Maintance

স্যামসাং ডব্লিউবি২৫০এফ : নুতন ফিচারের ঘরোয়া ক্যামেরা

প্রকাশঃ ৯:৫৭ অপরাহ্ন, মার্চ ১৮, ২০১৪ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৯:৫৭ অপরাহ্ন, মার্চ ১৮, ২০১৪

শাহরিয়ার হৃদয়, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : স্যামসাংয়ের বেশিরভাগ কমপ্যাক্ট ক্যামেরাতে ওয়াই-ফাই সুবিধা রয়েছে, যে কারণে ছবি তুলে চট করে শেয়ার করা যায়। কম দামের যেসব ক্যামেরাতে এ সুবিধাটি পাবেন, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম স্যামসাং ডব্লিউবি২৫০এফ।

শুধু শেয়ার নয়; ফটো কোয়ালিটি, ভিডিও কোয়ালিটি, ডিজাইন যা-ই হোক, সাধারণ ঘরোয়া ব্যবহারের জন্য এটি খুবই আদর্শ।

১৪.২ মেগাপিক্সেলের এ ক্যামেরায় বিএসআই সিমোস সেন্সর রয়েছে। পাশাপাশি আছে ১৮এক্স জুম লেন্স। সাথে ওয়াই-ফাই ক্যাপাবিলিটি ও কিছু প্রিমিয়াম ফিচার রয়েছে।

Samsung_WB250F_techshohor

ফটো কোয়ালিটির ব্যাপারে বলা যায়, ডিএসএল আরের মতো না হলেও বেশ ভালো। তবে আইএসও৪০০ এর বেশি গেলে ছবির মান খারাপ হয়ে যেতে পারে। এর বিল্ট-ইন ফ্ল্যাশটি বেশ কাজে দেবে, কারণ এটি আপনার পছন্দমত সরাতে পারবেন। অন্যান্য ক্যামেরার মত ডিরেক্ট লাইটের ঝামেলা পোহাতে হবে না।

ভিডিও কোয়ালিটিও ভালো, খুব জলদি অটো ফোকাস হয় এবং নিজে নিজে এটি এক্সপোজার চেঞ্জ করে নিতে পারে। তাই ম্যানুয়াল ঘেঁটে সেটিংস বদলাতে হবে না।

এটি ছবি বেশ দ্রুত তুলতে পারে। বন্ধ অবস্থা থেকে অন করে প্রথম ছবি তুলতে সময় নেয় মাত্র দেড় সেকেন্ড এবং প্রত্যেক ছবি তোলার বিরতি মাত্র এক সেকেন্ড। তবে নিখুঁতভাবে ফোকাস ও জুম ঠিক করে নিতে কিছুটা বেশি সময় নেবে।

এ ছাড়া এর প্রসেসিং পাওয়ার অনেক দ্রুত, কন্টিনিউয়াস মোডে সর্বোচ্চ ছয়টি ছবি ৮ ফ্রেম রেটে তুলতে পারে।

Symphony 2018

ক্যামেরার ক্ষেত্রে বাটন প্লেসমেন্ট অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। স্যামসাং আগের মডেলগুলোর বাটন সংক্রান্ত ত্রুটি এ মডেলে সাড়িয়ে নিয়েছে।

ওয়াই-ফাইয়ের জন্য ডেডিকেটেড বাটন অনেক সময় বেশ কাজে লাগে, সব ধরনের প্রয়োজনীয় ফিজিক্যাল বাটনই এতে রয়েছে। তবে চোখে পড়ার মত ফিচার হলোপপ-আপ ফ্ল্যাশ।

ক্যামেরার উপর দিকে ফ্লাশের পাশেই ছোট্ট একটি বাটন রয়েছে, যা চাপ দিলে ফ্ল্যাশ উঠে আসে এবং ইউজারের পছন্দ মত উপর-নিচ করা যায়। এ ছাড়া তিন ইঞ্চি টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে তো আছেই।

ছবি তোলার সঙ্গে এর স্মার্ট সিন মোড, ম্যাজিক প্লাস, মোশন ফটো মোড ও বেস্টফেস মোড ছাড়াও অনেক নতুন ফিচার রয়েছে। এ ছাড়াও ওয়াই-ফাই দিয়ে আপনি শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট বা মেইল করতে পারবেন।

ছবি তোলার সাথে সাথে আপনার ক্লাউড স্টোরেজ বা ফোনে অটো ব্যাকআপ রাখতে পারবেন
অ্যান্ড্রয়েড ফোন বা ট্যাব দিয়ে রিমোট হিসেবে ছবি তোলা বা জুম করতে পারবেন। এমনকি বিল্ট ইনজিপিএস দিয়ে ছবিতে জিও ট্যাগ করতে পারবেন। এসব কিছু একটি মাত্র অটো শেয়ার অ্যাপ্লিকেশন দিয়েই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

যারা ক্যামেরা থেকে শুধু ছবি তোলা ছাড়াও আরও বেশি কিছু আশা করেন, তাদের ক্যামেরাটি পছন্দ হতে পারে।

এক নজরে ভালো
– ওয়ারলেস ফিচার
– আকর্ষণীয় ডিজাইন
– পপ আপ ফ্ল্যাশ
– কম দামে ভালো ফটো ও ভিডিও কোয়ালিটি

এক নজরে খারাপ
– সেটিং মেন্যু আয়ত্তে আনা কঠিন
– বাটন প্লেসমেন্ট নিখুঁত নয়

*

*

Related posts/