মুক্তিযুদ্ধের গেইম বানিয়ে প্রথম পুরস্কার ১০ লাখ টাকা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : মুক্তিযুদ্ধের গল্প নিয়ে স্মার্টফোনে খেলার উপযোগী গেইম বানিয়ে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন বনি ইউসুফ।

‘গেরিলা ব্রাদার্স’ নামের গেইমটি মঙ্গলবার ‘ইএটিএল-প্রথম আলো অ্যাপস প্রতিযোগিতা ২০১৬’-তে প্রথম হয়ে ১০ লাখ টাকার পুরস্কার জিতে নেয়।

বনি ইউসুফ আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী।

চ্যাম্পিয়ন ছাড়াও তিনটি বিভাগে প্রথম পুরস্কার হিসেবে দুই লাখ টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।  শিক্ষা, ব্যবসা ও কৃষি বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে   মো. জসিম উদ্দিন, মো. মনিরুজ্জামান, আব্দুর রাহমান ও মো. ইমাম হোসেনের ‘প-তে পড়া, খ-তে খেলা’। স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন এবং গেইম ও অগমেন্টেড রিয়েলিটি বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে যথাক্রমে আব্দুল্লাহ নাইম, আব্দুল্লাহ ইমরোজ, মো. শামসুজ্জামান মিয়া ও নাহিদুল ইসলামের ‘অ্যান্ড্রয়েড ডিফেন্ডার’ এবং উম্মে কুলসুম, জান্নাতুল ফেরদৌস ও রাফি চৌধুরীর ‘শব্দমেলা’ অ্যাপ।

EATL-APPS-FINAL_TECHSHOHOR

এ ছাড়া ধারণাপত্রের জন্য বায়োস্কোপ এবং প্রচারণার জন্য শিশু শিক্ষা অ্যাপ বিশেষ পুরস্কার পেয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত জমকালো এক অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণা এবং পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থেকে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ পুরস্কার বিতরণ করেন। তিনি বলেন, দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। সারা বিশ্ব আমাদের এই খাতের প্রশংসা করছে। আমরা লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছি, ২০২১ সালের মধ্যে খাতটি থেকে রপ্তানি আয় হবে ৫০০ কোটি ডলার আয়ের।

অনুষ্ঠানে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে তরুণদের নতুন উদ্যোগগুলোকে (স্টার্টআপ) সরকার এক বছরের জন্য কাজ করার জায়গা দেবে। এ জন্য ‘স্টার্টআপ ইনিশিয়েটিভ’ গঠন করা হয়েছে।

ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের উপাচার্য জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, দেশে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক অনেক প্রতিযোগিতা হয়। তবে এটি প্রায় এক বছর ধরে ১৫টি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, প্রথম আলো সংবাদমাধ্যম হয়েও গণিত অলিম্পিয়াড, ভাষা প্রতিযোগ, অ্যাপস প্রতিযোগিতা আয়োজন করে। কারণ, আমরা বাংলাদেশের জয় দেখতে চাই। আগামী বছর থেকে আরও কয়েকটি দেশকে নিয়ে আঞ্চলিক পর্যায়ে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি এথিকস অ্যাডভান্সড টেকনোলজিস লিমিটেডের (ইএটিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন খান বলেন, এটি শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়। ৯ মাসব্যাপী এই আয়োজনে দক্ষ অ্যাপ নির্মাতা গড়ে তোলা হয়।

অনুষ্ঠানে বিচারকমণ্ডলীর প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের প্রতিনিধি মোখলেছুর রহমান, প্রতিযোগিতার বিচারকমণ্ডলীর সমন্বয়ক রাজেশ পালিত বক্তব্য দেন।

গত বছরের ২৪ মে চতুর্থবারের মতো শুরু হয় এই প্রতিযোগিতা। এতে ৬৫০-এর বেশি অ্যাপের ধারণাপত্র জমা পড়েছিল।

চ্যাম্পিয়ন বনি ইউসুফ বলেন, পুরস্কার পেয়ে অবশ্যই ভালো লাগছে। এখন গেরিলা ব্রাদার্স গেইমে আরও নতুন ধাপ যোগ করার কাজ করছি।

প্রতিযোগিতা আয়োজনে সহযোগী ছিল সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ। প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিল বিশ্বব্যাংক ও কানাডা।

 ইমরান হোসেন মিলন

এসিএম-আইসিপিসিতে ঢাকার চ্যাম্পিয়ন ‘বুয়েট রেও’

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং বা এসিএম-আইসিপিসিতে ঢাকা অঞ্চলের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বুয়েটের একটি দল ‘বুয়েট রেও’। ১০টি সমস্যার মধ্যে সবগুলোর সমাধান করে দলটি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

