Maintance

র‍্যাপু ৬৬১০ : ব্লুটুথে মাউস ব্যবহার, আছে বিড়ম্বনাও

প্রকাশঃ ১:১৫ পূর্বাহ্ন, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১:১৫ পূর্বাহ্ন, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৭

এস এম তাহমিদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ল্যাপটপ বা উইন্ডোজ ট্যাবলেটের সঙ্গে প্রায় সবাই একটি ওয়্যারলেস মাউস কেনার কথা ভাবেন। ট্র্যাকপ্যাড বা টাচ স্ক্রিন যত ভালো হোক না কেন, কিবোর্ড ও মাউসের মাধ্যমে প্রায় সব কাজ আরও সহজে ও দ্রুততার সঙ্গে করা সম্ভব।

তবে ল্যাপটপে ইউএসবি বা ইউএসবি ডঙ্গল ওয়ারলেস মাউস ব্যবহার করা গেলেও, ট্যাবে সেটি বেশ ঝামেলার। মূলত এ জটিলতার সমাধান দিতেই র‌্যাপু বাজারে এনেছে ওয়্যারলেস ও ব্লুটুথ – ডুয়াল কানেকশন মাউস র‌্যাপু ৬৬১০।

এক নজরে র‌্যাপু ৬৬১০ ব্লুটুথ মাউস

  • ১০০০ ডিপিআই ইনফ্রারেড ট্র্যাকিং সেন্সর
  • ট্রাভেল সাইজ মাউস, হালকা
  • ব্লুটুথ ৩ কানেকশন
  • ব্লুটুথ ছাড়াও ২.৪ গিগাহার্জ ডঙ্গল কানেকশন
  • লেফট ও রাইট ক্লিক, স্ক্রল হুইল ও মিডল ক্লিক
  • ব্যবহারে লাগবে দুটি পেন্সিল ব্যাটারি

Rapoo-6610

ডিজাইন
ছোট্ট আকারের মাউসটি তৈরিতে মূলত দুই রঙের প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে। কালো প্লাস্টিক বডির ঠিক মাঝখানে রয়েছে সিলভার প্লাস্টিকের অংশ, যাতে র‌্যাপু লোগো ও পাওয়ার এলইডি অবস্থিত।

মাউসটিতে যেটি প্রথমেই চোখে পড়বে তা হচ্ছে এটির পাশে আর কোনো বাটন নেই – যা ট্রাভেল মাউসের ক্ষেত্রে বিচিত্র নয়। তবে থাকলে মন্দ হতো না।

এটির তলদেশে রয়েছে ব্লুটুথ পেয়ার করার বাটন, সেন্সর ও ব্যাটারি কম্পার্টমেন্ট। সেটির ভেতরে দুটি পেন্সিল ব্যাটারি লাগানোর জায়গা রয়েছে। এর ঠিক মাঝে ওয়্যারলেস রিসিভারটির অবস্থান।

যারা মাউসটি ব্লুটুথ ডিভাইসের সাথে ব্যবহার করবেন, তাদের এ রিসিভার বের করারই প্রয়োজন নেই।

Rapoo-6610-3

সব মিলিয়ে মাউসটির বিল্ড কোয়ালিটি মাঝারি মানের এবং বাটনে কোনও নতুনত্ব নেই। তবে কালো প্লাস্টিকের কারণে  হাতের ছাপ নিয়ে তেমন চিন্তা করতে হবে না।

ব্যবহারের সুবিধা-অসুবিধা
তারবিহনী মাউস নিয়ে নতুন করে খুব বেশি কিছু বলার নেই। সরাসরি ইউএসবি রিসিভারের সাহায্যে ব্যবহারের জন্য আগে এটি চালু (অন) করতে হবে। তারপর রিসিভারটি পিসির ইউএসবি পোর্টে সংযুক্ত করলেই হবে – কোনও ড্রাইভারের প্রয়োজন নেই।

মাউসটির মূল সুবিধা বলা যেতে পারে, ব্লুটুথের মাধ্যমে সংযোগের ব্যবস্থা। এটির নিচের দিকে পেয়ার বাটনটি চেপে পিসির সঙ্গে পেয়ারিং করতে হবে। তাহলে কোনো ইউএসবি সংযোগ ছাড়াই কাজ করবে।

পিসি ব্যবহারকারীদের জন্য সেটি তেমন গুরুত্বপূর্ণ না হলেও, ট্যাব ব্যবহারকারীদের জন্য এটি বেশ কাজের।

মাউসটির ওজন ও সাইজ বড় হাতের জন্য খুব বেশি সুবিধার নয়। আকারে ছোট হওয়ায় সহজেই পকেটে বা ব্যাগে বহনের জন্য আদর্শ।

প্রায় সব ডিভাইসে কোনো ড্রাইভার ছাড়া ব্যবহারযোগ্য হওয়ায় একটি মাউস অফিস ও বাসায় ব্যবহার করা যেতে পারে।

এটির ১০০০ ডিপিআই ট্রাকিং সেন্সরটি দ্রুত ও যথাযথভাবে  কার্সর নাড়াতে সক্ষম। ফলে বড় ও হাই রেজুলেশন স্ক্রিনে বা সুক্ষ কাজের জন্য বেশ কাজের। যদিও ইনপুট ল্যাগ থাকায় গেমিংয়ের জন্য ব্যবহার না করাই ভালো।

OLYMPUS DIGITAL CAMERA

মাউসটির মূল দুর্বলতা এর আকার। ছোট আকৃতির কারণে দীর্ঘ সময় ব্যবহারে হাত ব্যাথা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। সে কারণে ডেস্কটপের সঙ্গে ব্যবহারে আদর্শ নয়। এটি যাত্রা পথে বা অল্প সময় ব্যবহারের জন্য ঠিক আছে।

মূল্য

মাউসটি বাজারে ১৬০০-১৭০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে

এক নজরে ভাল

  • ছোট ও বহনযোগ্য
  • ওয়্যারলেস ও ব্লুটুথ দুটি সংযোগ ব্যবস্থা

এক নজরে খারাপ

  • ছোট মাউসটি দীর্ঘ সময় ব্যবহারের উপযোগী নয়
  • ব্লুটুথ ব্যবহারে কিছু ইনপুট ল্যাগ রয়েছে

 

 

*

*

Related posts/