মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বলিউডি ‘দ্য বাস্টার্ড চাইল্ড’ : ইউটিউবে চলছে ট্রেইলর

তুহিন মাহমুদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হওয়ার পাশাপাশি ধর্ষিত হয়েছিলো প্রায় দুই লাখ নারী। এ প্রেক্ষাপট নিয়ে দেশে-বিদেশে তৈরি হয়েছে অনেক সিনেমা-নাটক-তথ্যচিত্র। বিষয়টি নিয়ে এবার চলচ্চিত্র তৈরি হল বলিউডেও। ‘দ্য বাস্টার্ড চাইল্ড’ নামের এ ছবিটি তৈরি করেছেন ভারতীয় মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত। ৯ ডিসেম্বর ইউটিউবে ছবিটির ট্রেইলর প্রকাশের পরপরই আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ১৫ হাজারবার ট্রেইলরটি দেখা হয়েছে।

ছবিতে অভিনয় করেছেন রাইমা সেন, পবন মালহোত্রা, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, ভিক্টর ব্যানার্জি প্রমুখ। পশ্চিম বাংলা, দিল্লী ও হারানের বিভিন্ন স্থানে সিনেমাটির শুটিং করা হয়েছে। জানা গেছে, ছবিটি বংলাদেশে ১৩ ডিসেম্বর এবং ভারতে ২৭ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে।

ছবির পরিচালক মৃত্যুঞ্জয় এক সাক্ষাৎকারে বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গণহত্যা নিয়ে প্রচুর ছবি নির্মিত হয়েছে হলিউডে। কিন্তু বাংলাদেশে যে গণহত্যা হয়েছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খুব একটা ছবি নির্মিত হয়নি। ১৯৭১ সালে ধর্ষণ ও ধর্মকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমি কেবল এই ঐতিহাসিক বিষয়টিকে চলচ্চিত্রে তুলে আনার চেষ্টা করেছি।

সিনেমাটির বিষয়ে রাইমা জানিয়েছেন, ‍‍‍‍‍“বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক বিপুল সংখ্যক নারী ধর্ষণের কাহিনী নিয়ে সিনেমাটি নির্মিত। সেখানে ধর্ষণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত করা হয়েছিল। এতে তিন-চারটি আলাদা কাহিনী শেষ পর্যন্ত একক কাহিনীতে রূপান্তরিত হয়”।

এ সিনেমার প্রথম কাহিনীতে বাবার নির্দেশনায় বাংলাদেশের গ্রাম থেকে একটি পরিবারের যাত্রা দেখানো হয়। অন্যটাতে এক সাংবাদিক একজন গেরিলা যোদ্ধা হয়ে উঠেন। তার স্ত্রীর জীবনের কাহিনী ও রেপ ক্যাম্পের ঘটনাপ্রবাহ সিনেমার প্রধান কাহিনীতে রূপান্তরিত হয়।

রাইমা বলেন, ‍“এ জন্য ২১ দিন আমরা রাতে শুটিং করি। এ সময় দিনের আলোই দেখিনি। আমি অনুভব করতে পারি একজন নির্যাতিত নারীর কষ্ট। আমার ভূমিকা ছিল খুবই কঠিন। তার শরীরের ভাষা ও চোখের দৃষ্টিতে ফুটিয়ে তুলতে হয়েছে আমাকে। যুদ্ধক্ষেত্রে ধর্ষণকে কীভাবে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তাও উঠে এসেছে সিনেমায়।”

বাস্টার্ড শব্দটি থাকায় এর আগে ভারতের সেন্সর বোর্ডে সিনেমাটি আটকে যায়। পরে পরিচালক মূল বিষয়টি বোঝাতে সমর্থ হলে ছাড়পত্র পায় ‘দ্য বাস্টার্ড চাইল্ড’।

ইউটিউবের পাশাপাশি ফেইসবুকে সিনেমার ট্রেলরটি ছড়িয়ে পড়েছে। ইউটিউবে সিনেমার ট্রেইলর দেখেই অনেকে আলোচনা-সমালোচনা করেছেন। সেখান থেকে কিছু মন্তব্য এখানে তুলে ধরা হলো-

Sharif Shajib Ahammed : Speachless …………….   #TheBastardChild

Ashraful Islam Rafi : thanks to the makers… being a Bangladeshi…i hv already got my eyes wet,,,can’t talk much.. 😐

Rider : Should be dubbed in English and other languages..

Sourav Barua : dislike represent those bastard sons. thanks makers .

Rocky Little : Eternal salute and respect to the makers. All of this wouldn’t go in vein. it’s the second liberation war for Bangladesh. Will fight to the end.

tahira rupa : thanks to the makers …i m happy that finally this kind of movie has made …based on true story ……. i m not saying pakistanies r bad bt wat they did in 1971 was brutal … 100lyks for this movie (Y)

Tanmoy TheDeadBoy : Wait! Is it in Hindi? :O
and….  I like the trailer and definitely gonna watch it, but i don’t like the name. It’s disrespective. When we call them “War Child”  then  why would you use the word “Bastard” here?
Plz change the name and let us gladly accept this movie.

Abdullah Mamun : On behalf of Bangladeshi people I thank the makers off the film for projecting the true story…

Farhana Islam : Thank you for such a wonderful tribute. Everybody talks about how many were killed, how many had to leave the country. Very few people know what happened to those women. No one talked about it. It is sad that it is in India but I am happy that someone cared enough to show the world a untold story.

Hassan Syed : The make of the movie are ….. LIAR… I am a BENGALI, dnt f…K around with Muslims Ummah ……

– ইউটিউব ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট অবলম্বনে

*

*

Top