এছাড়াও ৯টি সমস্যা সমাধান করে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বুয়েটের আরেকটি দল বুয়েট অমনিট্রিক্স, তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ডিইউ_সেন্সরড। তারা করেছে আটটি সমস্যার সমাধান।

শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটের ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাটির ঢাকা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

ACM_ICPC_DHAKA_TECHSHOHOR-2

এবার মোট ১২৫টি দল চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। আর মোট এক হাজার ৬৬৫টি দল প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে অনলাইনে নিবন্ধন করে। সেখান থেকে প্রাথমিক বাছাইয়ের পর ১২৫ দল চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিতে পারে।

আর প্রথমবারের মতো মেয়েদের ১২৯টি দল প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে নিবন্ধন করেছিল। সেখান থেকে চূড়ান্ত পর্বে সুযোগ পেয়েছে চারটি দল।

এই ঠিকানায় ঢাকা পর্বের চূড়ান্তদের তালিকা পাওয়া যাবে।

শুক্রবার রাজধানীর ফার্মগেটের এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটিতে দুই দিনের এই প্রতিযোগিতার শুরু হয়। যার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়টির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ।

ঢাকা অঞ্চলের প্রতিযোগিতা আয়োজনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এসিএম-আইসিপিসির এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক সি জে হুয়াং। বাংলাদেশে ভবিষ্যতে প্রতিযোগিতাটির চূড়ান্ত পর্ব আয়োজনে সামনের বছরেই প্রতিনিধি দল আসবে। এবং আয়োজন করা যায় কিনা তার সম্ভাব্যতা দেখবেন বলেও জানান তিনি।

Result-ACM_ICPC
দুই দিনের প্রতিযোগিতার মূল পর্ব শনিবার হলেও শুক্রবার বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রোগ্রামিংয়ে অংশ নেন।

বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত তিন থেকে চারটি দল আগামী বছরের ২০ থেকে ২৫ মে যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ডাকোটায় এসিএম-আইসিপিসির বিশ্ব আসরের চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেবে।

ঢাকা অঞ্চলের সমাপনীতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মধ্যে সর্বমোট চার লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়াও মেয়েদের জন্য আলাদা করে বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়।

১৯৯৮ সাল থেকে এসিএম-আইসিপিসির মূল পর্বে বাংলাদেশ নিয়মিত অংশ নিয়ে আসছে। গত বছরের প্রতিযোগিতায়ও বাংলাদেশ থেকে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অনেক ভালো ফল করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, বুয়েটের অধ্যাপক মোহাম্মাদ কায়কোবাদ, জে সি হুয়াং, এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জামিলুর রেজা চৌধুরীসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

ইমরান হোসেন মিলন

এসিএম-আইসিপিসির ঢাকা পর্ব বসছে শুক্রবার

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিশ্বের সবচেয়ে মর্যদাপূর্ণ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা এসিএম-আইসিপিসির ঢাকা পর্বের চূড়ান্ত আসর অনুষ্ঠিত হবে শনিবার।

তবে ঢাকা পর্বের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার আগের দিনও বিভিন্ন আয়োজন থাকবে। যেখানে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরাও প্রোগ্রামিং করতে অংশ নেবে।

এবারের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর ফার্মগেটের ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি) ক্যাম্পাসে। যার আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ।

ACM_ICPC_DHAKA_TECHSHOHOR
বুধবার এসিএম-আইসিপিসি প্রতিযোগিতাটির ঢাকা পর্বের আয়োজন নিয়ে এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ও এবারের প্রতিযোগিতাটির আঞ্চলিক পরিচালক অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বিশ্বে খুবই মর্যদাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতা শুরু হয় ১৯৭০ সাল থেকে। আর বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করতে শুরু করে ১৯৯৮ সাল থেকে। তখন থেকেই বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় ভালো করে আসছে।

সেই ধারাবাহিকতায় এবারও বাংলাদেশ থেকে শীর্ষ দলগুলোকে বেছে নিতে আঞ্চলিক এই আয়োজন করা হচ্ছে। যেখান থেকে তিন অথবা চারটি দল প্রতযোগিতার বিশ্ব আসরে অংশ নেবে। আগামী বছরের ২০ থেকে ২৫ মে যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ডাকোটায় এসিএম-আইসিপিসির বিশ্ব আসরের চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

ACM-ICPC 2013_ Tech Shohor
অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী জানান, প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে অনলাইনে নিবন্ধন করেছে এক হাজার ৬৬৫টি দল। যেখানে ৮১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক হাজার ৫৬৬টি দল অংশগ্রহণ করে। এবারই প্রথমবারের মতো ১২৯টি মেয়েদের দল অংশগ্রহণ করেছে।

তবে ১৯ নভেম্বর শনিবারের ঢাকা পর্বের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় ১২৫টি দল অংশ নিতে পারবে বলে জানান।

