আর্টিকেল লেখার সময় বিবেচ্য বিষয়

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ওয়েব কিংবা প্রিন্টেড যে কোনো ধরণের আর্টিকেল লেখার সময় এর মানের উপর গুরুত্ব দিতে হয়। যারা ফ্রিল্যান্স ব্লগার বা আর্টিকেল রাইটার হিসেবে কাজ করছেন তাদের এই বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি নজর দিতে হয়। কারণ তাদের আর্টিকেলের মানের উপরেই আয়ের পরিমান নির্ভর করে।

আর্টিকেল লেখার সময় বিবেচিত এমন কিছু বিষয় নিয়ে এই গাইডলাইনমূলক লেখা।

content-writing-Techshohor

• প্রিন্ট মিডিয়ার ক্ষেত্রে অনেক বড় লেখা প্রযোজ্য, কিন্তু অনলাইলের জন্য লেখা অবশ্যই অর্থবহুল ও ছোট হতে হবে।

• তথ্যকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে ছবি বা ডায়াগ্রাম ব্যবহার করতে হবে। ছবিগুলো দেখেই যাতে এর বিষয়বস্তু বোঝা যায় ও লেখার সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকে।

• অনলাইনের জন্য আর্টিকেলগুলো একই পদ্ধতিতে লিখতে হবে, যেন লেখায় কিওযার্ডগুলো ঠিক থাকে। লেখা অবশ্যই সহজবোধ্য ও প্রফেশনাল মানের হতে হবে। নতুনরা বারবার লিখে এগুলোকে আয়ত্বে আনতে পারেন।

• বড় বাক্যকে একলাইনে না রেখে ভেঙ্গে ভেঙ্গে ছোট করে লিখতে হবে। মনে রাখতে হবে, পাঠক কখনো পাশাপাশি স্ক্রল করতে পছন্দ করেনা, তারা স্বাভাবিকভাবে উপর নিচে স্ক্রল করে। লাইনগুলো স্ক্রিন এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাজাতে হবে।

• লেখা প্রিন্ট করে ঘণ্টাখানেক পরে অন্য কোন পরিবেশে পড়তে হবে। সম্ভব হলে অন্য কাউকে দিয়ে লেখাটি পড়িয়ে নিতে হবে। তারপর প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করতে হবে, যাতে লেখাটি আরও পাঠকপ্রিয়তা পায়।

• লেখাকে সংক্ষিপ্ত, প্রাসঙ্গিক ও সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে, কখনই প্রাসঙ্গিক বিষয় বাদ দিয়ে অন্য কিছু বর্ণনা করা যাবেনা। জনপ্রিয় ব্লগার “জেকব নেলসন” এর মতে অনলাইনে কোন লেখা প্রিন্টেড সংস্করণ থেকে আকারে অর্ধেক হওয়া উচিত।

• লেখার ফন্ট ও কালার এমন হতে হবে যেন লেখাটি যে সাইটে পাবলিশ করা হবে তার সাথে সামঞ্জস্য হয়। কখনও লেখাকে বেখাপ্পা রঙ দেওয়া যাবে না।

• কোথাও জটিল শব্দ (স্বাভাবিক ভাবে বুঝতে অসুবিধা হয়) প্রয়োগ করা যাবে না। যদিও ব্যবহার করতে হয়, সেখানে অর্থ বোঝার জন্য বন্ধনীর (ব্র্যাকেট) মধ্যে রেফারেন্স দিতে হবে।

Related posts

*

*

Top