Maintance

ভবিষ্যৎ শিক্ষা ব্যবস্থার মাইলফলক ফ্রেন্ডশিপ স্কুল : পলক

প্রকাশঃ ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, জানুয়ারি ৩, ২০১৮ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ২:০৫ অপরাহ্ন, জানুয়ারি ৩, ২০১৮

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক দুর্গম চরাঞ্চলে শিক্ষাব্যবস্থা পৌঁছে দিতে ফ্রেন্ডশিপের তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারকে অভাবনীয় বলে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, এমন প্রযুক্তির ব্যবহার পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে একটা নতুন মাত্রা দিয়েছে। ভবিষ্যতে শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এটিকে ফ্রেন্ডশিপের মাইলফলক বলা যায়।

ঢাকায় বসে দেশের দুর্গম চরাঞ্চলে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষা দেওয়া ফ্রেন্ডশিপ স্কুলের সফলতার কথা তুলে ধরতে গিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন কথা বলেন পলক।

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ফ্রেন্ডশিপ আইসিটি-সমর্থ শিক্ষা ব্যবস্থা এবং ফ্রেন্ডশিপ এম-হেলথকে মডেল হিসেবে তুলে ধরেছে। এই মডেল দুটি বাংলাদশের প্রতিটি অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

Friendship_Techshohor

এসময় প্রতিমন্ত্রী ফেন্ডশিপের কাজে সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ‘ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনিউর’ ল্যাব থেকে তাদের সহায়তার আশ্বাস দেন। একইসঙ্গে ফ্রেন্ডশিপের এই সাতটি ডিজিটাল স্কুলে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব থেকে প্রতিষ্ঠা করার কথা্ও জানান।

Symphony 2018

মঙ্গলবার ডেইলি স্টার সেন্টারে ওই সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দা তাহমিনা আক্তার, ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক রুনা খান এবং  পরিচালক, সুশাসন ও শিক্ষা প্রধান আয়েশা তাসিন খান।

ফ্রেন্ডশিপ প্রত্যন্ত চর এলাকায় সাতটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা করে।

দক্ষ শিক্ষকের অভাব, বিদ্যুৎ বা মোবাইল নেটওয়ার্ক কাভারেজের অনুপস্থিতি এবং ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয় পাস করা অধিকাংশ শিক্ষার্থী তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে না। এই বাস্তবতায় ২০১৪ সালে ফ্রেন্ডশিপ একটি শিক্ষা পদ্ধতি ডিজাইন করে যা মূলত তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষা। উদ্দেশ্য ছিল প্রত্যন্ত দূরবর্তী অঞ্চলের মানুষগুলোর জন্য মানসম্মত শিক্ষার ব্যবস্থা করা।

ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা এবং নির্বাহী পরিচালক রুনা খান বলেন, যে চরের ভেতর যেতেই ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা সময় লাগে সেখানকার শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাস করছে। গ্রাম আর শহরের ব্যবধান ভুলে যাচ্ছে। আমাদের তৈরি করা প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার মডেলটির সফলতা দেখে খুব ভালো লাগছে।

আয়েশা তাসিন খান বলেন, এই স্কুলের শুরু থেকেই কমিটমেন্টের দিকে খেয়াল রেখেছি। নিয়মিত খোঁজখবর রাখা, বাবা-মা থেকে শুরু করে সবারই অনেক প্রশ্ন ছিল। টিভি কম্পিউটার কিভাবে আবার শেখাবে! খুব প্রশ্ন ছিল সবার মনে। কিন্তু আজ এই শিক্ষকরাই ওদের কাছে ফিল্ম তারকার মত জনপ্রিয়।

বর্তমানে ফ্রেন্ডশিপের ৭৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চার হাজার ৬৮৬ শিক্ষার্থী রয়েছে। মাধ্যমিকে রয়েছে ২৪৪ শিক্ষার্থী।

ইমরান হোসেন মিলন

*

*

Related posts/