এবারই বিপুল সংখ্যক প্রতিযোগী অংশ নিয়েছে জানিয়ে প্রবীণ এই অধ্যাপক বলেন, আমার মনে হয় কিছুটা হলেও প্রোগ্রামিংয়ে সবার মধ্যে আশা জাগাতে পেরেছি। কারণ এবার রেকর্ড সংখ্যক দল নিবন্ধন করেছে অংশ নিতে। যেখানে ২০১৫ সালে ৭৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র ৯৮৫টি দল অংশ নিয়েছিল।

ঢাকা অঞ্চলের সমাপনীতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মধ্যে সর্বমোট চার লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। যেখানে মেয়েদের জন্য আলাদা করে বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরি থাকবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

১৯৯৮ সাল থেকে এসিএম-আইসিপিসির মূল পর্বে বাংলাদেশ নিয়মিত অংশ নিয়ে আসছে। গত বছরের প্রতিযোগিতায়ও বাংলাদেশ থেকে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অনেক ভালো ফল করে।

শুক্রবার সকালে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করবেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের। এছাড়াও তথ্রপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক উপস্থিত থাকবেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. কায়কোবাদ, এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের প্রধান বিলকিস জামাল ফেরদৌসী, বিশ্ববিদ্যালয়টির কোষাধ্যক্ষ ইশফাক এলাহী চৌধুরী, রেজিস্টার সরওয়ার আর চৌধুরী, সিএসই ফ্যাকাল্টি মেম্বার নাহিদা সুলতানা চৌধুরীসহ আরও অনেকে।

ইমরান হোসেন মিলন

চতুর্থ জগদীশ চন্দ্র বসু বিজ্ঞান ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিজ্ঞানী হতে হলে বিজ্ঞান গবেষণার নানান দিক নিয়ে ছোটবেলা থেকে বৈজ্ঞানিক কর্মপদ্ধতির অনুশীলন একজনকে বিজ্ঞানী হিসাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন(বিএফএফ) ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি(এসপিএসবি) আয়োজিত চতুর্থ জগদীশ চন্দ্র বসু বিজ্ঞান ক্যাম্পের সমাপণী দিনে উপস্থিত বক্তারা এমন কথা বলেন।

গত ৭ অক্টোবর থেকে বিএফএফ-এসপিএসবি শিশু-কিশোর বিজ্ঞান কংগ্রেস ২০১৬ এর বাছাই ৩০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে এই ক্যাম্প চলে সোমবার পর্যন্ত। বিজ্ঞানীদের মতো করে চিন্তা এবং গবেষণা করতে শেখানোর লক্ষ্য নিয়ে ক্যাম্পটি অনুষ্ঠিত হয়।

4th-Science-camp-Techshohor
ক্যাম্পের সমাপণী পর্বে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহম্মদ কায়কোবাদ, বিএফএফের নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী, মাসিক বিজ্ঞান ম্যাগাজিন বিজ্ঞান চিন্তার সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম ও এসপিএসবির সহ-সভাপতি মুনির হাসান।

মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, বিজ্ঞান হচ্ছে মজার, তার চেয়ে এক্সপেরিমেন্ট করা আরও মজার। তবে সবসময় যে সফলতা আসবে তেমনটি নয়। ধরে নিতে হবে সফলতা আসবে আরও দেরিতে। তবে সফলতা না আসলেও এক্সপেরিমেন্ট চালিয়ে যেতে হবে। গবেষণাটাই আনন্দ, ফলাফল দরকারি নয়।

ক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীদেরকে সত্যিকারের বিজ্ঞানী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাকগ্রাউন্ড রিসার্চ, এক্সপেরিমেন্ট ডিজাইন, প্রোগ্রামিং, রোবটিক্সসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

এসব সেশন পরিচালনা করেন বিশিষ্ট প্রাণিবিজ্ঞানী ও লেখক ড. রেজাউর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আরশাদ মোমেন, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান লাফিফা জামাল, বুয়েটের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারসিম মান্নান মোহাম্মদী, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নোভা আহমেদ, রবির ভাইস প্রেসিডেন্ট জাভেদ পারভেজ, অন্যরকম গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সোহাগসহ আরও অনেকে।

এছাড়া এবারের ক্যাম্পে জীবনের নীতি-নৈতিকতা, মূল্যবোধ, নিজেকে সাহস দেবার, ভেঙ্গে না পড়ার এবং মনের জোর বাড়ানোর কৌশল নিয়ে দুটি সেশন ছিল। ডা. মুহিত কামাল এবং জনপ্রিয় কমেডিয়ান নাভিদ মাহবুব হাস্যরস এবং হাসি-ঠাট্টার মাধ্যমে এই দুটি সেশন পরিচালনা করেন।

