Maintance

এবার লক্ষ্য এম-গভর্ন্যান্স

প্রকাশঃ ২:২৭ অপরাহ্ন, এপ্রিল ১৯, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ২:২৭ অপরাহ্ন, এপ্রিল ১৯, ২০১৭

পেপ্যাল, ইন্টারনেটের গতি ও দাম, ব্রডব্যান্ড, অনলাইন লেনদেন, পেপারলেস অফিসসহ তথ্যপ্রযুক্তি খাতের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে টেকশহরডটকমের সঙ্গে কথা বলেছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সাক্ষাতকার নিয়েছেন আল-আমীন দেওয়ান, যার প্রথম পর্ব –

এই সাক্ষাতকার যখন নেয়া হয় তখন ভোলার  লালমোহনে সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল পার্ক উদ্বোধনে মঞ্চে উঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বর্তমান সরকারের তরুণ ও সর্বকনিষ্ঠ এই প্রতিমন্ত্রী। স্থানীয় সংসদ নূরুন্নবী চৌধুরী শাওনের বাসভবনে বসে প্রতিমন্ত্রীকে বেশ জোরেই কথা বলতে হচ্ছিল কারণ বাইরে হাজার হাজার মানুষের কন্ঠে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্লোগান। এর আগে আমরা সাংবাদিকরা দেখে এসেছি এই দ্বীপাঞ্চলেও সাধারণ মানুষ কীভাবে তথ্যপ্রযুক্তির সুফল পাচ্ছে।

palak3

জুনাইদ আহমেদ পলক, যাকে ২০১৬ সালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ইয়াং গ্লোবাল লিডার মনোনীত করে। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের গতিময় অগ্রযাত্রায় এই প্রতিমন্ত্রীর ব্যাপক প্রচেষ্টা ও সাফল্যকে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ম্যাসাচুসেট ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ফিনটেকের তথ্য বিশ্লেষক ডেভিড এম শায়া।

টেক শহর : দেশে আর্থিক লেনদেনের ডিজিটাল রূপান্তর কোন পর্যায়ে ?

জুনাইদ আহমেদ পলক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় আমাদের দেশীয় ওয়ালেটের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। সেটা হচ্ছে ই-ওয়ালেট। আগে এক সময় ছিল এটিএম কার্ড, এখন আমরা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে আছি –এরপরে নেক্সট ভার্সন হচ্ছে ই-ওয়ালেট। ফলে আমরা এম গর্ভন্যান্সকে গুরুত্ব দিচ্ছি।

টেক শহর : এম গর্ভন্যান্সের জন্য প্রকল্প বা পরিকল্পনা কি তৈরি?

জুনাইদ আহমেদ পলক : আমরা নতুন একটি প্রকল্প গ্রহণ করছি যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ই-গর্ভন্যান্স হতে আরেকটি ট্রান্সফর্মেশন হবে, যেটা হবে এম গর্ভন্যান্স। সেখানে আমাদের দেশীয় ওয়ালেটে জাতীয় পর্যায়ে লেনদেন হবে।

palak-2

টেক শহর : জাতীয় পর্যায়ের লেনদেনের কোনো উদাহরণ?

জুনাইদ আহমেদ পলক : আমাদের সোশ্যাল সেফটির ৬৪ হাজার কোটি টাকা, মাতৃত্ব ভাতা, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা সবগুলো আমরা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে, যেভাবে আজকে প্রাইমারি স্কুলেরটা ১ কোটি ২০ লাখ মায়ের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে- একই রকমভাবে তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টার নির্দেশনায় আমরা এই ৬৪ হাজার কোটি টাকা যাতে সরাসরি গ্রাহকের হাতে পৌঁছে যায়, শেখ হাসিনা পৌঁছে দিতে পারেন তার জন্য প্রযুক্তি নিয়ে আসা হচ্ছে।

টেক শহর : সরকারের পেপারলেস অফিস ও অনলাইনে সব সেবা চালুর লক্ষ্য কতদূর এগিয়েছে?

জুনাইদ আহমেদ পলক : আমরা ইতোমধ্যেই একটি পাইটল প্রকল্প হাতে নিয়েছি। যেটা হচ্ছে গর্ভমেন্ট রিসোর্স প্লান (জিআরপি)। এই জিআরপি পাইলট প্রজেক্টটা দেড় বছরের মধ্যেই শেষ করতে পারবো।

তারপর আমরা ইন্টিগ্রেডেড গভর্মেন্ট সলিউশন নামে একটি প্রকল্প নিচ্ছি। সেখানে পুরো ৫০টি মন্ত্রণালয় ২২০টির মতো অধিদপ্তর, সকল সংস্থাকে আমরা পেপারলেস না হলেও লেস পেপার অফিসে পরিণত করতে পারবো।

আশাকরছি ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ সার্ভিস আমরা অনলাইনে নিয়ে আসতে পারবো।

palak-1

টেক শহর : পেপ্যাল নিয়ে সর্বশেষ অবস্থা?

জুনাইদ আহমেদ পলক : পেপ্যাল নিয়ে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা আশা করছি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই নিয়ে আসতে পারবো।

*

*