নতুন ফিচারে আমাদের রেল অ্যাপ

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : এখনও ট্রেনকে নিরাপদ ভ্রমণের ভরসা মানেন বেশিরভাগই। নতুন বা পুরনো গন্তব্যে যেতে রেলকেই বেছে নিতে চান সবার আগে। তবে টিকেট কাটতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো কিংবা সময়সূচী নিয়ে দ্বিধায় থাকার কারণে কেউ কেউ বিমুখ গণপরিবহনের এ সেবা নিতে।

এ ঝামেলা থেকে মুক্তি দিতে দেশীয় অ্যাপ্লিকেশন প্রতিষ্ঠান ডিকোড উন্মুক্ত তৈরি করেছিল আমাদের রেল অ্যাপ্লিকেশনটি।

সম্প্রতি চমৎকার এ অ্যাপকে নতুন রূপে ও আরও নতুন ফিচার দিয়ে সাজিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

amader-rel-techshohor

ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানটির সহ প্রতিষ্ঠাতা মো. সোহাগ মিয়া টেকশহর ডটকমকে জানান, আমাদের রেল অ্যাপটি বেশ সাড়া ফেলেছিল যাত্রীদের মাঝে। ব্যবহারকারীদের কথা ভেবেই নতুন আপডেট আনা হয়েছে। ফলে ব্যবহারকারীদের ট্রেন যাত্রা আরও সহজ হবে।

এক নজরে অ্যাপ্লিকেশনটির ফিচারগুলো

১. এতে রয়েছে দেশের সব ট্রেনের শিডিউলের বিস্তারিত তথ্য।

২. সব স্টেশনের লোকেশন জানা যাবে।

৩. সবগুলো জেলা বা বিভাগে যাতায়াতের জন্য ট্রেনের টিকিটে কত খরচ হবে তা জানা যাবে।

৪. অ্যাপটিতে রয়েছে ট্রেন ট্র্যাকিং সুবিধা। বিলম্বের বিষয়টি জেনে যাবেন সহজেই।

৫. এসএমএসয়ের মাধ্যমে মোবাইল টিকেট কেনা বা বুকিং সুবিধা পাওয়া যাবে।

৬. আরও আছে রেলের বিভিন্ন খবর পাবার জন্য নোটিশ বোর্ড।

৭. রেলের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের টেলিফোন বা মোবাইল নাম্বার।

৮. এতে সব তথ্য বিভাগ অনুযায়ী সাজানো আছে। ফলে সহজে যে কোনো ট্রেন বা স্টেশন সম্পর্কে জানতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

 

৯. এটি অফলাইনেও ব্যবহার করা যাবে। তাই একবার ডাউনলোডের পর ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন হবে না।

গুগল প্লেস্টোরে ৪.৫ রেটিং প্রাপ্ত অ্যাপ্লিকেশন ৫০ হাজারের অধিক ডাউনলোড হয়েছে।

এ ঠিকানা থেকে অ্যাপ্লিকেশনটির ডাউনলোড করা যাবে।

দেশীয় অ্যাপবাজার থেকেও অ্যাপটি ডাউনলোড করা যাবে।

আরও পড়ুন

অ্যাপল আইডির পেমেন্ট মেথড ঝামেলা থেকে মুক্তি

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অ্যাপলের ডিভাইস ব্যবহারের জন্য বিশেষ একটি আইডির প্রয়োজন হয়। যাকে বলা হয় অ্যাপল আইডি। গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত ডিভাইস ব্যবহারে যেমন লাগে জিমেইল আইডি। আইফোন ও আইপ্যাডের বেলায় অ্যাপল আইডিও ঠিক তাই।

বাংলাদেশ থেকে অ্যাপল আইডি খোলা নিয়ে বিপাকে পড়তে হয় অনেককে। এ সমস্যা সমাধানে টেক শহর ডটকমে অ্যাপল আইডি খোলার টিউটোরিয়াল পাবলিশ করা হয়েছিল।

এ টিউটোরিয়ালে থাকছে অ্যাপল আইডি থেকে পেমেন্ট করার ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা দেখা দেয় সেগুলো দূর করার উপায়।

Fix-Verification-techshohor

অ্যাপলের আইডি খোলার পর অনেক ব্যবহারকারী অ্যাপ স্টোর থেকে কোনো অ্যাপ নামাতে গেলে পেমেন্ট মেথড নিয়ে বিপাকে পড়েন । যখন অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোডের জন্য ক্লিক করা হয় তখন ভিসা, ব্যাংক কিংবা মাস্টার কার্ডের তথ্য দিতে বলা হয়।

