ডিলিংকের থ্রিজি মডেম কেনার আগে…

টেক শহর ডেস্ক : বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে থ্রিজি চালু হয়েছে একথা প্রায় সকলেই জানেন। স্মার্টফোনে সরাসরি থ্রিজি ব্যবহার করা যায়। তবে কম্পিউটারে ব্যবহারের ক্ষেত্রে থ্রিজি মডেমের প্রয়োজন পড়ে। এই বিষয়টিকে মাথায় রেখে দেশে তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীদের জন্য তাইওয়ানভিত্তিক বহুজাতিক কোম্পানি ডি-লিংকের থ্রিজি মডেম বাজারে এনেছে কম্পিউটার সোর্স। ডিডব্লিউএম-১৫৬ মডেলের মডেমটির দাম তিন হাজার ১০০ টাকা।

যে কোনো প্রযুক্তি পণ্য কেনার আগেই সেটি সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়া উচিত। নইলে কাজের এই জিনিসটি ভোগান্তির কারণ হতে পারে। থ্রিজি চালু হওয়ার কারণে অনেকেরই থ্রিজি মডেম কেনার প্রয়োজন পড়বে। তাই আজকের লেখাটিতে ডিডব্লিউএম-১৫৬ মডেলের এই থ্রিজি মডেমটি বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।

Dlink DWM 156 modem _ Tech Shohor

ডিডব্লিউএম-১৫৬ মডেমটিকে থ্রিজি মডেম বলা হলেও এটি ৩.৭৫জি নেটওয়ার্ক সমর্থন করে। এছাড়া ৩.৫জি, ৩জি ও ২.৫জি নেটওয়ার্কেও কাজ করবে মডেমটি। হাই স্পিড আপলিংক পকেট অ্যাকসেস (এইচএসইউপিএ) প্রযুক্তির মাধ্যমে মডেমটি দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ৭.২ মেগাবাইট গতিতে ডাউনলোড এবং ৫.৭৬ মেগাবাইট গতিতে আপলোড করা যায়। ডিভাইসটি পুরোপুরিভাবে কান্ট্রি লক মুক্ত তাই ভ্রমনের সময় বিদেশে গিয়েও ব্যবহার করতে পারবেন। জিএসএম সমর্থিত যেকোনো অপারেটরের সিমে কাজ করে ডিভাইসটি।

ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য মডেমটির সাথে বিল্ডইন রয়েছে মাইক্রোএসডি কার্ড। ফোনবুক ব্যবহার করা ও এসএমএস গ্রহণ, পাঠানোর সুবিধা রয়েছে মডেমটিতে। উইন্ডোজ ও ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম সমর্থিত মডেমটিতে প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ও সফটওয়্যার বিল্ট-ইন রয়েছে। তাই প্লাগ অ্যান্ড প্লের মাধ্যমে সহজেই ল্যাপটপ, নোটবুকে, কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।

মডেমটি দিয়ে ওয়াইফাই হটস্পট তৈরি করা যায়। তাই কোনো রাউটার ছাড়াই থ্রিজি কানেকশনটি একাধিক কম্পিউটার অথবা ওয়াইফাই সমর্থিত ডিভাইসে শেয়ার করা যায়।

– ডিলিংক ওয়েবসাইট অবলম্বনে তুহিন মাহমুদ

Related posts

*

*

Top