ক্যাম্পের শুরুরদিন থেকেই বিভিন্ন লেকচারের পাশাপাশি ক্যাম্পররা নিজেদের গবেষণা নিয়েও কাজ করে এবং শেষ দিনে তাদের গবেষণা উপস্থাপন করে।

চতুর্থ জগদীশ চন্দ্র বসু বিজ্ঞান ক্যাম্প সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে কংগ্রেসের ওয়েবসাইট থেকে এবং ফেইসবুক পেইজ থেকে।

ইমরান হোসেন মিলন

ইউল্যাবে সিএসই ফেস্ট

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশে (ইউল্যাব) অনুষ্ঠিত হয়েছে সিএসই ফেস্ট ২০১৬।

১২ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত ইউল্যাব কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল ও ইউল্যাব কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ক্লাবের যৌথ আয়োজনে এটি অনুষ্ঠত হয়।

cse fest-techshohor
চার দিনব্যাপী আয়োজিত ফেস্টে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, শিক্ষার্থীদের তৈরি প্রোজেক্ট শো-কেসিং, তাদের তৈরি পোস্টারের প্রেজেন্টেশন এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন আইডিয়া জেনারেশন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

সমাপনী দিনে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ কায়কোবাদ ডিসক্রিট ম্যাথের উপর দুই ঘণ্টার একটি সেশন করান।

পরে ইউল্যাব উপাচার্য প্রফেসর ইমরান রহমান প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন।

ইমরান হোসেন মিলন

রাত পোহালেই জাতীয় প্রোগ্রামিংয়ের চূড়ান্ত আসর

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : রোববার সকাল ৮টা থেকে বসছে জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা ২০১৬ এর চূড়ান্ত পর্ব। রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে জুনিয়র ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বসবে এই আসর।

দেশের ১৬টি অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার বিজয়ী ৩১৩ ক্ষুদে প্রোগ্রামার ও ৯৬৮ জন শিক্ষার্থী কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।

সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হবে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। শেষ হবে সাড়ে ১২টায়। দুপুর দুইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে সমাপনী আয়োজন।

NHPC-Techshohor
চূড়ান্ত পর্বে প্রধান অতিথি থাকবেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এছাড়াও অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ড. মোহাম্মাদ কায়কোবাদ উপস্থিত থাকবেন।

গত ৮ মার্চ কুমিল্লা অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল দ্বিতীয়বারের মতো এই আয়োজন। আয়োজন উপলক্ষে প্রায় হাজার খানেক স্কুলে অ্যাক্টিভেশন কার্যক্রম করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহী করে তুলে দক্ষ প্রোগ্রামার তৈরির উদ্দেশ্যে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ গত বছর থেকে এই আয়োজন শুরু করেছে।

দ্বিতীয়বারের মতো এবারের আয়োজনেও প্রধান পৃষ্ঠপোষক মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড। অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন সহযোগী বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন), একাডেমিক সহযোগী কোডমার্শাল এবং সহযোগী হিসেবে রয়েছে কিশোর আলো, এটিএন নিউজ ও বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম বা বিআইজেএফ।

ইমরান হোসেন মিলন

আইআইইউসির প্রযুক্তি উৎসবে তিনশ’ শিক্ষার্থী

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : চট্টগ্রামের প্রযুক্তপ্রেমী প্রায় তিনশ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (আইআইইউসি) সীতাকুণ্ড ক্যাম্পাসে চলছে টেক ফেস্ট।

উৎসব উপলক্ষে বন্দরনগরীর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতি ক্যাম্পাসকে দিয়েছে ভিন্ন এক মাত্রা।

ctg-tech-test-techshohor

বিভিন্ন ধরনের আইডিয়া ও উদ্ভাবন নিয়ে তরুন প্রযুক্তিবিদদের প্রজেক্ট প্রর্দশনী দৃষ্টি কেড়েছে সবচেয়ে বেশি। উৎসব দেখতে আসা দর্শনার্থীদের বাহবাও কুড়িয়েছে বেশ।

আইআইইউসির ট্রিপলি, কম্পিউটার ও টেলিকম ক্লাব উৎসবটির আয়োজন করছে। বুধবার দুই দিনের এ উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর টেক কুইজ প্রতিযোগিতা দিয়ে শুরু হয় বিভিন্ন কার্যক্রম।

ctg-tech-test-techshohor

এরপর গণিত অলিম্পিয়াড, সফটওয়ার উন্নয়ন ও আইডিয়া উদ্ভাবন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। বিজয়ীদের নাম উৎসবের শেষ দিন বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে।

বুধবার উদ্বোধন করেন আইআইইউসির উপাচার্য ড. আবু বক্কর রফিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক প্রফেসর ড. মো. কায়কোবাদ।

– সাইমুম সাদ