Maintance

স্টার্টআপদের ফান্ডিংয়ে পলিসি হচ্ছে : পলক

প্রকাশঃ ১:৪৭ অপরাহ্ন, জুন ২১, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ২:০৯ অপরাহ্ন, জুন ২১, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : প্রযুক্তি স্টার্টআপদের বড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে এবং তাদের ব্যবসায়িকভাবে রূপান্তর করতে যে ফান্ডিং করা হয় সেজন্য পলিসি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ফান্ডিং পলিসি তৈরি করছি। হয়তো সময় লাগছে। কারণ একটা টেকসই পলিসি করতে সময় নিতে হয়েছে।

পলক বলেন, তবে এটা ঠিক, সারাবিশ্বের কোথাও কিন্তু ভেঞ্চার ক্যাপিটালে সরকার কোনো রোল প্লে করে না। আমরা সেটা করছি, ভেঞ্চার ক্যাপিটালের মতো রোল প্লে করতে যাচ্ছি। যেহেতু আমাদের দেশে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান সেভাবে গড়ে ওঠেনি।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে ‘ন্যাশনাল এক্সিবিশন ফর স্টার্টআপ বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে স্টার্টআপদেরকে বাচাই অনুষ্ঠানে ফান্ডিং নিয়ে পলিসি তৈরির কথা বলেন পলক।

Startup-policy-Palak-Techshohor

পলক বলেন, স্টার্টআপ একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য কিন্তু শুধু দশ লাখ, ২০ লাখ বা এক কোটি টাকায় যথেষ্ট নয়। শুধু ফান্ডিং দিয়ে একটি স্টার্টআপকে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা যায় না।

শুধু টাকা হলে দেশে এমন প্রতিষ্ঠানের অভাব থাকতো না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু টাকা হলে দেশে অসংখ্য স্টার্টআপ তৈরি হতো। কিন্তু স্টার্টআপতো সেটা নয়।

পলিসিতে ফান্ডিংয়ের বাইরেও মেন্টরিং, কোচিং, কো-ওয়ার্কিং স্পেস, এনভায়রনমেন্ট, নেটওয়ার্কিং, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রশিক্ষণের বিষয়গুলো, একজন মেন্টরের সাথে দশজন নেটিভ কিভাবে কাজ করবে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কোলাবোরেশন কি হবে, কিভাবে ইন্টারন্যাশনাল কোলাবোরেশন হবে, নলেজ এক্সচেঞ্জ কিভাবে দরকার এসবগুলো পলিসিতে রয়েছে বলে জানান তিনি।

পলক বলেন, এই কানেকশনগুলোর জন্য ওই পলিসিতে বিস্তারিত বিষয় রয়েছে। এমন কি স্টার্টআপদের কোন স্টেজে কী দরকার এমন সবগুলো নিয়ে এই পলিসি তৈরি করা হয়েছে। এটি এখন প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

ইনোভেশন এক্সিবিশনে মোট ১৭৮ স্টার্টআপ আবেদন করে। সেখান থেকে প্রাথমিকভাবে ৭৬ জনকে নির্বাচন করা হয়। যাদের মধ্যে ৬৩ জন ঢাকায় এবং ১৩ জন যশোরে।

সেখান থেকে চূড়ান্ত নির্বাচিত হয়েছে ২০ স্টার্টআপ। যারা গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাইটেক সিটি এবং যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে নিজেদের উদ্যোগ এগিয়ে নিতে বিনামূল্যে ফ্লোর পাবেন। এছাড়া বিজয়ীরা আইডিয়া প্রকল্পের পরবর্তী ধাপের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকার।

ইমরান হোসেন মিলন

*

*

Related posts/