভেম্বর।

রাজধানীতে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ এবার আয়োজনটি করবে।

তবে প্রতিযোগিতার জন্য অনলাইনে নিবন্ধন শুরু হয়েছে ২৪ অক্টোবর থেকে। চলবে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত। অংশগ্রহণে ইচ্ছুক দলগুলোকে প্রতিযোগিতার জন্য ছয় হাজার টাকা ফি দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

ACM-ICPC 2013_ Tech Shohor
চলতি বছর এক হাজার ৬৬৫টি দল প্রাক নির্বাচনীতে অনলাইন প্রতিযোগিতার জন্য নিবন্ধন করে। নিবন্ধনকৃত তালিকার মধ্যে ৮১টি প্রতিষ্ঠানের এক হাজার ৫৬৬টি দল অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় গত বছর ৭৫টি প্রতিষ্ঠানের ৯৮৫টি দল অংশ নিয়েছিল।

তবে এবার অনলাইন প্রতিযোগিতার জন্য প্রথমবারের মতো রেকর্ড সংখ্যক মেয়ে অংশ নিয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রতিযোগিতায় লড়তে ১২৯টি দলে মেয়েরা অংশ নিতে নিবন্ধন করেছে। তবে এর মধ্য থেকে মূল প্রতিযোগিতায় ১২৫টি দল অংশ নেবে।

১৯৯৮ সাল থেকে এসিএম-আইসিপিসির মূল পর্বে বাংলাদেশ নিয়মিত অংশ নিয়ে আসছে। গত বছরের প্রতিযোগিতায়ও বাংলাদেশ থেকে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অনেক ভালো ফল করে। এবারও আঞ্চলিক পর্বের বিজয়ী দলগুলো যুক্তরাষ্ট্রে সাউথ ডাকোটায় আগামী ২০ থেকে ২৫ মে চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেবে।

ইমরান হোসেন মিলন

মেয়েদের প্রোগ্রামিং ক্যাম্পের দ্বিতীয় দিন শুরু

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : রোববার থেকে ঢাকায় শুরু হয়েছে মেয়েদের তিন দিনব্যাপী প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা ক্যাম্প। সোমবার দ্বিতীয় দিনের মতো প্রতিযোগিতাটি শুরু হয়েছে।

রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে(ইউএপি) মেয়েদের প্রোগ্রামিং ক্যাম্পটি আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) এবং সহ-আযোজক রয়েছে ইউএপি।

প্রোগ্রামিং ক্যাম্পটি পরিচালনা করছেন ম্যাসচুয়েট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষার্থী বৃষ্টি শিকদার। তিনিই ক্যাম্পে প্রোগ্রামিং কনটেস্টের জন্য প্রয়োজনীয় ডাইনামিক প্রোগ্রামিং, ডেটা স্ট্রাকচার, গ্রাফ, নম্বর থিউরি, জ্যামিতি, এডহক প্রোগ্রামিং ইত্যাদি বিষয় নিয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।

gcpc
রোববার সকালে ক্যাম্প শুরুর সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের সিএসই বিভাগের চেয়ার পারসন ড. বিলকিস জাহান, শিক্ষক অলোক সাহা, আসিফ হোসেন, বিডিওএসএনের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান, সমন্বয়কারী মোশারেফ হোসেনসহ আরও অনেকে। প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।

ক্যাম্পটির পরিচালক বৃষ্টি শিকদার জানান, কিছু বিশেষ কৌশল রপ্ত করে নিয়মিত অনুশীলন ও চর্চার মাধ্যমে প্রোগ্রামিং দক্ষতার উন্নয়ন ঘটানো যায়। এই ক্যাম্পের মাধ্যমে সেটিই সবার কাছে তুলে ধরা হচ্ছে।

ক্যাম্পে রাজশাহী, চট্টগ্রাম, নেত্রকোণা, জাহাঙ্গীরনগর, কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ঢাকার বিভিন্ন স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ জন মেয়ে অংশ নিচ্ছে।

