নির্বাচন রাজনীতি নিয়ে ফেইসবুকে উৎকন্ঠা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তফশিল ঘোষণা পর তা প্রত্যাখান করে অবরোধ ডেকেছে বিরোধী দলীয় জোট। অবরোধের প্রথম দিনেই দেশের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ, গাড়ি ভাংচুর ও সহিংসতায় নিহত প্রাণ হারিয়েছে ছয় জন। চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় বাড়ছে উদ্বেগ উৎকন্ঠ্যা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও এর প্রভাব পড়ছে। ফেইসবুকে পেজে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন নানা কথায়, কার্টুনে কিংবা ছবিতে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দুই জোটের মুখোমুখি অবস্থানে উদ্বিগ্ন দেশবাসী। হরতাল, অবরোধ আর সহিংসতা দেশ-বিদেশে আলোচনা সমালোচনার শেষ নেই। তফশিল ঘোষনার পর পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সবাই। চলমান এসব পরিস্তিতি নিয়ে ফেইসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। ফেইসবুক থেকে তেমন কিছু আলোচনার দিকে দৃষ্টি দিলে সকলের মাঝে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার চিত্রই দেখা যায়। এ অবস্থা থেকে সবাই যে মুক্তি চায় তাই যেন উঠে এসেছে একেক জনের স্ট্যাটাস ও মন্তব্যে।

strike_techshohor

S Mohammad Shamim : আমরা যারা ১৯৭১রে জন্মগ্রহন করিনি তাদের জন্য সুখবর । যে মানুষ বাঙালীর শান্তি ও স্বাধীনতার জন্য তার জীবন দিয়ে গেছে । তার পরিবারে সদ্যসদের একরখা মন ভাবের জন্য নতুন একটা যুদ্ধ আমরা দেখতে পাবে । তাকে ধন্যবাদ কারন আমরা তার তৈরি ইতিহাস এর সাক্ষি হতে যাচ্ছি । আর এ একটু আমাদের কথাটা ভাবেন । আপনে তো হাজার পুলিশ এর মধ্যে আপনার বসবাস কিন্তু আমরা । আপনার কথা মত মনে বাঙার সবাই আপনাকে ভোট দিবেন । যদি এমন ই হয় তাহলে একটু দয় করে বাবার মত শান্তির পথে আসেন ।

Eng Md Shajhan : আলহাজ্ব শেখ হাসিনা মাথায় পট্টী বেঁধে ফেলেছেন। অতএব নির্বাচন আসছে! আমাদের জাতির নানা এমন আভাস দিচ্ছেন।

Mohammad Mojibur Rahman : পলিটিকাল কানাকানি! লুকোচুরি লুকোচুরি গল্প……., তারপর হাতছানি অল্প।

Rajib Nandy reading নীরবতা, শাহাদুজ্জামান : ”কিছু পেশার মানুষের পক্ষে নীরব থাকা অবশ্য বিশেষভাবে অসম্ভব। যেমন রাজনীতিবিদ। তাঁদের মুখের সামনে অবিরাম মাইক্রোফোন, নাকের ডগায় কামানের মতো তাক করে থাকা ক্যামেরা। তাঁদের তো নীরব থাকার উপায় নেই, কথা তাঁদের বলতেই হবে। নানা ভাষা, ভঙ্গিতে তাঁরা প্রাণ খুলে বলেন। এটি তাঁদের পেশাগত দায়িত্বের মধ্যেও পড়ে। কিন্তু ঝুঁকি থাকে তাঁদের কথামালা যাঁরা নীরবে শুনছেন, সেই ‘সাইল্যান্ট মেজরিটির’ নীরবতার ভাষা তাঁরা আঁচ করতে পারেন কি না। মাইক্রোফোন, ক্যামেরা, মিটিং, মিছিলে যাঁদের দেখা যায় না, তেমন একটি বিশাল জনগোষ্ঠী এক দলের আস্ফালন আর অন্য দলের আশাবাদ—দুটোই নীরবে পর্যবেক্ষণ করছেন। সময়মতো মৌনমুখেই তাঁরা তাঁদের সিদ্ধান্ত জানাবেন। সেই রাজনীতিই সফল হবে, যাঁরা ধরতে পারবেন ওই সংখ্যাগুরু নীরব জনগোষ্ঠীর ‘পালস’।”

Slow Alamin : হরতাল যখন দিয়েছি হরতাল আরো দেব এদেশকে অচল করে ছাড়ব ইনাশাল্লা . কি বলেন দাদারা ?

