আই-লাইফের নতুন ল্যাপটপ বাজারে

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্র্যান্ড ‘আই-লাইফ’ দেশের বাজারে নতুন মডেলের একটি ল্যাপটপ এনেছে। জেড এয়ার মিনি নামের এই ল্যাপটপ আমদানী করা হয়েছে দুবাই থেকে।

এতে রয়েছে ১০.৬ ইঞ্চির ডিসপ্লে, উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ১০। সঙ্গে আছে ২ জিবি র‍্যাম, ৩২ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ।

ল্যাপটপটির ওজন  ৯০০ গ্রাম। এটি সিলভার, গ্রে ও পিঙ্ক রঙে পাওয়া যাচ্ছে।

ল্যাপটপটিতে ১ বছরের ওয়ারেন্টি রয়েছে। এর দাম রাখা হয়েছে ১৩ হাজার ৫০০ টাকা। ল্যাপটপের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি একটি পোলো শার্ট ফ্রি দিচ্ছে।

আনিকা জীনাত

১৪,৯৯৯ টাকায় নতুন ল্যাপটপ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর :  যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যান্ড,আই লাইফের’ ল্যাপটপ বাজারে নিয়ে এলো জেড এয়ার প্রও ল্যাপটপ। ল্যাপটপটির দাম মাত্র ১৪ হাজার ৯৯৯ টাকা।

ইন্টেল কোয়াড কোর ও জেনুইন উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম সমৃদ্ধ একটি স্লিম ল্যাপটপ। শিক্ষার্থী ও কর্পোরেট এক্সকিউটিভদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ল্যাপটপে ইন্টেল কোয়াড কোর প্রসেসর ও অরিজিনাল উইন্ডোজ ১০ রয়েছে। সহজে বহনযোগ্য ল্যাপটপটির ওজন মাত্র ১.২৫ কেজি।

ilife-notebook-techshohor

১৫.৯ মি. মি পুরুত্ব, অত্যন্ত আকর্ষণীয় ডিজাইনের, স্লিম, স্বচ্ছ ও সম্পূর্ন এইচডি কোয়ালিটির ডিসপ্লে সংযুক্ত ল্যাপটপটি পাওয়া যাচ্ছে গ্রে, সিলভার ও গোল্ডেন রঙে।

১২.৫ ইঞ্চি এইচ ডি ডিসপ্লের ল্যাপটপে রয়েছে ৮০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, যার মাধ্যমে টানা ৮ ঘণ্টা চালাতে পারবেন।

২ জিবি র‍্যাম, ৩২ জিবি এসএসডি স্টোরেজ এবং ১০০ জিবি ক্লাউড স্টোরেজ বিনামূল্যে পাবেন ক্রেতারা। ল্যাপপটপটিতে রয়েছে দুটি ইউএসবি পোর্ট টু, এইচডিএমআই ও এসডি কার্ড পোর্ট রয়েছে।

ঢাকার বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আইডিবি ভবন), মাল্টিপ্লান সেন্টার, উত্তরা কম্পিউটার সেন্টার, রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বগুড়াসহ প্রায় সারা দেশে পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়াও অনলাইন কেনাকাটা সাইট পিকাবু ডটকম থেকে পাওয়া যাচ্ছে।

ইমরান হোসেন মিলন

আই লাইফ কিডস ট্যাব ৭: সাধারণ হলেও বিশেষ ফিচারে দারুণ

এস এম তাহমিদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : প্রথম আইপ্যাড বাজারে আসার পর থেকেই দেখা গেছে শিশুদের মাঝে ট্যাবলেট বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। গেইমসের পাশাপাশি পছন্দের কার্টুন, বই, ইন্টারঅ্যাকটিভ পড়াশোনার অ্যাপ নিয়ে খেলার সুবিধা থাকায় অভিভাবকরা প্রায়ই তাদের ট্যাবটি বাচ্চাদের হাতে দেন।

আইপ্যাডের সফলতার পথ ধরে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান মূলত বাচ্চাদের জন্যই ট্যাব বানানো শুরু করেছে, যার একটি হচ্ছে আই-লাইফ কিডস ট্যাব ৭। বাচ্চাদের জন্য উপযোগী এটির বিশেষ কিছু ফিচার অন্য ট্যাব থেকে এটিকে আলাদা করেছে।    

একনজরে আই-লাইফ কিডস ট্যাব ৭

  • ৭ ইঞ্চি ডিসপ্লে, রেজুলেশন ১০২৪x৬০০ 
  • ১.৩ গিগাহার্জ ডুয়াল-কোর প্রসেসর
  • মালি ৪০০ জিপিউ
  • ১ গিগাবাইট ডিডিআর ৩ র‌্যাম
  • ৮ গিগাবাইট স্টোরেজ, মাইক্রো-এসডি কার্ড স্লট
  • ওয়াই-ফাই ও থ্রি-জি ইন্টারনেট
  • অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ কিটক্যাট অপারেটিং সিস্টেম
  • ১ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ও ৩ মেগাপিক্সেল ব্যাক ক্যামেরা
  • ৩২০০ এমএএইচ ব্যাটারি
  • ব্লুটুথ, জিপিএস, এফএম রেডিও