তথ্যগুলো সঠিক না হওয়া পর্যন্ত কোনো অ্যাপ ডাউনলোড করা যায় না। অনেক ব্যবহারকারীদের আন্তজার্তিক ভিসা বা মাস্টার কার্ড নেই। ফলে নতুন কোনো অ্যাপ নামামো সম্ভব হয় না। ফ্রি অ্যাপের ক্ষেত্রেও এমন ঝামেলা হয়।

এমন ক্ষেত্রে নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে সহজেই ফ্রি অ্যাপ নামানো যাবে।

প্রথম আইফোন বা আইপ্যাড থেকে সেটিংস অপশনে যেতে হবে।

তারপর বাম পাশে থাকে অপশনগুলো থেকে ‘itunes & store’-এ ক্লিক করতে হবে।

apps-store-techshohor (4)

তাহলে নতুন এটি পেইজের ডান পাশে অ্যাপল আইডিটি প্রদর্শিত হবে।

সেখান থেকে অ্যাপল আইডিটির মেইল নামের উপর ক্লিক করতে হবে। তাহলে পপ আপে একটি নতুন পেইজ আসবে।

apps-store-techshohor (1)

সেখান থেকে ‘view apple id’ অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।

apps-store-techshohor (2)

তারপর পাসওয়ার্ড চাইলে, তা দিতে হবে। তাহলে অ্যাপল আইডির তথ্যগুলো দেখা যাবে। সেখান থেকে ‘payment information’-এ ক্লিক করতে হবে।

apps-store-techshohor (3)

নতুন আরেকটি পেইজ আসবে। এরপর ‘payment type’ থেকে ‘none’-এ ক্লিক করে ‘done’-এ ক্লিক করতে হবে।

তাহলেই অ্যাপস্টোর থেকে কোনো অ্যাপ ডাউনলোড করতে পেমেন্ট মেথড বার বার দেখাবে না।

আরও পড়ুন 

এক বছরে স্মার্টফোনে ইন্সটল হয়েছে ১৯২০ কোটি অ্যাপ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অ্যাপ্লিকেশন ছাড়া স্মার্টফোন অচল। তাই তো অ্যাপ্লিকেশনের চাহিদা বেশি। ফোনে নিত্য নতুন অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটল করে পরখ করে নিতে পছন্দ করেন ব্যবহারকারীরা। জনপ্রিয়তার হাত ধরে গেলো বছর অ্যাপল ও গুগলের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন প্লাটফর্ম থেকে ৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হয়েছে। সব মিলিয়ে ২০১৬ সালে ১৯২০ কোটি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারীদের ফোনে ইন্সটল করা হয়েছিলো।

গেলো বছর আইফোন থেকে তুলনামূলকভাবে কম মুনাফা অর্জন করছে। ২০১৭ সালে আইফোন বাজারে আনার পরে প্রথমবারের মত মুনাফা কমেছে প্রতিষ্ঠানটির। তবে অ্যাপস্টোরের আয় ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

অ্যাপল ইনসাইডারের তথ্যমতে, ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সাথে অ্যাপস্টোরে আয় ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

o-TEEN-GIRL-USING-SMARTPHONE-facebook

অ্যাপস্টোরের আয়ের দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে বিভিন্ন ভিডিও ও অডিও স্টিমিং সার্ভিসগুলো। তালিকায় সেরা পাঁচে রয়েছে স্পোটিফাই, নেটফিক্স, লাইন, এইচবিও নাও ও টিন্ডার।

এদিকে অ্যালফাবেটের গুগল প্লেস্টোরে আয় হয়েছে ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার। যা ২০১৫ সালের তুলনায় ৮২ শতাংশ বেশি। আয়ের দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে লাইন, টিন্ডার, প্যানডোরা, এইচবিও নাও ও লাইন ম্যানগা।

এই থেকে বোঝা যাচ্ছে অ্যাপ্লিকেশনের বাজার চাঙ্গা ছিলো গেলো বছর। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরও অ্যাপ্লিকেশনের বাজার থেকে আয় বেশি হবে বলে ধারণা প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের।

ফোন এরিনা অবলম্বনে তুসিন আহমেদ

আরও পড়ুন: