Maintance

ডিজিটাল বাংলাদেশের বাজেট : পাওয়া না-পাওয়া ও প্রত্যাশা

প্রকাশঃ ৬:১১ অপরাহ্ন, জুন ১৬, ২০১৬ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৯:১০ অপরাহ্ন, জুন ১৬, ২০১৬

মোস্তাফা জব্বার : সচরাচর যেমনটি হয়, এবার বাজেট পেশের পর তেমনটা চোখে পড়েনি। প্রথম পরিবর্তনটা চোখে পড়েছে যে এবারের বাজেট পেশের পর প্রবল প্রতিক্রিয়ায় উদ্বেল হয়ে দলে দলে সংবাদ সম্মেলন বা বিবৃতির জোয়ার বয়ে যায়নি। হয়নি মিছিল বা মানববন্ধন। এমনকি বিরোধীদল তারস্বরে চিৎকার করে বলতে পারেনি যে, এটি গণবিরোধী বাজেট। যদিও সকলেই বলছেন যে এটি উচ্চাভিলাষী বাজেট এবং অর্থমন্ত্রী নিজে সেটি স্বীকারও করেছেন তথাপি এর বড় ধরনের ত্রুটিসমূহ কাউকেই আঙুল তুলে ধরিয়ে দিতে দেখিনি।

বাজেট নিয়ে দ্বিতীয় প্রতিক্রিয়াটি হচ্ছে যে, বাজেট পেশের পর বাজারে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়নি। রোজার মাস বলে রমজানের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিছু পণ্যের দাম বরাবরের মতোই এবারও বেড়েছে তবে, এজন্য বাজেটকে কেউ দায়ী করছে না। আমি বরাবরের মতো এবারও বাজেটের সামগ্রিক দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করবো না। আমার আলোচনা সীমিত থাকবে তথ্যপ্রযুক্তিতে

এখন অবধি তথ্যপ্রযুক্তি খাতের একটি মাত্র সংগঠন তাদের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে। সেটি বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির। দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রধান সংগঠন বেসিস এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া প্রদান করেনি। আইএসপিএবি, বাকো বা অন্য কেউ কোনো মতামত দেয়নি। ই-ক্যাব বাজেটের প্রতিক্রিয়া জানাতে একটি সংবাদ সম্মেলন ডেকে সেটি বাতিল করেছে। এর বাইরে আমরা বিভিন্ন মিডিয়ায় তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত কিছু লোকের মতামত পড়েছি। বাজেট বিষয়ে মিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্যাবলী এরকম;

১. ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য ৮ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে অর্থ বাজেটে, যা মোট বাজেটের ২.৪৪ শতাংশ। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতের জন্য বরাদ্দ ছিলো ৬ হাজার ১০৭ কোটি টাকা। সে হিসাবে আগামী অর্থবছরে দুই হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ পাচ্ছে এ খাতটি।

আরও পড়ুন: বেসিস নির্বাচন : মোস্তাফা জব্বারের নেতৃত্বে প্যানেল

mostafa-jobbar-techshohor

২. চলতি অর্থবছরের তুলনায় আগামী অর্থবছরে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের জন্য ৬২২ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। আগামী বছরের জন্য আইসিটি ডিভিশনের জন্য এক হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল এক হাজার ২১০ কোটি টাকা।

৩. এবারের বাজেটে টেলিকম খাতেও বরাদ্দ বাড়ছে। আগামী অর্থবছরের জন্য এ টেলিকম খাতের জন্য দুই হাজার ৫১২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে যা ছিল দুই হাজার ১১৮ কোটি টাকা।

৪. Heading ৮৪.৭১-এ উল্লেখিত সব ধরনের কম্পিউটার এবং এর সঙ্গে সম্পৃক্ত আনুষাঙ্গিক বিভিন্ন পণ্যের উপর বিদ্যমান আমদানি শুল্ক দুই শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে পাঁচ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে।

৫. বর্তমানে ২২ ইঞ্চি পর্যন্ত কম্পিউটার মনিটর আমদানি শুল্ক সুবিধা পেলেও আগামী অর্থ বছরে এই সুবিধা ২২ ইঞ্চি মনিটরের পরিবর্তে ১৯ ইঞ্চি মনিটর পর্যন্ত করা হয়েছে।

৬. ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার অন্যতম উপকরণ অপটিক্যাল ফাইবার আমদানির উপর শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

৭. ২০২৪ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি সুবিধা পাওয়া ই-কমার্স খাতে করারোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে।

৮. সিম এবং রিম কার্ডের মাধ্যমে প্রদত্ত বিভিন্ন সেবার উপর সম্পূরক শুল্ক ৩ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ৫ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

৯. সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টিকে বাজেটে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন পণ্য যেমন- ফায়ারওয়াল, ওয়্যারলেস ল্যান কার্ড, অ্যাকসেস পয়েন্ট প্রভৃতি পণ্যের উপর আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

১০. সিমকার্ড, ক্রেডিট কার্ডসহ বিভিন্ন স্মার্টকার্ড উত্পাদনে ব্যবহৃত উপকরণের উপর বিদ্যমান ২৫ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

১১. কর ফাঁকি বন্ধ করতে একটি স্বয়ংক্রিয় তথ্য সংগ্রহ ব্যবস্থা চালু করার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

এসব প্রস্তাবনার মাঝে কেবল ই-কমার্স বিষয়ক প্রস্তাবনায় সংশোধন করা হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি তাদের সংবাদ সম্মেলনে বাজেট বিষয়ে যেসব বক্তব্য পেশ করেছেন তার মূল প্রতিপাদ্য এরকম;

ক) কম্পিউটারের ওপর কর ২ থেকে ৫ ভাগ বাড়ানো হয়েছে।

খ) মনিটরের ওপর যে শুল্ক ছাড়া ২২ ইঞ্চি আকার অবধি ছিলো সেটাকে ১৯ ইঞ্চিতে কমিয়ে আনা হয়েছে।

গ) ফাইবার অপটিক্স ক্যাবলের ওপর শতকরা ১০ ভাগ শুল্ককে ১৫ ভাগ করা হয়েছে।

ঘ) খুচরা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে প্যাকেজ ভ্যাট দ্বিগুণেরও বেশি করা

ডিজিটাল পণ্য রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অগ্রগতির জন্য কম্পিউটার যন্ত্রাংশ থেকে সব ধরণের শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানায় বিসিএস। বেসিস সভাপতি জনাব শামীম আহসান একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রদত্ত সাক্ষাতকারে বাজেটে টেলিকম ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রশংসা করে ই-কমার্সের কর শূন্য করার পাশাপাশি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানিগুলোর ফান্ড ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে ২০২১ সাল পর্যন্ত আয়কর অব্যাহতির অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, উন্নয়ন বাজেট থেকে যদি ১০ শতাংশ এই খাতে ব্যয় করা হয়, তবে দেশে ই-সরকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যেমনটা সহজ হবে, তেমনি এই খাতের মাধ্যমে রফতানি আয়ও বাড়বে। সিমকার্ড, স্ক্র্যাচ কার্ড, ক্রেডিট কার্ড ও সমজাতীয় স্মার্টকার্ড তৈরিতে ব্যবহৃত উপকরণের ওপর বিদ্যমান শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি আমদানির ওপর বিদ্যমান শুল্কহার ৫ থেকে ১০ শতাংশ কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গে যখন দেশের সাইবার নিরাপত্তায় ঝুঁকি বাড়ছে তখন এ প্রস্তাবনা ইতিবাচক। সাইবার জগতে আমাদের নিজেদের সুরক্ষিত থাকতে শুল্ক কমানোর এ প্রভাবটি ভালোভাবেই পড়বে বলে মনে করি। তবে কম্পিউটার ও কম্পিউটার সামগ্রীর ওপর অতিরিক্ত তিন শতাংশ আমদানি শুল্ক (একই সঙ্গে আমদানি পর্যায়ে এটিভি বেড়ে যাওয়া) আরোপের প্রস্তাব আমাদের আশাহত করেছে। আমরা আশা করব, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বার্থে কম্পিউটার সামগ্রীর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক গ্রহণের প্রস্তাব প্রত্যাহার হবে।

এর পাশাপাশি আইএসপিএবির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ইন্টারনেটের ভ্যাট কমিয়ে ৪/৫ ভাগ করাসহ ফাইবার অপটিক্স ক্যাবলসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি আমদানির শুল্ক হ্রাস করার দাবি জানান। এসোসিওর সাবেক সভাপতি জনাব আব্দুল্লাহ এইচ কাফি ক্যামেরার শুল্ক হ্রাস করার আহ্বান জানান।

আমি বাজেটকে বিশ্লেষণ করে এর ইতিবাচক দিকগুলো সম্পর্কে যেসব মন্তব্য পড়েছি তার সঙ্গে একমত। একই সঙ্গে আমি মনে করি যে কতগুলো শুল্ক ও কর বিষয়গুলো সরকারকে নতুন করে ভাবতে হবে। আমি দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাই। একটি ইন্টারনেট এবং অন্যটি দেশীয় ডিজিটাল প্রযুক্তি।

১. ইন্টারনেটের ব্যয়:  প্রথমত ইন্টারনেটের ওপর বহুদিন যাবত আরোপিত ভ্যাট এই বাজেটে প্রত্যাহার না করা আমাকে হতাশ করেছে। বহুদিন যাবত দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের মানুষ প্রতিটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর পক্ষে এই দাবিটি জানিয়ে আসছে যে, ইন্টারনেটের ব্যবহারের ওপর  শতকরা ১৫ ভাগ ভ্যাট আরোপ করা ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এবার এর সঙ্গে আরও বাড়তি সম্পূরক শুল্ক যোগ করে ইন্টারনেট ব্যবহারের ব্যয় শতকরা ২২ ভাগের মতো করে ফেলা হয়েছে। যদিও এর ফলে ইন্টারনেটের ব্যবহার কমবে বলে আমি মনে করি না তবুও আমি বিশ্বাস করি সরকারকে ইন্টারনেটের ওপর রাজস্ব আদায়ের চাইতে এর নানামুখী প্রভাবকে বিবেচনায় রাখতে হবে।

 দুনিয়ার তাবত অর্থনীতিবিদ একমত যে, এখন ইন্টারনেটের শতকরা ১০ ভাগ প্রসার জিডিপির শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ প্রবৃদ্ধি আনতে পারে। আমরা যখন জিডিপিকে ৭ ভাগে নিতে চাই তখন ইন্টারনেটের প্রসারই আমাদের কাম্য। এর ওপর শতকরা ২২ ভাগ বাড়তি ব্যয় ইন্টারনেটের প্রসারকে যে ক্ষতিগ্রস্ত করবে সেটি বলার অপেক্ষা রাখে না। অন্যদিকে, একটি মাত্র দেশীয় কারখানায় অপটিক্যাল ফাইবারের উৎপাদনের অজুহাতে ইন্টারনেটের অবকাঠামো গড়ে তোলার অন্যতম বড় অনুসঙ্গকে শতকরা ৩৭ ভাগ ব্যয় বোঝানো মোটেই উচিত হয়নি। এর ফলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের প্রসার ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

২. দেশীয় ডিজিটাল প্রযুক্তি:  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশে কম্পিউটার বানিয়ে সেটি রপ্তানি করার কথাও বলেছেন। কিন্তু বাজেটে তার কোনো প্রতিফলন নেই। আমি বাজেটে দেশিয় কম্পিউটার ও সফটওয়্যার দুটি খাত নিয়েই হতাশার চিত্র দেখতে পাই। বাজেটে পূর্ণাঙ্গ বিদেশি কম্পিউটারের ওপর সম্পূরক শুল্ক শতকরা মাত্র ৩ ভাগ বাড়ালেও মনিটরের দাম বাড়ানো হয়েছে বিপুলভাবে। এর প্রভাব পড়বে দেশিয় ডেস্কটপ কম্পিউটার সংযোজনের ওপর। আমি খুশি হতাম যদি বিদ্যমান করকে বহাল রেখে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ট্যাব ও স্মার্টফোন সংযোজনের সকল যন্ত্রাংশের ওপর থেকে সকল শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহার করা হতো এবং খুচরা বিক্রিতেও কোনো ভ্যাট আরোপ না করা হতো।

অন্যদিকে, সরকার যদি কম্পিউটার কেনার সময় আন্তর্জাতিক বিখ্যাত ব্রান্ডের শর্তটা তুলে দেয় তবে দেশে ডিজিটাল যন্ত্র সংযোজন বা উৎপাদন একটি নতুন মাত্রা পেতে পারে। দেশীয় সফটওয়্যার ও সেবা খাতের সুরক্ষার জন্য এর ব্যবহারের ওপর আয়কর রেয়াত দেয়া ছাড়াও বিদেশি সফটওয়্যারের ওপর উচ্চহারে করা আরোপ করা  যেতে পারে।

আলোচনাটি শেষ করার আগে আমি সরকারি বরাদ্দ বাড়ার বিষয়গুলো নিয়েও ছোট মন্তব্য করতে চাই। আমি কেবলমাত্র আইসিটি ডিভিশন ও টেলিকম ডিভিশনের বরাদ্দটাকেই ডিজিটাল বাংলাদেশের বরাদ্দ বলে মনে করছি না। আমার ধারণা, সকল মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনাসমূহ বিশ্লেষণ করলে দেখবো যে সরকার সব মিলিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ায় বিপুল পরিমাণ বরাদ্দ করেছে। কিন্তু আমার মনে হয় সবগুলো প্রকল্প সমন্বিতভাবে করা হয়নি। সম্ভাবনা আছে যে, প্রকল্পগুলোতে অভারল্যাপিং থেকে গেছে। আমি মনে করি, সবগুলো প্রকল্প আইসিটি ডিভিশন কর্তৃক মূল্যায়ন ও যাচাই-বাছাই করা উচিত এবং একটি সমন্বিত রূপে সেগুলো বাস্তবায়ন করা উচিত। একইসঙ্গে আমি আশা করবো, প্রকল্প বাস্তবায়নকালে আইসিটি ডিভিশনকে যুক্ত করা হবে।

তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় যে কথা সেটি হচ্ছে, দেশের কাজগুলো থেকে দেশিয় কোম্পানিকে নিষিদ্ধ না করে ওদেরকেই কাজ করতে দিতে হবে। বুয়েট, এনজিও বা সরকারি প্রতিষ্ঠানকে বিনা টেন্ডারে কাজ দেওয়া বন্ধ করতে হবে। বড় কাজকে ছোট করে শতভাগ কাজ যাতে দেশিয় কোম্পানি পেতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে।

লেখক তথ্যপ্রযুক্তিবিদ কলামিস্ট দেশের প্রথম ডিজিটাল নিউজ সার্ভিস আবাসএর চেয়ারম্যান সাংবাদিক বিজয় কিবোর্ড সফটওয়্যারের প্রণেতা

 ইমেইল : mustafajabbar@gmail.com

ওয়েবপেজ : www.bijoyekushe.net

১ টি মতামত

  1. MiM SMS said:

    মোস্তফা জাব্বার আমাদের দেশের ডিজিটাল নায়ক। আমার অনেক প্রিয় একজন ব্যক্তি তিনি

*

*

Related posts/