4

ডিজাইন
শিশুদের উপযোগী এ ট্যাবে ব্যবহার করা হয়েছে উজ্জ্বল নীল বা গোলাপী প্লাস্টিক, যা বেশ ভাল পরিমাণে আঘাত সহ্য করতে সক্ষম। ট্যাবটির চারটি কোনায় আঘাত সামলানোর জন্য দেওয়া হয়েছে রাবারের বাম্পার।

সামনে রয়েছে স্পিকার, হোম, এসওএস ও ব্যাক বাটন এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা। মাঝের বাটনগুলো রয়েছে স্ক্রিনের ডান পাশে, স্পিকার রয়েছে বাম পাশে ও ক্যামেরা স্ক্রিনের ওপরে।

ডান পাশে রয়েছে হেডফোন জ্যাক, মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট যার মাধ্যমে চার্জ করা ও ওটিজি সুবিধা দুটিই পাওয়া যাবে। এর সাথে রয়েছে মেমরি কার্ড স্লটটি।

ট্যাবটির ওপরে রয়েছে পাওয়ার ও ভলিউম বাটনগুলো। এটি পুরোপুরি প্লাস্টিকের তৈরি হলেও বেশ শক্তভাবেই তৈরি করা হয়েছে, যাতে করে শিশুদের হাতে সহজে নষ্ট না হয়।1

পারফরমেন্স
১.৩ গিগাহার্জ গতির ডুয়াল কোর ট্যাবটির পারফরমেন্সের দিক থেকে তাক লাগিয়ে দেবে না। তবে সাধারণ ওয়েব ব্রাউজ, ভিডিও দেখা, ছোট-খাট গেইম খেলা ও অন্যান্য কাজের জন্য এর পারফরমেন্স যথেষ্ট ভালো। যদিও ট্যাবটির স্পেসিফিকেশন ২০১১-১২ সালের মাঝারি মানের ট্যাবের মতো।

সাধারণ কাজের ক্ষেত্রে বেশ চলনসই হলেও এইচডি গেইম বা অনেকগুলো ওয়েব পেইজ এক সঙ্গে খোলার মত কাজ করার জন্য এটিতে যথেষ্ট পরিমাণ র‌্যাম নেই।

ট্যাবলেটটির সবচাইতে বড় অসুবিধা বলা যেতে পারে এর স্টোরেজ স্বল্পতা। মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা থাকলেও প্রায় সব অ্যাপ্লিকেশনই অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেম স্টোরেজ ব্যবহার করায় খুব তাড়াতাড়ি স্টোরেজ ভর্তি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়ে যায়।

তবে শিশুদের উপযোগী করে তৈরি হবার ফলে খুব বেশি অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটল করার প্রয়োজনীয়তা কম। তাই সকল ভিডিও ও গান মেমরি কার্ডে রাখলে এটি নিয়ে তেমন সমস্যা হবে না।

6

ট্যাবটির ডিসপ্লে রেজুলেশন ও কালার দুটিই বেশ নিম্নমানের হলেও দামের বিবেচনায় খারাপ নয়। ক্যামেরা, স্পিকার ও মাইক্রোফোনের ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যেতে পারে।

ব্যাটারি লাইফের দিক থেকেও বলা যেতে পারে এটি খেলনা পর্যায়েই রয়ে গিয়েছে। কেননা ৪-৫ ঘন্টার বেশি টানা ব্যবহার করা যাবে না, যা থ্রিজি ইন্টারনেট ব্যবহারে ৩ ঘন্টাতেও নেমে যেতে পারে।

কানেক্টিভিটির দিক থেকে ট্যাবটি বেশ অবাক করেছে। ওয়াই-ফাই, থ্রিজি, জিপিএস, ব্লুটুথ, ইউএসবি ওটিজি প্রায় সবকিছুই রয়েছে এতে।

5

বিশেষ ফিচার
শিশুদের হাতে দেয়া ট্যাবে অভিভাবকের বেশ ভাল পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন – এমন চিন্তা করে এটি তৈরি করা হয়েছে। এর মাঝে হার্ডওয়্যারের দিক থেকে এসওএস বাটনটি দিয়ে তিনটি প্রোগ্রাম করা নম্বরে কল করা যাবে।

এতে ঠিক কোন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা যাবে সেটি নির্ধারণ করে বাকিগুলো লক করা যাবে। একই সঙ্গে ট্যাবটি কোথায় রয়েছে সেটিও অভিভাবক সবসময় জানতে পারবেন।

এতে শিশুদের জন্য একটি বিশেষ ব্রাউজার ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিজ থেকেই শিশুদের অনুপযোগী ওয়েবসাইট ও কনটেন্ট ব্লক করে দেবে।

এ ছাড়াও বাচ্চারা ঠিক কি কাজ করছে ট্যাবে সেগুলোর পরিসংখান দেখার সুবিধাও রয়েছে।

2

মূল্য
বাজারে ৪০০০-৪৫০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ট্যাবটি।

একনজরে ভাল

  • বডি বেশ শক্ত ডিজাইনের। এ কারণে শিশুদের হাতে দিলেও ভাঙ্গার আশংকা কম
  • শিশুতোষ কন্টেন্ট ফিল্টারিং ও প্যারেন্টিং সুবিধা
  • থ্রিজি ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ
  • উজ্জ্বল ও সুন্দর রঙ

এক নজরে খারাপ

  • ব্যাটারি লাইফ বেশ কম
  • অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ বেশ পুরাতন
  • স্টোরেজ স্বল্পতা