Shiplu Hridoy : কালকে এন টী ভির নিউজে দেখলাম হাছিনা বলছে, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করার আগে ভালো ভাবে পড়া শুনা করে বিনিয়োগ করা উচিত। কারো কথায় কান দিয়ে হুজুগে পড়ে বিনিয়োগ করবেন না। আমার কথা হইল আপনি যখন প্রনোদনা দিয়েছিলেন সেটা কি হুজুগ ছিলো??– সব ফাউল লোগ দের খমতায় বসিয়ে রাখছে বাঙ্গালী।

Zulkernine Milton feeling রাষ্ট্রীয় স্বার্থ : আমজনতা এবং জ্বলন্ত গনতন্ত্র !

Mamunur Rasid : সেদিন রিক্সা করে বাসায় ফিরছিলাম। হঠাৎ ৫০ গজ সামনে বিকট একটা শব্দ হলো। সাথে সাথে মানুষ জনের মধ্যে হুড়োহুরি পড়ে গেল। ব্যাস্ত রাস্তা মুহুর্তের মধ্যে ফাকা শ্বসান হয়ে গেল। সবাই বোমা ফেটেছে, বোমা ফেটেছে বলে চিল্লাপাল্লা করতে লাগল। ২ মিনিট পরে এর মধ্যে সব আগের মত চলতে শুরু করল। ফাকা রাস্তা যথা রীতি ব্যাস্ত হয়ে পড়ল।
কিসের বোমা, কিসের কি ? মানুষ জনের ভাব দেখে মনে হল, বোমা একটা সাধারন জিনিস ! ২-৪ যখন তখন ফুটতেই পারে। এতে মাইন্ড করার কিছু নাই

Shiplu Hridoy : জনতা তাদের অধিকার আদায়ের জন্য আজ রাস্তায় নেমেছে। কেউ তাদেরকে দুরবিত্ত বা অন্য কিছু বলবেন না।

Hasan Jakir : আওয়ামী-বিএনপির এই রাজনীতির বেনিফিশিয়ারি হবে জামাত! ভালো, ভালো না?

Sumon Mridha : আওয়ামীলিগে এবার নাকি তৃনমূল এর রায় নিয়ে নমিনেশন দেবে… অপেক্ষায় থাকলাম… আওয়ামীলিগের প্রান ত্যাগী তৃনমূল জয়ী হয় নাকি আমাদের দেশরত্ন শেখ হাসিনার একক সিদ্ধান্ত জয়ী হয়…

Nazmul Hassan Mehedi feeling confused : অনেক রাত পর্যন্ত দেশের হালচাল নিয়ে অনেকের বক্তব্য শুনেছিলাম, অনেকের আতঙ্ক উৎকন্ঠা নিয়ে প্রকাশিত কিছু নিউজ পড়েছিলাম আর তাই হয়ত ঘুমে সেটার ইফেক্ট পড়ছে। সপ্ন দেখলাম, Foreign Country has taken our country power and war has been started! we family members were scared and closing our home gate window everything. ঘুম ভাঙ্গার পরেও যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না! সপ্নটা খুব funny কিন্তু প্রধান বিরোধীদল জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাইরে, এটা মোটেই সুখকর কিছু নয় !

Jewel Maalik : বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৪২ বছর পার হতে যাচ্ছে,কিন্তু আদৌ বাংলাদেশ কি আজ পর্যন্ত স্বাধীন হইতে পারছে? এই দেশের ৫ বছর পর পর যে ইলেকশন হয় সেই ইলেকশনে কে জিতবে বা কে ক্ষমতায় বসবে তা নির্ধারণ করে দেয় বা আমাদের দেশের রাজনীতি নির্ভর হয়ে পরে ভারত এবং আমেরিকার ওপরে, এইটা কেনো? কেনো আমরা এখনও পরাধীনতার শিকলে আবদ্ধ?? উত্তর একটাই দেশ প্রেমে ঘাটতি।।।।।।।।

– ফেইসবুক অবলম্বনে তুহিন মাহমুদ

Related posts

*

*

Top