বিডিওএসএনের সমন্বয়কারী মোশারেফ হোসেন জানান, তাদের #মিসিংডটার কার্যক্রমের আওতায় আগামীতে ঢাকার বাইরেও এমন ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে।

ইমরান হোসেন মিলন

বিগ ডেটা নিয়ে কর্মশালা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে ‘আনলক দ্য পটেনশিয়াল অব বিগ ডেটা’ শিরোনামে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই কর্মশালাটির আয়োজক ছিল বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) ও ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক।

Bigdata1

কর্মশালাটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ ক্লাউড ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা এবং আমারেকিার ভার্চুস্ট্রিমের ক্লাউড গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ মাহদী উজ্জামান। এতে বিগ ডেটা কী, কেন এবং কীভাবে এই কার্যক্রমে যুক্ত হতে হয় তা তুলে ধরা হয়।

মোহাম্মদ জামান জানান, এই ক্ষেত্রে সফল হওয়ার জন্য কারিগরি দক্ষতার পাশাপাশি নেতৃত্বের গুণাবলীর প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। নতুন ও সৃজনশীল চিন্তার মাধ্যমে কেবল এই ক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের বিগডেটা সংক্রান্ত বিভিন্ন টুলস এবং এর স্থাপত্য সম্পর্কে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়।

শামীম রাহমান

ব্র্যাক ও এশিয়া প্যাসিফিকে বিপিও সামিটের অ্যাক্টিভেশন অনুষ্ঠিত

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) সামিট উপলক্ষে রাজধানীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে অ্যাক্টিভেশন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় দুটির ক্যাম্পাসে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

৯ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে দু’দিনের বিপিও সম্মেলন-২০১৫। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং বা বিপিও খাতের অবস্থানকে তুলে ধরতে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে একাধিক অ্যাক্টিভেশন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে প্রথম আলো পত্রিকার যুব কর্মসূচির সমন্বয়কারী মুনির হাসানের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যারিয়ার সার্ভিস অফিসার তাজ উদ্দিন, বাক্যের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আমিনুল হক, আমরা কোম্পানিজের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী এ জে এম রাফকাত, বিক্রয় ডটকমের সহকারী ব্যবস্থাপক ইয়াসিন আরাফাতসহ অনেকে।

BPO summit

এদিকে, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের অ্যাক্টিভেশন কার্যক্রমে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এম আর কবির, কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আলেক কুমার শাহ, বাক্যের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন, মিডিয়া সফট ডাটা সিস্টেমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোপাল দেবনাথ, বিক্রয় ডটকমের সহকারী ব্যবস্থাপক (মার্কেটিং) মো. মাহবুব হাসান, আমরা টেকনোলজিসের সহযোগী ব্যবস্থাপক (মার্কেটিং) নাহিদ আহমেদসহ অনেকে।

আহমেদ মনসুর

এশিয়া প্যাসিফিকে অ্যাপস কর্মশালা অনুষ্ঠিত

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক-এ পাঁচ দিনের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মশালা বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচি’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক ক্যাম্পাসে গত ১৬ জানুয়ারি এ কর্মশালা শুরু হয়। এতে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ৪১ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হন। কর্মশালায় প্রশিক্ষণার্থীদের জাভা ও অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনের ওপর বিস্তারিত প্রশিক্ষণ ছাড়াও ব্যবহারিক ক্লাসের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরীর দক্ষতা যাচাই করা হয়। সফল ৩৩ জন প্রশিক্ষণার্থী সনদপত্র ও জাতীয় পর্যায়ের অ্যাপ্লিকেশন নির্মাণ প্রতিযোগিতায়ও অংশগ্রহণের সুযোগ পান।

UAP 1

কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আর কবির এবং সিএসই বিভাগের প্রধান অলক কুমার সাহা।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা ইএটিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন খান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. নিজাম উদ্দিন আহমেদ।